মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৩০ এম
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌর সদর বাজারে সরকারি খাস জমিতে ১৮টি দোকান শনাক্ত করা হয়েছে, তবে সেগুলো এখনও ইজারার আওতায় আসেনি। সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মাঠ জরিপে কলেজ রোডের একটি এলাকায় সরকারি খাস জমিতে এসব দোকানের অবস্থান চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু বাজারের সীমানা বা পেরিফেরি নির্ধারণের জটিলতায় ইজারা প্রক্রিয়া অগ্রসর হয়নি। অন্যদিকে, পৌর সদরের মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর অভিযোগে স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন।
সীতাকুণ্ড সদর ভূমি অফিসের সূত্রে জানা যায়, পৌর সদরের কলেজ রোডে গ্রামীণফোন কার্যালয় থেকে লাকি স্টোর পর্যন্ত এলাকায় প্রায় ১৭ শতক এক নম্বর খাস জমি রয়েছে। ২০২৫ সালের মাঠ জরিপে ওই জমির প্রায় ১০ শতকে ১৮টি দোকানের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। তবে জরিপের পরও দোকানগুলো ইজারার আওতায় আসেনি। ফলে এসব জমি থেকে ইজারার মাধ্যমে রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী, বাজারের পেরিফেরি নির্ধারণের জন্য সরেজমিন জরিপ ও নকশা প্রস্তুতের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে অনুমোদনের প্রস্তাব পাঠানোর বিধান রয়েছে। নকশায় বাজারের অন্তত ৫০ শতাংশ ভূমি সংরক্ষণ এবং পথচারীদের চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় রাস্তা রাখার বিধানও রয়েছে। তবে সীতাকুণ্ডের সংশ্লিষ্ট জমির পেরিফেরি অনুমোদনের প্রস্তাব কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের হাটবাজার ইজারার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও এসব জমি ইজারার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
সীতাকুণ্ডের সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন "আমার দেশ"কে জানান, দায়িত্বে থাকাকালে মাঠ জরিপ করিয়ে দোকানগুলো একসঙ্গে ইজারার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে পেরিফেরি নির্ধারণসংক্রান্ত জটিলতায় প্রক্রিয়াটি এগোয়নি। তাঁর মতে, ইউএনও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিলে পেরিফেরি অনুমোদন এবং দোকানপ্রতি জায়গা নির্ধারণের মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা করা সম্ভব।
এদিকে, পৌর সদরের মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। সীতাকুণ্ড পৌরসভা বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম "আমার দেশ"কে বলেন, সাবেক ইউএনও তারিকুল আলমের সময়ে অভিযান চালিয়ে খাস জমি ও মহাসড়কের ওপর গড়ে ওঠা দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছিল। পরে কিছু দোকান আবার বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এসব দোকান থেকে অগ্রিম অর্থ ও নিয়মিত টাকা আদায়ের অভিযোগও করেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দোকানমালিকদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রফিকুল ইসলাম আরও জানান, ফুটপাত ব্যবহার করতে না পারায় শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের ব্যস্ত মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করতে হয়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও যানজট বাড়ছে বলে তিনি দাবি করেন। বিষয়টি প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
খাস জমি ও ফুটপাত দখলের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম "আমার দেশ"কে বলেন, সরকারি খাস জমি কিংবা জনসাধারণের চলাচলের ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকান চালাতে দেওয়া হবে না। অভিযোগ যাচাই করে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সরকারি খাস জমির ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পেরিফেরি নির্ধারণের বর্তমান অবস্থা স্পষ্ট করা এবং মহাসড়ক ও ফুটপাতের ওপর দোকান বসানোর অভিযোগ যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ইজারা প্রক্রিয়া ও দখলসংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে সরকারি জমি থেকে রাজস্ব আদায় এবং পথচারীদের চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রংপুর সফরের প্রেক্ষাপটে নীলফামারীর সৈয়দপুরে সাজসাজ রব বিরাজ করছে। আগামীকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী আসার আগে সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়কের পাশে অবস্থিত ময়লার ভাগাড় বালু চাপা দিয়ে ঢেকে দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এর পাশাপাশি শহরজুড়ে সড়ক সংস্কার, ডিভাইডারে রঙ এবং বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে তারা যে দুর্ভোগ থেকে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন, ভিআইপি সফরের কারণে তা ঢাকতেই এই তড়িঘড়ি আয়োজন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে বিমানে করে প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর তিনি সড়কপথে রংপুর নগরীর রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনে যাবেন। বেলা ১১টায় পরিদর্শন শেষে তিনি পুনরায় সৈয়দপুর বিমানবন্দর হয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুর পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ব্যবহার করবেন বলে চারদিকে চলছে ধোয়া-মোছা ও সাজসজ্জার কাজ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, শহরের বাসাবাড়ি, হাসপাতাল এবং হোটেলের বর্জ্য উন্মুক্ত অবস্থায় এই স্থানে ফেলা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই স্তূপ থেকে ছড়ানো তীব্র দুর্গন্ধে পথচারী ও স্থানীয়দের যাতায়াত করা দুষ্কর হয়ে পড়েছিল। তারা দাবি জানিয়ে আসছেন যে, এটি স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হোক। তাদের বক্তব্য, শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য লোকদেখানো পরিষ্কার না করে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে এই পরিচ্ছন্নতা সবসময় বজায় রাখা উচিত।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা মন্তব্য করেন, প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুর পৌরসভার ওই সড়ক দিয়ে রংপুরে যাবেন। তার সফরকে কেন্দ্র করে প্রোটোকল রক্ষা ও শহরের সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে আমরা বিভিন্ন স্থানের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করছি। সড়ক সংস্কার ও ডিভাইডারগুলো রঙ করার পাশাপাশি বর্জ্যের স্তূপগুলো বালু দিয়ে ঢেকে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। গত রোববার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশের সেই ময়লার ভাগাড় আগের মতো নেই। ময়লার স্তূপের ওপর থেকে কিছু ময়লা অপসারণ করে বালুচাপা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এলাকাটি পরিচ্ছন্ন দেখাচ্ছে। আগে পথচারীসহ সড়ক ব্যবহারকারীরা দুর্গন্ধে নাক চেপে চলাচল করলেও এখন তারা স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এ দেশের প্রতিটি মানুষ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করে। এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, "তাই আমাদের কাছে সংখ্যালঘু বলে আলাদা কিছু নেই, আমরা সবাই এ দেশেরই মানুষ।" তিনি সোনারগাঁয়ে কোনো ধরনের অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন এবং সোনারগাঁ পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এমপি মান্নান জানান, সোনারগাঁয়ে এবার মোট ৩৮টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। তিনি বলেন, "প্রতিটি মণ্ডপে যাতে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপিত হয়, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।" তিনি আরও বলেন, "সরকারের অর্থায়নের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমার সাধ্যমতো প্রতিটি মণ্ডপে শাড়ি ও আর্থিক সহযোগিতা পৌঁছে দিতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।"
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আতাউর রহমান, সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোতালেব মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাদিকুর রহমান সেন্টু, সাবেক যুবদল নেতা হারুন রশীদ মিঠু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল এবং পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানা এবং পূজা কমিটির সদস্যবৃন্দ।
স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করছেন। সংসদ সদস্যের এই সময়োপযোগী উপস্থিতি ও সহযোগিতায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বকুল মন্তব্য করেছেন যে, "সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই এক।" তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সকল নাগরিকের ধর্মীয় উৎসব নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে সরকার এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা একত্রে কাজ করছেন।
মন্ত্রী সোমবার রাতে নরসিংদীর বেলাবো উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। এ সময় তিনি সকলকে শারদীয় উৎসব উদযাপনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "আমরা সবাই মিলে দেশ স্বাধীন করেছি, এখানে কোনো ধর্মীয় ভেদাভেদ নেই। আপনারা আপনাদের ধর্মীয় উৎসব নির্দ্বিধায় উদযাপন করবেন। আমরা যতদিন দায়িত্বে থাকব, আপনাদের সবদিক দিয়ে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করব।"
এ সময় তিনি উপজেলার সব পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার খোঁজ-খবর নেন এবং নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সেচ্ছাসেবকদের ধন্যবাদ জানান।
এর আগে ১৭ অক্টোবর বেলাবো উপজেলার ২৬টি পূজামণ্ডপে অনুদান প্রদান করেন মন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় তিনি বেলাবো মিস্ত্রিপাড়া পূজা মণ্ডপের রাস্তা পাকাকরণ, শ্মশানঘাট ও মণ্ডপ নির্মাণের জন্য ৫ লাখ টাকা অর্থসহায়তার ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাইলাতুল হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেলাবো উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবিব বিপ্লব, বেলাবো থানার ওসি এস এম আমান উল্লাহ এবং বেলাবো উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য আজ মঙ্গলবার বিমানযোগে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সামরিক বিমানযোগে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। এরপর সেখান থেকে সড়কপথে রংপুরে রাধা গোবিন্দ মন্দির ও কালীবাড়ি মন্দিরে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। পরবর্তীতে, সৈয়দপুর থেকে সামরিক বিমানযোগে রাজশাহী এবং পরে চট্টগ্রাম সফর শেষে ঢাকায় ফিরে আসবেন।
এদিকে, রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে গতকাল মাদরাসা মাঠ পরিদর্শন করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। অন্যদিকে, চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে গতকাল নগরের ঐতিহাসিক জে এম সেন হল প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন ও সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাবেন। সফরকালে হেলিকপ্টার থেকে সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট পর্যবেক্ষণ, মোংলা নৌঘাঁটিতে সভায় যোগদান এবং মোংলা বন্দরের জেটি ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ