ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাবির জুলাই-৩৬ হলে ৪৬ নারী শিক্ষার্থীকে কৃতি সংবর্ধনা


রাবির জুলাই-৩৬ হলে ৪৬ নারী শিক্ষার্থীকে কৃতি সংবর্ধনা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) জুলাই-৩৬ হলে ৪৬ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে হলটির অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় হলরুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনকারী ৪৬ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন: বিসিএস গেজেটবঞ্চিতদের অনশন থেকে ছাত্রলীগের ৪ নেতাকর্মী আটক

অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করে জুলাই-৩৬ হলের অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাজনুর বর্ণ বলেন, "এত সুন্দর একটি আয়োজন করার জন্য হল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল হিসেবে এই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি। এই সাফল্যের জন্য আমাদের যে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে, তা ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।"

একই হলের ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নিশাত আনজুমান মিতা বলেন, "এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য হল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। বিভাগে প্রথম হতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত। তবে এই অর্জন শুধু আমার একার নয়—আমার শিক্ষক, পরিবার ও সহপাঠীদের সহযোগিতা এবং অনুপ্রেরণারও ফল। এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।"

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, "প্রতিটি বিভাগেই নারী শিক্ষার্থীরা ভালো করছে। বেশিরভাগ বিভাগে প্রথম দিকের সিরিয়ালে মেয়েদের উপস্থিতি বেশি। এটি নারীদের জন্য খুবই ইতিবাচক একটি দিক। একসময় নারীদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হতো। এখন সেখানেই তারা ভালো করছে। এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আজ যারা পুরস্কৃত হলেন, তাদের জন্য শুভকামনা রইল।"

তিনি আরও বলেন, "আমি আশা করি, আপনারা জুলাই-৩৬ হলকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যাবেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের সামনে তুলে ধরবেন। পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমানভাবে অবদান রাখবেন।"

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা জারি

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, "আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা খুব ভালো করছে। এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। তারা বিভাগের নাম, হলের নাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। সবার জন্য শুভকামনা রইল।"

জুলাই-৩৬ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. লাভলী নাহার বলেন, "আমাদের কৃতি শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবে আজকের এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে সাফল্য লাভে অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমরা আশা করি, তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জুলাই-৩৬ হলের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে এবং ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।"

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন-বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহবায়ক অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম, শাহ মাখদুম হলের প্রাধ্যক্ষ ড. সারওয়ার জাহান, বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট ড. শরমিন হামিদ, মন্নুজান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. আশিয়ারা খাতুন, রহমাতুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মোসা. ইসমত আরা বেগম, রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ ড. সাবিনা সুলতানা, তাপসী রাবেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ ড. তারান্নুম নাজসহ জুলাই-৩৬ হলের শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

আরও পড়ুন: ঢাবিতে গেজেটবঞ্চিতদের অনশন থেকে আটক ৪ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ বছরের ডাক্তারি পেশা ছেড়ে রুটি বিক্রিতে সুখী নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


২০ বছরের ডাক্তারি পেশা ছেড়ে রুটি বিক্রিতে সুখী নারী

চীনের একজন নারী দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ডাক্তারি পেশায় কাজ করেছেন। তিন বছর আগে তিনি হঠাৎ করে এই পেশা ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর তিনি একটি স্টিমড বান বা ভাপা পুরভরা রুটির দোকান খুলে বসেন।

সময়ের সাথে সাথে তার দোকানটি শুধু টিকেই থাকেনি, বরং প্রতিযোগিতাপূর্ণ খাদ্যশিল্পে রীতিমতো সফল ব্যবসা করেছে। এই সাফল্যের কারণে তিনি জুলাই মাসে দ্বিতীয় একটি শাখাও খুলেছেন।

চাংজিয়াং ডেইলিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৪৮ বছর বয়সী দং মিন বলেন, “ডাক্তার থাকার সময় প্রায়ই মনে হতো, চাকরি ছেড়ে দিই। এখন বানের দোকান চালাতে গিয়ে আমি ব্যস্ত আর ক্লান্ত থাকি, কিন্তু এত খুশি যে থামতে ইচ্ছে করে না।”

২০২৩ সালে হুবেই প্রদেশের উহানে বান বিক্রির দোকান খুলে ব্যাপক আলোচনায় আসেন দং। এর আগে তিনি ২০ বছর ধরে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেছেন।

১৯৯৯ সালে উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল স্কুল থেকে পাস করার পর দং শেনজেনে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। কিছু বছর পরে তিনি উহানে ফিরে এসে মায়ের বেসরকারি ক্লিনিক চালাতে সাহায্য করেন।

মা অবসর নেওয়ার পর তারা ক্লিনিক বন্ধ করে দেন। এরপর তারা হুবেইয়ের আরেক শহর তিয়ানমেনে নিজেদের জন্মস্থানে ফিরে যান। সেখানে দং একটি ছোট কমিউনিটি হাসপাতালে ডাক্তার এবং আইনি প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন।

দং বলেন, “ডাক্তার হিসেবে আমার ওপর বেশ মানসিক চাপ ছিল। রোগী দেখার পাশাপাশি আমাকে অনেক শক্তি খরচ করতে হতো চিকিৎসাবহির্ভূত বিষয় নিয়ে। যেমন সরকারি নানা সংস্থার ঘন ঘন পরিদর্শন সামলানো। এটা সবার জানা যে চীনে হাসপাতাল ও রোগীর সম্পর্ক প্রায়ই উত্তেজনাপূর্ণ থাকে। চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো বিরোধ হলে পুরো দায় আমার ওপরই পড়ত, কারণ আমি ছিলাম হাসপাতালের আইনি প্রতিনিধি।”

আগের কাজের তুলনায় দং বলেন, এখন দিনে ১০ ঘণ্টার বেশি কাজ করলেও তার কোনো মানসিক চাপ নেই।

বান বিক্রির ব্যবসায় তার আগ্রহ ২০২৩ সালে জন্মায়। তার এক বন্ধুর পরিবারের একই ধরনের দোকান ছিল, তা দেখেই তিনি অনুপ্রাণিত হন।

শুরুতে দং একটি বানের দোকানে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু হঠাৎ সেই দোকানের রাঁধুনি চাকরি ছেড়ে দিলে দং নিজেই বান বানানো শেখার দায়িত্ব নেন। দ্রুতই তিনি এই কাজে দক্ষ হয়ে ওঠেন এবং এতে আনন্দও খুঁজে পান।

শেষ পর্যন্ত দং সিদ্ধান্ত নেন, ডাক্তারি পেশা ছেড়ে পুরোপুরি বানের দোকানেই মনোযোগ দেবেন।

শুরুতে তার পরিবার এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিল। কারণ চীনে চিকিৎসকের পেশাকে ঐতিহ্যগতভাবে ‘সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ’ পেশা হিসেবে দেখা হয়। জবাবে দং বলেন, “আমার বয়স প্রায় ৫০ বছর হতে চলেছে, আর আমি অনেক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছি। অন্যরা আমাকে নিয়ে কী ভাবল, তাতে আমার কিছু যায়-আসে না। আমি শুধু এমন একটা জীবন কাটাতে চাই, যা আমি ভালোবাসি, নিজের জন্য বাঁচতে চাই।”

ধীরে ধীরে তার মা ও ভাই তাকে সমর্থন করতে শুরু করেন। মাঝেমধ্যে তারা দোকানেও সাহায্য করেন।

দং বলেন, “জীবনে চূড়ান্ত কোনো উত্তর নেই। বদল আনার জন্য কখনোই দেরি হয় না।” তিনি আরও বলেন, “আমি যতদিন চলাফেরা করতে পারব, ততদিন আমার বানের দোকান চালিয়ে যেতে চাই।”

চীনে রোগীর অতিরিক্ত চাপ এবং ভারী প্রশাসনিক কাজের কারণে চিকিৎসকরা প্রায়ই শারীরিক ও মানসিকভাবে চরম ক্লান্ত হয়ে পড়েন।

দং এমন একটি বাড়তে থাকা প্রবণতার উদাহরণ, যেখানে চিকিৎসকরা তাদের পেশা ছেড়ে এমন কাজে যাচ্ছেন, যা কেউ কেউ কম মর্যাদার মনে করতে পারেন।

২০২৪ সালে ঝেজিয়াং প্রদেশের ইউউ শহরের একটি বড় হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ১৩ বছর কাজ করা একজন চিকিৎসকও চাকরি ছেড়ে রাস্তার পাশে খাবারের দোকান দেন। তিনি জানান, দোকান থেকে তার আয় আগের চেয়ে অনেক বেশি। আগে তিনি মাসে ১০ হাজার ইউয়ানের কম আয় করতেন, যা প্রায় দেড় হাজার মার্কিন ডলারের সমান।

চীনের চিকিৎসকদের জন্য একটি সামাজিক মাধ্যম পাতা ‘শিং লিন ইউয়ান কমিউনিটি’ এ বিষয়ে মন্তব্য করেছে। তারা বলেছে, “ডাক্তাররা শুধু শারীরিক ক্লান্তিতেই ভোগেন না, তারা মানসিক ক্লান্তিতেও ভোগেন। এটা কোনো ব্যক্তির সমস্যা নয়, পুরো খাতের কাঠামোগত সমস্যা।” তারা আরও বলে, “তাদের শেষ না হওয়া চিকিৎসাবহির্ভূত কাজ সামলাতে হয়, রোগীর অভিযোগের ঝুঁকি নিতে হয়। অথচ তাদের আয় তাদের দীর্ঘ শিক্ষা আর পরিশ্রমের তুলনায় যথেষ্ট নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিউবা এরইমধ্যে ‘পতনের মুখে’, দাবি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ এম


কিউবা এরইমধ্যে ‘পতনের মুখে’, দাবি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও দাবি করেছেন যে, কিউবা ইতোমধ্যেই ‘পতনের মুখে’ রয়েছে। তার মতে, দেশটির অর্থনীতি কার্যকর নয় এবং সরকার জনগণের জন্য কার্যকরভাবে কাজ করতে পারছে না।

স্থানীয় সময় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিও এসব মন্তব্য করেন।

রুবিও বলেন, কিউবার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দেশের মানুষের জন্য উল্লেখযোগ্য কোনো সুফল বয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। তার মতে, দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যেতে পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি মন্তব্য করেন, ‘সত্য হলো, কিউবা এরই মধ্যে পতনের মুখে। দেশটির কার্যকর কোনো অর্থনীতি নেই। আর যারা দেশ পরিচালনা করছেন, তারা এখনো এমন এক বিপ্লবের কথা বলে চলেছেন, যার মৃত্যু ঘটেছে ২০ বছর আগেই।’

কিউবার বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, এটি একটি কার্যকর অর্থনীতি বা সরকার—কোনোটিই গড়ে তুলতে পারেনি। তার ভাষায়, ‘কিউবা সব অর্থেই একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র।’

কিউবার অর্থনৈতিক সংকটের উদাহরণ হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটির নাগরিকদের বিদেশে পাড়ি জমানোর বিষয়টিও তুলে ধরেন।

তিনি দাবি করেন, ২০২১ সাল থেকে কিউবার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ দেশ ছেড়ে চলে গেছে। তার মতে, এই ব্যাপক অভিবাসন দেশটির ‘সম্পূর্ণ ব্যর্থতার’ই পরিণতি।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করে কিউবা ভিন্ন একটি পথ বেছে নেবে।

রুবিওর মতে, কিউবার বর্তমান পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন ঘটানোর জন্য শুধু অর্থনৈতিক সংস্কার যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক স্বাধীনতাও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কিউবায় আগে রাজনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সম্ভব নয়।’

তার মতে, দুটি পরিবর্তন অন্তত একই সময়ে এগিয়ে নিতে হবে এবং এর জন্য একটি পরিবর্তনকাল প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলাউড়ায় গুদাম থেকে ৬৮৩ বস্তা চাল উদ্ধার, নিখোঁজ ১১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎আহমেদ আক্তার রানা ‎কুলাউড়া প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


কুলাউড়ায় গুদাম থেকে ৬৮৩ বস্তা চাল উদ্ধার, নিখোঁজ ১১৭

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় একটি গুদাম থেকে ৬৮৩ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। আশুগঞ্জ থানার একটি মামলার তদন্তের সূত্র ধরে কুলাউড়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
‎
‎মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি পরিবহনের মাধ্যমে পাঠানো ৮০০ বস্তা চালের মধ্যে ৬৮৩ বস্তা চাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ১১৭ বস্তা চালের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
‎
‎আশুগঞ্জ থানার এসআই নাজমুল হোসেন বলেন, “৮০০ বস্তা চালের মধ্যে আমরা ৬৮৩ বস্তা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এর মধ্যে ১১৭ বস্তা চাল কম রয়েছে।”
‎
‎কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, আশুগঞ্জ থানার মামলা নং-২৭(৯), ২০০৬ ইং, দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ৩৮১ ও ৪৪০ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ কুলাউলা থানা পুলিশের সহযোগিতা চাইলে পুলিশ উপজেলার ঢুলিপাড়া (রসুলপুর বাজার) এলাকার একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে ৬৮৩ বস্তা চাল উদ্ধার করে।
‎
‎উদ্ধার করা চাল পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনায় নিখোঁজ ১১৭ বস্তা চালের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
‎

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দীন (র.) হযরত শাহজালাল (র.)-এর সঙ্গী ও সিলেট অভিযানের প্রধান সেনাপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দীন (র.) হযরত শাহজালাল (র.)-এর সঙ্গী ও সিলেট অভিযানের প্রধান সেনাপতি

সিলেটের ইতিহাসের সঙ্গে যাঁদের নাম গভীরভাবে জড়িয়ে আছে, সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দীন (র.) তাঁদের অন্যতম। তিনি ছিলেন একজন সুফি সাধক ও সামরিক নেতা। ঐতিহাসিক বর্ণনায় তাঁকে বাংলার সুলতান শামসুদ্দীন ফিরোজ শাহের বাহিনীর সিপাহসালার বা প্রধান সেনাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
🌿 জন্ম ও পরিচয়
প্রচলিত জীবনী ও ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, সৈয়দ নাসির উদ্দীন (র.) বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি সৈয়দ বংশের সন্তান ছিলেন। তাঁর পিতা হিসেবে হাসান আল-আরাবির নাম পাওয়া যায়। পরবর্তীকালে তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে এসে সামরিক ও আধ্যাত্মিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত হন।
তাঁর জীবনের সময়কাল নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে কিছু পার্থক্য রয়েছে। তাই জন্মসাল বা মৃত্যুসালকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উল্লেখ না করাই অধিক সতর্কতার বিষয়।
⚔️ সিলেট অভিযানে ভূমিকা
১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে সিলেটের রাজা গৌড় গোবিন্দের বিরুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর অভিযান পরিচালিত হয়। প্রথম দিকের অভিযানগুলো সফল না হওয়ায় সুলতানের পক্ষ থেকে সৈয়দ নাসির উদ্দীন (র.)-এর নেতৃত্বে নতুন সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়। পরে হযরত শাহজালাল (র.

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%