মাইদুল ইসলাম মামুন নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
০৯:৪৭ পি.এম
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ফুঁ দিয়ে হাম, যক্ষ্মা, বন্ধ্যাত্বসহ নানা জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসার দাবি করছেন শফিকুল ইসলাম (৩১) নামের এক ব্যক্তি। নিজেকে আধ্যাত্মিক সাধক ও কবিরাজ দাবি করা শফিকুলের বিরুদ্ধে চিকিৎসার নামে সহজ-সরল মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, বশীকরণ এবং রোগীকে সরাসরি না দেখেই বিভিন্ন সমস্যার ‘চিকিৎসা’ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শফিকুল ইসলাম নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ডাকনীরপাঠ কোঁচপাড়া গ্রামের মৃত হুজুর আলীর ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। প্রায় ছয় মাস আগে তিনি নিজেকে আধ্যাত্মিক সাধক ও মহাকবিরাজ হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল না থাকা শফিকুল অল্প সময়ের মধ্যেই ঝাড়-ফুঁক ও কথিত চিকিৎসার মাধ্যমে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। তার বাড়িতে নতুন ঘর নির্মাণের পাশাপাশি জমি কেনার উদ্যোগ ও খামার করার কাজ চলছে বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সম্প্রতি সরেজমিনে শফিকুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ চিকিৎসা নিতে সেখানে ভিড় করেছেন। বাড়ির বাইরে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি রোগীদের সমস্যা শুনে তাদের সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। পরে রোগীদের একে একে শফিকুলের সামনে নেওয়া হলে তিনি তাদের ফুঁ দেন। ফুঁ নেওয়ার পর অনেকে তার সামনে টাকা রেখে চলে যান।
এ সময় শফিকুলের পাশে থাকা তার চাচাতো ভাই সামিউলকে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে তেল-পড়া ও পানিভর্তি শিশি দিতে দেখা যায়। কয়েকজনকে আবার অ্যালোপ্যাথিক ওষুধও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভূরুঙ্গামারীর বাড়াইটারীচর থেকে আসা ফজিলা নামের এক নারী জানান, দাম্পত্য কলহের সমস্যা সমাধানের আশায় তিনি এরই মধ্যে পাঁচবার শফিকুলের কাছে এসেছেন এবং এ পর্যন্ত অনেক টাকা দিয়েছেন। কিন্তু কোনো ফল পাননি। এরপরও তার কাছে নতুন করে টাকা দাবি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দম্পতি জানান, সন্তান লাভের আশায় তারা প্রায় তিন মাস ধরে শফিকুলের কাছে আসছেন। তার চাহিদা অনুযায়ী টাকা দেওয়ার পরও কোনো সুফল পাননি বলে দাবি করেন তারা।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, শফিকুলের কথিত চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনায় চার থেকে পাঁচজনের একটি দল সক্রিয় রয়েছে। তাদের মধ্যে সামিউল অন্যতম বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে মাসোহারা দেওয়ার মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও স্থানীয়দের দাবি। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
শফিকুল ইসলাম কীভাবে আধ্যাত্মিক সাধক ও কবিরাজ হলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বপ্নের মাধ্যমে তিনি দীক্ষা পেয়েছেন। তার শরীরে আধ্যাত্মিক শক্তি ভর করেছে এবং তিনি রোগের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে চিকিৎসা দেন বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে ভিতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি বলেন, “সে শতভাগ বাটপার ও প্রতারক। গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে তাকে সতর্ক করা হলেও সে থামছে না। লিখিত অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুজন সাহা বলেন, নিবন্ধিত বা রেজিস্টার্ড চিকিৎসক ছাড়া এ ধরনের রোগের চিকিৎসা দেওয়ার আইনগত এখতিয়ার কারও নেই। তার ভাষ্য, এটি প্রতারণার শামিল। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, জটিল বা সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে অনুমোদিত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঝাড়-ফুঁক বা কথিত আধ্যাত্মিক চিকিৎসার ওপর নির্ভর করা রোগীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই এ ধরনের ক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগের প্রতিবাদে ময়মনসিংহের ত্রিশালে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ত্রিশাল উপজেলা শাখা।
৪ অক্টোবর রবিবার ত্রিশাল পৌরশহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিলটি। পরে মিছিলটি শেষ হলে পৌরশহরে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন এমপির দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ত্রিশাল উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে নেতৃত্ব দেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ত্রিশাল উপজেলা যুবদলের যুবনেতা মাজাহারুল ইসলাম জুয়েল মন্ডল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল উপজেলা যুবদলের যুবনেতা নূরে আলম সিদ্দিকী চেয়ারম্যান, শরিফুজ্জামান সিজার, রফিকুল ইসলাম শামীম, হুমায়ুন কবির বাবলু সরকার, জাফর ফরাজি, খাইরুল কবির রাসেল, হুমায়ুন রেজা প্রিন্স, আবু তাহের, আবুল হাসিম ও মাহাবুবুর রহমান।
এ ছাড়া ত্রিশাল পৌর যুবদলের যুবনেতা শরিফুল ইসলাম নয়ন, কামরুজ্জামান সুমন, তোফায়েল আহমেদ ফয়সাল, দেলোয়ার হোসেন রাজু ও সুমন মিয়াসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নাশকতার মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে। তারা দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকেও বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা ও চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারীর বেতন উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে শিক্ষিকার বেতনের টাকা দিয়ে নূরানী মাদ্রাসা পরিচালনার অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ নিজেই। এ নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে মাদ্রাসায় গিয়ে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষিকা সুমাইয়া খানম( বাংলা বিভাগের সহকারী শিক্ষিকা )২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মাদ্রাসায় যোগ দেন। এরপর তিনি মাতৃত্বকালীন ছয় মাস ছুটিতে যান। পরে মাদ্রাসায় যোগ দিলেও বর্তমানে অসুস্থতার কারণে ছুটিতে রয়েছেন বলে জানান অধ্যক্ষ অলিউল্লাহ খান।
অধ্যক্ষ বলেন, সুমাইয়া খানম যোগদানের পর প্রায় চার মাস ক্লাস করেছেন। এরপর মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বাড়িতে যান। পরে কাজে যোগ দিলেও অসুস্থতার কারণে বর্তমানে ছুটিতে আছেন।
তবে তার ছুটির আবেদন দেখতে চাইলে অধ্যক্ষ প্রথমে আবেদনটি মাদ্রাসায় থাকার কথা জানান। পরে তা দেখাতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি বলেন, আবেদনটি কোথায় রাখা হয়েছে তা তিনি জানেন না।
অধ্যক্ষ আরও স্বীকার করেন, সুমাইয়া খানমের বেতনের টাকা দিয়ে একটি নূরানী মাদ্রাসা পরিচালনা করা হয়। বিষয়টি মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে একজন শিক্ষিকার বেতনের টাকা দিয়ে নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন দেওয়া ঠিক হয়নি বলেও স্বীকার করেন অধ্যক্ষ।
তবে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। তাদের দাবি, যোগদানের পর সুমাইয়া খানম মাত্র দুই-তিন দিন মাদ্রাসায় এসেছিলেন। এরপর তাকে নিয়মিত দেখা যায়নি। এমনকি তিনি তাদের কোনো ক্লাসও নেননি।
অন্যদিকে, মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক সুমাইয়া খানমের বেতনের টাকা দিয়ে নূরানী মাদ্রাসা পরিচালনার বিষয়ে জানেন না বলে দাবি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে সুমাইয়া খানম বলেন, অসুস্থ হয়ে তিনি মাদ্রাসা থেকে চলে এসেছেন এবং এ বিষয়ে মেডিকেল রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। তবে ছুটি নিয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি ছুটি নিয়ে আসিনি।’ তার এ বক্তব্যের সঙ্গে অধ্যক্ষের বক্তব্যের অসঙ্গতি রয়েছে।
এদিকে মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. মোস্তফার বিরুদ্ধেও দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে বেতন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মোস্তফা দাবি করেন, তিনি ছয় থেকে সাত মাস ছুটিতে ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতে বাহাদ্দিন সরদার নামের একজনকে দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। তাকে মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। শিক্ষকরা সম্মিলিতভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে দাবি করেন মোস্তফা।
অভিভাবক মো. বাচ্চু গাজী, আতিক গাজী ও আলাউদ্দিন গাজীর অভিযোগ, সুমাইয়া খানমকে তারা মাদ্রাসায় নিয়মিত দেখেননি। স্থানীয় অনেকেই তাকে ভালোভাবে চেনেন না। তার বেতনের টাকা দিয়ে নূরানী মাদ্রাসা পরিচালনা করা হয় বলেও তারা শুনেছেন।
অভিভাবকরা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের দাবি জানান তারা।
রাঙ্গাবালী উপজেলা শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার অনাদী কুমার বাহাদুর বলেন, ‘বিষয়টি আপনার কাছ থেকে জানলাম। মাদ্রাসার প্রধানের সঙ্গে কথা বলব। স্থানীয়দের কাছ থেকেও তথ্য নিয়ে সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান বলেন, ‘বিষয়টি আপনার কাছ থেকে অবহিত হলাম। প্রিন্সিপালের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অভিযোগগুলোর মধ্যে বিশেষ করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন উত্তোলন, হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর এবং একজন শিক্ষিকার বেতনের অর্থ অন্য একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় ব্যবহারের বিষয়গুলো তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহামান্য রাষ্ট্রপতি ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির মাননীয় সভাপতি, বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এবং ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের সংসদ সদস্য জনাব রফিকুল ইসলাম জামাল।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। এ সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর বৌলা পাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান মাষ্টার মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি ১৯৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তার স্ত্রী, এক মেয়ে ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদান ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মরহুমের জানাজা শেষে সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে শেষ বিদায় ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করেন। সর্বস্তরের মানুষ তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনি, এবং বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)। মোঃ রুহুল আমিন এ ছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সহ শুভাকাঙ্ক্ষী নেতৃবৃন্দ ও এলাকার সাধারণ মানুষ জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন।
জানাজা শেষে তাঁকে নিজস্ব পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমানের মৃত্যুতে সমগ্র এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ