ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১১৯ বছরের পুরোনো লজ্জার রেকর্ড হাতছানি দিয়ে ডাকছে পাকিস্তানকে


১১৯ বছরের পুরোনো লজ্জার রেকর্ড হাতছানি দিয়ে ডাকছে পাকিস্তানকে

চলমান ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান যেন খাদের কিনার থেকে সরে আসতে পারছে না। তাদের পারফর্ম্যান্স তিন বিভাগেই অত্যন্ত ম্লান। তবে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় রয়েছে ব্যাটিং। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানের ব্যাটিং ব্যর্থতা এখন শুধুমাত্র ম্যাচের ফলাফলের বিষয় নয়, বরং ইতিহাসের একটি অংশ হয়ে উঠতে পারে। তাদের ব্যাটিং বিপর্যয় এবার ১১৯ বছরের পুরোনো এক লজ্জার রেকর্ডের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।

তিনটি টেস্টে পাকিস্তান একবারও ২০০ রান করতে পারেনি! টেস্ট ক্রিকেটে সর্বশেষ এমন ব্যাটিং দুর্দশা দেখা গিয়েছিল ১১৯ বছর আগে। সেই বিরল লজ্জার রেকর্ডের সামনে এখন পাকিস্তান।

তিন টেস্টের সিরিজে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান কোনো সম্পূর্ণ ইনিংসে ২০০ রান করতে সক্ষম হয়নি। তৃতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ থেমেছে মাত্র ১৩৩ রানে। প্রথম দুই টেস্টেও তারা বড় সংগ্রহের দেখা পায়নি।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

এতে সামনে এসেছে একটি বিরল পরিসংখ্যান। টেস্ট ইতিহাসে সর্বশেষ কোনো দল তিন বা তার বেশি টেস্টের একটি সিরিজে কোনো সম্পূর্ণ ইনিংসে ২০০ রান করতে পারেনি ১৯০৭ সালে। সেই সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিংও ছিল অত্যন্ত বিবর্ণ। তাদের সর্বোচ্চ সম্পূর্ণ ইনিংস ছিল ১৭৮ রান।

অর্থাৎ, যদি পাকিস্তানের তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ২০০ রান না আসে, তাহলে ১১৯ বছর পর আবারও কোনো তিন টেস্টের সিরিজে একটি দল ২০০ রানের গণ্ডি ছুঁতে ব্যর্থ হওয়ার ঘটনা দেখা যাবে।

তৃতীয় টেস্টে পাকিস্তান এখন নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করছে, স্কোরবোর্ডে ৫২ রান নিয়ে, ইতোমধ্যে ২ উইকেট হারিয়েছে। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে তাদের এখন চাই ২৬৮ রান। তবে আপাতত তাদের লক্ষ্য ১৪৮ রান। সেটি হলেই কেবল পাকিস্তান এই লজ্জার রেকর্ড থেকে মুক্তি পাবে।

পাকিস্তানের সামনে তাই এখন শুধুমাত্র ম্যাচ বাঁচানোর লড়াই নয়, বরং ইতিহাস এড়ানোর লড়াইটাও রয়েছে। এখন তাদের সামনে প্রশ্ন একটাই—শেষ ইনিংসে কি তারা ২০০ রান ছুঁতে পারবে?

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামলার পর নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে আবেগঘন বার্তা দিলেন আজমেরী হক বাঁধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


হামলার পর নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে আবেগঘন বার্তা দিলেন আজমেরী হক বাঁধন

ইতালির ভেনিসে হামলার শিকার হওয়ার পর জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন তার কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতা এবং পাশে থাকা মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই কৃতজ্ঞতা জানান।

অভিনেত্রী তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, "জীবন যখন কঠিন সময়ের মুখোমুখি করে, তখন সবসময় মনে রাখবেন অন্য প্রান্তে হয়তো আপনার জন্য সুন্দর কিছু অপেক্ষা করছে।"

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাঁধন লিখেছেন, "কী দীর্ঘ এক যাত্রা ছিল এটি! এমন এক যাত্রা, যেখানে ছিল কঠিন সব মুহূর্ত; ছিল অপমান, হয়রানি, শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়া, এমনকি নিজের মানুষদের কাছ থেকেই পরিত্যক্ত হওয়ার অনুভূতি। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও আমি একটি গভীর সত্য উপলব্ধি করেছি কখনো কখনো সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকেই আসে সবচেয়ে বড় সমর্থন।"

তিনি তার কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ ও ইতালি সরকার, ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাস, ইতালিয়ান পুলিশ এবং উৎসব কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

বাঁধন লেখেন, "যখন আমার সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা ও সমর্থনের প্রয়োজন ছিল, তখন আপনারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। নিজের কিছু মানুষ যখন দূরে সরে গিয়েছিল, তখন এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিই তার শক্তি ও সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছিল।"

এছাড়া, যারা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, খোঁজ নিয়েছেন, দোয়া করেছেন কিংবা একটি ভালো কথা বলেছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতিও হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ঢালিউডের এই অভিনেত্রী।

সবাইকে ভালোবাসার কথা জানিয়ে তিনি শেষ করেন, "আমি আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি।"

৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতেই ইতালিতে গেছেন বাঁধন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ভাই ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় একটি পার্কে গেলে সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী-সমর্থক তার ওপর হামলা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করেন বাঁধন।

ঘটনার পর বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থানীয় প্রশাসন তার পাশে দাঁড়ায়। একই সঙ্গে দেশে-বিদেশে অসংখ্য মানুষ ঘটনার প্রতিবাদ জানান এবং অভিনেত্রীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় বন্ধুর বাসার পাশে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


ঢাকায় বন্ধুর বাসার পাশে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

ঢাকার লালবাগে একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার রুমের পাশের বারান্দায় মাটি খুঁড়ে পুলিশ একটি ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় একজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ৯ নম্বর বিসি দাস স্ট্রিটের ওই ভবনে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

দীর্ঘ সময় অভিযান চালানোর পর শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ভবনের নিচতলার পাশের মাটি খুঁড়ে শেখ ওয়াসিম রনির (৪৩) নামে ওই ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

লালবাগ থানা পুলিশ মো. মাসুম চৌধুরী নামে একজনকে আটক করেছে এই ঘটনায়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, তিন লাখ টাকা সুদে নেওয়ার কারণে বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করে মাটির নিচে চাপা দেওয়া হয়েছে।

নিহতের স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওয়াসিম রনি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আটক মাসুম চৌধুরী ইমিটেশন জুয়েলারির ব্যবসা করতেন। যে ভবনের পাশে ওয়াসিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেই ভবনের নিচতলায় মাসুমের পাইকারি কারখানা ছিল।

মাসুমের দুলাভাইয়ের দাবি, প্রায় আট মাস আগে ওয়াসিম রনির কাছ থেকে মাসুম তিন লাখ টাকা নিয়েছিলেন। ওই টাকার বিপরীতে প্রতি মাসে ৩৫ হাজার টাকা করে সুদ দেওয়ার কথা ছিল। পরে তিন লাখ টাকা পরিশোধের বিষয়টি নিয়ে ওয়াসিম রনির সঙ্গে মাসুমের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

তিনি জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে পাওনা টাকা চাইতে ওয়াসিম রনি মাসুমের ব্যবসায়িক কক্ষে যান। সেখানে টাকা চাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হলে মাসুম ওয়াসিমের মাথায় ঘুষি মারেন বলে দাবি করেন তিনি। পরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ওয়াসিম অচেতন হয়ে পড়ে যান বলেও জানান তিনি।

মাসুমের দুলাভাই আরও জানান, পরে পুলিশের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ওয়াসিম অচেতন হয়ে পড়ে যাওয়ার পর তাকে ভবনের পাশের মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়। ওই স্থানেই মাটি দিয়ে মরদেহটি চাপা দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। শুক্রবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ওয়াসিমের মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের স্ত্রীর ভাই মুরাদ হোসেন জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ওয়াসিমের যোগাযোগ হয়। ওই দিন তিন লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে একটি চেক দেওয়ার কথা ছিল বলে তারা জানতে পারেন। তার বড় বোনের স্বামীর সঙ্গে ওয়াসিমের ভালো সম্পর্ক ছিল এবং তাদের ব্যবসায়িক লেনদেনের বিষয়টিও তিনি জানতেন বলে জানান মুরাদ।

মুরাদ হোসেন বলেন, ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরের পর থেকেই ওয়াসিমের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি জানার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজতে শুরু করেন। একই সঙ্গে ওয়াসিমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন তারা। একপর্যায়ে অভিযুক্ত মাসুমের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। মাসুমের স্ত্রী ওয়াসিমের বিষয়ে কোনো খোঁজ জানেন না বলে জানান। তিনি শুধু বলেন, ওয়াসিম বাসায় এসেছিলেন, পরে চলে গেছেন।

কোনো সন্ধান না পেয়ে একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা লালবাগ থানায় গিয়ে ওয়াসিম নিখোঁজের বিষয়ে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্নভাবে ওয়াসিমের সন্ধান চালানো হয়।

মুরাদ হোসেন জানান, একপর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, ওয়াসিমকে হত্যা করে একটি ভবনের নিচতলার পাশের মাটির নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। পরে ওই স্থানে অভিযান চালিয়ে মাটি খুঁড়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মুরাদ হোসেনের অভিযোগ, ওয়াসিমের মরদেহ লুকিয়ে রাখতে আট বস্তা মাটি এনে বাসার পাশে তাকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, তার বোনের স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। এখন তার বোন ও পরিবারের কী হবে—এ নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। তার ভাষ্য, তিন লাখ টাকা নেওয়ার পর প্রতি মাসে ৩৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও টাকা পরিশোধ করা হয়নি। পরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নিহতের স্বজনদের আরও অভিযোগ, ওয়াসিমকে হত্যার পর তার হাত-পা বেঁধে মাটির নিচে চাপা দেওয়া হয়েছিল। তবে তার শরীরে আঘাতের ধরন, মৃত্যুর কারণ এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে—এসব বিষয়ে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ হওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) তালেবুর রহমান জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর রনি নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্বজনরা থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নিচতলার পাশের মাটির নিচ থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ডিসি তালেবুর রহমান আরও জানান, এ ঘটনায় মোহাম্মদ মাসুম চৌধুরীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ আছে কিনা, হত্যার প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৌরনদীতে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


গৌরনদীতে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১

বরিশালের গৌরনদীতে তাসবিহ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় মো. আরাফাত আকন বাবু নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। এই দুর্ঘটনায় মো. আসাদ সিকারী নামের একজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের সময় উপজেলার আশোকাঠি ব্রিজের ঢালে ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোঃ আরাফাত আকন বাবু গৌরনদী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মোঃ হানিফ আকন মাস্টারের পুত্র। আহত মো. আসাদ সিকারী একই ওয়ার্ডের অধিবাসী, যার পিতার নাম এসকেন্দার শিকারী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, ঢাকা থেকে কুয়াকাটাগামী তাসবিহ পরিবহনের বাসটি বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুজন গুরুতর আহত হন। সংঘর্ষের পর আরাফাত আকন বাবু ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত আসাদ সিকারীকে উদ্ধার করে গৌরনদীর আশোকাঠি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা তাসবিহ পরিবহনের বাসটিকে আটক করে গৌরনদী মডেল থানার এএসআই মিঠুন ও তার সহযোগীদের কাছে হস্তান্তর করে।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ তারিক হাসান রাসেল জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ পি.এম


২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

২০২৭ সালের পবিত্র হজের নিবন্ধন কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, হজযাত্রীদের নিবন্ধন আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-২ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জনের নিবন্ধনের কথা বলা হয়েছে।

হজের নিবন্ধন কার্যক্রম গত ২৭ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হলে, বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এরপর চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যার ভিত্তিতে সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসার আবেদন, টিকাদান, হজ প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

নিবন্ধন ও হজসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজবিষয়ক ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%