শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১২ পি.এম
বর্ষীয়ান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী প্রকাশ্যে গরুর মাংস খাওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সম্পর্কে চলছে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনা। এই পরিস্থিতিতে ‘মা’ ধারাবাহিকের জনপ্রিয় চরিত্র ‘ঝিলিক’খ্যাত অভিনেত্রী তিথি বসু বিশ্বজিৎকে সমর্থন জানিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশে আতিথেয়তা ও খাবারের প্রশংসা করে একটি সাক্ষাৎকারে বক্তব্য রাখেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। সেখানে তিনি ঢাকার গরুর মাংস ও ইলিশের প্রতি তার মুগ্ধতার কথা জানান। ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন।
বিশ্বজিতের পাশে দাঁড়িয়ে তিথি বসু একটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি বলেন, "বিশ্বজিৎ কাকু একজন সিনিয়র অভিনেতা এবং মানুষ হিসেবেও অসাধারণ।" তিনি আরও বলেন, "নিজের সততা থেকেই তিনি সত্যি কথাটি বলেছেন।" বাংলাদেশে গিয়ে কে কী খাবেন বা খাবেন না, সেটি একান্তই ব্যক্তিগত বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিথি দাবি করেন, কলকাতার চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অঙ্গনের অনেকেই গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে গরুর মাংস খান। তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, তাদের ধারাবাহিকেও অনেক ব্রাহ্মণ শিল্পী-অভিনেতা ছিলেন, যারা সেটে বসে গরুর মাংস নিয়ে গল্প করতেন।
অভিনেত্রীর দাবি, কলকাতার বিভিন্ন জনপ্রিয় জায়গায় গরুর মাংস বিক্রি হলে সেখানে অনেক হিন্দুকেও তিনি যেতে দেখেছেন। ২০১০ সাল নাগাদ বহু জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও চ্যানেল কর্মকর্তাদেরও বিফ খেতে যেতে দেখেছেন বলে জানান তিথি।
এরপর তিথি আরও বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তার ভাষ্য, "প্রচুর মানুষ গরুর মাংস খান এটাই বাস্তব।" এমনকি মুসলিমদের তুলনায় হিন্দুরাই বেশি বিফ খান বলেও দাবি করেন তিনি। যারা প্রকাশ্যে এ কথা বলেন না, তাদের মধ্যেও অনেকে গোপনে গরুর মাংস খান বলে মন্তব্য করেন তিথি।
তিনি আরও বলেন, "কার কী ধর্ম বা খাদ্যাভ্যাস, সেটি একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়।" একজনের খাদ্যাভ্যাস অন্য কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয় বলেও মত দেন তিনি।
তিথির এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ তার বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন, আবার কেউ খাদ্যাভ্যাসকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখার পক্ষে মত দিয়েছেন। অনেকে তার মন্তব্যকে ‘অপরিণত’ বলেও কটাক্ষ করেছেন।
এদিকে, গরুর মাংস খাওয়া নিয়ে বিতর্কের বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, "আমার পেট, আমার মন, আমার হাত আবার খাবার যে খাব, সে জন্য যে টাকা খরচ হবে, সেটাও তো আমারই!"
তিনি বলেন, "তাহলে আমি কী খাব, কতটা খাব সেটা ঠিক করে দেবে অন্য কেউ? বললেই হলো নাকি?" বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে তিনি জানান, গত ৪ তারিখ গিয়েছিলেন বাংলাদেশে। ৫ তারিখ দেশে ফিরেও এসেছেন। তিনি বলেন, "যাই হোক, আমার এক বোনের জন্মদিনের অনুষ্ঠান উপলক্ষেই গিয়েছিলাম। যেমন আতিথেয়তা পেয়েছি, আমি অভিভূত।"
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের পর আইনি পদক্ষেপের বিষয়েও কথা বলেন বিশ্বজিৎ। তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনি মামলা করেছেন। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন হওয়ায় এ নিয়ে আর বিস্তারিত মন্তব্য করতে চান না বলেও জানান বর্ষীয়ান এই অভিনেতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২২ সালের আদমশুমারির রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে নারীদের তুলনায় পুরুষের সংখ্যা কমেছে। তবে, এখন যে ঘটনা তুলে ধরা হচ্ছে, তা কি ঐ সমীক্ষার ফলাফল, নাকি সামাজিক সচেতনতার অভাবের প্রতিফলন?
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়, দূরত্ব প্রায় এক জেলা থেকে আরেক জেলা। তবুও, দুই বছর ধরে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছে তারা। এখানেই শেষ নয়—তাদের দাবি, মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই নাকি বিয়েও সম্পন্ন করেছেন তারা! যা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে এখন তোলপাড় চলছে। কারণটি জানলে অনেকের চোখ কপালে উঠতে পারে।
ঘটনাটি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার টুপিপাড়া গ্রামে ঘটেছে। জানা যায়, সামাজিক মাধ্যমে প্রায় দুই বছর আগে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ওই তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় কিশোরীর। একপর্যায়ে, পরিবারের কাউকে না জানিয়ে কিশোরী মাদারীপুরে চলে যায়। পরে শ্রীপুর ও রাজৈর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। তবে, সম্প্রতি মাদারীপুরের ঐ তরুণী নিজেই কিশোরীর বাড়িতে অবস্থান নেন।
তারা নিজেদের বিবাহিত বলে দাবি করলেও, কিশোরীর পরিবার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। পরবর্তীতে আবারও পুলিশ এবং ঐ তরুণীর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
দুই বছরের পরিচয়ের পর এক মেয়ে অন্য মেয়ের বাড়িতে ছুটে যাওয়ার ঘটনা এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। পরিবার বলছে, প্রশাসনের সহযোগিতায় বিষয়টির সমাধান চান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আলেকজান্দ্রিয়ায় অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কনস্যুলার সেবা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ দূতাবাস কায়রো দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার ক্যাম্পের আয়োজন করেছে।
দূতাবাসের উদ্যোগে পূর্বনির্ধারিত এই কনস্যুলার ক্যাম্প শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। আলেকজান্দ্রিয়ার গোল্ডেন স্টারস টেক্সটাইল-এ আয়োজিত এই ক্যাম্পটি শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত চলবে।
দূতাবাস জানায়, মিশরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। ফলে আলেকজান্দ্রিয়া ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা কায়রোতে দূতাবাসে যাতায়াত না করেই নিজ এলাকায় প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
ক্যাম্পে ই-পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ, ই-পাসপোর্ট বিতরণ, ট্রাভেল পারমিট, দূতাবাসের পত্র এবং বিভিন্ন ডকুমেন্ট সত্যায়নসহ প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রবাসীদের বিভিন্ন কনস্যুলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করছেন দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আজ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট এবং দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হচ্ছে। শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট এবং দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।
দূতাবাসের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন আলেকজান্দ্রিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা। তারা মন্তব্য করেছেন, কায়রো থেকে দূরবর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য এই ধরনের কনস্যুলার ক্যাম্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে কায়রো যাতায়াতের সময় ও খরচ সাশ্রয় হচ্ছে, পাশাপাশি কর্মব্যস্ততার মধ্যেও নিজ এলাকায় প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
প্রবাসীদের সঙ্গে দূতাবাসের যোগাযোগ আরও জোরদার এবং সেবাকে সহজ ও জনবান্ধব করতে বাংলাদেশ দূতাবাস, গত মাস থেকে রাজধানী কায়রোর বাইরে এমন কনস্যুলার ক্যাম্প আয়োজন করে আসছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মিশরের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসরত হাজার হাজার বাংলাদেশিদের কাছে কনস্যুলার সেবা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে বলেন, "প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা সহজীকরণ এবং তাদের সঙ্গে দূতাবাসের যোগাযোগ আরও জোরদার ও কার্যকর করাই এই ধরনের ক্যাম্প আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।"
তিনি আরও বলেন, "প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকেই তাদের নানাবিধ সমস্যার কথা জানা এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা এই ক্যাম্পের লক্ষ্য।"
আলেকজান্দ্রিয়ায় এবারের কনস্যুলার ক্যাম্পে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। প্রবাসীদের প্রয়োজন ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতেও মিশরের বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরবাসীর স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। সকলকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা ডেঙ্গুতে আর কোনো মৃত্যু চাই না।" মেয়র আরও বলেন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে পারলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। তাই নাগরিকদের নিজেদের আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে এবং তিন দিনে একদিন জমে থাকা পানি ফেলে দিতে হবে।
আজ নগরের পতেঙ্গা থানাধীন কমিশনার ঘাটা, দক্ষিণপাড়া ও বাটারফ্লাই রোড এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন ও নাগরিক সচেতনতামূলক অভিযান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র আরও বলেন, আমাদের বাসাবাড়ি, ছাদ, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচে এবং নির্মাণাধীন ভবনে কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। বর্তমানে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকছে। এ ধরনের জমে থাকা পানিতে অল্প সময়ের মধ্যেই এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করাই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা।
তিনি আরো বলেন, যদি চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোথাও ঠিকমতো ওষুধ ছিটাচ্ছেন না বা কোনো ধরনের গাফিলতি করছেন- এমন অভিযোগ থাকে, তাহলে নাগরিকদের তা জানাতে হবে। ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ করা যাবে। অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উল্লেখ করেন, "যতক্ষণ পর্যন্ত দলটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর নির্বাচনে অংশ নেওয়া বা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার নেই।" তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন। তাদের দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা কিংবা নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আমরা বিব্রতবোধ করি। আইন অনুযায়ী, তাদের কোনো সভা-সমাবেশ করা বা দলীয় কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত স্বৈরাচারী শাসনের সময় দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান ম্যান্ডেট হলো পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। জনগণের রায়েই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।
তিনি আরও জানান, সংশোধিত আইন অনুযায়ী এবার দলীয় মনোনয়ন বা জাতীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না।
এর আগে, শিবগঞ্জ মোকামতলা উপজেলায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিভা অন্বেষণ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং শিবগঞ্জ গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য দুটি স্কুল বাস বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম তাজুল ইসলামসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ