ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকায় সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে তিনজন দগ্ধ


ঢাকায় সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে তিনজন দগ্ধ

রাজধানীতে একটি আবাসিক ভবনের সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।

এ ঘটনা ঘটে বুধবার (১ জুলাই) রাতে, রাত পৌনে ১২টার দিকে, কাঁঠালবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার বাংখালী গ্রামের সবুজ মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল (২০), একই এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে মো. রানা (২২) এবং মানিক মিয়ার ছেলে মো. পারভেজ (২১)।

আরও পড়ুন: হত্যাচেষ্টা মামলায় দিলীপ আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তারসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

মো. রাজিব নামের একজন ব্যক্তি দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনি জানান, রাতের দিকে কাঁঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ওই বাসার নিচতলায় হঠাৎ সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সেখানে থাকা ওই তিনজনই দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে সব তিনজনই পান্থপথে ফার্নিচার দোকানে কাজ করেন।

রাজিব আরও জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদেরকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানালেন, কলাবাগানের কাঁঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকা থেকে তিনজন দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। তাদের মধ্যে জুয়েল ৩০ শতাংশ, রানা ৬৩ শতাংশ এবং পারভেজ ২১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, রানাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে এবং জুয়েল ও পারভেজকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মাদক নির্মূলে সংগঠন গড়তে চান ইশরাক হোসেন

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, কলাবাগান কাঁঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকা থেকে তিনজন দগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল বার্নে এসেছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের মধ্যে একজন আইসিইউতে এবং বাকি দুইজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্ট থানাকে জানিয়েছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রকাশ্যে জমজমাট লটারি জুয়া: সৈয়দপুরে কুটির শিল্প মেলার আড়ালে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ এম


প্রকাশ্যে জমজমাট লটারি জুয়া: সৈয়দপুরে কুটির শিল্প মেলার আড়ালে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ

সৈয়দপুর বিমানবন্দর সড়কের পাশে অবস্থিত ফেয়ার পার্কে জমকালো আয়োজনে শুরু হয়েছে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা। তবে মেলার মূল উদ্দেশ্যকে ছাপিয়ে এখন প্রধান আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মরণনেশা 'লটারি জুয়া'। মহামান্য হাইকোর্টের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পুরো জেলা জুড়ে প্রকাশ্যে চলছে এই অবৈধ লটারির টিকিট বিক্রি। আর এই লটারির ফাঁদে পড়ে প্রতিনিয়ত নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করতে লটারিতে দেওয়া হচ্ছে মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টিভি ও নগদ অর্থসহ নানা লোভনীয় পুরস্কারের অফার। মেলা প্রাঙ্গণ ও পুরো জেলার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে মাইকিং ও অটোরিকশা দিয়ে চলছে টিকিট বিক্রির মহোৎসব। পুরস্কারের আশায় ঘরে থাকা জমানো টাকা এবং দৈনন্দিন উপার্জনের অর্থ দিয়ে বান্ডিল কে বান্ডিল টিকিট কিনছেন খেটে খাওয়া মানুষ।

লটারির ড্র-এর সময় সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য একটি অবুঝ শিশুর চোখ বেঁধে টিকিট তোলানো হয়। এই চতুর কৌশল দেখে পুরস্কার পাওয়ার আশায় মানুষ আরও বেশি প্রলুব্ধ হচ্ছে এবং নিজের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীদের মতে, এই লটারি জুয়া যে অঞ্চলে একবার হানা দেয়, সেখানকার সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। মেলার নামে এই জুয়া বন্ধ না হলে মেলা শেষ হওয়ার পর এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির মতো মারাত্মক অপরাধ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ: "উন্নয়নের নামে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলার অনুমতি নিয়ে কীভাবে প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অবৈধ লটারি জুয়া চলে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। অবিলম্বে এই মরণনেশা লটারি বন্ধ করা না হলে এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটবে।"


হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলা এই অবৈধ জুয়া খেলা বন্ধে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য নীলফামারীর জেলা প্রশাসকের (ডিসি) হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সাধারণ মানুষকে এই সর্বনাশা প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতি দ্রুত প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সৈয়দপুরবাসী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরমের মধ্যেও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


গরমের মধ্যেও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায়ও থেমে নেই ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন। আন্দোলনে ‘তেলাপোকা’-দের পক্ষ থেকে সংহতি জানাতে একের পর এক বিরোধী শিবিরের নেতারা এগিয়ে আসছেন। এমনকি, লাদাখের জলবায়ু কর্মী সোনাম ওয়াংচুক অনশনে রয়েছেন, যিনি জেনজিদের মহারণে চালিকা শক্তি হয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তীব্র গরম উপেক্ষা করে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে দিল্লির যন্তরমন্তরে অবস্থান করছেন শত শত শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী এবং আন্দোলনকারী। বিপদে পড়া পুলিশি ব্যারিকেড এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও চলছে স্লোগান, বক্তব্য এবং প্রতিবাদ। এই তরুণদের একমাত্র দাবি হল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।

ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্রচারণা থেকে উদ্ভূত 'ককরোচ জনতা পার্টি' বর্তমানে ভারতের তরুণদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জবাবদিহির দাবির একজন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

মেডিকেলে ভর্তির নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের কারণে পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভ শুরু হয়েছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। পূর্বে পুনঃপরীক্ষা হলেও তারা রাজপথ থেকে যাননি।

তাদের দাবি, মন্ত্রীর পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্নফাঁস রোধে স্বাধীন তদারকি, স্বচ্ছ পরীক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার নিশ্চিত করতে হবে। এই আন্দোলনের সূচনা ভারতের প্রধান বিচারপতির 'তেলাপোকা' মন্তব্যে হয়েছে। সেই মন্তব্যের প্রতিবাদ আরও অনেক দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী শিক্ষার্থী অভিজিৎ দীপের মাধ্যমে ককরোচ জনতা পার্টি গঠিত হয়।

আন্দোলনে নতুন শক্তি এনেছে পরিবেশবাদী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে তিনি অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও সমর্থকদের দাবি, ওয়াংচুকের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তবে তিনি আন্দোলন চাল রাখতে চেয়েছেন। আন্দোলনের স্থানে প্রশ্নফাঁসের পর আত্মহত্যার অভিযোগ থাকা শিক্ষার্থীদের স্মরণেও তৈরি করা হয়েছে একটি স্মৃতি দেয়াল।

এখন আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপও বাড়ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সাগরিকা ঘোষ, আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, সিপিআই এবং সিপিএমসহ বেশ কিছু বিরোধী দল এই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে। তবে বিজেপি সিজেপিকে 'নতুন ভাইরাস' এবং 'তেলাপোকার মতো দল' বলে সমালোচনা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একযোগে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একযোগে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা

সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্রের মাধ্যমে পরীক্ষাটির উদ্বোধন হয়। এই পরীক্ষা চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত।

দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে, এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন আনুমানিক ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী।

সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য একাধিক কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা ২ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলতে থাকবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ইতিমধ্যে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে।

এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ৮৬৯ জন। গত বছরের তুলনায় এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৪৭২ জন বেড়েছে।

পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের পরীক্ষায়, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবহার করা হবে। এছাড়া সারা দেশে ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪০টি রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচ পরিচালনা করবেন ড্রু ফিশার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচ পরিচালনা করবেন ড্রু ফিশার

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দের ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন কানাডার অভিজ্ঞ রেফারি ড্রু ফিশার। ফিফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নকআউট ম্যাচ শুক্রবার (৩ জুলাই) মায়ামিতে অনুষ্ঠিত হবে।

৪৫ বছর বয়সি ফিশার উত্তর আমেরিকার পরিচিত এক রেফারি। তিনি ২০১৫ সাল থেকে ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির তালিকায় আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ফিশার এই লিগে ২২৯টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন, যেখানে নিয়মিতই মাঠে খেলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

ফিশারের অভিজ্ঞতা আর্জেন্টিনার ম্যাচে খুব বেশি নয়। তিনি এখন পর্যন্ত মাত্র একবার আলবিসেলেস্তেদের ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ কোপা আমেরিকার আগে ইকুয়েডরের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে তার পরিচালনায় আর্জেন্টিনা ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল। পরে সেই বছরই কোপা আমেরিকার শিরোপাও জেতে লিওনেল স্ক্যালোনির দল।

তবে ফিশারের ক্যারিয়ারে একটি বিতর্কিত অধ্যায়ও রয়েছে। ২০২৩ সালে কনকাকাফ নেশন্স লিগে মেক্সিকো-হন্ডুরাস কোয়ার্টার ফাইনালে ভিএআরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ওই ম্যাচে অতিরিক্ত সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। ইনজুরি টাইমে গোল করে মেক্সিকো ম্যাচ সমতায় ফেরায় এবং পরে টাইব্রেকারে জিতে সেমিফাইনালে ওঠে। সেই সময় হন্ডুরাস শিবির অভিযোগ তুলেছিল যে, ভিএআর থেকে অতিরিক্ত সময় বাড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

বর্তমান বিশ্বকাপে ফিশার এখন পর্যন্ত দুটি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। ফ্রান্সের ৩-০ ব্যবধানে ইরাককে হারানো ম্যাচ এবং ক্রোয়েশিয়ার ২-১ গোলে ঘানাকে হারানোর ম্যাচে তিনি ছিলেন। এবার তার সামনে অপেক্ষা করছে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় নকআউট লড়াই, যেখানে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্ডে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%