বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৫ পি.এম
অটোরিকশা রাখার বিষয়ে তর্কের পর হামলার ঘটনা ঘটে। প্রাণ রক্ষার জন্য এসআই মো. আলতাফ হোসেন তার ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিলেও তিনি রক্ষা পাননি। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। বাবাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার ছোট ছেলে গুরুতর আহত হন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মামলার ১৫ আসামিকে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাসও প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পরিবারের সদস্যরা মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, "নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের কল্যাণে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে।" ইতিমধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের কল্যাণ তহবিল থেকে পরিবারকে ৬ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। পরিবারের ব্যবসা সচল রাখতে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড থেকে প্রয়োজনীয় ঋণসহ সার্বিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আলতাফ হোসেনের দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা ও সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
যেভাবে হত্যা
গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা। সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী পশ্চিমপাড়া। অটোরিকশা রাখার বিষয়ে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন এসআই আলতাফ হোসেন স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হামলার আশঙ্কায় আলতাফ হোসেন তার বড় ছেলে মো. শরিফুল ইসলামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেন।
মামলার এজাহার ও সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে সেখানে হামলা চালায়।
হামলাকারীদের হাত থেকে বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম। এ সময় তিনিও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
৪০ বছরের পুলিশ জীবন
১৯৮৬ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে কনস্টেবল হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন আলতাফ হোসেন। চার দশকের কর্মজীবনে তিনি ডিএমপি, রাঙামাটি, আরআরএফ রাজশাহী, আরএমপি ও বরিশাল জেলায় দায়িত্ব পালন করেন।
২০১১ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি স্পেশাল ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন। পুলিশের চাকরিতে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের পর অবসরের আগেই নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনি।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, বড় ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম ও ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলামকে রেখে গেছেন। বড় ছেলে মানারাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ফার্মাসি সম্পন্ন করেছেন। ছোট ছেলে ইউসেপ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ছেন। নিহতের পরিবারের দাবি—হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের হেবরনে ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে ঢুকে পড়েছে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীরা। এ তথ্য কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা স্থানীয় সূত্র ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের বরাতে জানিয়েছে।
ঘটনার সময় মসজিদটি ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের জন্য বন্ধ রেখেছিল ইসরাইলি বাহিনী। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ফিলিস্তিনিদের মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। একই সঙ্গে, মসজিদটির চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে ইসরাইলি বাহিনী।
হেবরনের পুরোনো শহরে অবস্থিত ইব্রাহিমি মসজিদ মুসলিম ও ইহুদি উভয় ধর্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান। ইহুদিরা এটিকে ‘কেভ অব দ্য প্যাট্রিয়ার্কস’ নামে অভিহিত করে। ১৯৯৭ সালের হেবরন চুক্তির পর শহরটি দুটি অংশে বিভক্ত হয়। এর মধ্যে মসজিদটি ইসরায়েলি নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রিত H2 এলাকায় পড়ে।
দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটি ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনি বিরোধের অন্যতম স্পর্শকাতর কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৪ সালে ইসরায়েলি-আমেরিকান বসতিস্থাপনকারী বারুচ গোল্ডস্টেইন মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর গুলি চালিয়ে ২৯ জনকে হত্যা করেন। এর পর থেকে মসজিদটির ভেতর মুসলিম ও ইহুদি উপাসনার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে, চলতি বছর পশ্চিম তীরে মসজিদ ও ধর্মীয় স্থাপনাকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় চলতি বছরে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারী ও বাহিনীর হাতে অন্তত ১৩টি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত বা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। একই প্রতিবেদনে ইব্রাহিমি মসজিদে আজান বন্ধের ১৫৫টি ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বশেষ এই ঘটনায় মসজিদে বসতিস্থাপনকারীদের প্রবেশ এবং ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নতুন করে হেবরনের ধর্মীয় স্থাপনাটির নিয়ন্ত্রণ ও প্রবেশাধিকার নিয়ে উত্তেজনা সামনে এনেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট জারির প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনের খসড়া উত্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, ভেটিংয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাকি কার্যক্রম দ্রুত শেষ করে গেজেট জারির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র মতে, আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং সংক্রান্ত প্রায় সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিছু কার্যক্রম বাকি রয়েছে, যা বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যেই শেষ করার চেষ্টা চলছে।
গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন করা হয়। নতুন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগ জানাচ্ছে, আর্থিক সক্ষমতা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর দ্রুত গেজেট প্রকাশের আশ্বাস দেওয়া হলেও প্রায় দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পর সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে অপেক্ষা তৈরি হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে থাকায় উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
কার কত বেতন বাড়ছে
এক দশকের বেশি সময় পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়েছে। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে। প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। অর্থাৎ গেজেট প্রকাশে সময় লাগলেও কার্যকর তারিখ পেছাবে না। নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে মূল বেতন ধাপে ধাপে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ‘জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫’ গঠন করা হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার দ্বারা। ওই কমিশন গত ২২ জানুয়ারি সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, বিদ্যমান সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ধাপ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছিল।
এ ছাড়া বৈশাখী ভাতা, যাতায়াত ভাতা এবং অন্যান্য ভাতা সংস্কারেরও সুপারিশ ছিল।
পরবর্তী সময়ে মন্ত্রিসভায় নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে তা অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারির জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়।
এখন আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষ হলেই গেজেট জারির পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষার পর নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান এবং উৎকর্ষ বৃদ্ধি করতে শিক্ষক নিয়োগসহ সকল ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।
সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসস’কে এই তথ্য জানান।
বৈঠকের সময়, জাবি উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা, গবেষণা এবং একাডেমিক কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
এ সময়, উপাচার্য আগামী বছরের এপ্রিলে প্রস্তাবিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার সম্মতি প্রদান করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশালে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে ২২০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনামাছ অবমুক্তকরণের উদ্বোধন করেন ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় অভ্যন্তরীণ জলাভূমি, বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত, প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে এসব পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।
পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসনাত জাহান খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহানা নাজনীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হাম্মিম জাহান, ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহাম্মদসহ সংশ্লিষ্টরা।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহানা নাজনীন জানান, বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে মোট ২২০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উন্মুক্ত জলাশয়েও আরও ১৮০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হবে।
মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে নিয়মিত এ ধরনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ