০১:০৯ পি.এম
দেশের ঔষধ খাতের উন্নয়ন, জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার জন্য ‘জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ’ গঠন করেছে সরকার।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে সভাপতি করে ২২ সদস্যবিশিষ্ট এই পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
রোববার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায়।
আরও পড়ুন: রাবি স্টেশনে থামবে তিতুমীর ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেন
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী।
সদস্য হিসেবে রয়েছেন— স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই’র সভাপতি, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির সভাপতি।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব পরিষদের সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
গেজেটে পরিষদের কার্যপরিধিও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ প্রদান, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন এবং দেশের চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিতকরণের দিকনির্দেশনা দেওয়া।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ কোরিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রতিমন্ত্রী নুর
এছাড়া, অ্যালোপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক, ইউনানি, হোমিওপ্যাথিক, বায়োকেমিক, হারবাল ও ভেটেরিনারি ওষুধের মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়ন ও প্রতি দুই বছর অন্তর তা হালনাগাদ করার বিষয়ে সুপারিশ প্রদান করবে পরিষদ।
পরিষদ, ওষুধ ও এর কাঁচামাল আমদানি, উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবে। একই সঙ্গে, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ওষুধ উৎপাদন, আমদানি, বিতরণ ও বিক্রয়ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত প্রদান করবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। তবে, জরুরি প্রয়োজনে দুইয়ের অধিক সভা আয়োজন করা যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষদ কো-অপ্ট সদস্যও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।
সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় পঞ্চম, বাতাস অস্বাস্থ্যকর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন