সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১২ পি.এম
আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে শতাব্দীর নিকৃষ্ট মিথ্যাচার করে মামলা সাজানোর বিনিময়ে আওয়ামী লীগের এমপির কাছ থেকে ‘মুক্তিযোদ্ধা খেতাব’ এবং সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন মানিক পশারী নামের এই ব্যক্তি। সনাতন ধর্মাবলম্বী ভোটাররা আল্লামা সাঈদীর আসনে বলতেন, "মায়ের কোলে সন্তান যেমন থাকে সাঈদীর কাছে আমরা সেভাবেই আছি।"
ডাকসুর ভিপি ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণের মেয়রপ্রার্থী সাদিক কায়েম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও লেখেন, "সুখরঞ্জন বালী তো সারা পৃথিবীর সামনে সাহসের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন সাঈদী রহ. এর পক্ষে আদালতে সাক্ষ্য দিতে এসে। এলাকার সকলেই আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাবাজদের ঘৃণা করতেন। হয়তো সেই ঘৃণার কারণে কেউই এদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এগিয়ে আসেনি। যেমনিভাবে আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে নিকৃষ্ট মিথ্যাচার সাজিয়েছিলো মানবতার দুশমনরা, ওরা এখন এই ঘৃণিত ব্যক্তির মৃত্যু পরবর্তী জনঘৃণাকেও রঙ মেখে নানা কাহিনী সাজাচ্ছে।"
আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, "আগামীর বিপ্লব হবে ইনসাফের বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ। সঠিক পরিকল্পনা ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে সমৃদ্ধশালী ঢাকা নগরী বিনিমার্ণ করা হবে ইনশাআল্লাহ।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রুপালি পর্দায় অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করার ক্ষেত্রে অভিনেত্রী জয়া আহসান অনেকবার সফল হয়েছেন। পর্দার বাইরেও তার স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব ও ফ্যাশন-ভাবনা ভক্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
সম্প্রতি গোলাপি আভাযুক্ত স্যাটিনের পোশাকে নতুন ফটোশুটের ছবি প্রকাশ করে দুই বাংলার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী আলোচনায় এসেছেন।
জয়া সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নতুন ফটোশুটের কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিগুলোতে তাকে হালকা গোলাপি রঙের স্যাটিনের পোশাকে দেখা যাচ্ছে।
তিনি খোলা চুলের ঢেউ, স্নিগ্ধ সাজ এবং মায়াবী অভিব্যক্তিতে ধরা পড়েছেন। কখনো টেবিলে ভর দিয়ে, কখনো চেয়ারে বসে ভিন্ন ভিন্ন ভঙ্গিতে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন।
ছবিগুলোর ক্যাপশনে জয়া উল্লেখ করেছেন, ‘গোলাপির ছোঁয়া, ঝামেলার শেষ নেই।’ তার এই রসিকতাপূর্ণ ক্যাপশন ছবিগুলোর সঙ্গে একটি আলাদা আবহ তৈরি করেছে।
অভিনয়ের পাশাপাশি জয়ার ব্যক্তিত্ব, প্রকৃতিপ্রেম এবং ফ্যাশন-সচেতনতা নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ রয়েছে। যদিও তিনি ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সচরাচর বেশি কথা বলেন না, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাঝে মাঝে নিজের নানা মুহূর্ত তুলে ধরেন।
নতুন এই ফটোশুটেও জয়ার স্বতন্ত্র স্টাইল ও সাবলীল উপস্থিতি ফুটে উঠেছে। বয়সের হিসাবকে পাশ কাটিয়ে নিজের মতো করে সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটানোই যেন তার ফ্যাশন-ভাবনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
ছবিগুলো প্রকাশের পর অভিনেত্রীর নতুন লুক নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। গোলাপি স্যাটিনের কোমল আভা এবং জয়ার মায়াবী উপস্থিতি মিলিয়ে ফটোশুটটি ভিন্নমাত্রা পেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। এবার তিনি প্রকাশ্যে নিজের সমর্থক, জনপ্রিয় নারী র্যাপার নিকি মিনাজের শারীরিক গঠন সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর স্থানীয় সময় মিশিগানের পোর্ট হুরনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত এক সমাবেশে ট্রাম্প নিকি মিনাজকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি খুব সুন্দর একটি নিতম্ব দেখেছি। নিকি মিনাজ।’
এরপর ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ‘তাকে চোখে না পড়ে উপায় নেই।’ তিনি মিনাজকে দাঁড়িয়ে থাকতে বলেন। মিনাজ যখন দাঁড়িয়ে উপস্থিত জনতার দিকে হাত নাড়েন, তখন দর্শকরা উল্লাসে ফেটে পড়ে।
ট্রাম্প পরে বলেন, ‘আমি আশা করি, নিকি এতে অপমানিত বোধ করেননি। আমরা নিকিকে ভালোবাসি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সঙ্গে আছেন।’
ওহাইওর রিপাবলিকান সিনেটর জন হুস্টেডের শারীরিক গঠন নিয়ে সম্প্রতি তার করা মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ট্রাম্প নিকি মিনাজের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। হুস্টেড আগে আমেরিকান ফুটবল খেলতেন উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, তার শারীরিক গঠন নিয়ে মন্তব্যটি ছিল নিছক রসিকতা।
মিশিগানের সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, তিনি কখনো কোনো পুরুষকে এ ধরনের মন্তব্য করেননি। নারীদের ক্ষেত্রে বলেছেন, তবে পুরুষদের ক্ষেত্রে নয়। এরপরই তিনি নিকি মিনাজের নাম উল্লেখ করেন।
রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থন জানাতে ওই দিন ট্রাম্পের সঙ্গে সমাবেশে যোগ দেন মিনাজ। তারা এয়ার ফোর্স ওয়ানে করে মিশিগানে পৌঁছান। মঞ্চে মিনাজকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সময় ট্রাম্প রসিকতা করে বলেন, মিনাজ তার চেয়েও বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করেন।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মিনাজ উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা ট্রাম্পকে ভালোবাসি।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বর্তমান সময়কে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করে মিশিগানের বাসিন্দাদের এই রাজনৈতিক আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
পরে ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে মিনাজ বলেন, ‘প্রতিবার আপনার সঙ্গে থাকতে পারা সম্মানের।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি চিরকাল আপনাকে সমর্থন করব।’ ভবিষ্যতে ট্রাম্প আবার নির্বাচনে দাঁড়ালেও তাকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানান এই র্যাপার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের সহযোগিতা চেয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়ে জোর দিয়েছেন। অপরদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের (জেবিপিএফএল) সভাপতি তারো আসো জানিয়েছেন, বাংলাদেশে অনুকূল পরিবেশ থাকার কারণে জাপানি কোম্পানিগুলো সেখানে বিনিয়োগে ব্যাপক আগ্রহী।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় বেলা ৩টায় টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেন মৈত্রী লীগের সভাপতি তারো আসো।
সাক্ষাৎকালে, তারো আসো বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, "বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশই তরুণ।" তিনি উল্লেখ করেন, "দেশটিতে বর্তমানে বিরাজমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনিয়োগের চমৎকার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।" এই ইতিবাচক পরিস্থিতির কারণে জাপানি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে তার সরকার ইতোমধ্যে নানামুখী বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, "এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কারও আনা হচ্ছে।" প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন অগ্রাধিকার খাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয় বৈঠকে তুলে ধরেন।
তিনি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, "ইপিএ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ প্রসারিত হবে।" তিনি জাপানের ধারাবাহিক সহযোগিতা কামনা করেন দেশের জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে।
বৈঠকে, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে তারো আসোর দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ভূমিকা ও অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী ২০০৬ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে জাপান সফরকালে তারো আসোর সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করেন। তারো আসোও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার অতীত সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালে তারো আসো সবসময়ই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ (পিপল-টু-পিপল কনট্যাক্ট) বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক) ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, গবেষণা কর্মকর্তা মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীসহ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, জাপানের প্রতিনিধিদলে তারো আসোর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দেশটির সাবেক মন্ত্রী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ইয়াসুতোশি নিশিমুরা, ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহণ ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রী তাতসুনোরি ইবায়াশিসহ দেশটির জাতীয় সংসদের জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ট্রাকচালক মো. হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।
আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম আসামিদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ গঠন করেন। আদালত একই সঙ্গে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৫ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছে।
আদালতের পেশকার বেলাল হোসেন বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট নিহতের মা রীনা বেগম মোহাম্মদপুর থানায় এই হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় গুলিতে নিহত হন ট্রাকচালক মো. হোসেন। ঘটনার দিন তিনি গাবতলীতে ট্রাক রেখে বাসায় ফিরছিলেন।
মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর, তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক আকরামুজ্জামান আদালতে শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
এই মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, আসিফ আহমেদ, তারেকুজ্জামান রাজিব, শেখ বজলুর রহমান ও নুর মোহাম্মদ সেন্টু পলাতক রয়েছেন।
মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানসহ চারজন কারাগারে আছেন। এছাড়া ১০ জন জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ