শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০১ পি.এম
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ঢাকা-খুলনা মহাড়কের পাশে পদ্মার মোড় নামক স্থানে একটি ময়লার ভাগাড় গড়ে উঠেছে। এই স্থান থেকে মশা প্রজননের পাশাপাশি পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে, যা এলাকার পরিবেশকে দূষিত করছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এই এলাকায় মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যার মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপও রয়েছে। প্রতিদিন নারী ও শিশু সহ আক্রান্ত রোগীদের ভিড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোয়ালন্দ পৌরসভা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। পৌর এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পৌরসভার, কিন্তু এলাকাবাসীর মতে, তারা এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে না। পৌর এলাকায় বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থাকলেও সেগুলো সরানোর কোনো উদ্যোগ নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মার মোড় নামক এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাড়কের পাশে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলে আসছেন। এই ময়লার ভাগাড় থেকে মশা প্রজননের পাশাপাশি দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, যা পরিবেশকে আরও বিপদে ফেলছে।
এদিকে গোয়ালন্দ পৌর শহরে প্রয়োজনীয় গণশৌচাগারের অভাব রয়েছে। পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাবে শহরের আবর্জনা শহরের মধ্যেই ফেলা হচ্ছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মারুফ হাসান বলেন, গোয়ালন্দ পৌরসভাসহ উপজেলা এলাকায় মশাবাহিত নানা রোগ দেখা দিচ্ছে। ডেঙ্গুর প্রকোপও বাড়ছে। প্রতিদিন জ্বরে আক্রান্ত বহু রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিতে আসছেন। অনেকের মধ্যে ডেঙ্গুর আলামত দেখা যাচ্ছে।
ডা. মারুফ আরও বলেন, রক্ত পরীক্ষা করে প্রকৃত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের এই হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড় সৃষ্টি প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ জানিয়েছে, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্রকল্পের আওতায় প্রায় পৌনে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে গোয়ালন্দ পৌরসভার বর্জ্য পরিশোধনাগার নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্র বলছে, ১০০ শতাংশ জায়গার ওপর ডাম্পিং পয়েন্ট নির্মাণকাজের প্রায় ৯৮ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজ শেষ হলে বর্জ্য পরিশোধনাগারটির কার্যক্রম চালু হলে গোয়ালন্দ পৌর শহরসহ এলাকায় কোথাও ময়লা-আবর্জনা জমা থাকবে না।
গোয়ালন্দ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেমায়েত হোসেন কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ‘গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রশাসক মহোদয় মশক নিধনে অভিযান শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনীয় মেডিসিন (মশা মারার ওষুধ)-সহ ফগার মেশিন প্রস্তুত রয়েছে। দ্রুত পৌর এলাকায় মশা নিধনে অভিযান চালানো হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারীদের চেহারা, শরীর, বয়স এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হাস্যরস ও কনটেন্ট তৈরির প্রবণতার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির সরব হয়েছেন। তার মতে, নারীদের নিয়ে এমন বিষয়কে রসিকতা বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়। একই সঙ্গে, তিনি এই ধরনের কনটেন্ট তৈরি এবং দেখার মাধ্যমে যারা সেটিকে জনপ্রিয় করে তুলছেন, তাদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার, ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন হানিয়া। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘২০২৬ সালে নারীদের শরীর, চেহারা, সৌন্দর্য, বয়স ও ব্যক্তিগত জীবনকে রসিকতার বিষয় বানানো হাস্যকর।’
হানিয়া বলেন, কোনো বিষয়কে ‘মতামত’ বা ‘হাস্যরস’ বললেই সেটি গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না। তিনি মন্তব্য করেন, নারীর ব্যক্তিগত জীবনকে বিনোদনের উপকরণ বানানোর মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
অভিনেত্রীর মতে, মানুষের বলা কথার প্রভাব শুধুমাত্র সেই মুহূর্তেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বিশেষ করে যখন কোনো জনপ্রিয় ব্যক্তি মন্তব্য করেন, তখন তার অনুসারীদের ওপরও সেই বক্তব্যের প্রভাব পড়ে।
হানিয়ার ভাষায়, ‘আপনি শূন্যে কথা বলছেন না। আপনি অন্যরা কোন বিষয়কে স্বাভাবিক, মজার ও গ্রহণযোগ্য মনে করবে, সেটি তৈরি করছেন।’
শুধু কনটেন্ট নির্মাতাদের নয়, দর্শকদেরও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হানিয়া। তিনি বলেন, লাখো মানুষ যখন কোনো কনটেন্ট দেখছেন, তখন সম্মিলিতভাবে ঠিক হচ্ছে নারীদের সম্পর্কে কী ধরনের কথা বলা গ্রহণযোগ্য।
সম্প্রতি গানের জগতে অভিষেক হয়েছে হানিয়ার। সেখান থেকেই তিনি বলেন, সমাজের কাছ থেকে ভালো আচরণ প্রত্যাশা করার পাশাপাশি সেই আচরণের বিপরীত বিষয়কে জনপ্রিয় করে তোলা উচিত নয়।
নারীদের নিয়ে নিজের অবস্থান আরো স্পষ্ট করে হানিয়া বলেন, ‘নারীরা কারও সম্পত্তি নয়। তাদের শরীর জনসমক্ষে মন্তব্য করার বিষয় নয়, আর তাদের চেহারাও জনসমক্ষে আলোচনার উপকরণ হওয়া উচিত নয়। এতদিনে আমাদের এসব থেকে এগিয়ে আসা উচিত ছিল।’
এ ধরনের কনটেন্ট জনপ্রিয় না করার আহ্বান জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘এ ধরনের কনটেন্টকে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দেওয়া বন্ধ করুন। নারীদের নিয়ে তামাশা করা এবং সেটিকে বিনোদন বলা বন্ধ করুন। আমরা এর চেয়ে ভালো কিছু করতে পারি।’
তবে, নিজের বক্তব্যে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা কনটেন্ট নির্মাতার নাম উল্লেখ করেননি হানিয়া। তার এই মন্তব্যের সময় ভারতে অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার বিষয়টি আলোচনায় ছিল। সন্তান জন্মের পর দীর্ঘদিন পর প্রকাশ্যে আসার পর ক্যাটরিনাকে নিয়ে অনলাইনে নানা ধরনের মন্তব্য করা হয়।
পাকিস্তানেও নারীদের নিয়ে অনলাইনে বিদ্রূপ ও নেতিবাচক মন্তব্যের বিরুদ্ধে এর আগে সরব হয়েছেন অভিনেত্রী জালাই সারহাদি এবং আমনা ইলিয়াস। তাদের বক্তব্য ছিল, এ ধরনের আচরণের প্রভাব শুধুমাত্র পরিচিত নারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; সমাজের অপেক্ষাকৃত কম ক্ষমতাসম্পন্ন নারীরাও এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ অক্টোবর থেকে তার নিজ বাসায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ বিষয়ে জানিয়েছেন যে, আগামী ৬ মাসের মধ্যে সকল ইউনিয়ন পরিষদে সৌর প্যানেল স্থাপন করতে হবে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এলজিইডি ভবনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের উপর আলোচনা সভায় তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।
মীর শাহে আলম উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছাড়াও, পর্যায়ক্রমে সচিবালয়, জাতীয় সংসদ এবং অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দেশের ৩ হাজার ৪১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কমপ্লেক্সে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য মোট ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ বৃদ্ধি করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মার্কিন একটি ফেডারেল আপিল আদালত, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির অধীনে নিজ দেশের পরিবর্তে অন্য দেশে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের নির্বাসিত বা বহিষ্কার করার উপর আরোপিত বিধিনিষেধ বজায় রেখেছে।
এ বিষয়ে খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
শুক্রবার, মার্কিন ফার্স্ট সার্কিট কোর্ট অব আপিলসের তিন বিচারকের একটি প্যানেল নিম্ন আদালতের রায়কে মূলত বহাল রেখেছে। ওই রায়ে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের নিজ দেশ ছাড়া অন্য কোনো দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের ওপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।
আদালত উল্লেখ করেছে, কাউকে ‘তৃতীয় দেশে’ পাঠানোর আগে তাকে যথেষ্ট সময় দিয়ে জানাতে হবে যে কোন দেশে তাকে পাঠানো হচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি ওই দেশে নির্যাতন বা নিপীড়নের আশঙ্কা অনুভব করেন, তাহলে তিনি তা জানানোর এবং সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলার সুযোগ পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নীতিমালা অনুযায়ী, এমন কোনো দেশে কাউকে বহিষ্কার করা যাবে না, যেখানে তার জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে অথবা তিনি নির্যাতনের শিকার হতে পারেন।
বিচারক সেথ আফ্রেম, তিন বিচারকের সর্বসম্মত প্যানেলের পক্ষে রায় লিখতে গিয়ে বলেছেন, যে দেশে কাউকে বহিষ্কার করা হবে, সেখানে নির্যাতনের আশঙ্কা থাকলে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর অধিকার তখনই অর্থবহ হবে, যখন তাকে আগেই জানানো হবে কোন দেশে পাঠানো হচ্ছে এবং সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যথাযথভাবে আপত্তি জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)-এর নীতি অনুসরণ করলে বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিক এই সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন, যাদের গন্তব্য তৃতীয় দেশ হলেও আগে থেকে সেই গন্তব্য সম্পর্কে জানানো হয় না।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন এই মামলাটি রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার পরিকল্পনা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে যুক্তরাষ্ট্র থেকে লক্ষাধিক অনিবন্ধিত অভিবাসীকে বহিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে তার প্রশাসন বহিষ্কার প্রক্রিয়া দ্রুত করার লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ট্রাম্প প্রশাসন তৃতীয় দেশে অভিবাসীদের পাঠানোর নীতির পক্ষে যুক্তি প্রদান করে বলেছে, বহিষ্কারের তালিকায় থাকা কিছু ব্যক্তির নিজ দেশ তাদের ফেরত নিতে কখনো কখনো অস্বীকৃতি জানায়। এ কারণে তাদের অন্য দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবার দেশের ঘরোয়া কোচদের বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। ক্রিকেটারদের বেতন বৃদ্ধির পর, নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর ঘরোয়া ক্রিকেটের উন্নয়ন ও ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় কোচদের বেতন কাঠামো নিয়েও ভাবনা চলছে।
বিসিবির নতুন কমিটি তামিম ইকবালের নেতৃত্বে চলতি বছরের জুনে দায়িত্ব গ্রহণ করে। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটের মানোন্নয়ন এবং ক্রিকেটারদের বেতন কাঠামো বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে ক্রিকেটারদের বেতন মোট দুই দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তবে, এতদিন ঘরোয়া ক্রিকেটের কোচদের বেতন বৃদ্ধি হয়নি। এবার বিসিবি তাদের দিকেও নজর দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। বিসিবির এক পরিচালক দেশের একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কোচদের বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে, কবে থেকে এটি কার্যকর হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
বিসিবির ওই পরিচালক বলেন, "কোচদেরও বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। দেখা যাক কবে হবে, সেটা এখনও ঠিক হয়নি।"
দীর্ঘদিন ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটের কোচরা বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছেন। বিসিবির অধীনে থাকা ‘এ’ দলের প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবুলও আশাবাদী, বোর্ড এবার তাদের দাবিটি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, "আলহামদুলিল্লাহ, বেতন বাড়াবে বিসিবি এমনটাই শুনেছি। এখন দেখা যাক কখন কী হয়। কোচদেরও প্রাপ্য সম্মান জরুরি। যদি একটা হেলদি স্যালারি হয়, তাহলে ভালো হয়। কারণ আমাদের তো সেভিংস থাকে না। সারা জীবন কোচিংও করাতে পারব না। আশা করি বিসিবি বিষয়টি দেখবে।"
ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের কোচদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে দেশের ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ