ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধনবাড়ী’র বিএনপি নেতা হাবিবুল্লাহ ফকিরের মৃত্যুতে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর শোক


ধনবাড়ী’র বিএনপি নেতা হাবিবুল্লাহ ফকিরের মৃত্যুতে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর শোক

টাঙ্গাইলের অবিভক্ত মধুপুর উপজেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, পাইস্কা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং ধনবাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র হাবিবুল্লাহ ফকির ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না নিল্লাহি ওয়াইন্নি ইলাইহি রাজিউন)। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টার সময় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

তার জানাযা নামাজে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামান সুজা, মধুপুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি অধ্যক্ষ এম আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ভিপি, পৌর বিএনপি’র সভাপতি এসএমএ ছোবহান, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন সহ ধনবাড়ী ও মধুপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, জাসাস, সহ সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতা ও কর্মীরা অংশ নেয়।

আরও পড়ুন: নাচোলে নারী নেত্রী মরিয়ম বেগমের হেনস্থার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এসময় তারা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম, এনসিপি, গণ অধিকার ও ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনটিভি’র সাংবাদিক হাফিজুর রহমান এবং ধনবাড়ী বাজারের ব্যবসায়ী মহলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স ছিলো ৭৭ বছর। তিনি স্ত্রী ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় প্রথম জানাযা নামায ধনবাড়ী সরকারী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এবং বাদ জুমা দ্বিতীয় জানাযা নামায পাইস্কা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিফার নতুন ফুটসাল র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা চতুর্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


ফিফার নতুন ফুটসাল র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা চতুর্থ

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা) পুরুষ ফুটসালের নতুন র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। এই র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানটি ব্রাজিলের দখলে রয়েছে, আর চতুর্থ স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ফিফা পুরুষ ফুটসাল দলের হালনাগাদকৃত র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত তালিকার তথ্য অনুযায়ী, ১৬৮৪.৯৭ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিল র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানে রয়েছে। শীর্ষ তালিকায় অন্যান্য দলের অবস্থানেও তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

দ্বিতীয় স্থানে ১৫৭৫.৩২ পয়েন্ট নিয়ে পর্তুগাল অবস্থান করছে, আর তাদের খুব কাছাকাছি তৃতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন, যাদের পয়েন্ট ১৫৭৪.৩৯। এছাড়া, ১৫১৩.৩৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা, এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে মরক্কো।

তবে র‌্যাঙ্কিংয়ে জাম্বিয়া সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে। তারা ৪ ধাপ উন্নতি করে সেরা উন্নতির দল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এছাড়া, সর্বাধিক ১৯.৪৯ পয়েন্ট অর্জন করে ভিয়েতনামও নজর কেড়েছে।

অন্যদিকে, মন্টেনিগ্রো র‌্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বাজে সময় পার করছে। তারা সর্বাধিক ১৩ ধাপ নিচে নেমে গেছে এবং তাদের পয়েন্ট কমেছে ২৬.৬৯।

ফিফা জানিয়েছে, র‌্যাঙ্কিংয়ের পরবর্তী হালনাগাদ আগামী ১১ ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হোয়াইট হাউসে শি-ট্রাম্পের নৈশভোজে আলোচনা হলো দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


হোয়াইট হাউসে শি-ট্রাম্পের নৈশভোজে আলোচনা হলো দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের জন্য হোয়াইট হাউসে একটি ব্যস্ত দিন রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়, হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে দুই নেতা শীর্ষ মার্কিন ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য প্রদান করেন। এরপর রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

নৈশভোজের পূর্বে, দুই নেতা সকালে পৃথক বক্তব্যে দুই দেশের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। শি জিনপিং দুই দেশের সম্পর্ককে ‘নতুন ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। অপরদিকে, ট্রাম্প বাণিজ্য সম্পর্ক এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

দিনের শুরুতে, শি ও ট্রাম্প এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো সরাসরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে তাইওয়ান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট এবং ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠককে ট্রাম্প ‘চমৎকার’ বলে অভিহিত করেন।

পরে, ট্রাম্প চীনা প্রেসিডেন্টকে হোয়াইট হাউসের নতুন হেলিপ্যাডও ঘুরিয়ে দেখান।

রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এই নৈশভোজের আয়োজনকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি ‘রন্ধন কূটনীতি’র একটি অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মেডিকেল ফ্যাকাল্টি প্রতিষ্ঠার দাবি জানালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মেডিকেল ফ্যাকাল্টি প্রতিষ্ঠার দাবি জানালেন

দেশের অন্যতম বৃহৎ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) হিসেবে পরিচিত। প্রায় ছয় দশকের পথচলায় শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিভাগের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, অবকাঠামো সম্প্রসারণের অভাবে আবাসন, শ্রেণিকক্ষ সহ বিভিন্ন সংকট সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি গবেষণা, আন্তর্জাতিক পরিসরে অবস্থান এবং সময়োপযোগী নতুন বিষয় চালুর মতো ক্ষেত্রগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়টির সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম উপাচার্য হিসেবে ২০২৬ সালের মার্চে দায়িত্ব গ্রহণ করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক এবং বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সিনিয়র সহসভাপতি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সমস্যা ও সংকট, দায়িত্ব গ্রহণের সময়কার পরিস্থিতি, সম্ভাবনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, গবেষণা এবং সরকারের কাছে প্রত্যাশাসহ নানা বিষয়ে আরটিভির চবি সংবাদদাতা আল আরাফের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন।

আরটিভি: উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়কে কী অবস্থায় পেয়েছিলেন? দায়িত্ব নেওয়ার পর আপনার সামনে প্রথম চ্যালেঞ্জ কী ছিল?

উপাচার্য: দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম যে বিষয়টি লক্ষ্য করেছি, তা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের গতি। আমার গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করার মতো লোকের অভাব রয়েছে। ফলে আমি যে কোনো সিদ্ধান্ত প্রদান করলে সেটি বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় লাগে। বিশ্লেষণ করে দেখলাম, কাজ না করার যে সংস্কৃতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান, এটি আমাদের অনেক সহকর্মী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাদের কাজের স্ট্রিমে ফিরিয়ে আনা ছিল আমার প্রথম চ্যালেঞ্জ।

আরটিভি: বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সমস্যা বা সংকটগুলো কী? বিশেষ করে আবাসন ও অবকাঠামোর পরিস্থিতি কীভাবে দেখছেন?

উপাচার্য: দ্বিতীয় বড় চ্যালেঞ্জ হলো, গত ৯ বছর ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটিও ডিপিপি আসেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে জনবল, শিক্ষক, ছাত্র এবং বিভাগের সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু উন্নয়নের কাজগুলো হয়নি।

বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে বড় সংকট হলো আবাসন সংকট। ছাত্র ও ছাত্রী উভয়ের জন্যই এই সংকট বিদ্যমান। নতুন বিষয় বা বিভাগ খোলার জন্য অন্তত পাঁচটি ক্লাসরুম প্রয়োজন। একজন চেয়ারম্যানের জন্য একটি কক্ষ এবং ১০ জন শিক্ষকের জন্য ১০টি কক্ষের ব্যবস্থা করতে হবে। এই ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ না করেই বিভাগগুলো খোলা হয়েছে।

আমার দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি বুঝতে পেরেছি যে, অনেক সহকর্মী ও শিক্ষার্থীর আমার প্রতি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তারা মনে করছেন, স্যারের কাছে গেলেই সবকিছু হয়ে যাবে। কিন্তু এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

আরটিভি: তাহলে আবাসন ও অবকাঠামো সংকট নিরসনে কী পরিকল্পনা নিয়েছেন?

উপাচার্য: গত ছয় মাসের মধ্যে আমি দুটি প্রজেক্টকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে পেরেছি। প্রথমটি হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি নির্মাণ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০ বছরের ইতিহাসে এটি একটি নতুন উদ্যোগ। আশা করছি, আগামী দুই মাসের মধ্যে টিএসসির কাজ শুরু করতে পারব।

আরেকটি মূল প্রজেক্ট হলো আমাদের ডিপিপি, যেখানে মেয়েদের জন্য একটি হল রয়েছে। সেখানে এক হাজার মেয়ে একসঙ্গে থাকতে পারবে। যদি আমরা এ বছরের মধ্যে এই দুটি ডিপিপিকে কার্যকর করতে পারি, তাহলে পাইপলাইনের মধ্যে আরও অনেক প্রজেক্ট যুক্ত করতে পারব, যাতে শিক্ষার্থী ও বিভাগের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য প্রস্তুতি রাখতে পারি।

আরটিভি: সময়ের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে নতুন বিভাগ বা বিষয় চালুর বিষয়ে কী ভাবছেন?

উপাচার্য: আমাদের কিছু নিজস্ব বিভাগ এখন সময়ের দাবি। আইটি, এআই-বেজড সাবজেক্ট, ডেটা সায়েন্স এই বিষয়গুলো বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সাবজেক্টগুলো থেকে আমাদের ছাত্রছাত্রীদের দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব নয়। ফলে এগুলো সময়ের দাবি।

আমাদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মেডিকেল ফ্যাকাল্টি প্রয়োজন, যেখানে আমরা এমবিবিএস ডিগ্রি প্রদান করতে পারব এবং একটি মেডিকেল ফ্যাসিলিটি থাকবে। এটি এখন সময়ের দাবি এবং প্রয়োজনের দাবি। এই কাজগুলো করার জন্য আমাদের ডিপিপি প্রয়োজন হবে।

আরটিভি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাবনার জায়গাগুলো কোথায় দেখছেন? সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কী উদ্যোগ নিয়েছেন?

উপাচার্য: বিশ্ববিদ্যালয় সব সময় সম্ভাবনার জায়গা এবং সম্ভাবনা তৈরি করে। আমরা সেই সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা ছাত্র যখন বাইরে যান, তাদের সঙ্গে যৌথ প্রোগ্রাম করার সুযোগ রয়েছে। আমি ইতোমধ্যে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স সেল পুনর্গঠন করেছি এবং দক্ষ পরিচালক ও উপপরিচালক নিয়োগ দিয়েছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় দুঃখ হলো, দেশের অন্যতম বৃহৎ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও যখন ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্কিং হয়, তখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে কোনো জায়গায় নেই। এজন্য আমি ইনস্টিটিউশনাল র‍্যাঙ্কিং সেল গঠন করেছি। ইতোমধ্যে এর পরিচালক ও সহকারী পরিচালক নিয়োগ করেছি। তারা আগামীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্কিংয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করবেন।

গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণশক্তি। গবেষণা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন থাকে না। গবেষণার স্পেকট্রাম বাড়ানোর জন্য আমরা থিসিসের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা করে শিক্ষাবৃত্তি দিচ্ছি।

আরটিভি: দায়িত্ব নেওয়ার সময় আপনি বলেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণার চেয়ে সাড়ে তিনটার বাসের প্রতি বেশি নজর থাকে এবং গবেষণা বাজেটের বড় অংশ ফেরত যায়। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে কী ব্যবস্থা নিয়েছেন?

উপাচার্য: এমফিল গবেষক দুই বছরের জন্য প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা পাবেন। পিএইচডি গবেষক তিন বছরের জন্য প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা পাবেন। সেই সঙ্গে গবেষণা পরিচালনার জন্য সম্মানীও রয়েছে।

গত বছর আমরা গবেষণার জন্য যে বাজেট পেয়েছিলাম, এ বছর তা থেকে প্রায় এক কোটি টাকা বেশি পেয়েছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষণার ফান্ড ফেরত যায়নি। বরং আমরা আরও বেশি চাইতে পারি, সেই ব্যবস্থা করছি।

আমরা এমন গবেষণা নিশ্চিত করতে চাই, যা দেশের কল্যাণে সহায়ক হবে। গবেষণা আমাদের অর্থনীতিতে, জিডিপিতে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করবে। এর জন্য আমরা গবেষণা সহায়তা ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

আরটিভি: বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সঙ্গে শিল্প খাতের সংযোগ তৈরিতে কী ধরনের পরিকল্পনা রয়েছে?

উপাচার্য: আমাদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি চমৎকার আইডিয়া রয়েছে। এটি বর্তমান সরকারের একটি চিন্তার ফসল। আমরা ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবরেশন নিশ্চিত করতে চাই। যে দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির সম্পর্ক শক্তিশালী, সে দেশে গবেষণার ক্ষেত্র উন্নত।

সেজন্য আমরা ইতোমধ্যে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সেল গঠন করেছি। পরিচালক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আগামী মাসের প্রথম দিকে চট্টগ্রামের চেম্বার অব কমার্সের সঙ্গে একটি বড় সমাবেশ করছি। সেখানে আমরা তাদের সহযোগিতা এবং সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করব।

আরটিভি: এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের কাছে আপনার চাওয়া বা প্রত্যাশা কী?

উপাচার্য: আমাকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জিজ্ঞেস করেছেন, ‘ছয় মাস, আপনাদের প্রকল্প কই?’ অর্থমন্ত্রী আমাদের জিজ্ঞেস করছেন, ‘আপনারা কেন প্রকল্প আনছেন না?’

আমরা সব জায়গা থেকে পজিটিভ রেসপন্স পাচ্ছি। অর্থাৎ যখনই আমরা প্রকল্পগুলোকে সঠিক জায়গায় নিয়ে যেতে পারব, তখন সহযোগিতা পাব। আমাদের অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও আমাদের সহযোগিতা করতে আগ্রহী। তারা সরাসরি বলেছেন, ‘আপনারা কী ধরনের সহযোগিতা চান, আমাদের বলুন। প্রয়োজনে আমরা আপনার সঙ্গে যাব।’

এটি আমার জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা। আমরা আশা করছি, সবার সহযোগিতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখছি, সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াদে জরুরি বৈঠকে বসছেন সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


রিয়াদে জরুরি বৈঠকে বসছেন সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

ইয়েমেনের হুতিদের ধারাবাহিক হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবকে সহযোগিতার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে জরুরি সামরিক বৈঠকে বসতে যাচ্ছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। এই বৈঠকে তিন দেশের সামরিক প্রধানরা আলোচনা করবেন, কীভাবে হুতিদের হামলার বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নিরাপত্তায় সহযোগিতা করা সম্ভব।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এই বৈঠকের। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় বৈঠকটি আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের পর তিন দেশের সামরিক প্রধানদের বৈঠকের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে সামরিক প্রধানরা বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় বা সৌদি আরবকে কী ধরনের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেননি। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত ৭ আগস্ট মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার লক্ষ্য হলো যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

চুক্তির শর্তাবলী অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। চুক্তির পর থেকেই তিন দেশ এর আওতাধীন বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছে।

গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে তিন দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সামরিক প্রধানরা প্রথমবারের মতো কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে সৌদি আরবে একটি সচিবালয় স্থাপন এবং তিন দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি করার বিষয়ে তারা একমত হন।

বৃহস্পতিবারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে মক্কা ও সৌদি আরবের বেসামরিক এবং অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলেও নিশ্চিত করা হয়। ইয়েমেন থেকে নতুন করে হামলার খবর পাওয়ার পর এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%