০১:০৬ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার কারণে সারজিস আলমকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ করা হয়েছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তাদের এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
আজ বুধবার, রাশেদ খান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই দাবি তুলে ধরেন। পোস্টটিতে তিনি ‘নেত্র নিউজ’-এর একটি সংবাদও শেয়ার করেছেন।
রাশেদ খান নিউজটি শেয়ার করে মন্তব্য করেছেন, ‘জমিদারের নাতি সারজিস আলমকে নাহিদ ইসলাম বহিষ্কার করেন আর হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ নোটিশ দেন। ১৯ জুলাই, যেদিন সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়, সেদিন এরা শহীদের রক্ত মারিয়ে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে।’
আরও পড়ুন: জুলাই একদিনে সংঘটিত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
তিনি অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আব্দুল কাদেরের ৯ দফাকে বানচাল করতে ৮ দফা কর্মসূচি প্রদান করা হয়েছিল। রাশেদ খান বলেন, ‘লীগ-চাটা হাসনাত-সারজিস আজকে জামায়াতি জাতির আব্বা হয়ে গেছে। আর ইতিহাস থেকে হারিয়ে গেছে আব্দুল কাদেররা।’
রাশেদ খানের দাবি, হাসনাত আব্দুল্লাহ সেদিন হাসিব আল ইসলামকে ফোন করে মেস থেকে নিয়ে যান আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য। তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, হাসনাত-সারজিস অন্যদের নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শহীদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করে বাকিরা বৈঠকে যাননি। গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসংক্রান্ত অভিযোগ থাকলেও, অন্তত গণ-অভ্যুত্থানের সময় তাদের সঠিক ভূমিকা ছিল।
তিনি বলেন, ‘সে সময় কিন্তু প্রকাশ্যে জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে ৯ দফাকে বানচাল করার ষড়যন্ত্রে নামেন জুলাই গাদ্দার হাসনাত-সারজিস।’
রাশেদ খান জানান, তার শেয়ার করা নেত্র নিউজে আজও সেই বহিষ্কারের তথ্য রয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার অভিযানে পুলিশের হাতে ৪৮৪ গ্রেপ্তার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন