বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৮ এম
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উদ্যোক্তাদের সংগঠন ‘ফুলবাড়ী যুব উদ্যোক্তা পরিবার’-এর উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টায় তিনদিনব্যাপী পণ্য প্রদর্শনী ও উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ হাছান।
ফুলবাড়ী যুব উদ্যোক্তা পরিবারের সভাপতি নারী উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মী কংকনা রায়ের সভাপতিত্বে এবং কোষাধ্যক্ষ নারী উদ্যোক্তা আইরিন আক্তার হিরার সঞ্চালনায় আয়োজিত উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সারোয়ার হাসান, মৎস্য কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার, ভেটেনারী সার্জন ডা. সজীব হাওলাদার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রীতা মন্ডল, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, আইসিটি অফিসার তাসলিমা খাতুন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী সোহানুর রহমান সোহান, একাডেমিক সুপারভাইজার শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ হাছান মন্তব্য করেন, ‘ফুলবাড়ী যুব উদ্যোক্তা পরিবার’ এর আয়োজন অনেকের উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী করে তুলবে এবং কর্মমূখী করবে।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে উদ্যোক্তা তৈরির পাশাপাশি তরুণ-তরুণীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দেশীয় পণ্যের প্রচার ও বাজার সম্প্রসারণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধিই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। নতুন উদ্যোক্তাদের নিজেদের পণ্য প্রদর্শন ও ক্রেতাদের কাছে সরাসরি পৌঁছানোর সুযোগও এ মেলার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফুলবাড়ী যুব উদ্যোক্তা পরিবারের সভাপতি নারী উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মী কংকনা রায় এবং কোষাধ্যক্ষ নারী উদ্যোক্তা আইরিন আক্তার হিরা জানান, ঘরে ঘরে উদ্যোক্তা থাকলেও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা, পুঁজি ও সহযোগিতার অভাবে অনেকেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে এগোতে পারছেন না। সকল উদ্যোক্তাদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য মেলার আয়োজন করা হয়েছে। উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারিভাবে সহজ শর্তে ক্ষুদ্রঋণ, প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও বাজারজাতকরণ সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবস ও সরকারি আয়োজনে উদ্যোক্তা মেলার সুযোগ সৃষ্টি হলে স্থানীয় পণ্যের প্রচার ও বাজার সম্প্রসারণ হবে।
তারা আরও বলেন, ফুলবাড়ীর সব উদ্যোক্তাকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনদিনব্যাপী এ মেলায় দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেশীয় পণ্য দেখতে ও পছন্দের পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।
মেলায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ১৫ জন তরুণ-তরুণী উদ্যোক্তা ১৩টি স্টলে নিজেদের তৈরি ও বিপণনযোগ্য পণ্য নিয়ে অংশগ্রহণ করছেন। স্টলগুলোতে হস্তশিল্প ও হাতে তৈরি কাপড়, বিভিন্ন ধরনের গহনা, ঘরবাড়ি সাজসজ্জার সামগ্রী, দেশীয় পণ্যসহ নানা ধরনের মুখরোচক খাবার স্থান পেয়েছে। ব্যতিক্রমী ও নান্দনিক এসব পণ্য দেখতে এবং কিনতে মেলায় আগ্রহী মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষসহ উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে থ্রি-ইন-ওয়ান পদ্ধতিতে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা ভুমি অফিস এবং নাচোল পৌরসভা পরিচালিত হচ্ছে এক ইউএনও দ্বারা। এর ফলে নাচোল পৌরসভা ও উপজেলা ভুমি অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে লক্ষাধিক মানুষের জীবনযাত্রা চরম ভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে। নাচোল উপজেলা ভুমি অফিসে সহকারি কমিশনার (ভুমি) না থাকার কারণে জমির নামজারি করতে গিয়ে অনেক ভুক্তভোগী দিনের পর দিন ঘুরে কাজ না হওয়ার অভিযোগ করছেন। অন্যদিকে, মাসের পর মাস ধরে নাচোল পৌরসভায় সুপেয় পানির সংকট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং মশক নিধন অভিযান বন্ধ থাকায় ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে পৌর এলাকার বাসিন্দারা।
সূত্র অনুযায়ী, পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, পাম্প রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রতিস্থাপনের অভাবে পৌরসভার ১, ৩, ৫, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর, শিবপুর শিয়ালা, মুরাদপুর এবং রেল স্টেশন এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, এলাকায় হস্তচালিত নলকুপ না থাকায় পৌরবাসীকে দূর-দূরান্ত থেকে বিকল্প উপায়ে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এই অবস্থায় তীব্র গরমে সুপেয় পানির সংকট গৃহস্থালিসহ দৈনন্দিন স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে।
পৌরসভার প্রধান সড়কসহ অভ্যন্তরীণ ড্রেনেজ ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান না হওয়ায় পলি ও বর্জ্য জমে ভরাট ও অচল হয়ে পড়েছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা। সামান্য বৃষ্টিতেই পৌর এলাকায় কৃত্রিম জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। এছাড়া, গত ৮-৯ মাস ধরে পৌর এলাকায় মশক নিধন ও ফগার মেশিন পরিচালনা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এর ফলে জমে থাকা ড্রেনের পানিতে মশার বংশবৃদ্ধির পাশাপাশি ডেঙ্গু, ডায়রিয়া এবং অন্যান্য পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বিরাজ করছে।
নাচোল পৌরসভার বর্তমান প্রশাসক উপজেলা প্রশাসন ও ভুমি অফিসের দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় পৌর কার্যালয়ে নিয়মিত সময় দিতে না পারায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশন সনদ এবং অন্যান্য জরুরি কাগজপত্র পেতে সেবাগ্রহীতাদের দিনের পর দিন ঘুরতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাজে নাগরিকরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
পৌরবাসীর দাবি, অবিলম্বে পাম্প ও পানি সরবরাহ লাইন সংস্কার, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, মশক নিধন ও ওষুধ ছিটানো এবং জন্ম নিবন্ধনসহ অন্যান্য নাগরিক সেবা দ্রুত নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পৌরবাসী।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা দাস জানান, একজন করামকর্তা দিয়ে সরকারের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে গিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ছন্দপতন ঘটতে পারে, তবে যথাযথভাবে নাচোলের নাগরিকসেবা প্রদানের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের অভয়নগরে আত্মসাতকৃত টাকা ফেরত পাওয়ার এবং ফেসবুকে অপপ্রচার বন্ধের উদ্দেশ্যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. নুরুজ্জামান রিপন, যিনি নওয়াপাড়ার একজন ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান রিপন তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, নওয়াপাড়া স্টেশন বাজার এলাকায় ‘জেপিএন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল’ নামে তার একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিনি দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কয়লা, গম, খাদ্যশস্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা সুনামের সঙ্গে পরিচালনা করছেন। হঠাৎ করে, অভয়নগর উপজেলার একতারপুর গ্রামের আমির আলী বিশ্বাসের ছেলে আবুল হাসান নওয়াপাড়া স্টেশন বাজার এলাকায় ‘বিন হাসান’ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালু করেন। বর্তমানে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে উক্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি বন্ধ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিন হাসান নামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালুর আগে আবুল হাসান তার প্রতিষ্ঠানের মালামাল ক্রয় করতেন। ক্রয়ের সূত্রে তিনি তার প্রতিষ্ঠান থেকে সাড়ে ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে নওয়াপাড়া ছেড়ে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে আত্মসাতকৃত টাকা ফেরত চাইলে আবুল হাসান তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা, কাল্পনিক ও বানোয়াট অপপ্রচার শুরু করেন। এই অপপ্রচার তার দেড় যুগের ব্যবসায়ী সুনামকে ক্ষুণ্ণ করছে। সম্প্রতি, আবুল হাসান ফেসবুকে তাকে এবং তার পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন। এই কারণে তিনি পরিবারের নিরাপত্তার জন্য অভয়নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে বাধ্য হয়েছেন। এছাড়া, আবুল হাসানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
মো. নুরুজ্জামান রিপন সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য আবুল হাসানের মতো একজন ভয়ংকর প্রতারক ও অর্থ আত্মসাতকারীকে আটক করে দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করতে হবে।
অন্যদিকে, আবুল হাসান সকল অভিযোগ অস্বীকার করে মুঠোফোনে বলেন, ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান রিপন তার কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন। তিনি জানান, ধারের টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত ফেসবুকে অপপ্রচারের পাশাপাশি তাকে নওয়াপাড়ার মাটি থেকে নিশ্চিহ্ন করার সব ধরনের কাজ অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুর জেলার মেলান্দহ ফাউন্ডেশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে নতুন অফিসের উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন কাযালয় উদ্বোধনের এই অনুষ্ঠানটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠার দুই বছর পূর্তি উদযাপনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।
এই উপলক্ষে ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্সের তিন তলায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউএনও জিন্নাতুল আরা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, দৈনিক ইত্তেফাক সংবাদদাতা শাহ জামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেলান্দহ সমাজসেবা অফিসার আরিফুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আলহাজ হামিদুল হক বিএবিএড, ৭১‘র গেরিলা আবুল হোসেন, উপজেলা স্কাউটস সহকারি কমিশনার মোরশেদুল আলম, প্রবীন সাংবাদিক আলমগীর আহমেদ শাহজাহান, ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য খলিলুর রহমান, এবং মেলান্দহ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইউনিট লিডার শাকিল খান।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সাল থেকে মেলান্দহ ফাউন্ডেশন কার্যক্রম শুরু করে। সংগঠনটি মানবিক সহায়তা প্রদানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
বৃটিশ নৌবাহিনী (রয়েল নেভি)তে কর্মরত বাংলাদেশী নাগরিক, মেলান্দহ উপজেলার বাসিন্দা, মেলান্দহ রিপোর্টার্স ইউনিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও ইন্টারন্যাশনাল স্কাউট লিডার মোঃ মেহেদী হাসান এই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক।
সভায় মেলান্দহ ফাউন্ডেশনকে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহ জেলার প্রেসক্লাব কোটচাঁদপুরের দুই সাবেক সভাপতি, মরহুম শেখ নজরুল ইসলাম এবং মরহুম খন্দকার শামসুজ্জামানের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্মরণসভাটি সোমবার বিকেল ৫টায় প্রেসক্লাব কোটচাঁদপুরের কার্যালয়ে আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব কোটচাঁদপুরের সভাপতি কাজী মৃদুল। সাধারণ সম্পাদক আলমগীর খান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
বক্তারা স্মরণসভায় মরহুম শেখ নজরুল ইসলাম ও মরহুম খন্দকার শামসুজ্জামানের কর্মময় জীবন এবং সাংবাদিকতায় তাঁদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। বক্তাদের মতে, তাঁদের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তাঁরা এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, মানুষের কথা এবং সমাজের অসংগতি তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁদের মৃত্যু স্থানীয় সাংবাদিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে।
এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব কোটচাঁদপুরের উপদেষ্টা ও প্রবীণ সাংবাদিক খাইরুল হোসেন সাথী, সিনিয়র সাংবাদিক কামাল হাওলাদার, শাহ জামান, জাকির হোসেন, রফিক মণ্ডল, সজীব আহমেদ বকুল, কোটচাঁদপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, জাহাঙ্গীর আলম, বিএম ওয়াদুদ, সুব্রত কুমারসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।
পরে মরহুম শেখ নজরুল ইসলাম ও মরহুম খন্দকার শামসুজ্জামানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাসপাতাল মসজিদের ইমাম আব্দুল্লাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ