বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৫ পি.এম
সরকার ১০ হাজার টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করা হবে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ব্যয় হবে ৭৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, জাতীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে স্থানীয়ভাবে এ মসুর ডাল কেনা হবে। বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে টিসিবি কাজ করবে। স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হলে তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। যাচাই-বাছাইয়ের পর তিনটি প্রস্তাবই কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
আরো পড়ুন
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সভা আজ, আসছে বড় পরিবর্তন
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জয়তুন অটো রাইস অ্যান্ড ডাল মিলস লিমিটেড, খুলনা থেকে সর্বনিম্ন গ্রহণযোগ্য দরদাতা হিসেবে মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে টিসিবির গুদাম পর্যন্ত পরিবহন খরচসহ প্রতি কেজি ৭৬ টাকা ৭৯ পয়সা দরে এসব ডাল কেনা হবে। এর ফলে প্রতি টনের দাম হবে ৭৬ হাজার ৭৯০ টাকা। ১০ হাজার টনের মোট মূল্য ৭৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাউন্টার গ্যারান্টি এই অর্থের জন্য থাকবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে টিসিবির মসুর ডাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ২০ হাজার টন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১৭ হাজার ৫২৮ টন মসুর ডাল কেনা হয়েছে। নতুন করে ১০ হাজার টন কেনার ফলে চলতি অর্থবছরে টিসিবির কেনা মসুর ডালের পরিমাণ ২৭ হাজার ৫২৮ টনে দাঁড়াবে।
টিসিবি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলের পরাজয়কে কেবল একটি ম্যাচের ফল হিসেবে দেখা হলে ভুল হবে। এশিয়ান গেমসের মতো বিশাল মঞ্চে এই ব্যবধান বাংলাদেশের নারী ফুটবলের বাস্তব চিত্রকে উন্মোচন করেছে। তাই প্রশ্নটি কেবল কোচ কে, একাদশে কে খেলেছে বা কৌশল কী ছিল—এর চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমরা আসলে এই দলটিকে কিভাবে তৈরি করছি?
বাংলাদেশের নারী ফুটবলে একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা হলো—প্রতিযোগিতামূলক ঘরোয়া লিগের অভাব। প্রতিবছর যে লিগ অনুষ্ঠিত হয়, সেটি কার্যত নামকাওয়াস্তে। ফলে জাতীয় দলের প্রস্তুতি অনেকটাই নির্দিষ্ট একটি খেলোয়াড় গোষ্ঠী, ক্যাম্প এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচের ওপর নির্ভরশীল। এর ফলে জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার জন্য নিয়মিত প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হচ্ছে না। একজন খেলোয়াড়ের জায়গা নেওয়ার জন্য অন্য একজনকে যদি নিয়মিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে জাতীয় দলের জায়গার জন্য লড়াই কিভাবে তৈরি হবে?
নতুন খেলোয়াড়দের আনার প্রধান পথ বর্তমানে অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-২০ দল। কিন্তু সেখান থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়দের সিনিয়র পর্যায়ে নিজেদের প্রমাণ করার জন্য নিয়মিত মঞ্চ নেই। তাই একই খেলোয়াড়দের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে জাতীয় দলের আশপাশে রাখা অস্বাভাবিক নয়।
সমস্যা কেবল মাঠের নয়। খেলোয়াড়দের থাকা-খাওয়ার পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বাফুফে ভবনে সাত-আটজন খেলোয়াড়কে একটি কক্ষে গাদাগাদি করে থাকার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ রয়েছে। জীর্ণশীর্ণ ও অস্বস্তিকর পরিবেশে থেকে এশিয়ান কাপ বা এশিয়ান গেমসের মতো আসরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পারফর্ম করার প্রত্যাশা কতটা বাস্তবসম্মত?
উচ্চ পর্যায়ের ফুটবলে অনুশীলনের পাশাপাশি প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার, বিশ্রাম, পুনর্বাসন এবং চিকিৎসা-সহায়তা। একজন খেলোয়াড়ের উন্নয়নকে কেবল মাঠের অনুশীলন দিয়ে বিচার করা যায় না। সে কোথায় থাকছে, কী খাচ্ছে, কিভাবে বিশ্রাম নিচ্ছে—এসবও পারফরম্যান্সের অংশ।
এখানেই একটি কাঠামোবদ্ধ নারী লিগের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। ১০ দলের একটি প্রতিযোগিতামূলক লিগ হতে পারে সেই পথের সূচনা। প্রতিটি দলে জাতীয় দলের খেলোয়াড়ের সংখ্যা সীমিত রাখা গেলে ক্লাবগুলোকে তরুণ খেলোয়াড় তৈরি করতে হবে। ফলে জায়গা পাওয়ার লড়াই বাড়বে। জাতীয় দলের কোচের হাতে তৈরি হবে বড় খেলোয়াড় পুল।
আর্মি, পুলিশ এবং বিকেএসপির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যে নারী ফুটবলার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এগুলোকে একটি সুসংগঠিত উন্নয়ন-ব্যবস্থার অংশ করা গেলে জাতীয় দলের জন্য নিয়মিত খেলোয়াড় তৈরি করা সম্ভব। একজন খেলোয়াড় জাতীয় দলের ক্যাম্পে আসার পর তাকে তৈরি করার চেয়ে ক্লাব পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা অনেক বেশি কার্যকর।
সমস্যা কেবল খেলোয়াড় তৈরিতেই নয়, কোচিং কাঠামোতেও প্রশ্ন রয়েছে। লাইসেন্স পাওয়ার পর একজন কোচ দীর্ঘদিন মাঠে কাজ না করেও একই অবস্থায় থাকবেন—এমন ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, সেটিও ভাবার সময় এসেছে। কোচদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স উন্নয়ন, মাঠে অনুশীলন পরিচালনা এবং ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়নের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।
সবচেয়ে বড় কথা, নারী ফুটবলের উন্নয়ন কোনো এক ব্যক্তি, একটি বয়সভিত্তিক দল কিংবা শুধু জাতীয় দলের ক্যাম্পের ওপর নির্ভর করে হতে পারে না। দরকার একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন-ধারা—স্কুল ও একাডেমি থেকে খেলোয়াড় উঠে আসবে, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-২০ পেরিয়ে সিনিয়র ক্লাব ফুটবলে খেলবে, সেখান থেকে জাতীয় দলে জায়গার জন্য লড়াই করবে।
উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলের পরাজয় সেই কাঠামোর দুর্বলতাগুলো আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে। কোচ বদলালে একাদশ বদলাবে, কৌশল বদলাবে। কিন্তু খেলোয়াড় তৈরির ব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক লিগ, কোচিং কাঠামো এবং খেলোয়াড়দের জীবনযাপনের মৌলিক পরিবেশ না বদলালে এশিয়ার শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে ব্যবধান কমানো কঠিন হবে।
বাংলাদেশ নারী ফুটবলকে তাই কেবল পরের ম্যাচের জন্য নয়, পরের প্রজন্মের জন্যও প্রস্তুত হতে হবে।
এবং সেই প্রস্তুতির প্রথম শর্ত হতে পারে—নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক নারী লিগ এবং খেলোয়াড়দের জন্য একটি সম্মানজনক জীবনযাপনের পরিবেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট হাশিম থাচিকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে হেগের একটি আন্তর্জাতিক আদালত। সার্বিয়ার বিরুদ্ধে কসোভোর স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের দায়ে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। তিন বছরের বিচার প্রক্রিয়ার পর হত্যা, অবৈধ গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও নিষ্ঠুর আচরণের মতো বিভিন্ন অপরাধে ৫৮ বছর বয়সী থাচির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তবে কিছু অভিযোগ তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়নি।
হাশিম থাচি ছিলেন কসোভো লিবারেশন আর্মি (কেএলএ)-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান কমান্ডার। বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে গঠিত এই গোষ্ঠীটি জাতিগত আলবেনীয়দের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়। অভিযোগ রয়েছে যে, এই যুদ্ধ চলাকালীন কেএলএ দশ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটিয়ে অঞ্চলের সংখ্যালঘু সার্বদের ওপর হামলা চালিয়েছিল।
থাচির বিরুদ্ধে হেগে বিচার চলছিল কেএলএর আরো তিনজন সাবেক কমান্ডারের সঙ্গে মিলে প্রায় ১০০ জনকে হত্যা ও গুমের অভিযোগে। স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য নিজ দেশে বীর হিসেবে পরিচিত থাচি ২০০৮ সালে কসোভোর প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি হন। তবে ২০২০ সালে হেগের আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হলে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
এই রায়ের খবর কসোভোজুড়ে, বিশেষ করে প্রিস্টিনায় বড় পর্দায় সম্প্রচার করা হয়। রায় শুনে সেখানে উপস্থিত হাজার হাজার মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজকীয় জাঁকজমক, কোটি মানুষের ভালোবাসা এবং আলোড়ন সৃষ্টি করা এক জীবন—প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও তাকে ঘিরে স্মৃতি ও বিতর্ক যেন আজও বিদ্যমান। এবার তার ছোট ভাই চার্লস স্পেন্সারের প্রকাশিতব্য একটি স্মৃতিকথা নতুন করে রাজপরিবারের পুরনো ক্ষতকে সামনে এনেছে।
স্পেন্সারের বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালে ডায়ানার মর্মান্তিক মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রিন্স চার্লস তাকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, “নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা খুব শিগগির তাকে ভুলে যাব।” ইউকের দৈনিক ‘ডেইলি মেইল’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শেষকৃত্যের সময় ডায়ানার দুই নাবালক সন্তান—প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি মায়ের কফিনের পেছনে হাঁটবেন কি না, তা নিয়ে বিতর্কের এক পর্যায়ে চার্লস এই মন্তব্য করেছিলেন। স্পেন্সার মূলত নিজের বোনকে নিয়ে অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের উদ্দেশ্যে বইটি লিখেছেন বলে জানান।
বাকিংহাম প্যালেস সাধারণ বই নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও বিষয়টিকে এড়িয়ে যায়নি। রাজা চার্লসের পক্ষে এক মুখপাত্র সুচিন্তিত বার্তা দিয়ে জানান, স্বজন হারানোর গভীর শোক মানুষের যুক্তি, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তিকে দীর্ঘ বছর পরও ভিন্নভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
১৯৮১ সালে বিয়ে থেকে শুরু করে ১৯৯৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদ এবং পরের বছর প্যারিসে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা—ডায়ানার ৩৬ বছরের জীবনজুড়ে ছিল আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কৌতূহল। রাজপরিবারের ভেতরের অম্ল-মধুর সম্পর্কগুলো এত বছর পরও আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পারে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাম্প্রতিক এই বাকযুদ্ধ তারই প্রমাণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোলের মহোৎসব যেন লামিন ইয়ামালের পায়ে চলছে। ক্যারিয়ারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা পাঁচ ম্যাচে জালের দেখা পেলেন বার্সেলোনার এই তরুণ উইঙ্গার। ১৯ বছর বয়সী স্প্যানিশ তারকা রেসিং সান্তান্দারের বিরুদ্ধে বিশাল জয়ের রাতে একটি গোল করে এই অসাধারণ মাইলফলক অর্জন করেন।
বার্সার হয়ে ইয়ামালের গোলবন্যার শুরু হয়েছিল ৩১ আগস্ট। রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ের ম্যাচে তিনি জোড়া গোল করেছিলেন। এরপর থেকেই যেন গোলমেশিনটি থামার নামই নেয়নি! পরবর্তী ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়ার বিরুদ্ধে আবারও দুইবার জালের দেখা পান তিনি। চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেয়েনোর্ডের বিরুদ্ধে বার্সেলোনার জয়ের ম্যাচেও তার পা থেকে আসে একটি মূল্যবান গোল।
১৩ সেপ্টেম্বর লেভান্তের বিপক্ষে ধারাবাহিকতার এই চিত্রনাট্য আরো রঙিন হয়ে ওঠে। ৩-২ ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয়ের দিনে আবারও জোড়া গোল করেন ইয়ামাল।
অবশেষে বুধবার রাতে ন্যু ক্যাম্পে রেসিং সান্তান্দারের বিরুদ্ধে দলের ৭-২ গোলে জয়ের সময় স্কোরবোর্ডে নিজের নাম লেখান ইয়ামাল। বার্সেলোনার সপ্তম গোলটি করে তিনি পূর্ণ করেন টানা ৫ ম্যাচে গোল করার কীর্তি।
২০২৬-২৭ মৌসুমে স্বপ্নের মতো শুরু করা ইয়ামাল শেষ পাঁচ ম্যাচে করেছেন ৮টি গোল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ