বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৪ পি.এম
নড়াইলের লোহাগড়ায় আফসার শেখ (৭০) নামে এক বৃদ্ধ বাবাকে মাদকাসক্ত ছেলের এলোপাতাড়ি বটির কোপে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর ছেলে পালিয়ে গেলেও পুলিশ আফসার শেখের স্ত্রী ও পুত্রবধূকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের বয়রা গ্রামে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত আফসার শেখ ওই গ্রামের মৃত হোসেন শেখের পুত্র। অভিযুক্ত ছেলের নাম খায়রুল শেখ (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খায়রুল প্রায়ই নেশার টাকার জন্য বাবা-মায়ের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ত। টাকা না পেলে মাঝেমধ্যে সে বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করত এবং চুরি করত। খায়রুলের মাদকাসক্তি ও চুরি করার অভ্যাসের কারণে সম্প্রতি তার স্ত্রীর সঙ্গে সামাজিক সালিশের মাধ্যমে বিচ্ছেদ ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে খায়রুল তার স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসে।
দুপুরে আফসার শেখের সঙ্গে খায়রুলের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে খায়রুল ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো বটি দিয়ে বাবার হাত, বুক, পেট ও মাথায় এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই আফসার শেখের মৃত্যু ঘটে। ঘটনার সময় খায়রুলের মা ও স্ত্রী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পরপরই খায়রুল পালিয়ে যায়।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘খায়রুল নেশাগ্রস্ত ছিল। সে বাবাকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খায়রুলের মা ও স্ত্রীকে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। অভিযুক্ত খায়রুলকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরে স্টোর রুমে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে, মিষ্টির ওপর তেলাপোকা বিচরণ এবং মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার জন্য বনফুলকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বনফুলের যশোর চৌরাস্তা শাখার স্টোরে অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা আদায় করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোরের উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোরের উপ-উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আজ সকালে শহরের চৌরাস্তায় বনফুল মিষ্টির দোকানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় দেখা যায় ডিসপ্লেতে রাখা বিদেশি চকলেট এবং মিষ্টির ক্ষেত্রে কোনো মূল্য তালিকা প্রদর্শন করা হয়নি।
এছাড়া, দোকানের স্টোররুমে খোলা মিষ্টির ওপর শত শত তেলাপোকা ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
এ কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান পরিচালনার সময় স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মহিবুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সদরপুরে একটি আবাসিক হেফজ মাদরাসার ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে কক্ষে আটকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে সদরপুর উপজেলার চাররশি এলাকার আজিবুন্নেছা আন্তর্জাতিক হিজবুল কুরআন মাদরাসায় এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহত শিশুটি আব্দুল্লাহ (১০) সদরপুর উপজেলার দক্ষিণ আটরশি গ্রামের জাহিদুল ইসলাম ও লিজা আক্তার দম্পতির ছেলে। তিনি ওই মাদরাসার আবাসিক হেফজ বিভাগের ছাত্র।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, মাদ্রাসার মুহতামিম আব্দুল করিমের ভাই মুরসালিন এবং তিন শিক্ষার্থী রাজিব, রায়হান ও সুজন মিলে আব্দুল্লাহকে মারধর করে। মুরসালিন নগরকান্দা উপজেলার ভুলাদিয়া গ্রামের মিরান শেখের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে মুরসালিনকে নাম ধরে ডাকায় অভিযুক্তরা আব্দুল্লাহর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তাকে মাদরাসার একটি কক্ষে আটকে হাত-পা, বুক, পিঠ, নাক ও মুখে মারধর করা হয়। এই মারধরের ফলে শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়। মারধরের পর তাকে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ভয়ের কারণে শিশুটি তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে কিছু বলতে পারেনি।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, আহত অবস্থায় আব্দুল্লাহকে দেখেও মাদ্রাসার মুহতামিম আব্দুল করিম যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেননি। তিনি শিশুটিকে একটি নাপা ওষুধ খাইয়ে জানাজার নামাজে অংশ নিতে চলে যান। পরে জানাজা শেষে মাদ্রাসায় ফিরে শিশুটির জ্বর দেখে তার বাবা-মাকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে শিশুটির মা লিজা আক্তার ও চাচা দ্রুত মাদরাসায় যান। পরে তারা বিষয়টি সদরপুর থানায় জানান। সদরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
শিশুটির মা লিজা আক্তার বলেন, ‘আমার ছেলেকে কক্ষে আটকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা মামলা না করতে এবং বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে হুমকি দিচ্ছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন নতুন বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীদের জন্য। এখন থেকে সব ধরনের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরম্যাটে 'Visa Undertaking Form' বা ভিসা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হাইকমিশনের ভিসা সংক্রান্ত পোর্টালে এক জরুরি অ্যাডভাইজরিতে এই তথ্য জানানো হয়।
অ্যাডভাইজরিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সব ভিসা আবেদনকারীর জন্য নির্ধারিত ফরম্যাটে ভিসা আন্ডারটেকিং ফর্ম জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের যা করতে হবে তা হলো, হাইকমিশনের দেওয়া লিংক থেকে নির্ধারিত ফরম্যাটে 'Visa Undertaking Form' ডাউনলোড করতে হবে। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। NIC Visa Application Portal-এ অনলাইন ভিসা আবেদনের সঙ্গে ওই পূরণকৃত ফর্মটি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
কর্তৃপক্ষ আরো জানিয়েছে, আবেদনকারীদের শুধুমাত্র নির্ধারিত ফরম্যাটের ফর্মটিই ব্যবহার করতে হবে। অন্য কোনো ফরম্যাটে ফর্ম জমা দিলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরো স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতেই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের নির্ধারিত লিংক থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ফর্মে কী কী তথ্য লাগবে
প্রকাশিত এক পাতার ‘Visa Undertaking Form’ অনুযায়ী আবেদনকারীকে প্রথমে নিজের নাম লিখে অঙ্গীকার করতে হবে যে, তিনি যে উদ্দেশ্যে ভিসার আবেদন করেছেন শুধুমাত্র সেই উদ্দেশ্যেই ভারত সফর করবেন। একইসঙ্গে ঘোষণা দিতে হবে, আবেদনের তারিখে তিনি ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের অধিক্ষেত্রে বসবাস করছেন এবং তার দেওয়া সব তথ্য সঠিক। এরপর ১ নম্বর অংশে Personal Details- এর ঘরে ৫টি তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয়তা, জন্ম তারিখ এবং ঢাকার বর্তমান ঠিকানা।
২ নম্বর অংশে ভারত যাওয়ার উদ্দেশ্য (Purpose of Visit) স্পষ্ট করে লিখতে হবে, যেমন—ট্যুরিজম, বিজনেস, মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট, কনফারেন্স ইত্যাদি।
৩ থেকে ৫ নম্বর অংশে মূলত ৩টি অঙ্গীকারনামা রয়েছে। আবেদনকারীকে অঙ্গীকার করতে হবে যে, সফর শেষ হওয়া মাত্রই তিনি নিজ দেশে ফিরে আসবেন এবং কোনো অবস্থাতেই ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে ভারতে অবস্থান করবেন না। ভারতে অবস্থানকালে ভারতের সব আইন, বিধি-বিধান ও সংস্কৃতি মেনে চলবেন এবং আইনবিরোধী কোনো কাজে জড়াবেন না। কোনো আইন লঙ্ঘন করলে ভিসা বাতিল এবং ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও ফর্মে উল্লেখ রয়েছে।
সবশেষে আবেদনকারীকে স্বাক্ষর এবং স্থান ও তারিখ দিয়ে ফর্মটি সম্পন্ন করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বাবা-মা উভয়কেই স্বাক্ষর করতে হবে বলে ফর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, দেশের বিদ্যমান বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব, যা ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া ও সরকারের সম্মিলিত সমন্বয়ের মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার, রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) যৌথ উদ্যোগে ‘শিল্প ও একাডেমিয়ার সংযোগ: ব্যবসায়িক উদ্ভাবনের দিকে এআই-এর রূপান্তর’ শীর্ষক সেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।
মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব এবং একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির যৌথ সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে বিভিন্ন সমস্যায় বিদেশ নির্ভরতা থাকলেও দেশের উজ্জ্বল মেধাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিটি সমস্যার স্থানীয় সমাধান বের করা সম্পূর্ণরূপে সম্ভব। তিনি জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক উদ্ভাবনী ভাবনার পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের সম্ভাবনাময় উদ্যোগেও প্রাথমিক মূলধনের জোগান দিতে সরকার স্টার্টআপ ফান্ড ও অনুদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
উপদেষ্টা যানজট নিরসন, কৃষি ও শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধিতে জেলা পর্যায়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসার যোগসূত্র তৈরির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংয়ের যুগে প্রযুক্তিকে মানবকল্যাণে প্রয়োগ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও জানান, এসএসসি ও এইচএসসিতে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি ও ভাষা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকল্প ক্যারিয়ার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মেধা পাচার (ব্রেন ড্রেইন) প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, সরকার ‘ব্রেন ড্রেইন’কে ‘ব্রেন সার্কুলেশনে’ রূপান্তর করতে কাজ করছে। তিনি জানান, প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের দেশে বিনিয়োগ ও যৌথ গবেষণা চালানোর জন্য পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের এই সময়ে বিপুল যুবশক্তিকে উপযোগী নীতি ও প্রণোদনার মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তায় রূপান্তর করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রাজ্জাক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুনসহ তরুণ উদ্ভাবকরা বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ