ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেনাপোলে সার্ভার জটিলতায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত


বেনাপোলে সার্ভার জটিলতায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে টানা আট দিনের ছুটি শেষে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হলেও প্রথম দিনেই সার্ভার জটিলতার কারণে বাণিজ্য কার্যক্রম ব্যাহত হয়। গত শনিবার কিছু পচনশীল পণ্য সীমিত পরিসরে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে খালাস করা হলেও রোববার দুপুর পর্যন্ত অনলাইনে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

দুপুর ১২টার পর সার্ভার সচল হলে বাণিজ্যে গতি ফিরে আসে। এরপর বেলা ৩টা পর্যন্ত এই তিন ঘণ্টায় ভারত থেকে ৭৬টি ট্রাকে পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ৪১টি ট্রাকে পণ্য রপ্তানি করা হয়।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সার্ভার জটিলতার পাশাপাশি ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানি কার্যক্রমও বেশ বিলম্বিত হয়।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী হচ্ছে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

এর আগে শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিত আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর রহমান এবং স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, দীর্ঘ ছুটির কারণে সীমান্তের দুপাশে তীব্র পণ্যজট তৈরি হয়েছে। দুপুরের পর অনলাইনে কাজ শুরু হলে কাস্টমস কর্মকর্তা এবং প্রায় ২,০০০ হ্যান্ডলিং শ্রমিক পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় কাটান।

তবে বারবার সার্ভার ডাউন হওয়ার কারণে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। সংশ্লিষ্টরা এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন এবং কাস্টম হাউসের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটি শেষে বাণিজ্য চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সার্ভার জটিলতার কারণে শুরুতে সমস্যা হলেও পরে তা সচল হয়েছে এবং পণ্য খালাসে ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ৯ দিন পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর সমাধান উদ্ভাবনে গবেষণার আহ্বান প্রযুক্তিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর সমাধান উদ্ভাবনে গবেষণার আহ্বান প্রযুক্তিমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য আলোচনা ও সভা-সেমিনারের বাইরে গিয়ে গবেষণার মাধ্যমে দ্রুত কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সমাধান উদ্ভাবনের আহ্বান জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বিজ্ঞানী ও গবেষকদের সম্পৃক্ত করে বাস্তবভিত্তিক পাইলট প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ডেঙ্গু ও মশা নিয়ন্ত্রণে উলবাখিয়া (Wolbachia) প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার সম্ভাবনা অনুসন্ধানবিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

মন্ত্রী মন্তব্য করেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ও হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই অবিলম্বে মাঠপর্যায়ে নেমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বিজ্ঞানী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে বাস্তবভিত্তিক পাইলট প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা সম্ভব। সভা-সেমিনার বা পডকাস্টের বাইরে গিয়ে মাঠপর্যায়ে সরাসরি কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে ডেঙ্গু দমনে সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। জনস্বাস্থ্যের এই সংকট দ্রুত মোকাবিলায় বিজ্ঞানীদের গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে কার্যকর সমাধানে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন ডেঙ্গু ও মশা নিয়ন্ত্রণে গবেষণার ক্ষেত্রে যৌথ সহযোগিতা এবং সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে কাজ করা জরুরি। সাশ্রয়ী ও বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং দেশের আবহাওয়া, ভৌগোলিক অবস্থান ও সামাজিক কল্যাণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় জানানো হয়, ডেঙ্গু ও মশা নিয়ন্ত্রণে গবেষণার জন্য টেমাসিক ফাউন্ডেশন ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অনুদানে একটি পাইলট প্রকল্প শিগগিরই কাজ শুরু করবে। এই প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ করা দেশীয় গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করা হবে। দেশের নিজস্ব প্রযুক্তি, জ্ঞান ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে প্রকল্পটিকে আরও ফলপ্রসূ করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সভায় বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ফিলিপ অং এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির মাইক্রোবায়োলজি, জেনেটিক্স অ্যান্ড ইমিউনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ঝিয়ং শি বক্তব্য দেন। এছাড়া সিমবায়োসিয়া এসইএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড কুয়েক ইয়ং কি তাঁর দলের সদস্যদের নিয়ে সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আইইডিসিআর, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও বিসিএসআইআরের প্রতিনিধিরা এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রায়পুরে বিএনপি নেতার আয়োজনে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


রায়পুরে বিএনপি নেতার আয়োজনে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ

রায়পুরে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের এই অনুষ্ঠানে রোববার সন্ধ্যা ৭টায় রায়পুর উপজেলা মিলনায়তনে পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া।

এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন রায়পুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার ফয়সাল। প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন রায়পুর এম ইসলামিক ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ক্বারী মুরছালিন বিন ইসমাইল।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন উত্তর কেরোয়া আল আমিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ফরহাদ হাসান। বিজয়ী হিসেবে তিনি স্বর্ণপদকের পাশাপাশি নগদ ১৫ হাজার টাকা পুরস্কার লাভ করেন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন রায়পুর দারুল কুরআন ইসলামিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী ওমর ফারুক, যিনি স্বর্ণপদক ও নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার পান।

এছাড়া, তৃতীয় স্থান অর্জনকারীর জন্য রৌপ্যপদক ও নগদ সাত হাজার টাকা পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে। চতুর্থ থেকে দশম স্থান অর্জনকারীদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এই প্রতিযোগিতার আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল পবিত্র কোরআন হিফজে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং কোরআনের শিক্ষা ও চর্চা ছড়িয়ে দেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেভাবে ঘরে বসেই অনলাইনে জমির খতিয়ান বের করবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


যেভাবে ঘরে বসেই অনলাইনে জমির খতিয়ান বের করবেন

জমির মালিকানা ও রেকর্ডসংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য এখন ভূমি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ঘরে বসে অনলাইনে জমির খতিয়ান অনুসন্ধান করা সম্ভব। বাংলাদেশ সরকারের ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবা পোর্টালে জমির অবস্থান, মৌজা এবং খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করে সহজেই রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায়। খতিয়ান নম্বর জানা না থাকলেও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দাগ নম্বর বা মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করা যেতে পারে।

তবে অনলাইনে খতিয়ানের তথ্য দেখা এবং সরকারি কাজে ব্যবহারের উপযোগী সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করা দুটি ভিন্ন বিষয়। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ধরনের কপির জন্য আবেদন করতে হবে।

অনলাইনে জমির খতিয়ান বের করার নিয়ম

ঘরে বসে জমির খতিয়ান দেখতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

১. সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবা পোর্টালে প্রবেশ করুন। প্রয়োজনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও সংশ্লিষ্ট সেবায় যেতে পারেন।

২. জমির অবস্থান নির্বাচন করুন

জমিটি যে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা বা থানার অন্তর্গত, সেগুলো নির্বাচন করুন। এরপর সংশ্লিষ্ট মৌজা নির্বাচন করতে হবে। মৌজার নাম বা জে এল নম্বর জানা থাকলে সঠিক রেকর্ড খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।

৩. খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করুন

জমিটি কোন জরিপের অধীনে রেকর্ড করা হয়েছে, সে অনুযায়ী সিএস (CS), এসএ (SA), আরএস (RS), বিএস বা বিএআরএস (BS/BRS) খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করুন।

এরপর খতিয়ান নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করুন। খতিয়ান নম্বর জানা না থাকলে পোর্টালে বিকল্প অনুসন্ধান সুবিধা থাকলে দাগ নম্বর বা মালিকের নাম দিয়ে খোঁজার চেষ্টা করুন।

৪. খতিয়ানের তথ্য যাচাই করুন

অনুসন্ধানের ফলাফলে মালিকের নাম, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও জমির পরিমাণসহ যেসব তথ্য পাওয়া যায়, সেগুলো নিজের কাছে থাকা দলিল ও অন্যান্য নথির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

একই নামে একাধিক ব্যক্তি থাকতে পারেন। তাই শুধুমাত্র মালিকের নাম দেখে জমির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া উচিত নয়।

৫. প্রয়োজন অনুযায়ী কপির জন্য আবেদন করুন

খতিয়ানের তথ্য পাওয়ার পর প্রয়োজন অনুসারে অনলাইন কপি বা সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে পোর্টালে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ, নির্ধারিত ফি পরিশোধ এবং কপি সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

খতিয়ান বের করতে যেসব তথ্য প্রয়োজন

অনলাইনে খতিয়ান অনুসন্ধানের জন্য সাধারণত নিচের তথ্যগুলো কাজে লাগে

বিভাগ ও জেলার নাম

উপজেলা বা থানার নাম

মৌজার নাম বা জে এল নম্বর

খতিয়ানের ধরন

খতিয়ান নম্বর, যদি জানা থাকে

দাগ নম্বর বা জমির মালিকের নাম

মনে রাখতে হবে, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও মৌজার তথ্য এক নয়। একই মৌজায় একাধিক দাগ ও খতিয়ান থাকতে পারে। তাই অনুসন্ধানের সময় সঠিক তথ্য নির্বাচন করা জরুরি।

অনলাইনে খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগে?

খতিয়ান অনুসন্ধান এবং কপি সংগ্রহের খরচ আলাদা হতে পারে। সরকারি পোর্টালে রেকর্ড খোঁজার সুযোগ থাকলেও কপি সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হতে পারে।

প্রচলিত ফি-সংক্রান্ত তথ্যে অনলাইন খতিয়ানের কপির জন্য ১০০ টাকা এবং ডাকযোগে সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা আবেদন ফি ও ৪০ টাকা ডাক মাশুলের উল্লেখ রয়েছে। তবে ফি পরিবর্তিত হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সরকারি পোর্টালে প্রদর্শিত সর্বশেষ ফি ও পরিশোধের নির্দেশনা যাচাই করে নিন।

অনলাইন কপি ও সার্টিফায়েড কপির পার্থক্য

অনলাইন কপি দিয়ে খতিয়ানের তথ্য দেখা ও সংরক্ষণ করা যায়। অন্যদিকে, সার্টিফায়েড কপি হলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন করা অনুলিপি, যা প্রয়োজন অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।

জমি কেনাবেচা, মামলা বা অন্য কোনো সরকারি কাজে খতিয়ান জমা দিতে হলে কোন ধরনের কপি গ্রহণযোগ্য, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো।

অনলাইনে খতিয়ান না পাওয়া গেলে কী করবেন?

সঠিক তথ্য দেওয়ার পরও খতিয়ান খুঁজে না পেলে কয়েকটি বিষয় যাচাই করুন।

মৌজার নাম পরীক্ষা করুন : সঠিক মৌজা নির্বাচন করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।

জরিপের ধরন পরিবর্তন করে দেখুন : জমিটি কোন জরিপের অধীনে রেকর্ড করা হয়েছে, তা যাচাই করুন।

বিকল্প তথ্য দিয়ে অনুসন্ধান করুন : খতিয়ান নম্বর জানা না থাকলে পোর্টালে সুবিধাটি থাকলে দাগ নম্বর বা মালিকের নাম দিয়ে খুঁজুন।

পুরোনো ও নতুন রেকর্ড মিলিয়ে দেখুন : বিভিন্ন জরিপে জমির রেকর্ড পরিবর্তিত হতে পারে।

ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন : অনলাইনে রেকর্ড না পাওয়া গেলে বা তথ্যে অমিল থাকলে প্রয়োজনীয় নথিসহ সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন।

এ ছাড়া চলমান জরিপের খসড়া খতিয়ান এবং চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত খতিয়ান এক নয়। তাই খসড়া রেকর্ডকে চূড়ান্ত মালিকানার প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

খতিয়ান দেখলেই কি জমির মালিকানা নিশ্চিত হয়? না। খতিয়ান জমির রেকর্ডসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি হলেও শুধু খতিয়ানে নাম থাকলেই সব পরিস্থিতিতে জমির মালিকানা চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয় না। জমির দলিল, উত্তরাধিকার, নামজারি, দখল, সংশ্লিষ্ট ভূমি রেকর্ড এবং প্রযোজ্য আইনগত বিষয়ও বিবেচনায় নিতে হতে পারে।

বিশেষ করে জমি কেনার আগে দলিলের ধারাবাহিকতা, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও সীমানা যাচাই করা জরুরি। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস বা আইনজীবীর সহায়তা নিন।

জালিয়াতি এড়াতে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

জমির খতিয়ান সংগ্রহের সময় সরকারি সেবার নামে ভুয়া ওয়েবসাইট বা নকল নথির মাধ্যমে প্রতারণার ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকুন।

সরকারি ভূমি রেকর্ড পোর্টাল ব্যবহার করুন।

অপরিচিত ওয়েবসাইটে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য বা অর্থ দেবেন না।

ফি পরিশোধের আগে পোর্টালে প্রদর্শিত বিবরণ ও আবেদনসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করুন।

খতিয়ানের তথ্য নিয়ে সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন।

প্রয়োজনে ভূমিসেবা সহায়তা নম্বর ১৬১২২-এ যোগাযোগ করুন।

সব মিলিয়ে, ঘরে বসেই অনলাইনে জমির খতিয়ান বের করতে সরকারি পোর্টালে প্রবেশ করে জমির অবস্থান, মৌজা ও খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করতে হবে। এরপর খতিয়ান নম্বর বা বিকল্প অনুসন্ধান সুবিধার মাধ্যমে রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায়। আর জমি কেনাবেচা বা আনুষ্ঠানিক কাজে প্রয়োজন হলে উপযুক্ত কপি সংগ্রহের পাশাপাশি জমির অন্যান্য মালিকানাসংক্রান্ত নথিও যাচাই করা জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতিয়ায় ৯ হাজার ৫০০ লিটার অবৈধ পামওয়েল জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


হাতিয়ায় ৯ হাজার ৫০০ লিটার অবৈধ পামওয়েল জব্দ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা অবৈধ পামওয়েল, যার পরিমাণ সাড়ে ৯ হাজার লিটার, জব্দ করেছে কোস্টগার্ড।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, হাতিয়া থানাধীন নলচিরা ঘাট সংলগ্ন এলাকায় আজ সকাল সাড়ে ৬টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিসিজি স্টেশন হাতিয়া একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন, উক্ত এলাকা থেকে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা প্রায় ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ৯ হাজার ৫০০ লিটার অবৈধ ও অপরিশোধিত পামওয়েল জব্দ করা হয়। চোরাচালান কাজে ব্যবহৃত ১টি কাঠের বোটও জব্দ করা হয়। এ সময় কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বিসিজি স্টেশন দক্ষিণ জোন মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, জব্দকৃত পামওয়েল ও বোটের বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%