বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৩ পি.এম
রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরাতে (আইসিসিবি) ‘বাংলা মেডক্যাল এক্সপো ২০২৬’ এর আয়োজন শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আইসিসিবির নবরাত্রি হলে এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান থাকবে।
এই মেলায় এক ছাদের নিচে আধুনিক চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, অস্ত্রোপচারের সরঞ্জাম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর নতুন প্রযুক্তি প্রদর্শিত হচ্ছে।
এবারের প্রদর্শনীতে দেশি ও বিদেশি দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। চীন, ভারত, পাকিস্তান, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও স্পেনসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান তাদের চিকিৎসা প্রযুক্তি ও পণ্য নিয়ে অংশ নিচ্ছে।
আয়োজকদের মতে, চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমবর্ধমান। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই বাড়তি চাহিদা পূরণে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ফ্রন্টলাইন শহর ক্রামাতোরস্কে রাশিয়া যাত্রীবাহী দুটি বাসে গ্লাইড বোমা হামলা করেছে। এই হামলায় অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে আরও ১৮ জন।
বিবিসির প্রতিবেদনে স্থানীয় উদ্ধারকারী কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দোনেৎস্ক আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান ভাদিম ফিলাশকিন অভিযোগ করেছেন যে, রুশ বাহিনী পরিকল্পিতভাবে যাত্রীবাহী বাস দুটিকে নিশানা করে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে।
স্থানীয় কৌঁসুলিদের দপ্তর থেকে প্রকাশিত ছবিতে হামলার পর রাস্তায় বাস দুটির পোড়া ধাতব কাঠামো পড়ে থাকতে দেখা যায় এবং আশপাশে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ায় কর্তৃপক্ষ ক্রামাতোরস্ক ও পার্শ্ববর্তী স্লোভিয়ানস্ক শহরে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।
ভাদিম ফিলাশকিন দোনেৎস্ক অঞ্চলে থাকা বেসামরিক নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘যাত্রী ও চালকদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলার কোনো অধিকার আমাদের নেই।’
ক্রামাতোরস্ক সিটি কাউন্সিল এই হামলাকে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে রুশ সেনাবাহিনীর ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, হামলার শিকার স্থানে কোনো ধরনের সামরিক স্থাপনা ছিল না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
--
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আপনার চোখকে ভালোবাসুন
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শেরপুরে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে 'বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬'।
বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার গাজীরখামার মডেল একাডেমিতে ডা: কে জামান বিএনএসবি চক্ষু হাস্পাতাল ময়মনসিংহ পরিচালিত "ভিশন সেন্টার-শেরপুর"- এর আয়োজনে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়, র্যালিটি গাজীরখামার বাজার প্রদক্ষিন করে পুনরায় একাডেমি প্রাঙ্গনে এসে শেষে হয়।
পরে একাডেমি প্রাঙ্গনে আয়োজিত চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শেরপুর ডায়াবেটিস সমিতি জেনারেল হাসপাতালের সভাপতি রাজিয়া সামাদ ডালিয়া।
ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে ২৪২ জন চক্ষু রোগীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা করা, ১৩৫ জন চক্ষু রোগীকে বিনামূল্যে চশমা বিতরণ এবং৩৬ জন চক্ষু রোগীর ছানী অপারেশনের ব্যবস্থা করা হয়।
এসময় ভিশন শেরপুর-এর ইনচার্জ মনিরুজ্জামান মানিক সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও চিকিৎসাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের পর, এবার তথাকথিত বাংলাদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে প্রায় ৩০০ জনকে পুশ-ইনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে কাশ্মীর উপত্যকা ও জম্মু অঞ্চলে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের’ বিরুদ্ধে কড়াকড়ি জোরদার করা হয়েছে। বিবিসি নিউজ উর্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মে মাসে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি জানায় যে, বাংলাদেশ থেকে আগত প্রায় ৬০০ জন তথাকথিত অবৈধ অভিবাসী কয়েক বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছেন।
কর্মকর্তাদের দাবি, এসব ব্যক্তি বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছেন। ইতোমধ্যেই প্রায় ৩০০ জনকে দুটি পৃথক দলে ভাগ করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যা তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ।
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি ও স্থানীয় প্রশাসন অভিযোগ করছে যে, অননুমোদিত অভিবাসীদের উপস্থিতি স্থানীয় অর্থনীতি ও জীবিকার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এ ছাড়া নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করেছে প্রশাসন।
অন্যদিকে, মানবাধিকারকর্মীরা এই ধরনের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। সাংবাদিক ও বিশ্লেষক হারুন রেশি জানান, আন্তর্জাতিক আইনের ‘নন-রিফাউলমেন্ট’ নীতি অনুযায়ী কাউকেই এমন দেশে ফেরত পাঠানো উচিত নয় যেখানে তার জীবন বা স্বাধীনতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, ভারতের সুপ্রিম কোর্টও বিভিন্ন সময় দেশটির সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের অধীনে বিদেশিদের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষার ওপর জোর দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ