ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পেনাল্টি, লাল কার্ড ও নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচে মালদ্বীপের সঙ্গে বাংলাদেশের ড্র


পেনাল্টি, লাল কার্ড ও নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচে মালদ্বীপের সঙ্গে বাংলাদেশের ড্র

পেনাল্টি, লাল কার্ড, বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং খেলোয়াড়দের হাতাহাতিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠা এক ম্যাচে মালদ্বীপকে হারাতে পারল না বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের সাথে ১-১ গোলে ড্র করার ফলে গোল্ডেন জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল লাল-সবুজদের।

রবিবার মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে জয় অর্জন করলে ফাইনাল নিশ্চিত হতো বাংলাদেশের। কিন্তু নিজেদের কিছু ভুল এবং কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া সম্ভব হয়নি মারুফুল হকের দলের।

ম্যাচের ১৩ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। নিজেদের রক্ষণভাগের কিছু ভুলের কারণে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে ফাউল করতে কারণে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট কিক থেকে গোল করে মালদ্বীপের ফুটবলাররা স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের এক খেলোয়াড়কে বক্সের ভেতরে ফেলে দেওয়ার পরও রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজাননি। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা আপত্তি জানান, কিন্তু তাদের এ আপত্তি কোনো কাজে আসেনি।

বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ানোর চেষ্টা করে বাংলাদেশ। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান মিরাজুল ইসলাম। তার শক্তিশালী শটে বল জালে জড়িয়ে গেলে ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা ফিরে আসে।

শেষ দিকে এসে লড়াই আরও নাটকীয় হয়ে ওঠে। রেফারির সাথে তর্কাতর্কি করার কারণে লাল কার্ড দেখেন বাংলাদেশের আল আমিন। এর ফলে শেষ সময়ে ১০ জনের দলে খেলতে হয় বাংলাদেশকে।

ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায় এবং একপর্যায়ে উভয় দলের কয়েকজন খেলোয়াড় হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লে ম্যাচ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরে খেলা শেষ হয়।

আরও পড়ুন: ঘিওরের ধলেশ্বরী নদীতে দুই দিন নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে। এর ফলে জয় না পাওয়ায় লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের ফাইনালে ওঠার আশা শেষ হয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৩ বছর বয়সে প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ এম


৩৩ বছর বয়সে প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা

 

পাকিস্তানি গায়ককে হিনা পারভেজ নারীর পোশাকে নয়, নিজেদের কাজে মনোযোগী হোন। কনসার্টে স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে ক্ষুব্ধ ম্যাডোনা। ৩০ পার হলেই রোমান্টিক ছবির জন্য আমরা বুড়ো: তাপসী পান্নু। জনপ্রিয় পাকিস্তানি জুটির বিয়ের ঘোষণার অপেক্ষায় ভক্তরা। ভক্তদের জন্য গায়ক রিংকুর দুঃসংবাদ।

 

রোমান্টিক ড্রামা ও স্বল্পদৈর্ঘ্য সিরিজের মাধ্যমে বিপুল দর্শকপ্রিয়তা পাওয়া চীনা অভিনেতা জিন জে মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৩৩ বছর। তার এজেন্সি একটি অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে খবরটি নিশ্চিত করেছে, তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

অভিনেতা জিন জে-এর এজেন্সি ‘শেংশি গুয়াংনিয়ান কালচার কোং লিমিটেড’ শনিবার (৬ জুন) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানায়। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জিয়াংজি প্রদেশের হাংঝোতে অবস্থিত নিজ বাসভবনে গত ৪ জুন তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার প্রকৃত নাম ছিল ঝাং জিয়াউই।

এজেন্সির পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা অত্যন্ত গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের চুক্তিবদ্ধ অভিনেতা জিন জে (ঝাং জিয়াউই) ২০২৬ সালের ৪ জুন হাংঝোতে তার নিজ বাসভবনে মারা গেছেন।’

এজেন্সি বিবৃতিতে তাকে একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান তরুণ অভিনেতা ও মডেল হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। এজেন্সির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘জিন জে, যিনি পূর্বে ঝাং জিয়াউই নামে পরিচিত ছিলেন, ১৯৯৩ সালের ৩০ জানুয়ারি শানডং প্রদেশের ওয়েইহাইতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন অসাধারণ তরুণ অভিনেতা ও মডেল ছিলেন। আমরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তার পরিবারের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’

এজেন্সি একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে অভিনেতার পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর জন্য জনসাধারণের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে।

এদিকে, এজেন্সির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসার আগেই চীনা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভিনেতার প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যুর খবরটি অনলাইন দুনিয়ায় অন্যতম শীর্ষ আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়, যা ভক্ত এবং বিনোদন জগতের সংশ্লিষ্টদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে তার ভক্ত ও সহকর্মীরা একের পর এক শোকবার্তা শেয়ার করতে থাকেন। সকলেই তাকে একজন নিবেদিতপ্রাণ অভিনয়শিল্পী এবং অত্যন্ত নম্র ও বিনয়ী মানুষ হিসেবে স্মরণ করছেন।

জিন জে এমন একটি সময়ে চলে গেলেন যখন তার বেশ কয়েকটি নতুন প্রজেক্ট মুক্তির অপেক্ষায় ছিল। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ‘ওয়েটিং ফর দ্য ফ্লাওয়ার্স টু ব্লুম, ওয়েটিং ফর ইয়োর রিটার্ন’ নামক একটি ড্রামা, যা নিয়ে দর্শকদের মাঝে আগে থেকেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। ইন্ড্রাস্ট্রির তথ্য অনুযায়ী, ‘হংগুও শর্ট ড্রামা’ প্ল্যাটফর্মে মুক্তির আগেই এই সিরিজটির জন্য ১.৪৮ মিলিয়নেরও (১৪.৮ লাখ) বেশি প্রি-রিলিজ রিজার্ভেশন বা অগ্রিম বুকিং সম্পন্ন হয়েছিল।

১৯৯৩ সালের ৩০ জানুয়ারি শানডং প্রদেশের ওয়েইহাইতে জন্মগ্রহণ করা জিন জে অভিনয়জগতে আসার আগে বেইজিং ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

শুরুতে তিনি ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে মডেল হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়েন এবং ব্যাপক পরিচিতি পান। পরবর্তীতে অভিনয়ে পদার্পণ করেন এবং টেলিভিশন ড্রামা ও রোমান্টিক সিরিজে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় প্রজেক্টে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে হ্যালো জোয়ান, ফরগেট ইউ রিমেম্বার লাভ, বিগিন এগেইন, লিগ্যালি রোমান্স, বিউটি রিবর্ন, ডোন্ট নেগোশিয়েট উইথ ইয়োর বস উল্লেখ্যযোগ্য।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব পড়েছে খাতুনগঞ্জের বাজারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ এম


বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব পড়েছে খাতুনগঞ্জের বাজারে

 

দেশের ভোগ্যপণ্যের বৃহৎ পাইকারি বাজার চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ। ব্যবসাবাণিজ্যের এই প্রধান কেন্দ্রে একসময় দিনরাত একাকার হয়ে যেত ট্রাকের হর্ন, কুলি-মজুরের হাঁকডাক আর ডিও হাতবদলের কোটি টাকার খেলায়। কিন্তু আজ সেই চেনা কোলাহলে কিছুটা ভাটা লক্ষ করা যাচ্ছে।

ইউক্রেনের গমের মাঠে কিংবা লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজে পড়া বোমার আওয়াজ হাজার মাইল দূরের এই খাতুনগঞ্জের সরু গলিতেও প্রবল ভূকম্পন তৈরি করেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ডলারের দর ওঠানামা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির চাপে পিষ্ট হয়ে আছে খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা। তবে নানান বাধা সত্ত্বেও খাদের কিনারা থেকে খড়কুটো আঁকড়ে ধরে কৌশল বদল করে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন এখানকার লড়াকু ব্যবসায়ীরা।

দেশের ভোগ্যপণ্যের বৃহৎ বাজার খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সহসম্পাদক রেজাউল করিম আজাদ বলেছেন, খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের বাঁচাতে হলে এখন সরকারের কার্যকর ‘পলিসি সাপোর্ট’ প্রণয়ন করা জরুরি। জরুরি পণ্যের এলসি খোলার ক্ষেত্রে ডলারের একটি স্থিতিশীল রেট নিশ্চিত করার পাশাপাশি এলসি মার্জিন সহজ এবং বার্ষিক চাহিদার বিপরীতে পণ্য আমদানি অনুমতি (আইপি) দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

খাতুনগঞ্জ আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানিয়েছেন, একের পর এক ধাক্কার কারণে খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের অবস্থা খুবই নাজুক। ব্যবসায়ীরা এখন টিকে থাকার সংগ্রাম করছেন। তারা ‘রক্ষণশীল পদ্ধতি’ অবলম্বন করে ডিও এবং বাকিতে বিক্রি কমিয়ে দিয়েছেন। লোকসান এড়াতে অতিক্তি মজুত থেকে বের হয়ে এখন প্রয়োজনভিত্তিক পণ্য আমদানি করছেন।

চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে যে, দেশের বৃহৎ এই বাজারের আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা বর্তমানে নানামুখী সংকটের মধ্যে আছেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রথম ধাক্কাটি এসেছে। এই যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে গম, ভোজ্য তেল (সরিষা ও সূর্যমুখী), ডাল এবং মসলাজাতীয় পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারদরে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। বিকল্প বাজার থেকে পণ্য আনতে গিয়ে আমদানিকারকদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ।

সেই ধাক্কা পুরোপুরি সামলে ওঠার আগেই নতুন করে শুরু হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট। সঙ্গে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে ধারাবাহিক হামলার কারণে আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে তাদের রুট পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে পণ্য পৌঁছানোর সময় ১৫ থেকে ২৫ দিন বেড়ে গেছে। পাশাপাশি জাহাজ ভাড়া এবং ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম বেড়েছে কয়েক গুণ। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এই বাড়তি খরচের পুরো দায়ভার এসে পড়ছে খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের কাঁধে। এই পরিস্থিতিতে পণ্যের দাম বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের এই অস্থিরতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে টাকার বিপরীতে ডলারের দামের ওঠানামা। একই সঙ্গে কিছু কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ মার্জিন দিয়ে এলসি করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এর কারণে ব্যবসায়ীদের পুঁজি বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল আটকে যাচ্ছে। বাড়তি মূলধনের জোগান দিতে গিয়ে ব্যাংক ঋণের সুদের চাপ বাড়ছে। ফলে ছোট ও মাঝারি আমদানিকারকরা অনেকেই বাজার থেকে ছিটকে পড়ছেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক ও দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি।

তবে এতসব প্রতিকূলতা ও অর্থনৈতিক স্থবিরতার পরও খাতুনগঞ্জ-চাক্তাইয়ের ব্যবসায়ীরা হাল ছাড়তে প্রস্তুত নন। এখানে ব্যবসায়ীরা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য নিজস্ব কিছু কৌশল অবলম্বন করে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ঝুঁকি কমাতে তারা এখন আগের মতো বাকিতে পণ্য বিক্রি অনেকাংশেই কমিয়ে এনেছেন। লোকসান এড়াতে অতিরিক্ত মজুত করার প্রবণতা থেকে সরে এসে ‘প্রয়োজনভিত্তিক’ পণ্য আমদানি করতে ঝুঁকছেন। এছাড়া আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে অনেকেই দেশীয় উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও কনজ্যুমার গুডসে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে উদ্যোগী হচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কনসার্টে স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ ম্যাডোনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫২ এম


কনসার্টে স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ ম্যাডোনার

গেল শুক্রবার (৫ জুন) রাতে ম্যানহাটনের আপার ওয়েস্ট সাইডের ঐতিহ্যবাহী বিকন থিয়েটারে উপস্থিত হয়েছিলেন পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা এবং তার ভক্তরা। প্রেক্ষাপট ছিল তার বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘কনফেশনস টু – দ্য ফিল্ম’র প্রিমিয়ার।

স্ক্রিনিং শেষে, এই পপ কুইন এবং ছবির পরিচালক জুটি ডেভিড টোরো ও সোলোমন চেজ দর্শকদের সাথে মুখোমুখি হয়ে একটি বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন অ্যান্ডারসন কুপার, যিনি জনপ্রিয় সঞ্চালক জিমি ফ্যালনের পরিবর্তে শেষ মুহূর্তে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ম্যাডোনা এবং তিনি চারজনের আড্ডা জমে ওঠার পর চলচ্চিত্র, শুটিং সেটের সৃজনশীল অভিজ্ঞতা, ম্যাডোনার তারকাখ্যাতি এবং সময়ের সঙ্গে তার বিবর্তনের গল্প নিয়ে আলোচনা হয়।

কথার একটি পর্যায়ে, কুপার দর্শকদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের দিক দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং জানান, মিলনায়তনে প্রবেশ করা প্রতিটি মানুষের ফোন একটি বিশেষ ‘ইয়ন্ডার পাউচ’-এ লক করে রাখা হয়েছিল। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগে ফোন খোলার কোনো উপায় ছিল না।

এ প্রসঙ্গে ম্যাডোনা মন্তব্য করেন, বর্তমান যুগে মানুষের মধ্যে সবকিছু ফ্রেমবন্দি বা রেকর্ড করার এক নতুন এবং ‘অদম্য ক্ষুধা’ তৈরি হয়েছে। এর ফলে আমাদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই পৃথিবীতে এসেছি কাজ করতে, শুধু দর্শক হয়ে অন্যের জীবন দেখতে নয়।’

ম্যাডোনা কোচেলা মিউজিক ফেস্টিভ্যালের উদাহরণও দেন, যেখানে তিনি তরুণ পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টারের সঙ্গে পারফর্ম করেছিলেন। অভিজ্ঞতাটি দারুণ হলেও তাঁর কাছে বিষয়টি অদ্ভুত ও ভীতিকর ছিল।

ম্যাডোনা জানান, মঞ্চ থেকে যখনই তিনি সামনে তাকান, মানুষের মুখের চেয়ে হাজার হাজার মোবাইলের স্ক্রিনই বেশি চোখে পড়ে। তাঁর মতে, যেকোনো ধরনের নাচ বা পারফরমেন্স আসলে মানুষের সঙ্গে মহাবিশ্বের এবং একে অপরের মধ্যে এক ‘গভীর আদিম মেলবন্ধন’ তৈরি করে। তবে বর্তমান মোবাইল সংস্কৃতির কারণে মানুষ মুহূর্তের গভীরে ডুবে না গিয়ে তা ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত থাকে, যা এই পরম সত্যটিকে নষ্ট করে দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তে দর্শকদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী বার্তা জানতে চাইলে, ম্যাডোনা বিনয়ের সঙ্গে বলেন, ‘আপনাদের ওই বিরক্তিকর ফোনগুলো এবার পকেটে রাখুন এবং একে অপরের সঙ্গে মন থেকে সংযুক্ত হোন।’

আগামী ৮ জুন ইউটিউবে অফিশিয়ালি প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে ‘কনফেশনস টু – দ্য ফিল্ম’। এরপর ৩ জুলাই ওয়ার্নার রেকর্ডসের ব্যানারে মুক্তি পাবে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত স্টুডিও অ্যালবাম ‘কনফেশনস টু’। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে, এই গায়িকা আগামী মাসগুলোতে বেশ কিছু চমকপ্রদ সারপ্রাইজ পারফরমেন্সের আভাস দিলেও, নতুন কোনো কনসার্ট ট্যুর নিয়ে এখনো কিছু জানাননি। আপাতত, তার পরবর্তী মেগা পারফরমেন্স আগামী ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে, ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের জমকালো আয়োজনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবানন হামলায় রেডলাইন ক্রস ! ইসরাইলকে কি মানচিত্র থেকে মুছে দেবে ইরান?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ এম


লেবানন হামলায় রেডলাইন ক্রস ! ইসরাইলকে কি মানচিত্র থেকে মুছে দেবে ইরান?

কূটনীতিকরা টেবিলে বসেছিলেন। বিশ্বকে বলা হচ্ছিল উত্তেজনা কমছে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতা আবারও প্রমাণ করল, এই অঞ্চলে কূটনীতির টেবিল আর যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে দূরত্ব কখনো কখনো মাত্র কয়েক মিনিটের। আজ কি মধ্যপ্রাচ্যে আবারো দাবানলের মতো জেগে উঠছে যুদ্ধের আগুন?

যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলছিল। কিন্তু এই আলোচনাকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে লেবাননে ক্রমাগত হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ধ্বংসের পাশাপাশি লেবানিজ নাগরিকদেরকে ফিলিস্তিনের গাজার মত হত্যার মাধ্যমে ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে যেন আগুনে ঘি ঢালছিল। এমন সময় দুদিন আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরাইলকে সতর্ক করে বলেছিলেন, ইসরাইল যাতে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা না করে, এবং যদি হামলা করে সেটি হবে ইরানের রেড লাইন অতিক্রম করার সমান। আজ ইসরাইল সেটি অতিক্রম করেছে অর্থাৎ ইরানের দেওয়া রেডলাইন অতিক্রম করে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা চালিয়েছে।

এরপরপর-ই ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে হয়তো সম্ভাব্য ইজরাইলকে পাল্টা জবাব দেয়ার জন্য। কারণ তার লক্ষণ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ইরানের আকাশ সীমা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সেই সাথে সম্ভাব্য কাতার তার আকাশ সীমায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো স্থগিত কিংবা রুট পরিবর্তন করার কথা জানা গেছে, অন্যদিকে ইরানি স্থানীয় তথ্য মতে ইরানের আকাশে ইরানি যুদ্ধ বিমান গুলোর গর্জন শোনা যাচ্ছে, এ থেকে যতটা অনুমান হচ্ছে তাতে ইরান তার দেয়া রেড লাইন অতিক্রম করায় ইসরাইলকে এবার চরম শিক্ষা দিতে ভয়াবহ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সেটা হয়তো শুরুও হয়ে যেতে পারে যখন তখন এই লেখা পর্যন্ত শুরুর খবর পাওয়া যায়নি তবে যেকোনো সময় শুরু হতে পারে। আর এবার এই হামলায় কি তবে ইসরাইলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে দিবে ইরান? কারণ বৈরুতে হামলার পর ইরানি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের একজনের বক্তব্য অত্যন্ত আক্রমণাত্মক এবং সবচেয়ে ভয়াবহ বলে মনে হয়েছে। তার কথায় তিনি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কে পরোক্ষ ইঙ্গিত করে পাগল কুকুরের গলায় রশি বাধার এখনই সময় বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।


লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলা শুধু একটি সামরিক অভিযান নয়; এটি এমন একটি পদক্ষেপ, যা অনেকের মতে সরাসরি ইরানের ঘোষিত রেড লাইনের প্রতি চ্যালেঞ্জ। প্রশ্ন হচ্ছে, যদি কোনো রাষ্ট্র বছরের পর বছর একটি সীমারেখা টেনে দেয়, আর প্রতিপক্ষ বারবার সেই সীমারেখা অতিক্রম করে, তাহলে সেই সীমারেখার অস্তিত্ব কোথায়? সে ক্ষেত্রে কি ইরান এবার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে ইসরাইলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে দেবে? এটি হয়তো ইরানের জন্য একটি মোক্ষম সময় এমনটা মনে না করার কোন কারণ নেই। কারণ ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা জীবিত থাকাকালীন ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সারের সাথে তুলনা করে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার মৃত্যুর পর তার যোগ্য উত্তরসূরী আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিও সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধের মধ্যে আবারো তেমন উক্তি পুনরায় করেছেন।

বৈরুতে হামলার পর যে ঘটনাগুলো দ্রুত ঘটতে শুরু করেছে, সেগুলোকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট রুট পরিবর্তন করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে অস্বাভাবিক সতর্কতা জারি হয়েছে, আঞ্চলিক বিমান চলাচল নতুন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে এবং একাধিক রাষ্ট্র নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও জানিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে অনেক পর্যবেক্ষকের মনে প্রশ্ন জাগছে—তবে কি তেহরান এমন কোনো প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা অতীতের সীমিত জবাবের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত হবে?

কারণ বিষয়টি এখন আর শুধু একটি বিমান হামলার নয়। বিষয়টি ইরানের কৌশলগত বিশ্বাসযোগ্যতার। যদি রেড লাইন অতিক্রমের পরও কোনো কার্যকর প্রতিক্রিয়া না আসে, তাহলে ভবিষ্যতে সেই রেড লাইনের রাজনৈতিক মূল্য কতটুকু থাকবে?
ইতোমধ্যে ইরানের বিভিন্ন পর্যায় থেকে কঠোর ভাষার বক্তব্য আসছে। বৈরুতে হামলার জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এবং আরও ধারাবাহিক আঘাতের ইঙ্গিত দিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সেই প্রতিক্রিয়া কি শুধুই প্রতীকী থাকবে, নাকি তা রূপ নেবে কথিত "অপারেশন ট্রু প্রমিস-৫" ধরনের বৃহত্তর সামরিক অভিযানে?
যদি তেহরান মনে করে যে বৈরুতে হামলার মাধ্যমে শুধু লেবানন নয়, বরং পুরো প্রতিরোধ অক্ষকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, তাহলে তাদের জবাবও হয়তো শুধু একটি লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, সাইবার সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সমন্বয়ে এমন এক বহুমাত্রিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার প্রভাব তেলআবিব থেকে শুরু করে সমগ্র অঞ্চলে অনুভূত হবে।

তবে আরেকটি বাস্তবতা রয়েছে। ইসরাইলও জানে, প্রতিটি সামরিক সাফল্যের একটি রাজনৈতিক মূল্য আছে। বৈরুতে হামলা যদি সত্যিই ইরানের কাছে অমার্জনীয় সীমালঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে স্বল্পমেয়াদি সামরিক অর্জন দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।

আজ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে শুধু যুদ্ধবিমান উড়ছে না; উড়ছে অনিশ্চয়তা, শঙ্কা এবং সম্ভাব্য বৃহত্তর সংঘাতের ছায়া। বিমান রুট পরিবর্তন, আকাশসীমা সংকট, আন্তর্জাতিক উদ্বেগ—সবকিছু যেন একটি বড় ঝড়ের আগমনী বার্তা বহন করছে।
সুতরাং মূল প্রশ্নটি আর "ইরান প্রতিক্রিয়া জানাবে কি না" নয়। মূল প্রশ্ন হলো—ইরান কত বড় প্রতিক্রিয়া জানাবে?

বৈরুতের ধোঁয়া হয়তো একসময় মিলিয়ে যাবে। কিন্তু সেই ধোঁয়ার আড়ালে যে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হচ্ছে, সেগুলোই নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্যের পরবর্তী অধ্যায় কূটনীতির ভাষায় লেখা হবে, নাকি ক্ষেপণাস্ত্রের আগুনে।

আর যদি সত্যিই তেহরান সিদ্ধান্তে পৌঁছে থাকে যে, ইসরাইল কে দেয়া রেড লাইন আর পিছু হটার জন্য নয়, বরং কার্যকর করার জন্য, তাহলে বৈরুতের হামলাকে ভবিষ্যতে ইতিহাস হয়তো একটি নতুন আঞ্চলিক সংঘাতের সূচনা বিন্দু হিসেবেই স্মরণ করবে।

ইরানি জনগণ যে মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিরোধের প্রতীক তা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে। ইরানের উপর মার্কিন ইজরায়েলের অবৈধ হামলার পর ইরানি জনগণের শতকরা ৮০ শতাংশ নাগরিক পশ্চিমা শক্তি কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোন আলোচনার টেবিলে না গিয়ে ইরানকে যুদ্ধের মাধ্যমে এর সমাপ্তির জন্য সমর্থন জানিয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যখন ইরান আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ বিরতির মাঝেই একটি শান্তি চুক্তির আলোচনা চলছিল সেই সময়ও যে ইসরাইল সেই শান্তি চুক্তিকে তোয়াক্কা না করে ক্রমাগত লেবাননে ফিলিস্তিনের মতো ক্রমাগত হামলা চালিয়ে ধ্বংসলীলা চালিয়ে যাচ্ছিল এবং সর্বশেষ ইরানের রেডলাইন অতিক্রম করেছে, এর ফলে ইরান কর্তৃক ঘোষিত পাল্টা হামলায় কি তবে মানচিত্র থেকে মুছে যাবে ইসরাইল? ইরান কি তেমন হামলা শুরু করবে? মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে কি আবার গর্জন করবে যুদ্ধের দামামা! বাস্তবতা সময়েই বলে দেবে।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%