ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সিলেট টেস্টের আগে তাইজুলের ফর্ম নিয়ে উদ্বিগ্ন সিমন্স


সিলেট টেস্টের আগে তাইজুলের ফর্ম নিয়ে উদ্বিগ্ন সিমন্স

সিলেট, ৪ নভেম্বর ২০২৬ : বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কয়েকটি ম্যাচে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারায় এই উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

তাইজুলকে দলের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে কোচ সিমন্স স্বীকার করেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর উইকেট না পাওয়ার বিষয়টি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ চার ম্যাচে মাত্র পাঁচ উইকেট পেয়েছেন তাইজুল, যা দলের জন্য উদ্বেগের বিষয়।

সিমন্স বলেন, “হ্যাঁ, এটা সব সময়ই উদ্বেগের বিষয়। কারণ সে আমাদের দলের অন্যতম প্রধান স্পিনার। তাই বিষয়টি উদ্বেগের হওয়াটাই স্বাভাবিক। আমি নিশ্চিত, এটা তার নিজের জন্যও উদ্বেগের।”

আরও পড়ুন: 'নতুন এসেছে তো, একটু এক্সাইটেড', বলেন তাসকিন উইন্ডিজ ব্যাটার সম্পর্কে

তিনি আরও বলেন, “তার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে বোঝা যায়, এটা তার পাশাপাশি দলের জন্যও উদ্বেগের। কারণ, সে এই দলের অন্যতম প্রধান অস্ত্র।”

কাঁধের চোট পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সিমন্স বলেন, বিষয়টি দলের চিকিৎসক দলের কাছ থেকেই জানা উচিত। তিনি জানান, “এ বিষয়ে আপনাদের মেডিকেল স্টাফদের জিজ্ঞাসা করতে হবে। আমি জানি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে তার কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। তবে এরপর থেকে সে ভালোভাবে অনুশীলন করছে। পুরো শক্তি দিয়ে বোলিং করছে এবং গতকালও অনুশীলনে বল করেছে। তাই মনে হচ্ছে না, চোটটি তার পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলছে।”

সিমন্স আরও জানিয়েছেন, তাইজুলের বর্তমান ফর্ম বিবেচনায় দ্বিতীয় টেস্টের একাদশ গঠনের সময় তাঁকে নিয়ে ভাবতে হবে। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি জিততেই হবে। একাদশ থেকে বাদ পড়লে ২০১৫ সালের পর এই প্রথম টেস্ট দলের বাইরে থাকবেন তাইজুল।

সিমন্স বলেন, “এটি এমন একটি বিষয়, যা আপনাকে ভাবতে হবে। কিছুক্ষণ পর যখন আমরা এ নিয়ে আলোচনা করব, তখন বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।

আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের কাছে উড়ে গেল বাংলাদেশ, ১১৩ রানে হার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানহীন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


মানহীন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত উল্লেখ করেছেন, রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের প্রভাব খাটিয়ে মানহীন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া হবে না। চিকিৎসা শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল (বিএমইএসি) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘অ্যাসেসর ট্রেনিং’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নতুন কোনো বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহল থেকে তীব্র চাপ আসছে। তবে মান ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করে কাউকে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া হবে না। হাসপাতাল ছাড়া মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং রোগী না দেখে কেউ চিকিৎসক হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি চলতে পারে না।

দেশে চিকিৎসা শিক্ষার বৈষম্য ও ভৌগোলিক অসম বণ্টন তুলে ধরেন ড. মুহিত। তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ঢাকা বিভাগে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। অন্যদিকে, বাকি সাতটি বিভাগে ভারসাম্যহীনতা স্পষ্ট। সংসদ বা রাজনৈতিক বক্তৃতায় যখন-তখন নিজ জেলা বা উপজেলায় মেডিকেল কলেজ চাওয়ার মতো জনপ্রিয় প্রবণতা পরিহার করে পরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্য কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিকেল এডুকেশনের নিয়ম মেনে অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন না করলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে যাবে। চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা ও আস্থা পুনরুদ্ধার করতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এখন বাধ্যতামূলক।

বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি বিদেশ থেকে পাস করা চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় মাত্র ৩০ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছেন। সন্তানদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে বিদেশে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান যাচাই করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারের ইনানী থেকে সি পার্ল হোটেলের নারী কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


কক্সবাজারের ইনানী থেকে সি পার্ল হোটেলের নারী কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের ইনানী এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে সুমি আক্তার মীম (২৯) নামের এক নারী কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে জালিয়া পালং ইউনিয়নের শফির বিলের ছালামতের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মীম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দক্ষিণখানের কাঁঠালতলা এলাকার কামাল হোসেনের কন্যা।

ভাড়া বাসার মালিক ছালামত উল্লাহ জানিয়েছেন, গত তিন দিন ধরে তার কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। বুধবার সকালে দরজার কড়া নাড়ার পরও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে লোহার দরজা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পায়। এরপর তার মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত নারী ‘সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা (রয়েল টিউলিপ)’-এ গত ১ বছর ধরে কর্মরত ছিলেন।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার জানিয়েছেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিয়েতনাম কি জিডিপিতে ইন্দোনেশিয়ার পর থাইল্যান্ডকেও ছাড়িয়ে যাবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


ভিয়েতনাম কি জিডিপিতে ইন্দোনেশিয়ার পর থাইল্যান্ডকেও ছাড়িয়ে যাবে?

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরে ভিয়েতনামের মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৮.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ২শ’ ৫৯ মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এর ফলে দেশটি ইন্দোনেশিয়াকে ছাড়িয়ে যাবে, যার মাথাপিছু জিডিপি ৫ হাজার ১শ’ ৫৩ ডলার হিসেবে প্রাক্কলিত হয়েছে। এই হিসাব অনুযায়ী, এক দশক আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ প্রবৃদ্ধি নিয়ে ভিয়েতনাম দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে; এ ক্ষেত্রে তার সামনে রয়েছে কেবল সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড।

বিশ্লেষকদের মতে, ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হলো রপ্তানিমুখী উৎপাদনশিল্প, বিশেষ করে ইলেকট্রনিকসসহ উচ্চমূল্য সংযোজনকারী বিভিন্ন শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগ এবং সরকারি অবকাঠামো খাতে ব্যয় বৃদ্ধি। হ্যানয়ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভিয়েতনাউয়ের চেয়ারম্যান হা হোয়াং হপ মন্তব্য করেন, “দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উৎপাদন শিল্পের সম্প্রসারণ এবং সরবরাহব্যবস্থার বহুমুখীকরণে ভিয়েতনাম ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।”

এদিকে, ইন্দোনেশিয়া প্রায় ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হার নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে শীর্ষস্থানে রয়েছে। এ বছর দেশটির জিডিপি ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে, যেখানে ভিয়েতনামের জিডিপি হতে পারে ৫৪ হাজার ২শ’ কোটি ডলার। ভিয়েতনামের লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৮ হাজার ৫শ’ ডলারে উন্নীত করা, যা মোটামুটি থাইল্যান্ডের বর্তমান মাথাপিছু জিডিপির সমান।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক জ্যেষ্ঠ অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবং অর্থনৈতিক পরামর্শক রেমন্ড ম্যালন বলেন, যদি ভিয়েতনামের প্রবৃদ্ধির হার ৮ শতাংশ এবং থাইল্যান্ডের প্রবৃদ্ধির হার ২ থেকে ৩ শতাংশ হয়, তাহলে ভিয়েতনামের জন্য থাইল্যান্ডকে ছুঁতে ২০৩০-এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে তিনি মনে করেন, এমনটি ঘটার সম্ভাবনা কম; বরং থাইল্যান্ডের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়বে। ম্যালনের মতে, ইলেকট্রনিকস ও চিপ তৈরির মতো উদীয়মান শিল্প খাতে থাইল্যান্ডের তুলনায় ভিয়েতনামের উৎপাদন সুবিধা বেশি রয়েছে, যার পেছনে বিপুল পরিমাণ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) কাজ করছে।

হা জানান, গত বছর ভিয়েতনাম প্রায় ২ হাজার ৪০ কোটি ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ পেয়েছে। একই সময়ে সিঙ্গাপুর পেয়েছে ১৫ হাজার ৯০ কোটি ডলার এবং ইন্দোনেশিয়া পেয়েছে ২১ হাজার ৪০ কোটি ডলার। তবে, ১৯৮০-এর দশকে ‘দোই মোই’ বা উন্মুক্ত নীতি গ্রহণের পর এশিয়ার অন্যতম দরিদ্র দেশ থেকে ভিয়েতনাম আমূল পরিবর্তিত হলেও, দেশটি এখনও বহিরাগত অর্থনৈতিক অভিঘাতের ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন বাণিজ্য শুল্ক দেশটির জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। কারণ আমেরিকাই ভিয়েতনামের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। তবে, উচ্চ সাক্ষরতার হার, প্রাথমিক শিক্ষার বিস্তার এবং স্বল্প ব্যয়ে দক্ষতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম শ্রমশক্তি দেশটির অর্থনৈতিক শক্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

হা বলেন, আঞ্চলিক উৎপাদন নেটওয়ার্কে ভিয়েতনামের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা দেশটির দর-কষাকষির সক্ষমতা বাড়াতে, অবকাঠামো খাতে অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত অংশীদারত্ব আকর্ষণ করতে এবং আসিয়ানের সরবরাহব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তুলতে সহায়তা করতে পারে। তাঁর মতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর কৌশলগত সিদ্ধান্তের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে অর্থনৈতিক সহযোগিতার মধ্য দিয়েই ভিয়েতনাম আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার করছে।

আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সাল পর্যন্ত মাথাপিছু জিডিপিতে ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় ভিয়েতনামের সামান্য ব্যবধান বজায় থাকবে। ওই বছর ভিয়েতনামের মাথাপিছু জিডিপি ৫ হাজার ৬শ’ ৫৯ ডলার এবং ইন্দোনেশিয়ার ৫ হাজার ৫শ’ ৫০ ডলার হতে পারে। তবে ম্যালন সতর্ক করে বলেছেন, অর্থনীতির সামগ্রিক আকার ও জনসংখ্যার দিক থেকে ইন্দোনেশিয়া এখনো প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াও শক্তিশালী অর্থনৈতিক পারদর্শিতা দেখাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলালিংক চালু করল ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


বাংলালিংক চালু করল ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’

মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক ‘মুক্ত পে’ নামে একটি ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে, যা দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনকে সহজ ও দ্রুত করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গ্রাহকেরা টাকা পাঠানো, বিভিন্ন পরিষেবার বিল পরিশোধ এবং যেকোনো মোবাইল অপারেটরের নম্বরে রিচার্জ করতে পারবেন। উদ্বোধনী অফারের আওতায় প্রথম তিন মাস টাকা পাঠানো ও বিল পরিশোধের জন্য কোনো চার্জ দিতে হবে না।

বাংলালিংক বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকায় এই প্ল্যাটফর্মটি চালুর ঘোষণা দেয়। গ্রাহকেরা গুগল প্লে স্টোর ও আইওএস অ্যাপ স্টোর থেকে ‘মুক্ত পে’ অ্যাপ ডাউনলোড করে জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। বাংলালিংক গ্রাহকেরা ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে *৫২৫# ডায়াল করে এই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

‘মুক্ত পে’র মাধ্যমে ওয়ালেট থেকে ওয়ালেটে টাকা পাঠানো, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির বিল পরিশোধ এবং সব মোবাইল অপারেটরের নম্বরে রিচার্জ করা যাবে। এছাড়া, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও কার্ড থেকে ওয়ালেটে টাকা যোগ করার সুবিধা এবং বাংলালিংকের বিভিন্ন সেবা ব্যবহারের সুযোগও রয়েছে।

উদ্বোধনী অফারের আওতায় ওয়ালেট থেকে ওয়ালেটে টাকা পাঠানো ও বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রথম তিন মাস কোনো চার্জ নেওয়া হবে না। বাংলালিংক নম্বরে প্রথম তিনবার রিচার্জে গ্রাহকেরা বোনাস পাবেন।

বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওহান বুসে প্ল্যাটফর্মটি চালুর বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, ‘মুক্ত পে’র মাধ্যমে সংযোগ সেবার বাইরেও গ্রাহকদের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বাংলালিংক। স্মার্টফোন বা সাধারণ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ব্যক্তি, মার্চেন্ট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সহজেই ডিজিটাল অর্থনীতির অংশ হতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে যেসব জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ডিজিটাল আর্থিক সেবার আওতার বাইরে রয়েছেন, তাঁদের জন্য ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ ও সহজলভ্য করবে মুক্ত পে। এটি বাংলাদেশে আরও বিস্তৃত ডিজিটাল আর্থিক সেবা চালুর ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ‘মুক্ত পে’র আলাদা মার্চেন্ট অ্যাপও চালু করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা একটি ড্যাশবোর্ড থেকেই নিবন্ধন, গ্রাহকের কাছ থেকে পেমেন্ট গ্রহণ এবং লেনদেনের হিসাব দেখতে পারবেন। জাতীয় কিউআর পেমেন্ট ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর’ প্ল্যাটফর্মটিতে যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। এটি যুক্ত হলে বাংলা কিউআর সমর্থিত বিভিন্ন মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠানে মুক্ত পে ব্যবহার করে লেনদেন করতে পারবেন গ্রাহকেরা।

বাংলালিংকের চিফ ফিনটেক অফিসার দিমিত্রি কাশতানভ বলেন, ‘মুক্ত’ মানে স্বাধীন। প্ল্যাটফর্মটির মূল ভাবনাও সেটি। এত দিন সংযোগ সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ছিল বাংলালিংক। মুক্ত পের মাধ্যমে এখন তাঁদের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিদিনের লেনদেনকে আরও দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য করাই তাঁদের লক্ষ্য।

বাংলালিংকের ডিজিটাল সেবা পোর্টফোলিওতে নতুন সংযোজন হিসেবে মুক্ত পে চালু করা হয়েছে। প্রচলিত টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে ডিজিটাল সেবার পরিসর বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বর্তমানে বাংলাদেশে বাংলালিংকের গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ৪ কোটি। অন্যদিকে পাকিস্তান, কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তান—এই তিন দেশে ভিওনের আর্থিক সেবা প্ল্যাটফর্মগুলোর গ্রাহকসংখ্যা ৫ কোটি ৯০ লাখ।

মুক্ত পের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কে এম জাকারিয়া বলেন, শুরু থেকেই তাঁদের লক্ষ্য ছিল, প্রথম লেনদেন থেকেই সেবাটি দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য করা। একই সঙ্গে সব মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকেরা যাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন, সেটিও নিশ্চিত করতে চেয়েছেন তাঁরা।

বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভিওনের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও মুক্ত পে চালু করা হয়েছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে ২৫ কোটি মার্কিন ডলার প্রাথমিক বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভিওন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%