ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাবির নিরাপত্তা কার্যালয়ের পাশ থেকে গাঁজা গাছ উদ্ধার


জাবির নিরাপত্তা কার্যালয়ের পাশ থেকে গাঁজা গাছ উদ্ধার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নিরাপত্তা শাখার প্রধান কার্যালয়ের পাশে একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। গাছটি সেখানে দীর্ঘদিন ধরে বেড়ে উঠলেও বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজরে আসেনি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মালি গাছটিকে ফুলের গাছ মনে করে রেখে দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীরা: প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে একটি তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা শাখার প্রধান কার্যালয়ের পাশে গিয়ে গাছটির অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পাদক হুসনী মোবারক।

পরে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলে বিকেল ৩টার দিকে সহকারী প্রক্টর ড. মো. আল-আমিন খানের উপস্থিতিতে গাছটি উপড়ে ফেলা হয়। পরে সেটি পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কেউ গাঁজা সেবনের পর সেখানে বীজ ফেলে যাওয়ায় গাছটি জন্ম নিতে পারে। তবে গাছটি কতদিন ধরে সেখানে ছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: আজ যেসব দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে

ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জাকসুর স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পাদক হুসনী মোবারক বলেন, ‘নিরাপত্তা শাখার প্রধান কার্যালয়ের সামনে দীর্ঘদিন ধরে একটি গাঁজার গাছ বেড়ে ওঠা সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও সচেতনতার ঘাটতির বিষয়টি সামনে এনেছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তাকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।’

 

নিরাপত্তা কার্যালয়ের আশপাশের পরিবেশ নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। হুসনী মোবারক বলেন, ‘পেছনে মাছ চাষ, পাশে সবজি বাগান—সব মিলিয়ে এলাকাটি যেন একটি খামারবাড়ি।’

নিরাপত্তা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জেফরুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব মূলত ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। গাছটি কিভাবে সেখানে জন্মেছে বা এতদিন কিভাবে ছিল, সে বিষয়ে এস্টেট অফিসই ভালো বলতে পারবে।’

আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগ কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়: মাহদী আমিন

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘আমাদের যে মালি ছিলেন, তিনি গাছটিকে গাঁজার গাছ হিসেবে চিনতে পারেননি।

 

ফুলের গাছ মনে করেই তিনি এটি কাটেননি।

 

আরও পড়ুন: মামলা হলে আত্মসমর্পণের ঘোষণা ইশরাকের, নাহিদকে সতর্কতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টয়লেটে ‘বোমা’ লেখা টিস্যু পেপার, জরুরি অবতরণ করল প্লেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩০ পি.এম


টয়লেটে ‘বোমা’ লেখা টিস্যু পেপার, জরুরি অবতরণ করল প্লেন

দাম্মাম থেকে ভারতের নয়াদিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি প্লেন আহমেদাবাদে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে। মাঝ আকাশে প্লেনটিতে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া চিঠি আবিষ্কৃত হওয়ার পরপরই সেটি সরদার বল্লভভাই প্যাটেল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে জরুরি অবতরণ করে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্লেনটির একজন কেবিন ক্রু শৌচাগারে টিস্যু পেপারে ‘বোম’ লেখা দেখার পরপরই সবাইকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।

টিস্যু পেপারটি দেখার পরই ওই কেবিন ক্রু দ্রুত প্লেনটির পাইলটকে জানান। পাইলট তাৎক্ষণিকভাবে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে জরুরি অবতরণের অনুমতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। খবর এনডিটিভির।

আহমেদাবাদে পৌঁছানোর পরপরই প্লেনটিকে এয়ারপোর্টের মূল টার্মিনাল থেকে আলাদা একটি স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ইমার্জেন্সি ইউনিটের সদস্যরা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলেন।

নিরাপত্তা সদস্য ও বোম ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা প্লেনটিকে ঘিরে ফেলেন এবং স্ট্যান্ডার্ড নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুসরণ করেন। প্লেনটিতে থাকা ৩২ যাত্রীর সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে টার্মিনাল-২ এ নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

কর্তৃপক্ষ কেবিন, আসন এবং কার্গো হোল্ডসহ প্লেনটির সব জায়গাতেই নিবিড়ভাবে তল্লাশি চালিয়েছে। কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য বা সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে প্লেনটিকে এয়ারপোর্ট ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হয়।

তবে, কে টিস্যু পেপারে ওই লেখাটি লিখেছিলেন বা এ ঘটনার পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে তা জানতে বর্তমানে তদন্ত চলমান।

এক বিবৃতিতে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস কর্তৃপক্ষ বলেছে, সরকার নির্ধারিত সংস্থাকে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিক খবর দেওয়া হয়েছে এবং সব ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্লেনটি নিরাপদেই অবতরণ করে এবং সব যাত্রীও সুস্থ ও নিরাপদ আছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের উন্নয়নে সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে : বিমানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ পি.এম


দেশের উন্নয়নে সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে : বিমানমন্ত্রী

ময়মনসিংহ, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

আজ ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায়, যেখানে জেলার আইনশৃঙ্খলা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি সংক্রান্ত বিষয় আলোচনা করা হয়, প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন। তিনি যদি এভাবে কাজ করতে পারেন, তাহলে আমরা কেন পারব না?” তিনি যোগ করেন, “যদি এই প্রশ্ন নিজের বিবেককে করি, তাহলে সবাই কর্মস্পৃহা নিয়ে কাজ করতে পারব।”

মন্ত্রী শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, “শেখ হাসিনা যেভাবে দেশ থেকে বিদায় নিয়েছেন, তা থেকে আমরা শিক্ষা না নিলে সবার পরিণতি খারাপ হবে।” তিনি আরও বলেন, “তাই বিগত সময়ে যা হয়েছে, আমরা কেউ কোনোভাবেই তা করতে চাই না।”

তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়কার মনোভাব নিয়ে কাজ না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “বিগত সরকারের সময়ে যা হয়েছে, আমরা তা করতে চাই না। ফ্যাসিস্ট আমলে যেভাবে চাকরি করা হয়েছে তা আর করা যাবে না। মন থেকে ওইসব বাদ দিয়ে নতুন করে কাজ শুরু করুন। কাজ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিমানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা দেশকে উন্নত করতে চাই। বিগত সরকারের সময়ে দেশকে ভঙ্গুর করে দেওয়া হয়েছে। এটি সংস্কার করতে হলে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন, “আমাদের প্রতিবেশী অনেক দেশ উন্নতির শিখরে অবস্থান করছে। কিন্তু নেতৃত্বের অভাবে আমরা পিছিয়ে ছিলাম। এখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে কাজ করছেন।”

প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সারাদেশে মাদকের বিস্তার ঘটেছে। মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

সভায় জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু, ঈশ্বরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, গফরগাঁওয়ের সংসদ সদস্য আকতারুজ্জামান বাচ্চু, ফুলবাড়ীয়ার সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামরুল হাসান মিলন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী প্রমুখ।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোহাম্মদ গোলাম মাসুম প্রধান এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক উম্মে হাবীবা মীরা যৌথভাবে সভাটি সঞ্চালনা করেন।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিবি ময়মনসিংহ সেক্টরের পরিচালক বায়েজিদ, র‌্যাব কর্মকর্তা শামসুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামানসহ জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান ওমর ফের গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ পি.এম


এবার হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান ওমর ফের গ্রেপ্তার

 

হ*ত্যা মামলায় ঝালকাঠি–১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ শাহজাহান ওমরকে (বীর উত্তম) গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশও দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছেন।

আজ শাহজাহান ওমরকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে পুলিশ প্রহরায় তাঁকে কাঠগড়ায় নেওয়া হয়। তাঁর উপস্থিতিতে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের ওপর শুনানি হয়।

শুনানিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আদাবর থানার উপপরিদর্শক মহেশ চন্দ্র সিং বলেন, মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া আসামি শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

২৪ আগস্ট শাহজাহান ওমরকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। সেদিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে এ বিষয়ে শুনানির জন্য ৩০ আগস্ট দিন ধার্য করেছিলেন। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর শ্যামলী ক্লাব মাঠসংলগ্ন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন বরিশালের বামনা উপজেলার বেবাজিয়াখালী গ্রামের মো. ইসহাক জমাদ্দার। পরে তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২ জুলাই আদাবর থানার উপপরিদর্শক মো. আশরাফ হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এর আগে ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর ঝালকাঠির রাজাপুর থেকে শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে রাজধানীর একাধিক থানায় করা বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় খাতভিত্তিক কর্মকৌশল চান উদ্যোক্তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ পি.এম


এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় খাতভিত্তিক কর্মকৌশল চান উদ্যোক্তারা

ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই), কৃষি, ওষুধসহ বিভিন্ন খাতের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মকৌশল প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন শিল্পোদ্যোক্তারা।

তারা বলেছেন, শুধু কর্মকৌশল গ্রহণ করলেই হবে না, এর যথাযথ বাস্তবায়ন ও নিয়মিত পরিবীক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা ও উদ্ভাবন, প্রযুক্তির ব্যবহার, সহজ অর্থায়ন, সরবরাহব্যবস্থা ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

আজ (সোমবার) মতিঝিলে এফবিসিসিআই আয়োজিত ‘এলডিসি উত্তরণের জন্য সংস্কার কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিকল্পে কর্মকৌশল নির্ধারণ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

এতে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি বাজারে জিএসপি ও ইবিএর মতো শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা হারানোর ঝুঁকি রয়েছে বাংলাদেশের। পাশাপাশি ওষুধ শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত বিধিবিধানেও কঠোরতা আসতে পারে। এ পরিস্থিতিতে সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মুক্ত আলোচনায় উদ্যোক্তারা বলেন, বাস্তবসম্মত কর্মকৌশল ছাড়া এলডিসি উত্তরণের সুফল পাওয়া কঠিন হবে। এজন্য মাঠপর্যায় থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে খাতভিত্তিক অগ্রাধিকার ও প্রয়োজন নির্ধারণের প্রস্তাব দেন তারা।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজিব এইচ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের দর-কষাকষির সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ‘ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো’ পুরোপুরি কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি শামীম আহমেদ বলেন, দেশের প্লাস্টিক শিল্পের বড় একটি অংশ কপি পণ্য তৈরি করে। এলডিসি উত্তরণের পর এ খাতেও মেধাস্বত্ব একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এ অবস্থায় প্লাস্টিক, হালকা প্রকৌশল এবং কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে দ্রুত কর্মকৌশল গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

পটুয়াখালী উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ইসমাত জেরিন খান বলেন, এলডিসি উত্তরণের কর্মকৌশল যেন শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক শিল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। প্রান্তিক পর্যায়ের নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সরবরাহব্যবস্থায় সহায়তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।

বাংলাদেশ অ্যাগ্রো কেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর মেধাস্বত্ব অধিকার বাংলাদেশের শিল্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে ওষুধ, কৃষি ও কৃষি-রাসায়নিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশে উৎপাদিত পেটেন্ট-সুরক্ষিত পণ্যগুলোর দ্রুত নিবন্ধন সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ রেজিওনাল কানেক্টিভিটি প্রকল্প-১-এর জাতীয় বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ মো. মুনির চৌধুরী বলেন, বেসরকারি খাতকে নিজ নিজ খাতের চ্যালেঞ্জ সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে কাউন্সিল গঠন এবং ফলাফলভিত্তিক কর্মকৌশল গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি।

সভায় এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক দেশের সব জেলা চেম্বার ও খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনকে নিজ নিজ খাতের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব লিখিতভাবে এফবিসিসিআইকে দেওয়ার আহ্বান জানান। এসব প্রস্তাব বিশ্লেষণ করে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, এলডিসি উত্তরণের জন্য পাওয়া অতিরিক্ত তিন বছর সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে। এ জন্য জেলা চেম্বার ও খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সভায় এফবিসিসিআই’র সাবেক প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান, সাপোর্ট টু সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন প্রকল্পের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ নেছার আহমেদ, এফবিসিসিআই’র সহায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক পরিচালকবৃন্দ এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাণিজ্য, শিল্প, বিএসটিআই ও আইসিটি বিভাগের প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%