ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজার শাসনব্যবস্থা পরিচালনাকারী সংস্থা বিলুপ্ত করতে চায় হামাস


গাজার শাসনব্যবস্থা পরিচালনাকারী সংস্থা বিলুপ্ত করতে চায় হামাস

হামাস গাজার শাসন পরিচালনাকারী সংস্থা বিলুপ্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা প্রায় দুই দশক ধরে চলছে।

সংগঠনটির কর্মকর্তারা সোমবার এ তথ্যের ঘোষণা দেন।

এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বেসামরিক প্রশাসন পরিচালনার জন্য একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটির দায়িত্ব গ্রহণের পথ তৈরি হবে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

এই পদক্ষেপ হামাসের রাজনৈতিক অবস্থানে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নির্দেশ করছে। ২০০৭ সালে ফাতাহ’র কাছ থেকে গাজার নিয়ন্ত্রণ নেয়া শুরু করার পর থেকে হামাস এই ভূখণ্ড শাসন করে আসছে।

এ খবর গাজা সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে।

গত অক্টোবরে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরে, হামাস তাদের দৈনন্দিন প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে বারবার ইঙ্গিত দিয়েছে। কিন্তু, তাদের নিরস্ত্রীকরণের জটিল প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত অবস্থায় রয়েছে।

হামাসের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপি-কে জানিয়েছেন, ‘হামাস গাজার সরকার পরিচালনাকারী কমিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি, কমিটির কাজ তদারকির জন্য জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়া হবে। গাজার প্রশাসন পরিচালনার জন্য গঠিত জাতীয় কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।’

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

হামাসের গণমাধ্যম কার্যালয় জানায়, সোমবার দিনের শেষের দিকে তারা ‘গুরুত্বপূর্ণ এক সংবাদ সম্মেলন’ করতে যাচ্ছে। কিন্তু, এ বিষয়ে বিস্তারিত কোন তথ্য দেওয়া হয়নি।

হামাসের আরেক কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি কায়রোয় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা ইতোমধ্যে অন্যান্য ফিলিস্তিনি সংগঠনকে এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে জানিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘অন্যান্য সংগঠন হামাসের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।’

আরও পড়ুন: ভারতে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালাতে চায় জাপান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুপার টাইফুন ‘বাভি’র আঘাতে মার্কিন দ্বীপপুঞ্জে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


সুপার টাইফুন ‘বাভি’র আঘাতে মার্কিন দ্বীপপুঞ্জে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ এবং গুয়ামে শক্তিশালী ক্যাটাগরি-৫ সমান সুপার টাইফুন ‘বাভি’ সোমবার ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৯০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হেনেছে। এতে ছোট দ্বীপ রোটায় সর্বত্র ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, টাইফুনের কেন্দ্র যখন রোটার ওপর দিয়ে অতিক্রম করছিল, তখন পুরো দ্বীপটি এর চোখের মধ্যে ছিল। প্রবল ঝড়ো হাওয়া এবং ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যা, অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি এবং একটি মোবাইল ফোন টাওয়ার ভেঙে পড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। এনডব্লিউএস সতর্ক করেছে যে, সরাসরি আঘাতের ফলে রোটার বড় অংশ কয়েক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় বসবাসের জন্য উপযোগী হয়ে উঠতে পারে। অধিকাংশ গাছ ভেঙে গেছে এবং বিদ্যুতের সরবরাহও সরবরাহ বন্ধ থাকতে পারে সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত। অন্যদিকে, টিনিয়ান, উত্তর গুয়াম এবং দক্ষিণ সাইপানে হারিকেনের সমতুল্য বাতাস বয়ে গেছে। গুয়ামে ৮ থেকে ১২ ইঞ্চি (২০-৩০ সেন্টিমিটার) পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা থেকে আকস্মিক বন্যার জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে আবহাওয়াবিদদের মতামত অনুযায়ী, টাইফুনটি ধীরে ধীরে পশ্চিম দিকে সরতে শুরু করায় পরিস্থিতির উন্নতি দেখা দিতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আরেকটি টাইফুনের পর বিদ্যুৎ ফিরে পাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে আবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটেছে। অনেক বাসিন্দা হোটেল ও আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের রক্ষার জন্য আগেভাগেই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, এল নিনোর প্রভাবে এ বছর প্রশান্ত মহাসাগরে আরও শক্তিশালী এবং ঘন ঘন টাইফুনের আসার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে রেকর্ড উষ্ণ সমুদ্রের পানিও ঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি করতে ভূমিকা রাখছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান

প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান আজ ‘শিশুর প্রাথমিক পরিচর্যা ও বিকাশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান মন্তব্য করেন যে, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র (ডে-কেয়ার সেন্টার) শুধুমাত্র শিশুদের নিরাপদে রাখার স্থান নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘মানসম্মত দিবাযত্ন কেন্দ্রের অভাবে কর্মজীবী মা ও তাদের সন্তানদের নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।’

আজ রাজধানীর পানি ভবনের মাল্টিপারপাস হলে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘শিশুর প্রাথমিক পরিচর্যা ও বিকাশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।

সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন।

ডা. জুবাইদা রহমান সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), সকাল ১১টায় ভূমি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র এবং সকাল সাড়ে ১১টায় পানি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

ডা. জুবাইদা রহমান মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ দশমিক ৫৮ শতাংশ নারী এবং ২৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ মানুষের বয়স শূন্য থেকে ১৪ বছরের মধ্যে রয়েছে।

কর্মজীবী মায়েদের জন্য দিবাযত্ন কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করে নিজের স্কুলজীবনের একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এবং শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো অনেক কর্মজীবী মা সন্তান লালন-পালন নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। বর্তমানে ১২৩টি শিশু বিকাশ কেন্দ্রে ৭ হাজার ৩৬০ জন শিশুকে সেবা দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের মোট শিশুর মাত্র শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশের চাহিদা পূরণ করছে।’

তিনি মন্তব্য করেন, এর ফলে অনেক শিশু প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম, সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা এবং সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান জানান, মানসম্মত ও সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এবং শৈশবকালীন বিকাশ শিশুদের জ্ঞানীয় ও সামাজিক বিকাশের শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

দিবাযত্ন কেন্দ্রের পরিচর্যাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের মানবিক ও কঠিন দায়িত্ব পালনের কারণে অসংখ্য কর্মজীবী মা নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন এবং শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়।’

তিনি বলেন, শৈশবই মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়েই সততা, নিষ্ঠা, শান্তি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিকতা, সহনশীলতা, শৃঙ্খলা, কৌতূহল, অধ্যবসায় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তি গড়ে ওঠে।

তিনি আরো যোগ করেন, দিবাযত্ন কেন্দ্রের পরিচর্যাকারীরা একদিকে যেমন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভিত্তি নির্মাণে ভূমিকা রাখছেন, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক নারীর কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগও সৃষ্টি করছেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি তার বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘তাঁর শাসনামলে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দিবাযত্ন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই। নিরাপদ পরিবেশে শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে তারাই দেশ গঠনের প্রধান শক্তিতে পরিণত হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন বলেন, দিবাযত্ন কেন্দ্র শুধু কর্মজীবী মায়ের জন্য নয়, বরং প্রতিটি কর্মজীবী পরিবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছয় মাস থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

তিনি বলেন, একদিনে ১০০টি দিবাযত্ন কেন্দ্র চালু করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রশিক্ষিত জনবল এবং মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই এ কার্যক্রম সারা দেশে বিস্তৃত করা সম্ভব হবে।

ডা. জাহিদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে মাত্র ছয়টি দিবাযত্ন কেন্দ্র দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। বর্তমানে সেই উদ্যোগ আরো সম্প্রসারণের কাজ চলছে।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পেশাদারিত্বের কারণে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যিনি ব্যারাকে ফিরে গিয়েছিলেন, তা প্রমাণ করে যে ক্ষমতা নয়, দায়িত্ববোধই মুখ্য।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানকে ইইউর গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে মূল বক্তব্য দেওয়ার আমন্ত্রণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


তারেক রহমানকে ইইউর গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে মূল বক্তব্য দেওয়ার আমন্ত্রণ

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লায়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম ২০২৭-এ মূল বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

আজ বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)’র রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উক্ত আমন্ত্রণপত্রটি হস্তান্তর করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লায়েনের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্লোবাল গেটওয়ে উদ্যোগের আওতায় টেকসই অবকাঠামো, ডিজিটালায়ন, জ্বালানি, পরিবহন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত মিলার ইউরোপীয় কমিশনের রসহসভাপতি এবং পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতিবিষয়ক ইইউর উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাসের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)’র ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দনপত্রও হস্তান্তর করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পর্কের নানা বিষয়গুলি পর্যালোচনা করা হয় এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ব্যবসা, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এসময় প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-ইইউ বিজনেস ফোরাম ২০২৭, আসন্ন উচ্চপর্যায়ের সফর ও বৈঠক, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ)-এর সম্ভাবনা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় সম্পর্কেও মতবিনিময় করা হয়।

আলোচনায় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি, জাতিসংঘ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের তৃতীয় আসর আগামী ২০২৭ সালের ৮ ও ৯ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ইউরোপীয় কমিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই ফোরামে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, সরকারি প্রতিনিধি, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বেসরকারি খাতের নেতারা অংশগ্রহণ করবেন।

এর লক্ষ্য হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈশ্বিক সংযোগ ও অবকাঠামো বিনিয়োগ কৌশলকে এগিয়ে নেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমবারের মতো গ্রহাণু থেকে নমুনা সংগ্রহের লক্ষ্যস্থলে পৌঁছেছে চীনা মহাকাশযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


প্রথমবারের মতো গ্রহাণু থেকে নমুনা সংগ্রহের লক্ষ্যস্থলে পৌঁছেছে চীনা মহাকাশযান

গবেষণার উদ্দেশ্যে গ্রহাণু থেকে নমুনা সংগ্রহ করার লক্ষ্যে পাঠানো চীনের মহাকাশযান ‘তিয়ানওয়েন-২’ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ১০০ কোটি কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে নির্ধারিত লক্ষ্যস্থলে পৌঁছেছে।

সোমবার বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি চীনের মহাকাশ সংস্থার বরাতে এ খবর জানিয়েছে।

২০২৫ সালের মে মাসে উৎক্ষেপণ করা এই মিশনটি গ্রহাণু থেকে নমুনা সংগ্রহে চীনের প্রথম উদ্যোগ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

সম্প্রতি বছরগুলোতে প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের ঘোষিত ‘মহাকাশ স্বপ্ন’ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় চীন তাদের মহাকাশ কর্মসূচিতে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই অভিযান সেসব প্রচেষ্টার একটা অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীনের জাতীয় মহাকাশ প্রশাসন (সিএনএসএ) এক বিবৃতিতে জানায়, প্রায় ৪০০ দিনের যাত্রার পর তিয়ানওয়েন-২ গ্রহাণুটির ২০ কিলোমিটার দূরত্বে পৌঁছেছে এবং এরপর এটি বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে।

সংস্থাটি ‘২০১৬ এইচও৩’ নামের গ্রহাণুটির একটি ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে মহাশূন্যের কালো পটভূমিতে ধূসর ও পাথুরে এই গ্রহাণুকে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

সিএনএসএ জানায়, ‘মহাকাশযানটি ধাপে ধাপে আরও বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান চালাবে। এর মাধ্যমে গ্রহাণুটির আকৃতি, উপাদানের গঠন এবং অভ্যন্তরীণ কাঠামো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই তথ্যগুলো পরবর্তী নমুনা সংগ্রহ কার্যক্রমের ভিত্তি তৈরি করবে।’

নমুনা সংগ্রহ শেষে, তিয়ানওয়েন-২ একটি পৃথক মডিউল বিচ্ছিন্ন করবে যা নমুনাগুলো পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনবে।

এর আগে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ অভিযানগুলোও বিভিন্ন গ্রহাণু থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদের বাইরের গভীর মহাকাশ অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে ব্যবধান কমানোর ক্ষেত্রে তিয়ানওয়েন-২ চীনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গ্রহাণু হলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা পাথুরে মহাজাগতিক বস্তু। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এসব গ্রহাণুর নমুনায় সৌরজগতের উৎপত্তি ও বিবর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লুকিয়ে থাকতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%