০৭:৪৯ পি.এম
কুমিল্লা সদরের ছত্রখিল এলাকায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যা মামলার রহস্য পুলিশ উদ্ঘাটন করেছে। এই ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামি, তৌহিদ ও তানজির, গ্রেফতার করা হয়েছে।
তৌহিদকে কুমিল্লা থেকে এবং তানজিরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।
আরও পড়ুন: কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার অনুসারী শীর্ষ সন্ত্রাসী কেচ্ছা রাসেল গ্রেফতার
পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, কোতোয়ালি মডেল থানার অধীনে ছত্রখিল এলাকার উপজেলা মডেল মসজিদের বিপরীত দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন জায়গাকে কেন্দ্র করে তানজির এবং তার আপন ছোট ভাই তৌহিদের সঙ্গে কাউছার ও শামীমের বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তৌহিদ ও তানজিরসহ কয়েকজন ওই স্থানে কফি শপ তৈরির কাজ করছিলেন। এ সময় কাউছার, শামীমসহ আরও কয়েকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তৌহিদ এবং তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন কাউছার ও শামীমের ওপর হামলা চালান।
পুলিশ জানায়, তৌহিদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাউছারকে গুরুতর জখম করা হয়। এ সময় কাউছার ও শামীমসহ কয়েকজন আহত হন। হামলার পর অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। গুরুতর আহত কাউছারকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ এবং কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে শুক্রবার মধ্যরাতে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নুরপুর এলাকা থেকে তৌহিদকে গ্রেফতার করা হয়। একই রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এলাকা থেকে তানজিরকে গ্রেফতার করে এসআরবি।
আরও পড়ুন: গোমস্তাপুরে সড়ক পার হওয়ার সময় ভটভটিচাপায় গৃহবধূর প্রাণ গেল
এদিকে, তৌহিদকে গ্রেফতারের সময় উত্তেজিত জনতার হাতে তিনি আহত হন। পরে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে পুলিশ পাহারায় তার চিকিৎসা চলছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতার দুই আসামিকে দ্রুত আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি-১১, কুমিল্লা সিপিসি-২ ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, তৌহিদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে হত্যা মামলাসহ সাতটি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে, তানজিরের বিরুদ্ধে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন: হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন