বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২২ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা আইয়ুব আলীর ওপর হামলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনার প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা এবং স্থায়ী সমাধানের দাবিতে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ মার্কেটে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা তাদের দাবি জানান।
দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন রেলওয়ে স্টেশন সংস্কার করা এবং সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করা; আইয়ুব আলীর ওপর হামলার সাথে জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা; পরপর দুই রাতে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
এছাড়া, চলমান বিরোধ ও সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় এবং নিয়মিত সংলাপের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে। তারা বলেন, যদি কোনো শিক্ষার্থী রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সদস্যের দ্বারা হয়রানি, নির্যাতন বা অন্যায়ের শিকার হন, তাহলে দ্রুত অভিযোগ গ্রহণ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং কার্যকর প্রতিকার নিশ্চিত করার জন্য জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আইয়ুব আলী রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের হাতে মারধরের শিকার হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশনে পরপর দুই রাতে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় একাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। ধারাবাহিক এই ঘটনার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ এবং নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে।
তারা আরও বলেন, একজন শিক্ষার্থী রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের হাতে হামলার শিকার হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা। তবুও স্টেশনে পরপর দুই রাতে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশন এবং এর আশপাশের এলাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
শিক্ষার্থীরা আরও জানান, যদি কোনো শিক্ষার্থী অন্যায়ের শিকার হন, তাহলে তার প্রতিকার নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বারবার সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক এবং স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী সজিবুর রহমান বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পুনরায় হেনস্তা বা পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটলে, যে ট্রেন থেকে এটি ঘটবে, সেই ট্রেন আটকিয়ে ট্রেনে কর্তব্যরত কর্মচারীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। প্রয়োজন হলে পরিবহণ দপ্তরের গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি), যা আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে করা হয়েছে।
এ তথ্যটি আজ ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলোতে পূর্বের মতো ভোটার স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই করে ইস্যুকরণ এবং নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই চিঠিটি সকল উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তর সংক্রান্ত আবেদন ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করার জন্য ২ সেপ্টেম্বর মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল। ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম পুনরায় চালু করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের জনগণ চরম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের শিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ হামলা এবং ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ইরান নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও যে কোনো হামলার কড়া জবাব দিতে কারও কাছে অনুমতি নেবে না।
বিশ্বমঞ্চে পেজেশকিয়ান বলেন, "আমি এমন এক ইরানের প্রতিনিধিত্ব করছি যার সর্বোচ্চ নেতাকে কোনো আইনি কাঠামো বা কারণ ছাড়াই হত্যা করা হয়েছে। আমি এমন এক ইরান থেকে এসেছি যেখানে যুদ্ধের প্রথম দিনেই মিনাভের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালানো হয়েছিল।"
তিনি ইসরায়েলের পারমাণবিক নীতি ও পশ্চিমা বিশ্বের দ্বিমুখী নীতির কঠোর সমালোচনা করেন। পেজেশকিয়ান উল্লেখ করেন, পারমাণবিক নন-প্রলিফারেশন চুক্তিতে (এনপিটি) স্বাক্ষর না করা সত্ত্বেও ইসরায়েলের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বা পরিদর্শন করা হয় না। অন্যদিকে, ইরানের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত পরিদর্শক পাঠানোর দাবি তোলা হয়।
পেজেশকিয়ান আরও বলেন, "ইসরায়েল গাজায় ৭০ হাজারের বেশি নিরীহ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। তারা প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও গণহত্যা চালাচ্ছে, আর উল্টো অন্যদের ওপর সন্ত্রাসবাদের তকমা লাগিয়ে দিচ্ছে। যখন আমরা আলোচনার টেবিলে ছিলাম, তখনও ইরানের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।"
তিনি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইরানি বিশ্ববিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হাসপাতাল ও অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগ তোলেন। পেজেশকিয়ান দাবি করেন, মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব দিলেও ইরান কখনো বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্যবস্তু করেনি।
পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান কোনো আগ্রাসী রাষ্ট্র নয়। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত ২০০ বছরে ইরান কোনো দেশে হামলা করেনি। তিনি বলেন, "আমরা শক্তির প্রদর্শন বা আগ্রাসনের জন্য শক্তি চাই না; আমাদের উদ্দেশ্য দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি। তবে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন ইরানের শহরগুলোতে বোমা হামলার পরিণতি কাউকে না ভেবে থাকতে না হয়। নিজেদের মাতৃভূমি রক্ষায় আমরা কারও অনুমতি বা অনুমোদনের অপেক্ষা করব না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র সমিতি বাংলাদেশ পবিত্র মক্কা মুকাররমাসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলা ও সামরিক তৎপরতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংগঠনটি উল্লেখ করেছে যে, পবিত্র মক্কা মুকাররমার নিরাপত্তা এবং পবিত্রতাকে লক্ষ্য করে যেকোনো ধরনের সামরিক তৎপরতা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি গুরুতর আঘাত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।
বিবৃতিতে তারা বলেছে, পবিত্র নগরী মক্কা মুকাররমায় অবস্থিত আল্লাহর পবিত্র ঘর কাবা শরিফ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কিবলা এবং বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের ঈমান, ভালোবাসা ও আত্মিক বন্ধনের কেন্দ্র। তাই মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতাকে লক্ষ্য করে যেকোনো ধরনের হুমকি, সামরিক তৎপরতা বা ঝুঁকি সৃষ্টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর মক্কা মুকাররমার দক্ষিণে একটি হুতি ড্রোন পবিত্র নগরীর নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। মক্কা নগরীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত এ ধরনের তৎপরতা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
সৌদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র সমিতি বাংলাদেশ বলেছে, পবিত্র মক্কা মুকাররমা ও ইসলামের অন্যান্য পবিত্র স্থানকে কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সংঘাতের অংশ করা যাবে না। পবিত্র স্থান, বেসামরিক জনগণ, হজ-ওমরাহ পালনকারী এবং ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সামরিক উত্তেজনা ও হামলা বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে পবিত্র মক্কার মর্যাদা সম্পর্কে কোরআন-হাদিসের বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘আর যে ব্যক্তি সেখানে অন্যায়ভাবে সীমালঙ্ঘনের ইচ্ছা করে, তাকে আমি যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাব।’ (সূরা আল-হাজ্জ, ২২:২৫)। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আর যে তাতে প্রবেশ করে, সে নিরাপদ।’ (সূরা আলে ইমরান, ৩:৯৭)।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) মক্কা মুকাররমার পবিত্রতা ঘোষণা করেছেন। ফলে পবিত্র মক্কার নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে এমন কর্মকাণ্ড শুধু কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিষয় নয়; এটি মুসলিম উম্মাহর সর্বাধিক পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুতর বিষয়।
সংগঠনটি জানায়, ২০১৭ সালেও মক্কা মুকাররমা অভিমুখে হুতিদের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছিল। সাম্প্রতিক ঘটনাটি পবিত্র নগরীর নিরাপত্তা নিয়ে বিদ্যমান উদ্বেগকে আবারও সামনে এনেছে।
বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মুসলিম বিশ্বের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তার বিষয়ে সুস্পষ্ট অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সংঘাতকে পবিত্র নগরী ও বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তার জন্য হুমকিতে পরিণত না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, মক্কা মুকাররমা কোনো যুদ্ধক্ষেত্র নয় এবং কাবা শরিফ কোনো সামরিক লক্ষ্য নয়। পবিত্র ভূমির নিরাপত্তা ও মুসলিম উম্মাহর পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা রক্ষা করা বিশ্বের মুসলমানদের গভীর আকাঙ্ক্ষা। পবিত্র মক্কা মুকাররমার প্রতি যেকোনো হুমকি ও আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
একই সঙ্গে সৌদি আরবের জনগণ ও সরকারের প্রতি এবং পবিত্র দুই মসজিদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়। হুতিদের সহিংসতা পরিহার করে দায়িত্বশীল আচরণ এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ওয়ালি উল্লাহ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মানযুর এ ইলাহী, প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মদ জাকারিয়া, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লোকমান হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ, ড. শহীদুল্লাহ খান মাদানী, প্রফেসর ড. শফি উদ্দিন, ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ আব্দুল হালীম মাদানী, ড. আব্দুল্লাহ আল কাফি, ড. রেজাউল করিম, ড. আবদুল বাসীর, ড. হারুন অর রশীদ ত্রিশালী, ড. আব্দুল মুমিন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘দেশ ছেড়ে অস্ট্রেলিয়া পালানোর সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উমামা ফাতেমাকে আটক করেছে পুলিশ’—এমন একটি দাবির সঙ্গে একটি ফটোকার্ড সম্প্রতি ইন্টারনেটের বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পুলিশ নাকি রানওয়েতে থাকা বিমান থেকে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে।
ফ্যাক্টচেক
রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধান অনুযায়ী, উমামা ফাতেমার দেশ ছেড়ে পালানোর সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকের যে দাবি করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, একটি স্যাটায়ার পেজের ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট থেকে এই কনটেন্টের সূত্রপাত হয়েছে এবং এটি বাস্তব তথ্য হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
ওই দাবির পক্ষে প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করার পর দেখা যায় যে, দাবির সমর্থনে কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাই করার জন্য প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও, নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে এমন বক্তব্যের প্রমাণ মেলেনি।
আলোচিত দাবির ফটোকার্ডের উৎস নিয়ে অনুসন্ধান করলে, ‘Gojobvision’ নামে একটি ফেসবুক পেজে আলোচিত দাবির সঙ্গে ফটোকার্ডটি পোস্ট হতে দেখা যায়।
‘Gojobvision’ পেজটি পর্যবেক্ষণ করলে এটিকে প্যারোডি/স্যাটায়ার পেজ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। পেজটির পর্যবেক্ষণে আরও অনেক ব্যঙ্গাত্মক পোস্টও পাওয়া যায়। এই তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আলোচিত পোস্টটিও মূলত ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে।
সুতরাং, উমামা ফাতেমার দেশ ছেড়ে পালানোর সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকের দাবিটি মিথ্যা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ