ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাথর খনিতে ভূমিধসে মিয়ানমারে নিহত ৫


পাথর খনিতে ভূমিধসে মিয়ানমারে নিহত ৫

মিয়ানমারে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে একটি পরিত্যক্ত জেড পাথরের খনিতে বিশাল আকারের বর্জ্যে স্তূপ ধসে পড়ে, যার ফলে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ সময় খনিতে মূল্যবান পাথরের খোঁজে কাজ করছিলেন বেশ কয়েকজন শ্রমিক। এই ঘটনায় এখনও অন্তত ১৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের ধসে পড়া আবর্জনার নিচে চাপা পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (৩০ জুন) বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ এক প্রতিবেদনে জানায়, এলাকায় বেশ কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। এর ফলে পুরোনো খনিটিতে থাকা আবর্জনার স্তূপগুলো অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তা ধসে যায়।

আরও পড়ুন: মিষ্টির আসনে উপনির্বাচনের জন্য এমপিদের স্বাক্ষরের তালিকা চায় ইসি

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১৫ জন এখনও নিখোঁজ আছেন। নিখোঁজদের খুঁজে বের করার জন্য খনিতে বর্তমানে উদ্ধার ও খনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রসঙ্গত, রোববার (২৮ জুন) কাচিনের হাকান্ত টাউনশিপে ফ্লাডলাইটের আলোতে প্রায় ২০ জন অনিবন্ধিত জেড আহরণকারী কাজ করছিলেন। আকস্মিক ভূমিধসে তারা মাটির নিচে চাপা পড়েন বলে দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে।

মিয়ানমারের খনিজ আহরণ খাতে নিরাপত্তা ও আইনি বিধিনিষেধ মেনে না চলার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বিশেষ করে, দেশের উত্তর কাচিন রাজ্যে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এই অঞ্চলটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় জেড পাথরের উৎস হিসেবে পরিচিত। প্রতিবেশী চীনসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় আচার ও অন্যান্য কাজে এই পাথরের বিশাল চাহিদা রয়েছে।

২০২১ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির গণতান্ত্রিক সরকারের পতনের পর থেকেই মিয়ানমারে একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সংগ্রামে নিয়োজিত হয়েছে। বর্তমানে মিয়ানমারের বেশ কয়েকটি মূল্যবান পাথরের খনি সরাসরি এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারা খনির থেকে আহরিত সম্পদ ও পাথর বিক্রির মুনাফা দিয়ে নিজেদের যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন করছে।

আরও পড়ুন: সৌদির দাবি, ৫ ড্রোন ধ্বংসের মধ্যে ৪টি মদিনার দিকে ছিল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মস্কোর দিকে আসা ইউক্রেনের ৪৬ ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ পি.এম


মস্কোর দিকে আসা ইউক্রেনের ৪৬ ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত

ঢাকা, ৩০ জুন, ২০২৬ : রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত রাতে মস্কোর দিকে আসা ইউক্রেনের কয়েক ডজন ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছেন রাজধানীর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন।

তিনি মঙ্গলবার বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা বৃদ্ধি করেছে। বিশেষ করে, জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হচ্ছে। যুদ্ধের খরচ মেটাতে ক্রেমলিনের আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে এসব স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

বর্তমান যুদ্ধ এখন পঞ্চম বছরে প্রবাহিত হচ্ছে।

মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ম্যাক্স প্ল্যাটফর্মে সোবিয়ানিন লেখেন, ‘মস্কোর দিকে উড়ে আসা শত্রুপক্ষের ছয়টি ড্রোন রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ভূপাতিত করেছে।’

এখন পর্যন্ত ভূপাতিত ড্রোনের মোট সংখ্যা ৪৬-এ পৌঁছেছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, ‘ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ যেখানে পড়েছে সেখানে জরুরি সেবাকর্মীরা কাজ করছেন।’

এর আগে সোবিয়ানিন বলেন, রাজধানীর দিকে আসা ‘শত্রুপক্ষের ড্রোন’ প্রতিহত করতে, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে।

এর কয়েক দিন আগেই বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যে ইউক্রেনের ৬৬০টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রাশিয়া।

যুদ্ধ শুরুর পর একসঙ্গেই এত বিপুল সংখ্যক ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনা বিরল।

এ ছাড়া গত সপ্তাহে ইউক্রেনের এক হামলায় মস্কোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি তেল শোধনাগারে আগুন লাগে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশেষ অভিযানে যাত্রাবাড়ী থেকে ১৯ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ পি.এম


বিশেষ অভিযানে যাত্রাবাড়ী থেকে ১৯ জন গ্রেপ্তার

রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানা এলাকার বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে সংশ্লিষ্ট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ।

মঙ্গলবার যাত্রাবাড়ী থানার সূত্র থেকে এই তথ্য জানানো হয়।

থানা সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টে যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ এলাকার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করার পর তাদের গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হচ্ছেন— মোহাম্মদ আলী (১৯), মো. লিটন (২৬), মো. সাইফুল (৪০), শফিক আলম (২৯), মো. আজমাইল হোসেন সোহাগ (৪০), মো. সুমন, সাজ্জিদ হোসেন, সেকান্দার মাতবর, সাদ্দাম মাতবর, মো. ইব্রাহিম, মো. রায়হান, মো. জামান শিকদার (৫০), মো. সুজন (৩০), মো. ইমন হাওলাদার (৩০), তানভীর (২২), মো. টিটু শেখ (২৪), মো. রিয়াজ হাওলাদার (২৬), মো. সাইমন (১৯) ও মো. শাওন (২১)।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামির পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরাও রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চায়না দুয়ারি জালের বিস্তার, ডাসারে কমছে দেশীয় মাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


চায়না দুয়ারি জালের বিস্তার, ডাসারে কমছে দেশীয় মাছ

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিলে অবাধে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে দেশীয় মাছের প্রজননের সময় এই সব জালের ব্যবহার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে দিন দিন দেশীয় প্রজাতির মাছ কমে যাচ্ছে এবং জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত অভিযান পরিচালিত না হওয়ার কারণে একশ্রেণির অসাধু জেলে প্রকাশ্যে এই অবৈধ জাল ব্যবহার করছেন। চায়না দুয়ারি জালে ছোট-বড় সব ধরনের মাছের পাশাপাশি মাছের পোনা ও ডিম আটকা পড়ে যাচ্ছে। এজন্য মাছগুলি বড় হওয়ার আগেই নিধন হচ্ছে এবং স্বাভাবিক প্রজনন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা তুহিন মৃধা বলেন, “বর্ষা মৌসুম দেশীয় মাছের প্রজননের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। কিন্তু প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি না থাকার ফলে অসাধু জেলেরা নির্বিঘ্নে চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করছেন। এভাবে চলতে থাকলে একসময় দেশীয় মাছ হারিয়ে যাবে।”

এ পরিস্থিতিতে অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে বছরজুড়ে কঠোর অভিযান পরিচালনা, জাল জব্দ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছে স্থানীয় সচেতন মহল। পাশাপাশি তারা দেশীয় মাছের প্রজনন এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় মৎস্য বিভাগকে আরও সক্রিয় হতে আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ডাসার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রণব কুমার দত্ত বলেন, “জনবল ও অর্থের সংকটের কারণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪০ পি.এম


দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে: মির্জা ফখরুল

সংসদ ভবন, ৩০ জুন, ২০২৬ : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের দ্বারা পরিচালিত যৌথ জরিপ প্রতিবেদন মালটিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১৯ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ ভাগ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি বলেন যে, আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসনে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দ্বারা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আজ সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য সেলিনা সুলতানার টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

এসময় তিনি জানান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ সকল প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে গভীর নলকূপ ছাড়াও পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পুকুর খনন ও পুনঃখননসহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে।

এতে আশা করা যায় যে, বর্তমানে যারা আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছেন ২০২৬ সালের মধ্যে তাদের হার শতকরা ৫ থেকে ৬ ভাগে নেমে আসবে বলেও তিনি জানান।

গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে প্রাপ্ত সফলতা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান যে, এ পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পে (সমাপ্ত) এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পে (সমাপ্ত) এ পর্যন্ত ৮৮ হাজার ২৩৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

অগ্রাধিকার মূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পে (সমাপ্ত) এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩৮ হাজার ৫৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%