ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

কাউখালীতে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে খানার তথ্য সংগ্রহ শুরু


কাউখালীতে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে খানার তথ্য সংগ্রহ শুরু

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পিরোজপুরের কাউখালীতে মাঠপর্যায়ে খানার তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় উপজেলার চিড়াপাড়া-পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের ছালেকিয়া মাদ্রাসার হল রুমে কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামছুর রহমান মিল্টন, ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হিরন মিয়াসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ে সঠিক, নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রকৃত উপকারভোগীদের চিহ্নিত করতে হলে প্রতিটি খানার তথ্য যথাযথভাবে সংগ্রহ ও যাচাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে একটি নির্ভুল তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা না করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে খানার তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে প্রকৃত উপকারভোগীদের শনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কোনো ভেদাভেদ নেই: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


দেশে হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কোনো ভেদাভেদ নেই: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল মন্তব্য করেছেন, ‘পূজা সারা বাংলাদেশের একটি উৎসব। বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ খ্রিস্টান কোনো ভেদাভেদ নেই। আমরা চাই যে সবাই বাংলাদেশি হিসেবে পরিচিত পাবে। আমরা জনগণের কাছে এমন অঙ্গীকার করে এসেছিলাম আর সেই দিকেই আমাদের সরকার এগোচ্ছে।’

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে বাগাতিপাড়া উপজেলায় পূজা মণ্ডপে ডিও প্রদান ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ফারজানা শারমিন পুতুল আরও জানান, ‘বিগত দিনে বিভিন্ন সময় যখন আমরা সরকারে ছিলাম না, তখনো আমরা চেষ্টা করেছি এই পূজাগুলোকে সবচেয়ে বেশি আনন্দময় করার জন্য। এবারও সরকারের পক্ষ থেকে করার জন্য সরকারের যেমন পরিকল্পনা রয়েছে, আমাদেরও পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘পূজা উৎসবে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় নেই। কেউ কোনো ধরনের ক্রাইসিস তৈরি করার চেষ্টা করলে তা শক্ত হাতে দমন করা হবে। সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে এবং দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা রয়েছে।’

এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামসুল ইসলাম, লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান বাবুসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় চীনা নারীর সঙ্গে সংঘবদ্ধ চক্র ধরা, মিললো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


ঢাকায় চীনা নারীর সঙ্গে সংঘবদ্ধ চক্র ধরা, মিললো চাঞ্চল্যকর তথ্য

স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৩ চীনা এক নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই সংঘবদ্ধ চক্রটি বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ, বিশেষ করে ক্যানসারসহ জটিল ও দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনামসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার করে আসছিল।

এসআরবি-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন চীনা নারী লি ফেন (৩৪), বকুল নাহার বীথি (২৪), ইউনুস আলী (২৬) ও সজীব হাওলাদার (২৮)। গ্রেপ্তারকালে তাদের কাছ থেকে নগদ অর্থসহ প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা বাজারমূল্যের বাংলাদেশি ওষুধও জব্দ করা হয়েছে।

এসআরবি-৩ জানায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে ওষুধ পাচার করে আসছিল। বাংলাদেশে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায় এমন বিভিন্ন ওষুধ, বিশেষ করে ক্যানসারসহ জটিল ও দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ বিদেশে পাঠানো হতো। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ২৪ থেকে ২৫ কেজি ওজনের কার্টনে এসব ওষুধ পাঠানো হতো।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, চীনা নাগরিক লি ফেন ২০২৪ সালের আগস্টে পর্যটক ভিসায় বাংলাদেশে আসেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার দুই-তিন দিন আগে তিনি চীনে ফিরে গিয়ে আবারও পর্যটক ভিসায় বাংলাদেশে আসতেন। গ্রেপ্তার হওয়া বকুল নাহার বীথি ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চীনের হুনান নরমাল ইউনিভার্সিটিতে ব্যবসায় প্রশাসনে পড়াশোনা করেন। এ সময় তিনি চীনা ভাষা শেখেন এবং পরে বাংলাদেশে ফিরে বিভিন্ন চীনা নাগরিকের দোভাষী হিসেবে কাজ করেন।

এসআরবির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর লাওসের শুল্ক কর্তৃপক্ষ বৈধ কাগজপত্র না থাকায় কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো ১০০ কেজি ওজনের একটি ওষুধের চালান জব্দ করে। এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট চক্রের কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির কিছু অসাধু কর্মচারী অধিক মুনাফার আশায় এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। তাদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি জব্দ করা ওষুধের ধরন ও পরিমাণ, পাচারের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট ওষুধ কোম্পানির কর্মীদের ভূমিকাও গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মারাইংতং পাহাড়: মেঘ-সাগরের হিল্লোলে পর্যটকদের জন্য নতুন গন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


মারাইংতং পাহাড়: মেঘ-সাগরের হিল্লোলে পর্যটকদের জন্য নতুন গন্তব্য

মেঘ পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসে। চারপাশে সবুজের বিস্তার। দূরে নীল সমুদ্রের হাতছানি। মারাইংতং পাহাড় চূড়ায় পাহাড়, মেঘ আর সাগরের এই মেলবন্ধন দেখা যায়।

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় অবস্থিত মারাইংতং পাহাড়ের পাশে এই স্থানটি দ্বিতীয় সাজেক নামেও পরিচিত। এই পাহাড়টি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দেড় হাজার ফুট উচ্চতায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করলে চারপাশের পাহাড়, বনভূমি এবং দূরের বঙ্গোপসাগরের জলরাশি দেখা যায়। ভোরে মেঘের চাদর এবং বিকেলের সূর্যাস্ত— এই দুই সময়ে মিরিঞ্জার রূপ ভিন্ন হয়ে ওঠে।

‎মারাইংতং পাহাড়ে যা দেখা যাবে

আলীকদম মারাইংতং পাহাড়ের প্রধান আকর্ষণ হলো পাহাড়ের চূড়া থেকে দৃশ্যমান বিস্তৃত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। যখন মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ায়, তখন পাহাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে মনে হয়, আপনি মেঘের রাজ্যে রয়েছেন।

এখান থেকে আশপাশের পাহাড়ি বন, মাতামুহুরী নদী এবং আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে দূরের সমুদ্রও দেখা যায়। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার জন্য এই স্থানটি বেশ উপযোগী। মারাইংতং পাহাড়ে ভ্রমণের সময় কাছাকাছি আলীর গুহা, ডিম পাহাড়, মায়া লেক, সীমান্ত ঘেঁষা সড়ক এবং মাতামূহুরী রির্জাভ ফরেস্ট ঘুরে দেখা যায়।

‎ঢাকা থেকে যেভাবে যাওয়া যাবে

ঢাকা থেকে মারাইংতং পাহাড়ে যাওয়ার সহজ উপায় হলো কক্সবাজার বা আলীকদমগামী বাস। কক্সবাজারগামী বাসে উঠলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে নামতে হবে। এরপর চকরিয়া থেকে লামা-আলীকদম সড়ক ধরে স্থানীয় বাস, জিপ, চাঁদের গাড়ি অথবা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মিরিঞ্জার পাহাড়ের দিকে যাওয়া সম্ভব।

চকরিয়া থেকে মারাইংতং পাহাড়ের দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার। স্থানীয় যানবাহনে যেতে সাধারণত দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। আবাসিক এলাকায় নেমে এক-দুই ঘণ্টা হাঁটলেই মারাইংতং পাহাড়ের কাছে পৌঁছানো যায়। ঢাকা থেকে আলীকদম বাসের যানজট এবং বাসের ধরন অনুযায়ী পুরো যাত্রায় ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা সময় হাতে রাখা ভালো।

‎কত টাকা খরচ হবে

ঢাকা থেকে কক্সবাজার বা চকরিয়াগামী বাসের ভাড়া বাসের ধরন এবং আসনের মান অনুযায়ী ভিন্ন হয়। চকরিয়া থেকে আলীকদম আবাসিক সড়কের মাথা পর্যন্ত স্থানীয় বাস বা জিপে চেপে যাওয়া যায়; খরচ জনপ্রতি আনুমানিক ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এরপর পাহাড়ের চূড়ায় জনপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।

আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য চকরিয়া থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি বা চাঁদের গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়। দল বড় হলে পুরো গাড়ি ভাড়া নিয়ে যাওয়া তুলনামূলক সুবিধাজনক।

‎ট্র্যাকিং করতে চাইলে

আবাসিক সড়কে নেমে পায়ে হেঁটে মারাইংতং পাহাড়ের চূড়ায় যেতে খুব কঠিন ট্র্যাকিংয়ের প্রয়োজন হয় না। আলীকদম মূল সড়ক থেকে চাঁদের গাড়িতে মুরুংপাড়া পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে প্রায় ৩০ মিনিট পাহাড়ি পথে হাঁটলেই পাহাড় চূড়ায় পৌঁছানো সম্ভব। পাহাড়ি পথ হওয়ায় সঙ্গে ভালো গ্রিপের জুতা রাখা জরুরি। বর্ষার সময় পথ পিচ্ছিল হয়ে যেতে পারে।

‎থাকা যাবে যেখানে

একদিনে ঘুরে ফিরে আসা সম্ভব হলেও মারাইংতং পাহাড়ের চূড়ায় প্রকৃত সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে রাতে থাকা যেতে পারে। পাহাড়ের ওপর টাবু টানিয়ে থাকা যায়; চাইলে জুমঘরসহ বিভিন্ন আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।

‎কখন যাওয়া ভালো

মেঘ দেখতে চাইলে বর্ষার শেষ থেকে শীতের শুরুর সময় মারাইংতং পাহাড়ে ভ্রমণ বেশ আকর্ষণীয়। তবে বর্ষায় পাহাড়ি সড়ক পিচ্ছিল থাকে। নভেম্বরে আবহাওয়া তুলনামূলক পরিষ্কার থাকায় পাহাড় এবং দূরের সমুদ্র দেখার সুযোগ ভালো থাকে।

‎যাওয়ার আগে যা মনে রাখতে হবে

পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা, পর্যাপ্ত পানি ও শুকনো খাবার নেওয়া এবং দলবদ্ধভাবে চলা ভালো। পাহাড়ে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে স্থানীয় পরিবেশ এবং বাসিন্দাদের প্রতি সম্মান দেখানোও ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির ফুটবল সাম্রাজ্য: কোন ক্লাবের মালিক, কোথায় অংশীদার?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


মেসির ফুটবল সাম্রাজ্য: কোন ক্লাবের মালিক, কোথায় অংশীদার?

লিওনেল মেসি ফুটবল মাঠে কিংবদন্তি হয়ে ওঠার পর, এবার তিনি মাঠের বাইরেও নিজের ফুটবল সাম্রাজ্য গড়ে তুলছেন। তবে, তাঁর সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি ক্লাবের মালিকানার ধরন ভিন্ন। কিছু ক্লাবে তিনি সরাসরি মালিক, কিছুতে যৌথ উদ্যোগের অংশীদার, আবার কিছুতে ভবিষ্যতে মালিকানা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই, মেসির বর্তমান ফুটবল-সম্পৃক্ততাকে মালিকানা ও অংশীদারত্ব—এই দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়।

যেসব ক্লাবের মালিক মেসি

স্পেনের পঞ্চম স্তরের ক্লাব ইউই কর্নেয়া মেসির সরাসরি মালিকানাধীন ক্লাব। এপ্রিল মাসে কাতালোনিয়ার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির পূর্ণ মালিকানা তিনি গ্রহণ করেন। ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত কর্নেয়া দীর্ঘকাল ধরে তরুণ খেলোয়াড় তৈরির জন্য পরিচিত। মেসির কাতালোনিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক থাকায়, ক্লাবটির মালিকানা তাঁর ফুটবল-ব্যবসায়িক পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব সিডি এলদেন্সও মেসির মালিকানাধীন। সেপ্টেম্বরের শুরুতে ক্লাবটি তাঁকে নতুন মালিক হিসেবে ঘোষণা করে। এলদেন্সের নতুন মালিকানা প্রকল্পে ক্লাবটির ক্রীড়া, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক উন্নয়নকে দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। দলটির ক্রীড়া প্রকল্প পরিচালনার দায়িত্ব সাবেক ভিয়ারিয়াল কোচ হাভি কায়েহাকে দেওয়া হয়েছে।

যেখানে মেসি অংশীদার

উরুগুয়ের দেপোর্তিভো এলএসএমের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। ক্লাবটি ২০২৫ সালে লুইস সুয়ারেজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মেসি পরে তাঁর সাবেক বার্সেলোনা ও বর্তমান ইন্টার মায়ামি সতীর্থের এই প্রকল্পে যৌথ উদ্যোগে যুক্ত হন। অর্থাৎ, এটিকে মেসির একক মালিকানাধীন ক্লাব হিসেবে দেখা সম্ভব নয়।

সিউদাদ দে লা কোস্তায় অবস্থিত দেপোর্তিভো এলএসএম বর্তমানে উরুগুয়ের তৃতীয় স্তরের ফুটবলে খেলছে। ক্লাবটির ভিত্তি হিসেবে রয়েছে প্রায় ২০ একরের একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্স এবং ১,৪০০ দর্শক ধারণক্ষমতার কৃত্রিম টার্ফের স্টেডিয়াম। সুয়ারেজের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পে মেসির অংশগ্রহণ মূলত যৌথ ফুটবল-ব্যবসায়িক উদ্যোগের অংশ।

ইন্টার মায়ামিতে এখনো মালিক নন

ইন্টার মায়ামির ক্ষেত্রে মেসিকে বর্তমান মালিক হিসেবে উল্লেখ করা যাবে না। তিনি এখনো ক্লাবটির খেলোয়াড় এবং তাঁর চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত। তবে, তাঁর চুক্তিতে খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করার পর ক্লাবটির সংখ্যালঘু মালিক হওয়ার একটি অপশন রয়েছে। অর্থাৎ, এটি বর্তমান মালিকানা নয়, ভবিষ্যৎ মালিকানায় যাওয়ার সম্ভাবনা।

ইন্টার মায়ামিতে মেসির প্রভাব অবশ্য শুধু মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর আগমনের পর ক্লাবটির ক্রীড়া ও বাণিজ্যিক পরিচিতি আন্তর্জাতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়েছে। তবে, বর্তমান সময়ে ক্লাবটির মালিকানা কাঠামোর অংশ হিসেবে মেসিকে দেখানো এবং ভবিষ্যতে সংখ্যালঘু মালিক হওয়ার সম্ভাবনাকে এক বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা তথ্যগতভাবে সঠিক হবে না।

সব মিলিয়ে, মেসির ফুটবল-ব্যবসায়িক অবস্থানকে তিনভাবে দেখা যায়—ইউই কর্নেয়া ও সিডি এলদেন্সে সরাসরি মালিকানা, দেপোর্তিভো এলএসএমে যৌথ অংশীদারত্ব এবং ইন্টার মায়ামিতে ভবিষ্যৎ সংখ্যালঘু মালিক হওয়ার সম্ভাবনা। ফলে, খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষ হলেও ফুটবলের সঙ্গে মেসির সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হওয়ার পথ ইতোমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%