মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি
০৭:১১ পি.এম
রাঙ্গামাটির বনরূপাস্থ আল-আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার উদ্যোগে ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানটি বুধবার (১ জুলাই) সকাল ৯টায় মাদ্রাসার মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সুধীজনদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি মাদ্রাসার মিলনায়তনকে মুখরিত করে তোলে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন আশরাফুল আলম। এরপর শিক্ষার্থী তামান্না আক্তার স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তামান্না বলেন, অধ্যবসায়, সততা এবং মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা থাকলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করা সম্ভব।
মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা শরীফুল ইসলাম বলেন, আলিম পরীক্ষা শুধুমাত্র একটি পাবলিক পরীক্ষা নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তিনি নিয়মিত অধ্যয়ন, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং ইসলামী আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আব্দুল আলিম বক্তব্য প্রদান করে পরীক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জীবনে সফল হতে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। তিনি সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং শিক্ষকদের পরামর্শ মেনে চলারও পরামর্শ দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মুসতাফিজুর রহমান বলেন, একজন শিক্ষার্থীর সফলতা শুধু তার নিজের নয়, বরং এটি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের জন্যও গর্বের বিষয়। তিনি শিক্ষার্থীদের দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে যোগ্য, সৎ এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথি মোখতার আহমদ বলেন, আলিম পরীক্ষার্থীরা আগামী দিনের আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম এবং ইসলামী আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি সকল পরীক্ষার্থীর সাফল্য কামনা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরুল আলম ছিদ্দিকী বলেন, শিক্ষা মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। পরীক্ষার্থীদের মনোযোগ, সততা এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে রয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাইল। শেষে, মাওলানা জলীল সরকার আলিম পরীক্ষার্থীদের সফলতা, সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশ-জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।
অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলেই ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষার্থীদের সফলতা এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ট্রাম্পের ‘পোষ্যদের’ কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন ইরান। অনলাইন ডেস্ক অনুসারে, ০১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে ‘হত্যার লক্ষ্যবস্তু’ করার বিষয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ মন্তব্য করেছেন। এর ফলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বোঝা যাচ্ছে, বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরাগচি বলেছেন, ইসলামাবাদে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এর শর্তগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট এবং সকলের জন্য প্রকাশ্য। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেল আবিবে তার ‘পোষ্যদের’ নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু, যদি তারা তাদের প্রভুর নির্দেশ অমান্য করে, তবে ইরান তাদের জন্য উপযুক্ত শিক্ষা প্রদান করবে, এটা তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। এর আগে, সোমবার ইসরায়েলি গণমাধ্যমে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজের প্রকাশিত মন্তব্যে বলা হয়েছে, ইরানিরা ‘দক্ষ ব্যবসায়ী’ হিসাবে পরিচিত এবং তারা আলোচনার মাধ্যমে ছাড় আদায়ের চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে, তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েল কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেবে না। প্রশ্নের জবাবে, আরাগচি ইঙ্গিত করেন যে, ‘আমাদের জনগণ ও নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকির তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার ঠিকরি পাড়া এলাকায় মাছ চাষি বাবুি ফকিরের ঘেরে ফুলকা পচা রোগের কারণে মাছ মরে ভেসে উঠেছে। ছবি: কালের কণ্ঠ।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাছের ঘের ও পুকুরে ব্রস্কিওমাইসিস ছত্রাকের আক্রমণের ফলে ফুলকা পচা রোগ দেখা দিয়েছে। এতে সাদা মাছের পাশাপাশি বাগদা ও গলদা চিংড়িও মারা যাচ্ছে।
একটার পর একটা ঘেরে মাছের মড়কে উৎপাদন নিয়ে চাষিরা শঙ্কায় পড়েছেন।
কিছু চাষিদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হঠাৎ করে মাছ মারা যাওয়ার ঘটনা অনেক বেড়ে গেছে। উষ্ণ আবহাওয়া, বৃষ্টির ঘাটতি, পানির স্তর কমে যাওয়া এবং দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে ফুলকা পচা রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে ধারণা করছে চাষি ও মৎস্য বিভাগ।
ফকিরহাট উপজেলার সিনিয়র মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় সরকারি নিবন্ধিত ৮ হাজার ৪টি বাণিজ্যিক ঘের এবং ২ হাজার ৬০৮টি পুকুর রয়েছে।
এছাড়া, নিবন্ধনের বাইরে আরও কয়েক হাজার ঘের ও পুকুরেও মাছ চাষ হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ এখন চলছে। চলতি বছরে ফকিরহাট উপজেলায় বাগদা ও গলদা চিংড়ি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৩১৫ মেট্রিক টন এবং সাদা মাছের লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ২৩৩ মেট্রিক টন। তবে বছরের শেষের দিকে ফুলকা পচা রোগের কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বারাশিয়া এলাকার মাছ চাষি শেখ মনি বলেন, ‘সোমবার (২৯ জুন) পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু এক রাতের মধ্যে পানিতে অক্সিজেন কমে যাওয়ার কারণে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার বাগদা ও গলদা চিংড়ি মারা গেছে।’
ঠিকরীপাড়া এলাকার মাছ চাষি বাবু ফকির বলেন, ‘এক রাতেই আমার প্রায় দুই লাখ টাকার সাদা মাছ মারা গেছে। মাছগুলোর ফুলকা ফ্যাকাসে সাদা হয়ে গেছে। মাছ থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে।
এই মাছ আর বিক্রি করা যাবে না। মরে সাদা মাছ পানির ওপরে ভেসে উঠেছে, আর চিংড়ি তলায় পড়ে আছে।’
উপজেলার আরো বেশ কয়েকজন চাষি জানান, তাদের অনেকের ঘেরেই মাছ মারা যাচ্ছে। অনেকে ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে মাছ চাষ করেছেন। এভাবে রোগ ছড়িয়ে পড়লে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
ফকিরহাট কলেজের জীববিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আদিত্য কুমার সরকার বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঋতুচক্র ও তাপমাত্রার স্বাভাবিক ধারা বদলে যাচ্ছে। এর প্রভাব জলাশয়ের পরিবেশের ওপর পড়ছে। উষ্ণতা বৃদ্ধি ও পানির গুণগত মানের অবনতির ফলে মাছের রোগবালাই বাড়ছে।’
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল্লাহ বলেন, ‘অতিরিক্ত ঘনত্বে মাছ মজুদ, পুকুরে জৈব বর্জ্য জমে থাকা এবং পানির মান খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণে এ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এ সময় ঘেরে মাছের ঘনত্বও বেশি থাকে, আবার পানিও কমে যায়। ফলে ফুলকা পচা রোগ দ্রুত ছড়ায়।’
তিনি বলেন, ‘চাষিদের অতিরিক্ত খাবার না দিয়ে পরিমিত খাবার প্রয়োগ, প্রয়োজন অনুযায়ী পানি আংশিক পরিবর্তন এবং প্রতি শতকে ২০০ গ্রাম হারে চুন প্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সচেতন করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বল্পআয়ের জনগণের রোগ প্রতিরোধ, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয় (আউট-অব-পকেট এক্সপেনডিচার) কমানো এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু করেছে।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন-১-এ আয়োজিত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, টেকসই দারিদ্র্য বিমোচন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশের জন্য সুস্থ জনগণের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তাদের সুস্বাস্থ্য অপরিহার্য। অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা ব্যয় অনেক পরিবারকে আর্থিক সংকটে ফেলে এবং উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয়ের হার বিশ্বের তুলনায় অনেক বেশি। এ ব্যয় কমাতে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও মাতৃস্বাস্থ্য সংক্রান্ত নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পিকেএসএফ এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও জানান, পিকেএসএফ দীর্ঘদিন ধরে সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন অ-আর্থিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কর্মসংস্থান ও টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে সুস্থ উদ্যোক্তা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ খাতে ব্যয়কে তিনি ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে পিকেএসএফ’র ৩৯টি সহযোগী সংস্থার ৪৫৪টি শাখার মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। গর্ভবতী ও প্রসূতি মা, নবজাতক, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, কিশোর-কিশোরী, প্রজননক্ষম নারী, প্রবীণ ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। পর্যায়ক্রমে পিকেএসএফ’র সহযোগী সংস্থাগুলোর সব গ্রাহকের মধ্যে এ সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে পিকেএসএফ’র সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রধান নির্বাহী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, এ প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন এবং পিকেএসএফ’র কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমনের পরিবর্তে প্রতিরোধে গুরুত্ব দিতে হবে, তাহলে দুর্নীতি কমে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম।
তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে।
এই লড়াইয়ে শুধু সরকারের নয়, সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণও প্রয়োজন।
বুধবার দুপুরে বরিশাল সার্কিট হাউসে দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সচিব আরও বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, এর পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা চর্চা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুর্নীতির সুযোগ কমিয়ে আনার উদ্দীপনা থাকতে হবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ এবং তরুণদের পাশাপাশি আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সচিব জানান, সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করলে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব।
সভায় বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ