সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৫১ এম
এই প্রজন্মের শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী তানজিন মিথিলা মৌলিক গানের প্রতি বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি তিনি ‘ভালোবাসি আমি তোমায় বোঝাবো’ শিরোনামের একটি নতুন মৌলিক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন, যা নিয়মিত সুরের জগতে তার উপস্থিতি আরও দৃঢ় করেছে।
নবিউল মাসুদ এই রোমান্টিক গানটির কথা লিখেছেন। সুর করেছেন সোহেল রানা এবং সঙ্গীতায়োজনের দায়িত্বে ছিলেন বিজন দাস। জানা গেছে, খুব শিগগিরই একটি ইউটিউব চ্যানেলে গানটি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাবে।
তানজিন মিথিলা নতুন গান ও সঙ্গীত নিয়ে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, “‘ভালোবাসি আমি তোমায় বোঝাবো’ গানটি মূলত আমার পছন্দের জনরার। আমি এই ধরনের মেলোডিয়াস গান গাইতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। স্টুডিওতে ভয়েস দেওয়ার সময় আমি শতভাগ মনোযোগ দিয়ে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
তিনি তার গানের যাত্রা নিয়ে আরও বলেন, “ছোটবেলা থেকেই গানের আবহেই বড় হয়েছি, তাই জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে গানই আমার ধ্যান-জ্ঞান। অবসরে প্রিয় গানগুলো শুনতেই বেশি ভালো লাগে। গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি মৌলিক গান প্রকাশের পাশাপাশি আমি পেশাদার শিল্পী হিসেবে নিয়মিত স্টেজ শো করছি। এটা পরম সত্য যে আমি আমৃত্যু গানের সঙ্গেই থাকব। গানকে ঘিরেই আমার সব স্বপ্ন, তাই জীবনভর সুরের পথেই হেঁটে যেতে চাই।”
এদিকে, চলতি বছর জুড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই গায়িকা। ইতিমধ্যেই তিনি বেশ কয়েকটি জমকালো স্টেজ শোতে গান গেয়ে শ্রোতাদের মাতিয়ে তুলেছেন। বছরের শেষদিন পর্যন্ত তার হাতে রয়েছে স্টেজ শোয়ের বেশ কিছু ব্যস্ত শিডিউল।
মঞ্চে সাধারণত জোবায়ের জাহাঙ্গীর জয়ের সঙ্গেই দ্বৈত গান পরিবেশন করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন মিথিলা। তিনি জানিয়েছেন, জয়ের কাছ থেকে সঙ্গীতের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় শিখেছেন এবং তার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৮ বছর বয়সী আব্দুল হাসিবের মৃত্যু ঘটেছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের ভর্তি হওয়ার মাত্র ১২ মিনিট আগে তিনি সেখানে পৌঁছান।
হাসিবের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় অবস্থিত।
হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ রোববার সকালে এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, শনিবার রাত ১০টা ২৮ মিনিটে রাসেলকে ভর্তি করা হয় এবং ১০টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু ঘটে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন ৫২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং ৩০ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ২০১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফাহাম আব্দুস সালাম মন্তব্য করেছেন, "কেউ মারা গেলে তার বিচার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন।"
তিনি এই মন্তব্যটি রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "একটি ভিডিওতে দেখলাম কয়েকটি ছেলে মিলে মাইক হাতে ক্যানভাসিং করছে— পিরোজপুরের মাটিতে ওরে দাফন হতে দিব না।" তিনি বলেন, "অনুমান করা ঠিক না কিন্তু চেহারা-পোশাক-আশাক থেকে মনে হয় তারা ইসলামিস্ট।"
ফাহাম আব্দুস সালাম আরও বলেন, "আমি বলছি না দলীয়ভাবে জামায়াতে ইসলামী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কিন্তু অন্ততপক্ষে কিছু জামাতে মুসলমান নিজেরা নিজেরা মিলে যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে— এতটুকু বলা যায়।"
তিনি আরও জানান, "এই বিকার আমরা প্রথম আওয়ামীদের মধ্যে দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আপনাদের কেউ কেউ ঠিক সেই রাস্তাতেই এখন হাটছেন।"
ফাহাম আব্দুস সালাম অনুরোধ করেন, "আল্লাহর ওয়াস্তে এই বিকার থেকে বের হন। অনেক ত্যাগ, অনেক প্রাণের পর আমরা ৫ই অগাস্ট পেয়েছি। এই মাটিতে দম্ভ দেখায়েন না। আজকে আমাদের অবস্থা ভালো আছে। ভালো থাকুন এবং নেক্সট জেনারেশনকে দেখান যে আমরা হানাহানি থেকে বের হতে চাই।"
তিনি উল্লেখ করেন, "আওয়ামীদের কাজ রিপিট করার মধ্যে কোনো বাহাদুরি নাই। তবে আওয়ামীদের কাজ না রিপিট করার মধ্যে বাহাদুরি আছে। তাছাড়া এ সব ইতরামি পলিটিকালিও সুইসাইডাল। মানুষ মোটেও পছন্দ করে না। আপনারাই জনবিচ্ছিন্ন হবেন।"
সবশেষে তিনি লেখেন, "কেউ মারা গেলে তার বিচার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতমার বেন-গভির গর্বের সাথে উল্লেখ করেছেন যে তিনি ফিলিস্তিনি বন্দিদের জীবনকে নরক বানানোর জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি সন্ত্রাসীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্যও প্রার্থনা করার দাবি করেছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বিতর্কিত বক্তব্য ও পদক্ষেপের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
রোববার এক্সে প্রকাশিত একটি বার্তায়, বেন-গভির ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে (পিএ) নাৎসি হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তারা শিশু হত্যার প্রশিক্ষণ দেয়। তিনি একইসাথে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
অন্য একটি পোস্টে, ইসরাইলের এই চরমপন্থি মন্ত্রী জানান, লাভি কারাগারে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিরা একটি কেক তৈরি করেছিলেন যা কারা কর্তৃপক্ষ দ্বারা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বন্দিরা নির্বাচনের একটি বিষয় উদযাপন করার জন্য তাদের সীমিত খাবার থেকে কয়েক দিন ধরে জ্যামের চামচ এবং পাউরুটির টুকরো জমিয়ে ওই তথাকথিত ‘কেক’ তৈরি করেছিলেন।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর কেকটি জব্দ করা হয় এবং এতে জড়িত বন্দিদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বিচার করে তাদের নির্জন কারাবাসে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের মক্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবাসী যুবক নজরুল ইসলামের শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে নজরুলের বাড়িতে যান তিনি। এ সময় নিহতের মা-বাবার খোঁজখবর নেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়া স্বজনদের সান্ত্বনা দেন।
সাক্ষাৎকালে নজরুলের মা-বাবা জানান, পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা আনতে ধারদেনা করে ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে মক্কার একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করতেন নজরুল। কিন্তু সেখানে যাওয়ার মাত্র ছয় মাসের মাথায় কথিত নারীঘটিত অনৈতিক অভিযোগ এনে তাকে আটক করা হয়। পরিবারকে কোনো কিছু না জানিয়ে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে হঠাৎ করে গত ১৪ অক্টোবর (বুধবার) তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়ে সন্তানের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান মা রহিমা বেগম ও বাবা আব্দুল বাছির।
নিহতের বাবা আব্দুল বাছির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ছেলে কী অপরাধ করেছে, পরিবার হিসেবে তা স্পষ্টভাবে আমাদের জানানো হয়নি। অপরাধ করলে তাকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে এ দেশের আইনে বিচার করা যেত। এমনকি মৃত্যুদণ্ডের পরও সরকারিভাবে আমাদের কোনো তথ্য জানানো হয়নি। ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে নজরুলের আপন ফুফু আবেদা বেগম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আমরা শুধু ছেলের মরদেহটি শেষবারের মতো দেশের মাটিতে ফিরে পেতে চাই।’
এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। রাষ্ট্রীয় খরচে নজরুলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে কথা বলা হবে।’ একই সঙ্গে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন বিরামপুর গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান নজরুল ইসলাম (২২)। সেখানে যাওয়ার ছয় মাসের মাথায় মক্কার একটি মসজিদের কাছে সুইটি আক্তার নামের এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সৌদি পুলিশের হাতে আটক হন তিনি। প্রায় তিন বছর তিন মাস কারাবন্দী থাকার পর গত ১৪ অক্টোবর নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ