শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৪ পি.এম
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয়লেন উন্নীতকরণ কাজ সম্পন্ন হবে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছয়লেন প্রকল্পটি অনেক আগে শুরু হয়েছিল, তবে সাড়ে ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। গত ৬ মাসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ভূমি অধিগ্রহণ প্রায় ৫৬ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে। ভৌত কাজের অগ্রগতি বর্তমানে প্রায় ২৭ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের যেসব জায়গায় বিচ্যুতি রয়েছে, সেগুলো অতিক্রম করে সড়কটি বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। সড়কের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে ৫টি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। অন্যদিকে, বাকি ৮টি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। মন্ত্রী জানান, তারা ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে দরপত্র অনুযায়ী মহাসড়কটি নির্মাণ কাজ শেষ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে চান।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক হলেও কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে, কারণ ৪ বছর ধরে কাজের তেমন অগ্রগতি ছিল না। বিগত সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার এই প্রকল্পের প্রতি খুব বেশি মনোযোগী ছিল না। ভূমি অধিগ্রহণ একটি বড় সমস্যা ছিল, তবে তারা এখন সেই সমস্যা থেকে উত্তরণ ঘটাতে সক্ষম হচ্ছেন। ভৌত কাজের সন্তোষজনক না হওয়া নিয়ে তারা আরও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করছেন। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘সম্ভাবনাময় স্থানীয় উদ্যোক্তা ও পণ্যকে কাজে লাগিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ ধারণাটি বাস্তবায়নে ব্যাংক, উদ্যোক্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’
শনিবার রংপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বেসরকারি খাতের উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরেন।
রংপুর অঞ্চলের অংশীজনদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর কার্যালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো বেসরকারি খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক মো. সালাহ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাংকার, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, কৃষক প্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান, অন্যান্য অংশীজন এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারীরা বেসরকারি খাতের উন্নয়ন, উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন, স্থানীয় উৎপাদন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়নের বিষয়ে তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।
সভায় ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ ধারণার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এতে সম্ভাবনাময় স্থানীয় পণ্য ও উদ্যোক্তা চিহ্নিতকরণ, উৎপাদন বৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার বিষয়গুলোর ওপর আলোকপাত করা হয়।
এছাড়া, ব্যাপকভাবে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর মতো উচ্চ সম্ভাবনাময় স্থানীয় পণ্যগুলোর ব্র্যান্ডিং ও বিপণন এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
বিবি গভর্নর বেসরকারি খাতের উন্নয়নের জন্য ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ ধারণাটি বাস্তবায়নে সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি গ্রাহক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের জন্য ১৬২৩৬ হটলাইন নম্বরটি ব্যবহারের পরামর্শও দেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা যাতে প্রকৃত ও যোগ্য উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে, তিনি উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, অর্থায়নের সুযোগ সহজতর করা এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় রংপুর অঞ্চলে হিমাগার স্থাপন, নবায়নযোগ্য শক্তির উন্নয়ন, রপ্তানিমুখী কৃষি ও শিল্পপণ্যের প্রসার এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার একটি ফিলিং স্টেশনের গ্যাস প্ল্যান্টে বিকট বিস্ফোরণের ফলে অটোরিকশাচালকসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। এই ঘটনার সময় গ্যাস নিতে আসা কয়েকটি অটোরিকশা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের শব্দের কারণে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার দুপুর সোয়া একটার দিকে বগুড়ার শহরতলীর তিনমাথা এলাকায় অতিথি ফিলিং স্টেশনে এই ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণের ফলে ফিলিং স্টেশনের গ্যাস প্ল্যান্টের ছাউনি সম্পূর্ণরূপে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। নিরাপত্তাদেয়াল, ট্যাংকসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনের কারণে কয়েকটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেলা সোয়া একটার দিকে গ্যাস প্ল্যান্টের ভেতরে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। তখন সেখানে কয়েকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা গ্যাস নিচ্ছিল। বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়লে চালকসহ পাঁচজন আহত হন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে অটোরিকশা চালকসহ তিনজনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বগুড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম জানান, গ্যাস রিফিলের স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।
বিস্ফোরণের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অতিথি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক সানোয়ার হোসেন বলেন, কীভাবে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, তা তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) জাতীয় ক্রীড়া আইন মেনে চলতে রাজি নয়। সুপ্রিম কোর্ট জানতে চেয়েছে কেন বিসিসিআই অন্যান্য জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলির মতো কেন্দ্রীয় সরকারের আইন মানবে না। বোর্ড তাদের অবস্থানের পক্ষে পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করেছে। কিছু বিষয় নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে।
বিসিসিআই কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল নয়, যা অন্যান্য জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বরং, তারা সরকারকে কর বাবদ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ প্রদান করে। বিসিসিআই একটি স্বশাসিত সংস্থা হিসেবেও পরিচিত। তবে, জাতীয় ক্রীড়া আইনের আওতায় থাকতে তাদের আপত্তি নেই।
শুক্রবার বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভার পর সচিব দেবজিৎ শইকীয়া বলেছেন, "আমরা নিয়মিত কর দেই। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা কর দেয় বিসিসিআই। বার্ষিক সাধারণ সভায় আমরা এই তথ্য জানিয়েছি। এই তথ্য প্রকাশ করার পর উপস্থিত প্রতিনিধিরা হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন।"
বোর্ড সচিব আরও জানিয়েছেন, "ক্রীড়া আইন সম্পর্কে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনেক কাজ করতে হবে। সেই কাজগুলো হওয়ার পর বিসিসিআই আইনের আওতায় এলে, সেটা স্বীকৃতি দিতে হবে। তার জন্য আবার একটা বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। তার আগে পর্যন্ত আমাদের কিছু করার নেই। সেই বিজ্ঞপ্তি পেলেই আমরা কাজ শুরু করে দেব। আমরাও নতুন ক্রীড়া আইন অনুযায়ী কাজ করব। সুপ্রিম কোর্টে যে আলোচনা হয়েছিল, তেমন কিছুই এখনও পর্যন্ত হয়নি। আগামী ২৭ অক্টেবর পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেদিন আমরা আদালতকে বিষয়টি স্পষ্ট করে দেব।"
শইকীয়া উল্লেখ করেছেন, বিসিসিআই যেহেতু কেন্দ্রের আর্থিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল নয় এবং বোর্ডের কাছ থেকেই সরকার আয় করে, তাই বর্তমান আইন মেনে চলা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা সংশোধন হলে বোর্ডের আইন মানতে সমস্যা নেই। অন্য খেলার জাতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে বিসিসিআই নিজেকে এক পঙ্ক্তিতে বসাতে রাজি নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, সরকার অবশেষে নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা বাতিল হয়ে গেছে।
নতুন বেতনস্কেল কার্যকর হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি বছরের ১ জুলাই। এই তারিখ থেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে। এই সময় পর্যন্ত প্রাপ্ত বিশেষ সুবিধা নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী প্রাপ্য বকেয়া অর্থের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬ কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে বিশেষ সুবিধা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ১ জুলাই থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত আহরিত বিশেষ সুবিধা আদেশের সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রাপ্য বকেয়ার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।
তবে, ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে অবসরোত্তর ছুটিতে থাকা কর্মচারীরা অবসরোত্তর ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে হারে বিশেষ সুবিধা পেতেন, সেই হারে সুবিধা পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৫টি। এসব বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭০৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ শিক্ষক ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন এবং নারী শিক্ষক ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭০ জন।
এদিকে, নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত আরও ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষকের আগামী ১ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ