বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৯ পি.এম
ইংলিশ জায়ান্ট ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কারাবাও কাপের তৃতীয় রাউন্ডে ব্রাইটনের কাছে ২-৩ গোলে পরাজিত হয়ে বিদায় নিয়েছে। ওল্ড ট্রাফোর্ডের ইতিহাসে গত ৫০ বছরে এই প্রথমবার ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও ম্যাচ হারল ইউনাইটেড। এই বেদনাদায়ক হারের পর ম্যানইউ কোচ এই বিপর্যয়কে "অগ্রহণযোগ্য" বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, "আমরা এটা মেনে নিতে পারি না, তবে এই বিপর্যয়ের পর ঘুরে দাঁড়াতে হবে।"
গতকাল বুধবার ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যে ১৯ বছর বয়সী তরুণ উইঙ্গার শি লাসি এবং ম্যাসন মাউন্টের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল রেড ডেভিলরা। কিন্তু ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় পুরো গ্যালারি স্তব্ধ হয়ে যায়।
দ্য গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী, ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্যারিক নিজের হতাশা লুকাতে পারেননি। তিনি মন্তব্য করেন, "একটি দল হিসেবে আমরা এই ধরনের পারফরম্যান্স বা ফলাফল মেনে নিতে পারি না। ম্যাচের লাগাম আমাদের হাতে ছিল, কিন্তু আমরা সেটা হাতছাড়া করেছি। দ্বিতীয়ার্ধের শেষদিকের এই ব্যর্থতার পুরো দায় আমি নিজের কাঁধেই নিচ্ছি।"
ক্যারিকের দল প্রিমিয়ার লিগে শুধু ইপসউইচ এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সাবাহ-র বিপক্ষে জয় পেয়েছে। তবে একের পর এক ব্যর্থতার পরেও কোচ নিজের ওপর কোনো চাপ অনুভব করছেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "বাইরের দুনিয়া কীভাবে চলে তা আমি ভালো করেই জানি, তাই এসব আলোচনা আমাকে বিন্দুমাত্রও ভাবিয়ে তুলছে না।"
বর্তমানে ক্যারিকের প্রধান লক্ষ্য হলো ম্যাচ জেতা এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে খুব দ্রুতই দল ফর্মে ফিরবে। ম্যাচ শেষে গ্যালারি থেকে সমর্থকদের দুয়োধ্বনি বা ক্ষোভ প্রকাশের বিষয়ে ক্যারিক জানান, তিনি সমর্থকদের এই অনুভূতি ও হতাশা পুরোপুরি বুঝতে পারছেন। কাপ প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ার পর এখন তাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো দ্রুত জয়ের ধারায় ফিরে আসা, কারণ এই মুহূর্তে দলের পরিবেশ মোটেও ভালো নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি জানিয়েছেন, ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ধাক্কা সামলে নেপাল পুনরুদ্ধার করছে। দেশটির অধিকাংশ পর্যটনকেন্দ্র, বিমানবন্দর, হোটেল ও পর্যটন সেবা স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশি পর্যটকদের নেপাল ভ্রমণের আহ্বান জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ‘নেপাল ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, নেপাল দৃঢ় এবং নেপাল আপনাদের জন্য উন্মুক্ত।’
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) তিন দিনব্যাপী ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার (এটিএফ) ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতে, গত ২৬ আগস্ট নেপালে আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির কথা স্মরণ করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি জানান, ওই দুর্যোগ ছিল নজিরবিহীন। কয়েক মিনিটের মধ্যে বরফ, পানি, পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত বিভিন্ন জনপদে আঘাত হানে। এতে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং ৫ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্যোগের পর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের প্রাথমিক ধাপ শেষ করে এখন পুনর্গঠন, পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসনের দিকে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। প্রাথমিক হিসাবে পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি প্রয়োজন হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পাশাপাশি পর্যটন, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত।
তবে নেপালের পর্যটন খাতের ওপর দুর্যোগের প্রভাব নিয়ে পর্যটকদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানান ঘনশ্যাম ভান্ডারি। তিনি বলেন, দুর্যোগের প্রভাব মূলত নদীর অববাহিকা বরাবর নির্দিষ্ট একটি এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল। দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলোর বড় অংশই অক্ষত রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো চালু রয়েছে, হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো পর্যটকদের সেবা দিচ্ছে এবং ট্রাভেল ও ট্রেকিং এজেন্সিগুলোও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশের পর্যটন সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতিগত নানা মিল রয়েছে। বাংলাদেশি পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্যগুলোর মধ্যে নেপাল অন্যতম। ২০২৫ সালে প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি নেপাল ভ্রমণ করেছেন।
পর্যটন খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে ঘনশ্যাম ভান্ডারি বলেন, সরকার, পর্যটন বোর্ড, বিমান সংস্থা, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্ট, হোটেলসহ বেসরকারি খাতের অংশীদারদের যৌথভাবে কাজ করতে হবে। এ ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে পর্যটনবিচিত্রার সম্পাদক ও এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, মালদ্বীপ- শ্রীলঙ্কা সহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মতিঝিলে মুষলধারার বৃষ্টি উপেক্ষা করে এক দফা এক দাবিতে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেন, বঞ্চনা ও অবমূল্যায়নের অভিযোগ তুলে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে। মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে তারা স্লোগানে স্লোগানে আন্দোলন করতে থাকেন।
পরবর্তীতে, দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা ছিল তাদের। স্মারকলিপি জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তারা সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু গভর্নর না থাকায়, তার প্রতিনিধিদের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য বলা হলেও চাকুরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন।
তারা আগামী রোববার গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।
সম্প্রতি দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক পুনর্গঠনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পর থেকে, কোনো নোটিশ ছাড়াই সাড়ে ৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগে বঞ্চিত কর্মীরা পুনর্নিয়োগের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন।
আজ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজপথে তাদের উপস্থিতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করে। সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকলেও, সকাল ১০টার আগেই বঞ্চনার শিকার শত শত কর্মী ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় জড়ো হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত সপ্তাহে ড্রোন হামলার ফলে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর, সৌদি আরব তাদের আন্তঃদেশীয় তেল পাইপলাইনের প্রায় অর্ধেক সক্ষমতা পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে একটি বিশ্বস্ত সূত্র তথ্য প্রদান করেছে। খবরটি এসেছে আল আরাবিয়া থেকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটি জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘সৌদি আরামকো’ পাইপলাইনের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি বাদ দিয়ে বিকল্প উপায়ে তেল সরবরাহ পুনরায় চালু করার কাজ করছে, যাতে আংশিক ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়।
কোম্পানির লক্ষ্য হলো, আগামী প্রায় ছয় সপ্তাহের মধ্যে পাইপলাইনটিকে সম্পূর্ণরূপে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অটোরিকশা রাখার বিষয়ে তর্কের পর হামলার ঘটনা ঘটে। প্রাণ রক্ষার জন্য এসআই মো. আলতাফ হোসেন তার ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিলেও তিনি রক্ষা পাননি। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। বাবাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার ছোট ছেলে গুরুতর আহত হন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মামলার ১৫ আসামিকে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাসও প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পরিবারের সদস্যরা মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, "নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের কল্যাণে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে।" ইতিমধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের কল্যাণ তহবিল থেকে পরিবারকে ৬ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। পরিবারের ব্যবসা সচল রাখতে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড থেকে প্রয়োজনীয় ঋণসহ সার্বিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আলতাফ হোসেনের দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা ও সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
যেভাবে হত্যা
গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা। সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী পশ্চিমপাড়া। অটোরিকশা রাখার বিষয়ে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন এসআই আলতাফ হোসেন স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হামলার আশঙ্কায় আলতাফ হোসেন তার বড় ছেলে মো. শরিফুল ইসলামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেন।
মামলার এজাহার ও সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে সেখানে হামলা চালায়।
হামলাকারীদের হাত থেকে বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম। এ সময় তিনিও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
৪০ বছরের পুলিশ জীবন
১৯৮৬ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে কনস্টেবল হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন আলতাফ হোসেন। চার দশকের কর্মজীবনে তিনি ডিএমপি, রাঙামাটি, আরআরএফ রাজশাহী, আরএমপি ও বরিশাল জেলায় দায়িত্ব পালন করেন।
২০১১ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি স্পেশাল ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন। পুলিশের চাকরিতে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের পর অবসরের আগেই নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনি।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, বড় ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম ও ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলামকে রেখে গেছেন। বড় ছেলে মানারাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ফার্মাসি সম্পন্ন করেছেন। ছোট ছেলে ইউসেপ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ছেন। নিহতের পরিবারের দাবি—হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ