১১:২৮ পি.এম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নিরাপত্তা শাখার প্রধান কার্যালয়ের পাশে একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। গাছটি সেখানে দীর্ঘদিন ধরে বেড়ে উঠলেও বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজরে আসেনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মালি গাছটিকে ফুলের গাছ মনে করে রেখে দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীরা: প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে একটি তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা শাখার প্রধান কার্যালয়ের পাশে গিয়ে গাছটির অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পাদক হুসনী মোবারক।
পরে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলে বিকেল ৩টার দিকে সহকারী প্রক্টর ড. মো. আল-আমিন খানের উপস্থিতিতে গাছটি উপড়ে ফেলা হয়। পরে সেটি পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কেউ গাঁজা সেবনের পর সেখানে বীজ ফেলে যাওয়ায় গাছটি জন্ম নিতে পারে। তবে গাছটি কতদিন ধরে সেখানে ছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: আজ যেসব দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে
ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জাকসুর স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পাদক হুসনী মোবারক বলেন, ‘নিরাপত্তা শাখার প্রধান কার্যালয়ের সামনে দীর্ঘদিন ধরে একটি গাঁজার গাছ বেড়ে ওঠা সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও সচেতনতার ঘাটতির বিষয়টি সামনে এনেছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তাকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।’
নিরাপত্তা কার্যালয়ের আশপাশের পরিবেশ নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। হুসনী মোবারক বলেন, ‘পেছনে মাছ চাষ, পাশে সবজি বাগান—সব মিলিয়ে এলাকাটি যেন একটি খামারবাড়ি।’
নিরাপত্তা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জেফরুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব মূলত ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। গাছটি কিভাবে সেখানে জন্মেছে বা এতদিন কিভাবে ছিল, সে বিষয়ে এস্টেট অফিসই ভালো বলতে পারবে।’
আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগ কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়: মাহদী আমিন
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘আমাদের যে মালি ছিলেন, তিনি গাছটিকে গাঁজার গাছ হিসেবে চিনতে পারেননি।
ফুলের গাছ মনে করেই তিনি এটি কাটেননি।
আরও পড়ুন: মামলা হলে আত্মসমর্পণের ঘোষণা ইশরাকের, নাহিদকে সতর্কতা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন