বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৪৫ এম
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দের ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন কানাডার অভিজ্ঞ রেফারি ড্রু ফিশার। ফিফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নকআউট ম্যাচ শুক্রবার (৩ জুলাই) মায়ামিতে অনুষ্ঠিত হবে।
৪৫ বছর বয়সি ফিশার উত্তর আমেরিকার পরিচিত এক রেফারি। তিনি ২০১৫ সাল থেকে ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির তালিকায় আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ফিশার এই লিগে ২২৯টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন, যেখানে নিয়মিতই মাঠে খেলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
ফিশারের অভিজ্ঞতা আর্জেন্টিনার ম্যাচে খুব বেশি নয়। তিনি এখন পর্যন্ত মাত্র একবার আলবিসেলেস্তেদের ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ কোপা আমেরিকার আগে ইকুয়েডরের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে তার পরিচালনায় আর্জেন্টিনা ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল। পরে সেই বছরই কোপা আমেরিকার শিরোপাও জেতে লিওনেল স্ক্যালোনির দল।
তবে ফিশারের ক্যারিয়ারে একটি বিতর্কিত অধ্যায়ও রয়েছে। ২০২৩ সালে কনকাকাফ নেশন্স লিগে মেক্সিকো-হন্ডুরাস কোয়ার্টার ফাইনালে ভিএআরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ওই ম্যাচে অতিরিক্ত সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। ইনজুরি টাইমে গোল করে মেক্সিকো ম্যাচ সমতায় ফেরায় এবং পরে টাইব্রেকারে জিতে সেমিফাইনালে ওঠে। সেই সময় হন্ডুরাস শিবির অভিযোগ তুলেছিল যে, ভিএআর থেকে অতিরিক্ত সময় বাড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।
বর্তমান বিশ্বকাপে ফিশার এখন পর্যন্ত দুটি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। ফ্রান্সের ৩-০ ব্যবধানে ইরাককে হারানো ম্যাচ এবং ক্রোয়েশিয়ার ২-১ গোলে ঘানাকে হারানোর ম্যাচে তিনি ছিলেন। এবার তার সামনে অপেক্ষা করছে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় নকআউট লড়াই, যেখানে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্ডে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশের মতো খাগড়াছড়ির দীঘিনালায়ও শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা। প্রথম দিনের পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে দীঘিনালা উপজেলা ছাত্রদল। পরীক্ষাকেন্দ্রে আগত শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার স্যালাইন, বিশুদ্ধ পানি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দীঘিনালা সরকারি কলেজ কেন্দ্র প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ বছর উপজেলার তিনটি কলেজের মোট ১ হাজার ৪৬৪ জন পরীক্ষার্থী দীঘিনালা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও ২৯৮ নম্বর সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে এবং খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জাহিদ-এর নির্দেশনায় এ মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন দীঘিনালা সরকারি কলেজ ছাত্রদল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মামুনুর রশীদ, খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সদস্য মো. সোলেমান, মির্জা সোহেল রানাসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
আয়োজকরা জানান, গরম আবহাওয়া ও দীর্ঘ সময়ের পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে পরীক্ষার্থীদের কিছুটা স্বস্তি দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দীঘিনালা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মামুনুর রশীদের বক্তব্য:পরীক্ষার্থীরা যেন সুস্থ ও স্বস্তিতে পরীক্ষা দিতে পারে, সেই চিন্তা থেকেই আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সদস্য মো. সোলেমানের বক্তব্য:শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। পরীক্ষা চলাকালে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পেরে আমরা আনন্দিত এবং সকল পরীক্ষার্থীর সফলতা কামনা করছি।
পরীক্ষার্থীদের অনেকেই এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, পরীক্ষা শুরুর আগে খাবার স্যালাইন ও বিশুদ্ধ পানি পেয়ে তারা উপকৃত হয়েছেন। এমন মানবিক উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের প্রতি সামাজিক দায়িত্ববোধের পরিচয় বহন করে বলেও তারা মন্তব্য করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারী চাকরিজীবীদের বেতন আগামী নতুন অর্থবছরে বাড়বে- এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ নিজেই। বাজেট বক্তব্যে তিনি ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেও, সরকার এ ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করেনি।
সরকারী চাকরিজীবীদের কোন গ্রেডে বেতন কত বাড়ছে এটি এখনো সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি।
এছাড়া নতুন পে-স্কেল দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গঠিত কমিশনের প্রস্তাব কার্যকর হবে, নাকি বর্তমান সরকার ভিন্ন কিছুর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে- সেটিও স্পষ্ট নয়।
এদিকে, বর্তমান সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে, তখন পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটির মাধ্যমে নতুন বেতন কাঠামোর একটি খসড়া রূপরেখা তৈরি করা হয়েছিল।
যে খসড়া রূপরেখা চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে, তা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। যেখানে বেতন কত বৃদ্ধি পাবে, কয় ধাপে বাড়ানো হবে, এবং মূল্যস্ফীতি কিভাবে মোকাবেলা করা হবে— এই বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
এমন পরিস্থিতিতে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে দিনবিলম্বে আলোচনা চলছেই bকবে থেকে বেতন কাঠামো কার্যকর হবে, কত ধাপে বেতন ও ভাতা বাড়ানো হবে— এগুলো নিয়ে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছেন, নতুন অর্থবছরের শুরু থেকে নতুন বেতন কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত কিছুই বলা সম্ভব নয়।
এবং প্রশাসনিক আদেশ, গেজেট প্রকাশ এবং আইনি প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে, নতুন কাঠামোয় বেতন দেওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে বলেও তিনি জানান।
তবে এটিও উল্লেখ্য যে, যেকোনো সময় এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হলে, বকেয়া পরিশোধের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। সরকারী পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, 'যথাসময়ে' নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে।
অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামোয় পরিবর্তন আনা জরুরি; তবে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণার বাস্তবায়ন হয়েছিল ২০১৫ সালে।
এরপর থেকে প্রতি বছর তাদের মূল বেতনের নির্ধারিত ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেলেও, নতুন করে আর কোন পে-স্কেলের ঘোষণা আসেনি। যার ফলস্বরূপ, সরকারি চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরেই নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন।
২০২৫ সালে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খান এর নেতৃত্বে 'জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫' গঠন করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। ওই কমিশন গত ২২ জানুয়ারি সরকারের কাছে যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল, সেখানে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।
কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, বিদ্যমান সর্বনিম্ন বেতন স্কেল আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ধাপ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
এছাড়া বৈশাখি ভাতার হার বর্তমানে ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ ছিল এবং যাতায়াত ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রেও ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত ব্যাপক সংস্কারের কথা বলা হয়েছিল।
কমিশনের প্রধান জাকির আহমেদ খান ওই সময় জানিয়েছিলেন যে, গত এক দশকে দেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সূচকে যে বিশাল পরিবর্তন এসেছে, তা মাথায় রেখেই এই সুপারিশ করা হয়েছে।
তখন জানানো হয়েছিল যে, পুরো সুপারিশ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে, যা জাতীয় বাজেটের ওপর বড়ো একটি প্রভাব ফেলতে পারে।
ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে একটি ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে বর্তমান সরকার। যিনি ইতোমধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর একটি খসড়া রূপরেখা তৈরি করেছেন।
যার ভিত্তিতে বর্তমানে গেজেট তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলছেন, দেশের অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করে এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।
ইশতাহারে বলা হয়েছে যে যথাসময়ে বাস্তবায়ন হবে এবং সেই অনুযায়ী একটি রিভিউ করা হয়েছে, বলেন তিনি।
কবে নাগাদ গেজেট প্রকাশ হতে পারে এই প্রশ্নের সরাসরি কোনো জবাব দেননি প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নটাও করা হবে।
তবে, জাতীয় সংসদে দেয়া বাজেট বক্তব্যের মাধ্যমে নতুন অর্থবছরের শুরু থেকেই সরকারি কর্মচারীদের জন্য পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
"সরকারি কর্মচারীরা বিগত প্রায় ১১ বছর ধরে একই বেতন কাঠামোয় বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতিজনিত কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী পহেলা জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি," জাতীয় সংসদে বলেন তিনি।
নতুন পে-স্কেলে বেতন-ভাতা একসাথে কার্যকর না করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
তিনি বলছেন, আমরা কয়েকটি ধাপে এটি করব, প্রথমেই বেতন বা বেসিকটা বাড়ানো হবে।
কিন্তু কোন গ্রেডের কর্মচারীর বেতন কত হবে, সে বিষয়ে এখনই কিছু জানাতে রাজি হননি তিতুমীর।
তিনি বলছেন, গেজেট চূড়ান্ত করতে সরকার পর্যালোচনা করছে, এই পর্যালোচনা এবং রাজনৈতিক নির্দেশনার আলোকে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।
এদিকে, অর্থমন্ত্রী সূত্রে জানা গেছে যে, চলতি মাসের মাঝামাঝি বা শেষ নাগাদ বেতন বৃদ্ধির গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আফ্রিকা জুড়ে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভের সময় ৯০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভের বেশির ভাগই ছিল শান্তিপূর্ণ।
তবে কয়েকটি এলাকায় সংঘাত, লুটপাট ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। বুধবার এ সম্পর্কে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।
পুলিশের তথ্যমতে, মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন স্থানে মোট ১২০টি বিক্ষোভ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১০৮টি বিক্ষোভ ছিল কোনো ধরনের বড় সংঘর্ষ ছাড়াই শেষ।
কিন্তু বাকি ১২টি মিছিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের উপজাতীয় কমিশনার তেবেলো মোসিকিলি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে অভিবাসন আইন লঙ্ঘন, জনসমক্ষে সহিংসতা, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া থাকা অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া এবং ডাকাতির মতো অপরাধ।
এদিকে পুলিশের এক স্বতন্ত্র বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে জোহানেসবার্গের আলেকজান্দ্রা টাউনশিপে গুলিতে একজন নিহত হন।
ওই এলাকায় বিদেশি নাগরিকদের মালিকানাধীন ছোট দোকান, যেগুলো স্থানীয়ভাবে ‘স্পাজা’ দোকান নামে পরিচিত, সেগুলোতে হামলা ও লুটপাট চালায় একদল স্থানীয় বাসিন্দা। একই রাতে নিরাপত্তা জোরদার করতে দক্ষিণ আফ্রিকার ৯টি প্রদেশের মধ্যে পাঁচটিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি জোহানেসবার্গ শহরের কেন্দ্রস্থল হিলব্রো এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। সেখানে গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত দুইজন আহত হন। অন্যদিকে বন্দরনগরী ডারবানে এক বিদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভ শুরুর আগের রাতে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তিনি একটি ভবনের অষ্টম তলা থেকে লাফ দেন, পরে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ পুরো ঘটনাটির তদন্ত করছে।
মঙ্গলবারের বিক্ষোভের পেছনে ছিল অভিবাসীবিরোধী একটি আন্দোলনের ঘোষণা। এই আন্দোলন বৈধ কাগজপত্র ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসকারী অভিবাসীদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার দিনেই দেশজুড়ে এসব বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে কয়েক মাস ধরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকায় অভিবাসীবিরোধী উত্তেজনা চলছিল। সেই সময় বহু বিদেশি নাগরিককে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়। অনেকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তিতে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
এই পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ও সমালোচনা তৈরী হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দক্ষিণ আফ্রিকা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে, যা আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সেইসাথে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদফতরের দ্বারা দেয়া সতর্কবার্তায় এ বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
এই বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ সময়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া সংক্রান্ত অন্যান্য সংবাদ পড়তে, এখানে ক্লিক করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ