১০:২৪ এম
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহা কয়রাবিল ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে থাকার কারণে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগ এবং আতঙ্কের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।
এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন চালকরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার মানুষ।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে এমন অবস্থার চিত্র দেখা গেছে।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা
এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহা কয়রাবিল ব্রিজটি ভেঙে পড়ে আছে। প্রতিদিন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ভাঙা ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে। ব্রিজের ভাঙা অংশে অস্থায়ীভাবে বাঁশ, কাঠ, ইটের রাবিশ এবং মাটিভরা বস্তা ফেলে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও সেটি এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। সামান্য অসাবধানতা অথবা ভারী যানবাহনের চাপে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছে তারা।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাথে সীমান্তবর্তী সাতানি, বাঁশদাহা ও কাথন্ডাসহ অন্তত সাত থেকে আটটি গ্রামের মানুষের কলারোয়া উপজেলায় যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো এই কয়রাবিল ব্রিজটি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটির এই বেহাল অবস্থা থাকার পরেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষের প্রতিদিন সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী এবং কর্মজীবীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়ছেন। দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বহু যানবাহন। তাই দ্রুত বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।
এই বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেছেন, ‘পুরনো এই ব্রিজটি এলজিইডি ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের তৈরি। তবে জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সেখানে নতুনভাবে ব্রিজ নির্মাণের একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।’
আরও পড়ুন: বিজলী ক্যাবলস লিমিটেডের পুরস্কার পেলেন, নারায়ণগঞ্জের রনি মল্লিক ও নবী হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন