ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে দিচ্ছে আরও স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র


যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে দিচ্ছে আরও স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র

যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে আরও দূরপাল্লার স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের পরিকল্পনা করছে। ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে সূত্রের উল্লেখ করে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে কতগুলো নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হবে, তা এখনও জানানো হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার (১৪ অক্টোবর) লন্ডনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের বিষয়ে আলোচনা করেন। শীতের আগে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়, যেখানে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট নির্দিষ্টভাবে কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি। ইউক্রেন সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে কিয়েভকে মোট কতগুলো স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কেও কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: ইয়েমেনে সৌদি হামলায় শিশুসহ ১২ নিহত, নিষিদ্ধ বোমার অভিযোগ

অন্যদিকে, লন্ডনে নিযুক্ত রাশিয়ার সাবেক রাষ্ট্রদূত আন্দ্রে কেলিন তাসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন যে, ইউক্রেন সংঘাতে যুক্তরাজ্য জড়িয়ে পড়েছে এবং ন্যাটোর অন্যান্য সদস্যদেশগুলোর তুলনায় যুক্তরাজ্যের সম্পৃক্ততা বেশি হতে পারে।

কেলিনের বক্তব্য অনুযায়ী, ইউক্রেনে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত বিশেষ বাহিনী, প্রশিক্ষক এবং সামরিক বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তথ্যসূত্র: তাস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন বন্ধ করতে ইসরাইলকে চীনের কড়া বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন বন্ধ করতে ইসরাইলকে চীনের কড়া বার্তা

চীন ইসরাইলকে পশ্চিম তীরে জোরপূর্বক বসতি স্থাপন বন্ধ করতে এবং এ ধরনের উদ্যোগ ফিরিয়ে নিতে কঠোর বার্তা দিয়েছে। পাশাপাশি, গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের পথ সম্পূর্ণরূপে খুলে দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আজারবাইজানে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এই দাবিগুলি উত্থাপন করেছেন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়াং ই ফিলিস্তিন সংকটকে বর্তমান শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক অবিচার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, সংকটের সমাধানের সঠিক উপায় হলো দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান। গাজায় মানবিক বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধ করতে অবিলম্বে সেখানে প্রবেশের পথ খুলে দেওয়া প্রয়োজন।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন, যাতে সব পক্ষকে দ্রুত সংলাপে ফিরিয়ে এনে রাজনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করা যায়।

চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে ওয়াং ই আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে এশিয়ায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা বৃদ্ধির পদক্ষেপবিষয়ক সম্মেলনের সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বাড়াচ্ছে চীন

মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে চেয়ে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গত সেপ্টেম্বরে মিসরের রাজধানী কায়রো সফর করেন। এটি এক দশকের মধ্যে তার প্রথম সফর ছিল। সফরের সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে বাইরের শক্তির প্রভাবের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পুনর্গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তার এই সফর ঘটে। মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির মুখপাত্রের মতে, বৈঠকে যুদ্ধের বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। দুই প্রেসিডেন্ট কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে যুদ্ধের অবসানে একটি সমন্বিত চুক্তিতে পৌঁছানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

এর আগে, গত মার্চে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার সমালোচনা করে চীন। বেইজিং অবিলম্বে যৌথ হামলা বন্ধের দাবি জানায়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধ শুরুর পর ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সারকে ওয়াং ই বলেছিলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল। ওই আলোচনায় ইসরাইলের নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ইরানের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, তবে ইসরাইলের সঙ্গেও তাদের সম্পর্ক বিদ্যমান। যুক্তরাষ্ট্র-চীন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। দেশটি ইরানের মোট তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কিনেছে। ২০২১ সালে তেহরানের সঙ্গে ২৫ বছর মেয়াদি ‘ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি’ স্বাক্ষর করে বেইজিং।

একই সময়ে, সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গেও গত এক দশকে সম্পর্ক জোরদার করেছে চীন। দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলেরও অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারণেই বাড়ছে হ-ত্যা-কাণ্ড: এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ পি.এম


আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারণেই বাড়ছে হ-ত্যা-কাণ্ড: এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের মন্তব্য করেছেন যে, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির ফলে প্রায়ই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, এর ফলে নাগরিকরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

আজ শুক্রবার সকালে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার সময় দুর্গাপুর উপজেলার তেলনজিয়া বাজারে একটি দোকানে বসে ছিলেন বেসরকারি ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন (আইপিটিভি) চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত তাকে গুলি করে হত্যা করে।

জামায়াতের এই নেতা জানান, সাংবাদিক লুৎফুজ্জামানের হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ঘটনা দেশের সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তা স্পষ্ট করে।

তিনি সরকারের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের নিহত সাংবাদিকের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সিকোতে নিখোঁজ শিশুদের খুঁজতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ পি.এম


মেক্সিকোতে নিখোঁজ শিশুদের খুঁজতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার

ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : মেক্সিকোতে চলমান সহিংসতা ও মাদক চোরাচালান চক্রগুলোর আধিপত্যের কারণে হাজার হাজার শিশু নিখোঁজ হয়ে গেছে। নিখোঁজ এসব সন্তানের খোঁজে অসংখ্য মা-বাবা বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করছেন। এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) তাদের স্বজনদের খুঁজে পেতে সহায়তা করতে পারে।

মেক্সিকোয় নিখোঁজ ১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি মানুষের সন্ধানে সহায়তা করার লক্ষ্যে এআইভিত্তিক দুটি নতুন প্রযুক্তি তৈরি করা হচ্ছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ১৬ বছর বয়সে নিখোঁজ হয় রোসাসের ছেলে দিয়েগো। মধ্য মেক্সিকোর একাতেপেক শহরে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

রাজ্যের কৌঁসুলির অফিস জানায়, একটি অপরাধী চক্র দিয়েগোকে অপহরণ করেছিল। তবে কোন চক্র তাকে অপহরণ করেছে, কেন করেছে কিংবা সে এখনও বেঁচে আছে কি না, তা নিশ্চিত করা যায়নি।

দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ছেলের কোনো খোঁজ না পেয়ে হতাশ ভেরোনিকা রোসাস। বর্তমানে তার বয়স ৫২ বছর। মেক্সিকো সিটিতে নিয়মিত অনুষ্ঠিত বিচার দাবির এক বিক্ষোভে এএফপিকে তিনি বলেন, "১১ বছর পেরিয়ে গেছে, অথচ দিয়েগো কোথায় আছে, তা এখনো জানি না। আমার ছেলের কী হয়েছিল, তা জানার জন্য কোনো কার্যকর তদন্তের পথও আমাদের সামনে নেই।"

দিয়েগোর মতো অসংখ্য নিখোঁজ ব্যক্তির ঘটনা দুটি বিশ্ববিদ্যালয়কে এআইভিত্তিক প্রযুক্তি তৈরিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এসব প্রযুক্তি নিখোঁজ ব্যক্তিদের ভাগ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে সক্ষম হবে।

মেক্সিকোর প্রধান সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ন্যাশনাল অটোনোমাস ইউনিভার্সিটি অব মেক্সিকো (ইউএনএএম) তৈরি করেছে ‘রেগ্রেসা’ নামের একটি প্রযুক্তি। স্প্যানিশ ভাষায় ‘রেগ্রেসা’ শব্দের অর্থ ‘ফিরে আসো’।

প্রযুক্তিটি নৃতাত্ত্বিক শারীরিক পরিমাপবিদ্যা বা অ্যানথ্রোপোমেট্রির সহায়তায় নিখোঁজ শিশুদের বর্তমান বয়সে চেহারা কেমন হতে পারে, তার একটি সম্ভাব্য ছবি তৈরি করে। নিখোঁজের সময় শিশুদের যে ছবি পোস্টারে প্রকাশ করা হয়েছিল, সময়ের সঙ্গে তাদের চেহারায় সম্ভাব্য পরিবর্তন সেই ছবিতে ফুটিয়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকায় তাদের বর্তমান বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছবি তৈরির দাবি জানিয়ে আসছেন পরিবারের সদস্যরা।

যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীনের মতো দেশগুলোতে অপহৃত শিশুদের খুঁজতে আগে থেকেই মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে চেহারার পরিবর্তন অনুমান করার সফটওয়্যার ব্যবহার করা হচ্ছে।

মেক্সিকোর কয়েকটি কৌঁসুলি কার্যালয়েও এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। তবে অধিকাংশ সফটওয়্যার উন্মুক্ত উৎসের ছবির তথ্যভান্ডারের ওপর নির্ভরশীল, যেখানে মেক্সিকানদের সাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্য যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।

রেগ্রেসার উদ্ভাবকেরা এ ক্ষেত্রে ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন।

তারা ৭৫ জন মেক্সিকান স্বেচ্ছাসেবীর শত শত ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করে নিজস্ব একটি ছবির তথ্যভান্ডার তৈরি করেছেন। এর মাধ্যমে মেক্সিকানদের সাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছবি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রকল্পটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নৃতত্ত্ববিদ আনা হুয়ারেস এএফপিকে বলেন, শিশুদের বয়স বাড়ার প্রক্রিয়া নির্ধারণেও রেগ্রেসা ভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

তিনি এএফপিকে বলেন, "অনেক সফটওয়্যার শুধু মুখমণ্ডলের আকৃতি ও ত্বকের গঠন নিয়ে কাজ করে, কিংবা বলিরেখার মতো পরিবর্তন দেখাতে বিভিন্ন ফিল্টার ব্যবহার করে। আমরা এমন একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি উদ্ভাবনের চেষ্টা করছি, যার মাধ্যমে বয়স বাড়ার সঙ্গে একজন মানুষের মাথার খুলি ও মুখমণ্ডলের গঠনে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে, তা তুলে ধরা যাবে।"

মেক্সিকোয় দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষের নিষ্কিয়তার কারণে অনেক পরিবার নিজেরাই নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে তদন্ত চালাতে বাধ্য হচ্ছে।

এ ধরনের অনুসন্ধানে সহায়তা করতে বেসরকারি ইবেরো-আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নৃতত্ত্ববিদও এআই ব্যবহার করছেন।

এমিলিয়ানো জোল্লা নিখোঁজ ব্যক্তিদের লিঙ্গ, বয়স এবং নিখোঁজ হওয়ার পরিস্থিতি অনুযায়ী তথ্য সাজিয়ে একটি মানচিত্র তৈরি করছেন। তার আশা, এ তথ্যের মাধ্যমে পরিবারগুলো আরও নির্দিষ্টভাবে অনুসন্ধান চালাতে পারবে।

মেক্সিকোর সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য স্টেট অব মেক্সিকোর নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে তিনি দেখেছেন, নিখোঁজদের অনেকেই তরুণী। তাদের অনেকে স্কুল, কলেজ বা কর্মস্থলে যাওয়ার পথে কিংবা সেখান থেকে ফেরার সময় নিখোঁজ হন।

এএফপির কাছ থেকে রেগ্রেসা প্রযুক্তির বিষয়ে জানার পর ভেরোনিকা রোসাস বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে এআই বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

তিনি বলেন, "এই উদ্যোগটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, যাদের তখন অপহরণ করা হয়েছিল, তারা এখন আর ছোট্ট শিশু নেই; বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তাদের চেহারাও বদলে গেছে।"

নিখোঁজ ছেলে দিয়েগোর খোঁজ পেতে মেক্সিকো সিটির প্রধান সড়কে একটি অস্থায়ী ডাকবাক্স স্থাপন করেছেন রোসাস। সেখানে দিয়েগোর ১৬ বছর বয়সের একটি ছবি লাগানো হয়েছে। কেউ তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানলে তা জানাতে পারবেন। এ ছাড়া দিয়েগোর জন্মদিনে তার জন্য শুভেচ্ছাবার্তাও সেখানে রেখে যেতে পারবেন।

২০২৫ সালে নিজের ১৯ বছর বয়সী ছেলে যিশুয়া সিসনেরোস নিখোঁজ হওয়ার পর কার্লা লেচুগাও একটি অনুসন্ধানী সংগঠন গড়ে তোলেন।

লেচুগার মতো বিভিন্ন সংগঠন দেশটির বিভিন্ন গির্জায় তথ্য সংগ্রহের জন্য কয়েক ডজন ‘পিস বক্স’ বা ‘শান্তির ডাকবাক্স’ স্থাপন করেছে।

এ ছাড়া জনসমাগমস্থলে নিখোঁজ স্বজনদের ছবি টাঙিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অপরাধী চক্রগুলোর কাছেও পরিচয় গোপন রেখে নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

লেচুগা বলেন, "আমরা কয়েকজনকে জীবিত অবস্থায় খুঁজে পেয়েছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, অন্যদের আর জীবিত পাওয়া যায়নি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশেষ দূতের দায়িত্ব শেষে নোয়েমের নতুন ভূমিকা ট্রাম্প প্রশাসনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ পি.এম


বিশেষ দূতের দায়িত্ব শেষে নোয়েমের নতুন ভূমিকা ট্রাম্প প্রশাসনে

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমের ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ উদ্যোগের বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বের মেয়াদ সমাপ্ত হয়েছে। তবে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে নতুন ভূমিকায় কাজ করছেন। বর্তমানে মার্কিন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউয়ের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে এই তথ্য জানিয়েছেন। ওই কর্মকর্তা জানান, নোয়েমের বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বের মেয়াদ গত মাসে শেষ হয়েছে। তিনি এখন আর ওই পদে নেই। তবে তিনি ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ উদ্যোগ-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দেখভাল করছেন।

‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে গঠিত একটি উদ্যোগ। এই উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মাদক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এটি।

গত মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে নোয়েমের বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হয়। এরপরও তিনি উদ্যোগটি নিয়ে বিভিন্ন কূটনৈতিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

গত ২২ সেপ্টেম্বর ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন নোয়েম। ওই সময় ইকুয়েডর সরকার তাঁকে ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এর বিশেষ দূত হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। এছাড়া ট্রাম্পের আয়োজনে জোটের নেতাদের একটি বৈঠকে অংশ নেন তিনি। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নোয়েমের কাজের প্রশংসা করেন। ট্রাম্প বলেন, “ক্রিস্টি নোয়েমকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি সত্যিই দারুণ কাজ করেছেন।”

এর আগে গত মার্চে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর নোয়েমকে ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এর বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা এবং উপদেষ্টা কোরি লেভানডস্কির প্রভাব নিয়ে ক্রমবর্ধমান সমালোচনার কারণে তাঁকে ওই পদ থেকে সরানো হয়।

বিশেষ দূতের দায়িত্ব পাওয়ার পর মার্চ মাসেই লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের পাঁচটি দেশ সফর করেন নোয়েম। সফরের বেশিরভাগ সময় তিনি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। সফরকালে বিভিন্ন ছবিতে লেভানডস্কিকে নোয়েমের সঙ্গে দেখা গেলেও পরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, দপ্তরটিতে লেভানডস্কির কোনো আনুষ্ঠানিক পদ ছিল না।

বিশেষ দূত হিসেবে নোয়েমের প্রকাশ্য কার্যক্রম তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল। এর মধ্যে গত ২৫ মার্চ ইকুয়েডরের রাজধানী কিটোতে প্রেসিডেন্ট নোবোয়ার সঙ্গে বৈঠক, সেপ্টেম্বরে ওয়াশিংটনে ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার কূটনীতিকদের সঙ্গে আলোচনা এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য। তথ্যসূত্র: সিবিএস নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%