ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পুলিশ-বিজিবির অভিযানে ১৯ ককটেল উদ্ধার


চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পুলিশ-বিজিবির অভিযানে ১৯ ককটেল উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ১৯টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (৪ অক্টোবর) সকালে দুর্লভপুর ইউনিয়নের খাকসাপাড়া গ্রাম থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সকাল সোয়া ৯টার দিকে রঘুনাথপুর বিওপির একটি টহলদল সীমান্তের প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে খাকসাপাড়া গ্রামের মো. মনিরুলের ছেলে মো. কালামের (৩০) বাড়ির সামনে যায়। সেখানে একটি খড়ের গাদার নিচে কালো বালতির ভেতর ককটেলগুলো দেখতে পায় তারা।

পরে বিজিবি সদস্যরা স্থানটি ঘিরে রেখে শিবগঞ্জ থানার পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে ককটেলগুলো উদ্ধার করে। দুপুর আড়াইটার দিকে সেগুলো পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক রয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে সম্প্রতি একাধিকবার ককটেল বিস্ফোরণ ও উদ্ধারের ঘটনা বিজিবির নজরে রয়েছে। এসব প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, রঘুনাথপুর বিওপির অদূরে মনিরুলের বাড়ির পাশ থেকে ককটেলগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে সেগুলো সেখানে রেখেছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়াতে বিজিএমইএর তাগিদ, ব্যবসায়ী দল পাঠানোর আশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়াতে বিজিএমইএর তাগিদ, ব্যবসায়ী দল পাঠানোর আশ্বাস

পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য আনার লক্ষ্যে, কেমিক্যালস ও ডাইসের আমদানি বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের জুট ইয়ার্ন ও ওষুধ কেনার জন্য আহ্বান জানিয়েছে তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা পাকিস্তান সফর করলে সেখানকার আমদানিকারক ও বায়ারদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার।

রবিবার (৪ অক্টোবর) উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। বৈঠকে বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ সোহেল এবং মহাসচিব মেজর জেনারেল (অব.) ড. মো. সাহেদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ সূত্র জানায়, বর্তমানে তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামালসহ বিপুল পরিমাণ পণ্য পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা হয়। কিন্তু সেখানে রপ্তানি তুলনামূলকভাবে অনেক কম। বৈঠকে এই ঘাটতি কমানোর জন্য তাগিদ দেওয়া হয়।

পাকিস্তানের বাণিজ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটি বাংলাদেশে ৭১৫ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। এর বিপরীতে, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে আমদানি ছিল ৬৭ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার, যা প্রায় ১০ গুণ কম। আগের অর্থবছরের তুলনায় পাকিস্তানের রপ্তানি ৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং বাংলাদেশের রপ্তানি ১৪ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

বিজিএমইএর সভাপতি পাকিস্তান থেকে কেমিক্যালস ও ডাইসের আমদানি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি একই সঙ্গে বাংলাদেশের জুট ইয়ার্ন ও আন্তর্জাতিক মানের জীবন রক্ষাকারী ওষুধের বড় পরিসরে আমদানির অনুরোধ জানান। হাইকমিশনার এসব প্রস্তাবে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের রপ্তানিকারকরা পাকিস্তান সফর করলে সেখানকার শীর্ষ আমদানিকারক, ব্র্যান্ড, বায়ার ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট বিটুবি বৈঠক ও ম্যাচ-মেকিং সেশনের আয়োজন করা হবে।

বৈঠকে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য নিয়েও আলোচনা হয়। বর্তমানে দক্ষিণ এশীয় মুক্তবাণিজ্য চুক্তির (সাফটা) আওতায় বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। উত্তরণের পর এই সুবিধায় পরিবর্তন আসবে। বাণিজ্য প্রবাহ সুরক্ষিত রাখতে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক মুক্তবাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।

লজিস্টিকস প্রসঙ্গে বিজিএমইএর সভাপতি জানান, সরাসরি সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে সময় বেশি লাগছে। এটি কমানো জরুরি। দুই দেশের সহযোগিতায় এ বাধা দূর করা সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতেও সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে। হাইকমিশনার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) এবং পাকিস্তানের শীর্ষ ফ্যাশন ও টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের মধ্যে শিক্ষার্থী বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান আদান-প্রদানের প্রস্তাব দেন। টেক্সটাইল প্রযুক্তিতে যৌথ উদ্যোগের ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করে যে, আলোচনা দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিকে আরো শক্তিশালী করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান এমপি এস এ জিন্নাহর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান এমপি এস এ জিন্নাহর

মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীরা যদি বিপথগামী হয়, তাহলে পরিবার ও রাষ্ট্র উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার নয়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জিন্নাহ কবির শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে হয়েছে। তাদের সঙ্গে নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত। শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহের প্রশংসাও করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র পাঠ্যবইয়ের শিক্ষায় শিক্ষিত হলেই হবে না, বরং নৈতিক শিক্ষায়ও শিক্ষিত হতে হবে। শিক্ষার্থীদের মাদক ও খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে থাকার জন্য সচেতন থাকতে হবে। বন্ধুবান্ধবের আড্ডায় গিয়ে কেউ যেন বিপথগামী না হয়, সেই বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জিন্নাহ কবির সমাজ থেকে অপরাধ দূর করতে শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও সমাজবিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। তরুণরা যদি জেগে ওঠে, তাহলে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা সম্ভব।

এ সময় তিনি শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী সফিউদ্দীন, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দিপু, যুগ্ম সম্পাদক আসিফ ইকবাল রনি, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রহমত আলী লাভলু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. শহিদুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব খান অয়ন, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও শিবালয় উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাদের এবং প্রধান শিক্ষক মো. ইসমাইল হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুটিংয়ের সময় পানি নয়, বরফ চিবিয়ে তৃষ্ণা মেটাতেন বিজয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


শুটিংয়ের সময় পানি নয়, বরফ চিবিয়ে তৃষ্ণা মেটাতেন বিজয়

একটি চরিত্রকে পর্দায় বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে অভিনেতাদের অনেক সময় কঠিন শারীরিক প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কখনো খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হয়, কখনো ওজন কমানো বা বাড়ানো প্রয়োজন হয়। দক্ষিণী অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা এমনই একটি কঠিন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

২০২২ সালের ‘লিগার’ সিনেমায় এমএমএ যোদ্ধার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিজয় কঠোর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। নিজেকে পেশিবহুল ও ছিপছিপে করে তুলতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তিনি পানি পানও কমিয়ে দিয়েছিলেন।

বিজয় সাধারণত দিনে প্রায় চার থেকে ছয় লিটার পানি পান করেন। কিন্তু ‘লিগার’-এর চরিত্রের জন্য শুটিংয়ের আগে ধাপে ধাপে সেই পরিমাণ কমাতে হয়েছিল তাকে। একপর্যায়ে দিনে মাত্র ১০০ মিলিলিটার পানি পান করতেন। এমনকি শুটিংয়ের আগে টানা প্রায় ১০ ঘণ্টা পানি না খেয়েও থাকতে হতো।

তীব্র তৃষ্ণার সময় বিজয় কী করতেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পানি পান করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত মুখে বরফের টুকরো রেখে তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা করতেন। তবে বিজয় স্বীকার করেছেন যে, এই প্রক্রিয়া মোটেই সহজ ছিল না এবং স্বাস্থ্যকরও নয়।

শরীরে পানির পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে শুটিংয়ের সময় পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে উঠত। তিনি চার ঘণ্টার শুটিং শেষ হওয়ার অপেক্ষায় থাকতেন। কখন শুটিং শেষ হবে এবং কখন পানি পান করতে পারবেন—এটাই ছিল তার প্রধান চিন্তা।

এ কারণে শুটিং শেষ হওয়ার আগেই বিজয় নিজের দলের সদস্যদের ডাবের পানি প্রস্তুত রাখতে বলতেন। শুটিং শেষ হওয়ার পর তিনি একসঙ্গে প্রায় চার লিটার ডাবের পানি পান করতেন।

অভিনেতা আরো জানান, শুটিংয়ের আড়াই ঘণ্টা পার হলেই কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য তিনি দলকে তাগাদা দিতে শুরু করতেন। কারণ তখন তার একমাত্র অপেক্ষা ছিল শুটিং শেষ করে পানি পান করা।

‘লিগার’-এ এমএমএ যোদ্ধার চরিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি এই সিনেমার মাধ্যমে বিজয় দেবেরাকোন্ডার হিন্দি চলচ্চিত্রেও অভিষেক ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন বেতন কাঠামোর ‘পে ফিক্সেশন’ কাল শুরু, ভুল তথ্যে বিপদের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


নতুন বেতন কাঠামোর ‘পে ফিক্সেশন’ কাল শুরু, ভুল তথ্যে বিপদের আশঙ্কা

নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় সরকারি চাকরিজীবীরা অক্টোবর মাসের বেতনসহ প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার অর্থ পাবেন। তবে প্রত্যেকের বকেয়ার পরিমাণ একরকম হবে না। এটি নির্ভর করবে গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন কাঠামোতে নির্ধারিত মূল বেতন এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখের ওপর।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ বা ‘পে ফিক্সেশন’ কার্যক্রম আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে। অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

নতুন বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউলের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। চাকরিজীবীদের পোর্টালে প্রবেশ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্ম তারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করতে হবে। একই সঙ্গে আগের বেতন নির্ধারণের তথ্যও যাচাই করতে হবে।

যদি চাকরিজীবীরা পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট তথ্যও প্রদান করতে হবে। এসব তথ্যের সমর্থনে অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করেছেন যে, যদি এসব তথ্য সঠিক না থাকে, তাহলে নতুন বেতন ও বকেয়া পাওনার হিসাব সঠিকভাবে করা সম্ভব হবে না। ভুল তথ্যে হিসাবের গরমিল হতে পারে, যা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

নতুন কাঠামোর আওতায় কার মূল বেতন কত হবে, তা বেতন নির্ধারণের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। সরকারি চাকরিজীবীদের কাছে এ প্রক্রিয়া পে ফিক্সেশন হিসেবে পরিচিত। নতুন ও আগের বেতনের পার্থক্য এবং কার্যকর তারিখের ভিত্তিতে বকেয়া হিসাব করতে হবে।

বর্তমান বিএনপি সরকার গত ১৯ সেপ্টেম্বর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে মূল বেতন ছিল, তার ভিত্তিতে নতুন কাঠামোতে বেতন নির্ধারণ করা হবে। নতুন ও পুরনো মূল বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদান করা হবে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পার্থক্যের ৭০ শতাংশ এবং এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে।

ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। চলতি অর্থবছরে দুই দফায় মূল বেতনের ৭০ শতাংশ দেওয়ার জন্য ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে অর্থ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।

বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অর্থ বিভাগের ‘সেবা দেওয়া সক্ষম করতে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচি’র (এসপিএফএমএস) আওতায় আইবাস প্লাস প্লাস এই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। প্রধান হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (সিএএফও), বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক (ডিসিএ), জেলা হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (ডিএএফও) এবং উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা (ইউএও) কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে অংশ নিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%