ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষ সরাতে কক্সবাজারে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা


ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষ সরাতে কক্সবাজারে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা

কক্সবাজার জেলার পাহাড়ঘেঁষা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষকে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে।

ছোট একটি জরুরি সভায় সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে এই নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।

সভায় সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণের ব্যবস্থা গ্রহণ করার পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিতভাবে কাজ করা উচিত বলে গুরুত্বারোপ করা হয়।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। তারা চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার জেলায় ২৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। আগামী তিন দিনেও আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জন্য ফায়ার সার্ভিসের নম্বর সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ, এছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দ্রুত একটি কন্ট্রোল রুমের জরুরি নম্বর প্রকাশ করা হবে। বিভিন্ন এলাকায় স্বেচ্ছাসেবকরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে শুকনো খাবার, পুষ্টিকর খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’

তিনি জানান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুমও স্থাপন করা হচ্ছে। জেলার যেকোনো প্রান্ত থেকে জরুরি পরিস্থিতির খবর পাওয়া গেলে এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে দ্রুত সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

জেলা প্রশাসক জানান, এই মুহূর্তে জেলার কোথাও বড় ধরনের পানিবন্দি হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে প্রশাসন সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি আরও জানান, টানা বৃষ্টির কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার সদর পৌরসভা এলাকায় একজনের মৃত্যুর ঘটনারও অধিকার রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমালোচকদের জবাব দিয়ে রোনালদো বললেন, 'কোনো লাভ নেই'

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৪ পি.এম


সমালোচকদের জবাব দিয়ে রোনালদো বললেন,

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছেন। এই বছরের বিশ্বকাপই হবে তার শেষ বিশ্বকাপ, এমনটাই ঘোষণাও দিয়েছেন। তিনি একটি বড় তালিকা তৈরি করেছেন, যেখানে বিশ্বকাপ ব্যতীত প্রায় সব সম্ভাব্য শিরোপাই জেতার কৃতিত্ব রয়েছে পর্তুগিজ মহাতারকার। কিন্তু তাকে নিয়ে সমালোচকদের অভিযোগের শেষ নেই। এবার রোনালদো তাদেরকে কড়া জবাব দিলেন।

রোনালদো বলেন, 'আপনারা গত ২৩ বছর ধরে আমাকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। নিশ্চয়ই এত দিনে বুঝে গেছেন, এতে কোনো লাভ নেই। এটা সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়। তবুও আপনারা চেষ্টা করেই যাচ্ছেন।'

প্রফেশনাল ফুটবলে রোনালদো প্রায় দুই দশক ধরে খেলছেন। দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি পুরো বিশ্বের আলোচনায় রয়েছেন। তাঁর মতে, সমালোচনা এখন আর তার ওপর তেমন প্রভাব ফেলে না।

বিশ্বকাপ জয়ের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত অবস্থান বা অর্জনকে এক করে দেখতে নারাজ ৪০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। তার বক্তব্য, একটি শিরোপা তার ক্যারিয়ারের মূল্য নির্ধারণ করতে সক্ষম নয়, 'বিশ্বকাপ জিতলেই আমি হঠাৎ করে আরও বড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো হয়ে যাব, আর না জিতলে ছোট হয়ে যাব—বিষয়টা মোটেও এমন নয়।'

সমালোচনার প্রসঙ্গে থেকে তিনি আরও জানান, 'বয়স মানুষকে এমন এক পরিপক্বতা দেয়, যা দিয়ে বোঝা যায় জীবনের সবকিছুর গুরুত্ব আপেক্ষিক। ৪০ পার হওয়ার পর আমার বিরুদ্ধে যে সমালোচনা বা আক্রমণ হয়েছে, সেগুলোর জন্য আমি ধন্যবাদই জানাব। কারণ সমালোচনা থেকেই শেখা যায়, বড় হওয়া যায়।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রতি বাউবি উপাচার্যের শ্রদ্ধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৬ পি.এম


অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রতি বাউবি উপাচার্যের শ্রদ্ধা

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

সোমবার সকালে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।

পরে উপাচার্য মন্তব্য করেন যে, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন দেশের একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষক, প্রজ্ঞাবান বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক ও গবেষক। তাঁর শিক্ষা, গবেষণা, সাহিত্য এবং সমাজচিন্তায় অবদান জাতি দীর্ঘদিন স্মরণ করবে। তাঁর চিন্তা ও মূল্যবোধনির্ভর লেখনী এবং আলোকিত সমাজ গঠনে নিরলস সাধনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

উপাচার্য তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এদিকে, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক গত ৫ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন মাসেই চূড়া এবং খাদ দেখলেন স্যামসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৯ পি.এম


তিন মাসেই চূড়া এবং খাদ দেখলেন স্যামসন

জীবন আসলে সত্যিই অত্যন্ত নিষ্ঠুর। এটি যেন চিকন রশির উপর হেঁটে যাওয়া। এক পাশে আছে আনন্দ এবং অন্য পাশে আছে বেদনা, এক পাশে রয়েছে সাফল্য এবং অন্য পাশে রয়েছে ব্যর্থতা। জীবন কখনো একপাশে থাকে, আবার কিছুক্ষণ পরে অন্য পাশে হেলে পড়ে। সেলিব্রেটিরা, বিশেষত যারা খেলাধুলার সাথে যুক্ত, তাদের জন্য এই সত্যটা অনেক বেশি নিষ্ঠুর। ধরুন, আপনি যদি কোনো ফাইনাল ম্যাচের টাইব্রেকারের শেষ শটটি নিচ্ছেন। গোল করতে পারলে আপনি হিরো, সবাই আপনাকে মাথায় তুলে নাচবে। আর যদি সেই শট কপালগুণে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দেয়, তখন আপনি হয়ে যাবেন ভিলেন, সেই গোলরক্ষক হবে হিরো। এ যেন পিলো পাসিং খেলা। অথবা ক্রিকেটের শেষ বলে যদি ৫ রান লাগবে এবং আপনি ছক্কা মেরে দলের জয় এনে দেন, তাহলে আপনি হিরো। কিন্তু সেই একই শট যদি সীমানার কাছে দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হয়; আপনি কিন্তু ভিলেন। আপনার চেষ্টা একইরকম ছিল। পার্থক্যটা হয়তো অতি সামান্য। রশির ওপর দিয়ে হাঁটার মত। কখনো এপাশে তো কখনো ওপাশে।

এই সময়ে ফুটবল বিশ্বকাপে পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো মাঠে ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। তিনি যে জীবনে প্রায় হাজার গোল করে দুই দশক ধরে আপনাকে আনন্দ দিয়েছেন, তা ভুলে গেছেন অনেকেই। পরের ম্যাচে যখন রোনালদো চমৎকারভাবে ফিরে এলেন, গোল করলেন এবং দলকে জয়ী করলেন; সবাই অবাক হয়ে ভাবেন, ৪১ বছর বয়সেও তিনি এত ক্ষিপ্রতা পাচ্ছেন কীভাবে?

আপনি যতই ভালো খেলোয়াড় হোন না কেন, কখনো কখনো ভাগ্যের একটু সহায়তা লাগেই। আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি এখন সর্বকালের সেরাদের একজন। অথচ ২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে টাইব্রেকারে হারের পর তিনি অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। চারটি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠার পরেও শিরোপার স্বাদ পেতে না পারার গ্লানি তাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল। তখন মেসি জাতীয় দলের জার্সির ভার বহন করতে না পারার কারণে নিছক এক ক্লাব খেলোয়াড় হিসেবেই দৃষ্টিগোচর ছিলেন। ভাবুন একবার, যদি তিনি দুই মাস পর অবসর ভেঙে ফিরে না আসতেন, তাহলে আমরা কি এমন একজন সর্বজয়া ফুটবলারের দেখা পেতাম? মেসি নয়, ফুটবল বিশ্বকে কপাল ভালো যে তিনি ফিরে এসেছিলেন।

শৈল্পিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন ব্রাজিলের নেইমার। কিন্তু বারবার ইনজুরির কারণে তার প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ ঘটেনি। এবার বিশ্বকাপে এলেও বেশিরভাগ সময় বেঞ্চে বসেই কেটেছিল তার সময়। নরওয়ের বিপক্ষে ৭০ মিনিট পর মাঠে নেমে তিনি দলের বিদায় ঠেকাতে পারেননি। হেক্সা মিশনের অকাল পরিসমাপ্তির পর মাঠে নেইমারের কান্না অনেককে স্পর্শ করেছে। কিন্তু আপনি যদি দলের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে ইতিহাসের কাছে আপনার কান্নার কোনো মূল্য নেই।

মানুষ বড় নিষ্ঠুর। একটি মুহূর্তের ব্যর্থতায় পূর্বে অর্জিত সব কিছু ভুলে যায়। এমনকি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি করা টেন্ডুলকারের নামও ব্যঙ্গ করে এনডুলকার লেখা হয়েছিল। সাফল্য-ব্যর্থতায় পেন্ডুলামের মতো ঝুলতে থাকা জীবন দেখার সর্বশেষ উদাহরণ ভারতের টি-২০ ফরম্যাটের ওপেনিং ব্যাটসম্যান সঞ্জু স্যামসন।

বিস্তারিত লেখার আগে স্যামসনের সর্বশেষ ৬টি টি-২০ ইনিংসের দিকে নজর দেওয়া যাক। ৫০ বলে অবিচল ৯৭, ৪২ বলে ৮৯, ৪৬ বলে ৮৯, ৪ বলে ৫, ১ বলে ০ এবং ৭ বলে এক রান। প্রথম তিনটি ইনিংস টি-২০ বিশ্বকাপের শেষ তিন ম্যাচে টানা। তৃতীয়টি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতকে ফাইনাল জেতানো। টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। টি-২০ বিশ্বকাপ জয়লাভের পর ভারতের প্রথম সফর ছিল আয়ারল্যান্ডে এবং ইংল্যান্ডে। সঞ্জু স্যামসনের পরের তিনটি ইনিংস আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই সিরিজ এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচের। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে সঞ্জু স্যামসন যে সাফল্যের চূড়া এবং ব্যর্থতার অতল খাদ দেখে ফেললেন, এটি তিনি বিবেচনা করেননি, বেচারা স্যামসন। আসলে স্যামসনই কেন, কারো ঘোর শত্রুও এতটা অভিশাপ দেয়নি নিশ্চয়ই। কিন্তু স্যামসনের কপাল খারাপ, কারণ তার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছিল বৈভব সূর্যবংশী নামের এক বিস্ময়বালক। আইপিএলে ২৩৭ স্ট্রাইক রেটে ৭৭৬ রান করা বৈভবকে বাদ দিয়ে সমালোচনা সামলাতে হচ্ছিল টিম ম্যানেজমেন্টকে।

বৈভবকে দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কাউকে বাদ দিতে হবে। কাকে বাদ দেবেন? উভয়সঙ্কট বুঝি একে বলে। সঞ্জু স্যামসনের সাথে ওপেন করেন যিনি, সেই অভিষেক শর্মা এখন টি-২০ র‌্যাঙ্কিংয়ে ২ নম্বরে। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সিরিজেও তার ব্যাটে রানের জোয়ার। তাই মাত্র তিন ম্যাচের ব্যর্থতার কারণে বৈভবের জন্য জায়গা ছাড়তে হয়েছে স্যামসনকে। স্যামসনকে বাদ দেয়াটা ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের জন্যও ছিল খুব কঠিন। সেই ম্যাচের আগে কোচ গৌতম গম্ভীর দীর্ঘসময় স্যামসনের সাথে কথা বলতে দেখা গেছে। নিশ্চয়ই তিনি দলের অন্যতম সেরা পারফরমারকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন। কিন্তু কোনো মুখের কথায় কি এ বেদনার ক্ষতে প্রলেপ দিতে পারবে?

বৈভবের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কারো কোনো সংশয় নেই। স্যামসনের বাদ পড়াটা অনেককে অবাক করেছে। স্যামসনের বাদ পড়ার খবরটি বিশ্বাস করতে চাইছেন না সাবেক ব্যাটসম্যান সঞ্জয় মাঞ্জরেকার। বৈভবকে দলে দেখে তিনি খুশি। কিন্তু স্যামসনের জায়গায় দেখে তিনি অবাক। 'ভারতের জার্সিতে বৈভবকে দেখা খুবই আনন্দের। তবে স্যামসনের কী হলো! ড্রপড? আপনি কি আমার সঙ্গে মজা করছেন? আমার মনে হয় এটা ইনজুরি। আশা করি ইনজুরি। নইলে এটা হবে সবচেয়ে অদ্ভুত নির্বাচন। বৈভবকে দলে চাইলে স্যামসনকে তিনে খেলানো যেত।' কিন্তু সমস্যা হলো তিনে যিনি ব্যাট করেন ঈশাণ-কিষাণ, যিনি এখন র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে!

ভারতের আরেক সাবেক ব্যাটসম্যান আম্বতি রাঈডুর প্রতিক্রিয়াও একইরকম। নিজের এক্স একাউন্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, 'আসুন সঞ্জু স্যামসনের কথা একটু ভাবি... বৈভবের অভিষেক দেখে খুবই আনন্দ হচ্ছে এবং এটি অবশ্যই উদযাপনের যোগ্য, তবে আসুন আমরা ভুলে না যাই যে মাত্র ৩টি ম্যাচ আগেই সঞ্জু বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন।' জীবন আসলে এমনই। ক্রুর, নিষ্ঠুর, ক্ষমাহীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩০ পি.এম


টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান

টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান চলছে। দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় জনসচেতনতা বাড়ানো এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল পৌরসভার আয়োজনে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সহযোগিতায়, মশক নিধন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যক্রমটি শুরু হয়েছে।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় সোমবার এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ পারভীন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা বাসকোস মিনিবাস মালিক সমিতির আহবায়ক সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ্‌ মোহাম্মদ শাফী ইথেন, টাঙ্গাইল জেলা নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নূর মোহাম্মদ রাজ্য, টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ সরকার, পৌরসভা কর্মচারী ফেডারেশন ঢাকা বিভাগের সিনিয়র সহ সভাপতি উচ্চমান সহকারী মোঃ শাহাদাত হোসেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার সেনেটারি ইন্সপেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান, কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমান, উচ্চমান সহকারী নূরে আলম ভাষানী এবং কর আদায়কারী রঞ্জিত পাল উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, আবাসিক এলাকা, ড্রেন, জলাবদ্ধ স্থান ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় মশক নিধনের ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়। এ সময় আয়োজকরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ার বা যেকোনো স্থানে তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে না দেওয়ার জন্য সকলকে আহ্বান জানান তারা।

নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই। তারা উল্লেখ করেন, ডেঙ্গুমুক্ত টাঙ্গাইল গড়তে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। টাঙ্গাইল পৌরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জনসচেতনতামূলক এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%