১২:৫৬ পি.এম
ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী করার সময় এসেছে। ব্যাপক পরিসরে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়ার সময় এসেছে এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার সময় এসেছে।’
গুতেরেস পুরো অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য একটি ‘রাজনৈতিক পথ’ তৈরির আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: এবার প্রকাশ্য সমাবেশে র্যাপারের শরীর নিয়ে ট্রাম্পের আপত্তিকর মন্তব্য
তিনি আরও বলেন, এই বার্ষিকী যেন শুধুমাত্র আরেকটি শোকের বছর হিসেবে চিহ্নিত না হয়, বরং এটি একটি ভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার নতুন সংকল্পের সূচনা করে, যেখানে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিরা শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে পাশাপাশি বসবাস করতে পারবে এবং তাদের অধিকার, মর্যাদা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।
বিবৃতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব ইসরায়েলি হতাহতের বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি হামাসের হামলাকে ‘ভয়াবহ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এতে ১,২০০-এর বেশি ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিক নিহত এবং আরও ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল।
গুতেরেস আরও মন্তব্য করেন, গাজার ফিলিস্তিনিরা ‘ব্যাপক প্রাণহানি, বাস্তুচ্যুতি ও ধ্বংসের’ মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তাদের দুর্ভোগেরও এখনই অবসান হওয়া প্রয়োজন।’
তবে তিনি ফিলিস্তিনি নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় ইসরায়েলের কয়েক বছর ধরে চলা সামরিক অভিযানে ৭৪,২০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
আরও পড়ুন: মতিঝিল বিভাগে পুলিশের অভিযানে ৮৪ জন গ্রেফতার
মন্ত্রণালয়টি হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন হলেও জাতিসংঘ এর প্রকাশিত পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে।
গুতেরেস স্বীকার করেন, ২০২৫ সালের অক্টোবরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত একটি স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি ‘কিছুটা স্বস্তি’ এনেছিল। তবে তিনি বলেন, এটি এখনো নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা কিংবা পুনরুদ্ধার ও শান্তির জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য পথ নিশ্চিত করতে পারেনি।
ইসরায়েল এখনো গাজার অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। দেশটি বলছে, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে না।
আরও পড়ুন: দিল্লিতে সংসদ ভবনের নর্থ ব্লকে আগুন লাগার ঘটনা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন