ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রাম বন্দরে সৌরবিদ্যুতের উদ্যোগ, চাহিদা মিটিয়ে যাবে জাতীয় গ্রিডেও


চট্টগ্রাম বন্দরে সৌরবিদ্যুতের উদ্যোগ, চাহিদা মিটিয়ে যাবে জাতীয় গ্রিডেও

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবার ৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার সিস্টেম স্থাপন করতে যাচ্ছে, যা কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বিদ্যুতে স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে, ফলে ২০ বছরে মোট সাশ্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ১০০ কোটি টাকা। তবে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) নির্দেশনা অনুযায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষকে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামানোর জন্য বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর জন্য ১৮টি গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ ১০ ধরনের ১৬৯টি বিশেষায়িত ক্রেন দিন-রাত কাজ করছে। বন্দরের জেটি ও ইয়ার্ডে ২২ ধরনের আরও ২৭২টি যন্ত্রও সক্রিয় রয়েছে। এছাড়া, বন্দরে ৩০ হাজারের বেশি বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রয়েছে।

এই যন্ত্রপাতি ও যানবাহনে ডিজেল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এবং বিদ্যুতের ব্যবহারও রয়েছে। ফলে, বন্দরের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক সদস্য মো. জাফর আলম মন্তব্য করেন, ‘বন্দরে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। জাহাজ থেকেও কার্বন নিঃসরণ হয়। আবার বন্দরে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়, তা জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর উৎস থেকে আসে। এটি কোনো সবুজ জ্বালানি নয়।’

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্বন নিঃসরণ বিষয়ক গবেষক ড. মোহাম্মদ আল আমিন জানান, বন্দরকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা সম্ভব। জাহাজ বন্দরে প্রবেশের পর মূল ইঞ্জিন বন্ধ রেখে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে জাহাজের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা গেলে পুরো বন্দরকে সবুজ বন্দরে রূপান্তরিত করা সম্ভব হবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর প্রতিদিন ৭ থেকে ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। এজন্য প্রতি মাসে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (পিডিবি) ৫০ কোটি টাকার বেশি বিল পরিশোধ করতে হয়।

কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানও বন্দরের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: সবজি কিনতে গেলে মনে হয় মাংস কিনছি, গরু-ইলিশের কথা মানুষ ভুলে যাবে: আসিফ মাহমুদ

এ লক্ষ্যে, বন্দরের বিভিন্ন শেড ও ভবনের ছাদ এবং পরিত্যক্ত জায়গায় সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করেছে কর্তৃপক্ষ। এসব প্যানেল থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যেখানে বন্দরের বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৭ মেগাওয়াট। চুক্তি অনুযায়ী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কিনবে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। সাবেক সদস্য মো. জাফর আলম বলেন, ‘বন্দরে অনেক ছাদ ও শেড রয়েছে। সেগুলো ব্যবহার করে ২০ থেকে ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।’

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, ‘এই বিদ্যুৎ চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যবহৃত হলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমবে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমবে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমরা আরও এগিয়ে যাব।’

বন্দরের যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কারণে কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে তা নয়; প্রতিবছর পণ্য নিয়ে বন্দরে আসা চার হাজারের বেশি জাহাজও এই ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দরকে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য পূরণ করতে হবে।

আরও পড়ুন: এনসিপির নতুন কমিটিতে ৩ নেতার পদাবনতি, কারণ অজানা

এ অবস্থায়, সৌরবিদ্যুৎ থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বন্দরে আসা জাহাজগুলোতে সরবরাহ করা গেলে পরিবেশদূষণ কমানোর পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গবেষক ড. মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, ‘জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর প্রবণতা কমিয়ে দেশকে ভবিষ্যতের সবুজ ও জলবায়ুবান্ধব ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে এ উদ্যোগ একটি ভালো পদক্ষেপ হতে পারে।’

আগামী মাস থেকেই বন্দরে সোলার প্যানেল স্থাপনের কাজ শুরু হবে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ২০ বছর কারিগরি ও তদারকি সহায়তা দেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটি। এ ব্যবস্থায় দিনে সৌরবিদ্যুৎ এবং রাতে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার করে বন্দরের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্কারে বাংলাদেশের সিনেমা নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


অস্কারে বাংলাদেশের সিনেমা নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা

বিশ্ব চলচ্চিত্রের মর্যাদাপূর্ণ আসর অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী সিনেমা নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়ম, অস্বচ্ছতা এবং একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে চলচ্চিত্র সংসদ ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের অধীনে অস্কারের জন্য সিনেমা বাছাইয়ের প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের দাবি, প্রতিবছর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সিনেমা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে সদস্য সংগঠনগুলোর মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করেই।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে অস্কারে বাংলাদেশের সিনেমা পাঠানো নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, ফেডারেশনের সদস্য চলচ্চিত্র সংসদ, ফিল্ম সোসাইটি ও ক্লাবগুলোকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। এর ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাঁদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ফেডারেশনের সভাপতি বড়ুয়া মনোজিত ধীমন অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, অস্কারের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী সিনেমা নির্বাচনে স্বচ্ছতা, যোগ্যতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেন, "কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একক কর্তৃত্বের সুযোগ থাকা উচিত নয়।" বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

অন্যদিকে, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সায়মন তারিকও সংগঠনের কার্যক্রম ও নেতৃত্ব নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, অস্কারের জন্য সিনেমা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় অনিয়মের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা হবে।

চলচ্চিত্র সংসদ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নির্বাচন কমিটির গঠন, সদস্য সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিত্ব, সিনেমা বাছাইয়ের নীতিমালা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফিজিক্স টেস্ট সম্পন্ন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফিজিক্স টেস্ট সম্পন্ন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) কাছে ইতোমধ্যে এসব পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

নিয়ন্ত্রণ সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটটি সি পর্যায়ে প্রবেশ করবে, যার লক্ষ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর (পাওয়ার স্টার্ট-আপ) দিকে অগ্রসর হওয়া।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান জানিয়েছেন, বি-২ ধাপের সব পরীক্ষা ও কার্যক্রম সফলভাবে শেষ হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইউনিট-১ এর বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং পরীক্ষার প্রতিবেদন বায়েরা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বৈঠকে উচ্চপর্যায়ের রুশ প্রতিনিধিদল ইউনিট-১-এর ক্রিটিক্যাল পর্যায়ের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছে। নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন পেলে আমরা সি স্টেজে প্রবেশ করে পাওয়ার স্টার্ট-আপের দিকে অগ্রসর হব।

জাহেদুল হাসান বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে এবং প্রক্রিয়ার সফল অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে তা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষ দিকে ২৫ অক্টোবর রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাওয়ার স্টার্ট-আপ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে পৌঁছালে তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। চলতি বছরের শেষ দিকে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে প্রতিটি ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করে পরবর্তী ধাপে উত্তরণের ওপরই বিষয়টি নির্ভর করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে

অবকাশকালীন ছুটির পর রবিবার (২৫ অক্টোবর) আপিল বিভাগের এক নম্বর কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ তথ্য সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা সুপ্রিম কোর্টের চলমান অবকাশকালীন ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসে আগামী ২৫ অক্টোবর রবিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক এবং অন্যান্য আইনজীবীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে অংশগ্রহণ করবেন।

এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান উপলক্ষে, আগামী ২৫ অক্টোবর রবিবার আপিল বিভাগের এক নম্বর কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়িতে অবরোধ চলছে, দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


খাগড়াছড়িতে অবরোধ চলছে, দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ

সাজেকে সড়ক অবরোধ চলাকালীন অবরোধকারীদের ওপর হামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে আধাবেলা সড়ক ও নৌপথ অবরোধ শুরু করেছে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে অবরোধের কারণে খাগড়াছড়ির সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সব ধরনের দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এছাড়া খাগড়াছড়ির ৯ উপজেলায় সড়কে যানবাহন চলাচল তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে। অবরোধের সমর্থনে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ফায়ার সার্ভিস এলাকায় দুর্বৃত্তরা টায়ারে আগুন দিয়েছেন। এ সময় সড়কের ওপর প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের বাইল্ল্যাছড়ি, পানছড়ি সড়ক ও সাজেক সড়কের বিভিন্ন স্থানে কাঠের গুঁড়ি ফেলে এবং টায়ারে আগুন দেওয়া হয়েছে।

তবে সকালে কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সতর্ক রয়েছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে টহল দল কাজ করছে।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি মো. কায় কিসলু জানিয়েছেন, অবরোধের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে। শহরের চেঙ্গী স্কয়ার, স্বনির্ভর, জিরো মাইল, আলুটিলাসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশের উপস্থিতি রয়েছে। পুলিশের দুটি মোবাইল টিমও কাজ করছে। ঢাকা থেকে আসা রাতের বাসগুলো পুলিশি পাহারায় খাগড়াছড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%