সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৮ পি.এম
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বোর্নিও দ্বীপের সারাওয়াক রাজ্যে সোমবার ধোঁয়াশাজনিত জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করেছে মালয়েশিয়া।
প্রতিবেশী ইন্দোনেশিয়ায় বনাঞ্চলে আগুনের কারণে সেখানে বায়ুদূষণের মাত্রা এখনো খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটি।
শুক্রবার সারাওয়াকের রাজধানী কুচিং থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সেরিয়ানে বায়ুদূষণের মাত্রা সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর রাজকীয় অনুমোদন নিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছিল কুয়ালালামপুর।
কুয়ালালামপুর থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সোমবার জানায়, রাজা সুলতান ইব্রাহিম ‘আজ জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা অনুমোদন করেছেন।’
এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সারাওয়াকের ধোঁয়াশা পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। কয়েকটি এলাকায় বায়ুদূষণ সূচক (এপিআই) এখনো খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।’
শুক্রবার সেরিয়ানে এপিআই ৫০০-এর সংকটসীমা ছাড়িয়ে যায়। ঘন ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন শহরটির এপিআই সর্বোচ্চ ৫১৯-এ পৌঁছেছিল।
মালয়েশিয়ার নির্দেশনা অনুযায়ী, বাযুদূষণ সূচকের মাত্রা (এপিআই) ৩০০-এর বেশি হলে তা বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ৫০০-এর বেশি হলে স্থানীয়ভাবে জরুরি অবস্থা জারির সীমা অতিক্রম করে।
শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে সেরিয়ানে বৃষ্টি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘবীজ পদ্ধতির মাধ্যমে এই বৃষ্টি ঘটানো হয়েছিল। এতে কিছুটা স্বস্তি মেলে।
সারাওয়াকের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ বোর্ড জানায়, সোমবার এপিআই কমে ২০০-এর নিচের দিকে নেমে এসেছে।
ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন এলাকা কয়েক সপ্তাহ ধরে বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ঢাকা রয়েছে। বোর্নিও ও সুমাত্রার বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে ইন্দোনেশিয়া হিমশিম খাচ্ছে। এসব আগুনের ধোঁয়া প্রতিবেশী মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনেইয়েও ছড়িয়ে পড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পদত্যাগের দাবি উঠলেও, ২০২৭ সালের নির্বাচনে চতুর্থবারের মতো ফিফা সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ফিফা সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। বরং, ২০২৭ সালের নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মতো সভাপতি পদে লড়াই করার সিদ্ধান্তে তিনি অটল রয়েছেন। ফিফার মুখপাত্রও জানিয়েছেন, গত এপ্রিলে পুনর্নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যে ঘোষণা ইনফান্তিনো দিয়েছিলেন, সেটি বহাল আছে।
গত কয়েক সপ্তাহে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল প্রশাসনে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইনফান্তিনো। বিশেষ করে, ফিফার বড় ইভেন্টগুলোতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে বিতর্কের পর তার পদত্যাগের দাবি ওঠে ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার কয়েকটি প্রভাবশালী কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে।
গত জুলাইয়ে বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন ইভেন্টে ২০ শতাংশ পর্যন্ত অংশীদারত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা সামনে এনেছিল সংস্থাটি। তবে, বিশ্বজুড়ে সমালোচনা ও ফুটবল প্রশাসনের ভেতরে তীব্র বিরোধিতার মুখে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে ফিফা।
এরপর ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়। উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফের মতো গুরুত্বপূর্ণ কনফেডারেশন তার পদত্যাগের দাবি জানায়। এত বিরোধিতার পরও পদ ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি তিনি।
ফিফার মুখপাত্র জানিয়েছেন, আগামী বছরের মার্চে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ইনফান্তিনো আবারও প্রার্থী হবেন। বর্তমানে ৫৬ বছর বয়সী এই সভাপতির প্রার্থিতার পক্ষে আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল কনফেডারেশনগুলোর সমর্থন রয়েছে বলেও জানা গেছে। অন্যদিকে, এখন পর্যন্ত ২০২৭ সালের নির্বাচনে তার বিপক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থী নিজের নাম ঘোষণা করেননি।
চলমান বিতর্ক নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও, নীরব থাকেননি ইনফান্তিনো। শনিবার পোল্যান্ডে অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।
গত ছয় সপ্তাহের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে জানতে চাইলে ইনফান্তিনো বলেন, এ বিষয়ে তার অনেক কিছু বলার আছে। তবে, সব কথা বলার জন্য উপযুক্ত সময় ও জায়গার প্রয়োজন।
ফিফা সভাপতি বলেন, অনেক কিছুই বলার আছে, কিন্তু সবকিছু বলার একটা সঠিক জায়গা ও সময় আছে। কিন্তু আজ না, এখানে না। আজ আমরা সবাই এখানে ফুটবল উপভোগ করতে এসেছি।
ফলে একদিকে প্রভাবশালী কয়েকটি কনফেডারেশনের প্রকাশ্য বিরোধিতা, অন্যদিকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিদ্বন্দ্বীর আবির্ভাব না হওয়া এই দুই বাস্তবতার মধ্যেই ২০২৭ সালের নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছেন ইনফান্তিনো। তার চতুর্থ মেয়াদ নিশ্চিত হবে কি না, সেটিই এখন ফুটবল প্রশাসনের বড় প্রশ্ন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে ঠাকুরগাঁও জেলা স্কাউটের নেতৃবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ।
আজ রাষ্ট্রপতির নিজ বাসভবনে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও স্কাউটের মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলায় ১ লাখ চারা গাছ রোপণের উদ্বোধন করেন।
বঙ্গভবন থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জেলা স্কাউটের প্রশিক্ষক আঞ্জুমানআরা বেবি ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান মিঠুর নেতৃত্বে স্কাউট সদস্যদের সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, তরুণদের মধ্যে নিয়মানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, নীতি-নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের চেতনা গড়ে তোলাই হোক স্কাউট আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য।
এ সময় দেশের উন্নয়ন ও সমাজসেবায় স্কাউটদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে স্কাউটের নিজস্ব ভবন নির্মাণের ব্যাপারে খোঁজ নেন এবং নির্বাচনের মাধ্যমে স্কাউট নেতা নির্ধারণ করে সারা দেশে স্কাউটকে জনকল্যাণ ও সেবামূলক কাজে আরো বেশি সম্পৃক্ত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।
তিনি বলেন, নিজ দেশে ফিরে গেলে রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তারেক রহমান আরো বলেন, প্রত্যাবাসনের পর মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতেও বাংলাদেশ প্রস্তুত।
মিয়ানমারে ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন (জাতীয় সমঝোতা) বিষয়ক জাপান সরকারের বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানান।
রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী
বৈঠকের শুরুতে বিশেষ দূত সময় দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন।
সাসাকাওয়া বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য নিরসনে কাজ করছেন। মিয়ানমারে ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন বিষয়ে জাপান সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে তাঁর ভূমিকার কথাও তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে জাপানের বিশেষ দূত বলেন, এ পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি অবগত। রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাপান সরকারের বিভিন্ন অনুদান ও মানবিক সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং তাঁর দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট। এ সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য তিনি জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ এমনিতেই একটি জনবহুল দেশ। দীর্ঘ সময় ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি, অবকাঠামো ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নিজের অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার জন্য জাপানের বিশেষ দূতের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
বিশেষ দূত বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তাঁর সঙ্গে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের আলোচনা হয়েছে। মিয়ানমার সরকার এই সংকটের সমাধানে আন্তরিক বলে তিনি মনে করেন।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাখাইন প্রদেশের বর্তমান জটিল পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অগ্রগতিতে সময় লাগছে।
বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, তাঁর অবস্থান থেকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে শুধু দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর না করে বহুপক্ষীয় উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে বাংলাদেশে একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকেন্দ্র তৈরিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। বিশেষ দূত বিষয়টি নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার কথা বলেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ জাপানের বিনিয়োগ পেতে আগ্রহী এবং দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে জানান।
একই সঙ্গে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আগ্রহের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও মালামাল উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য বাসস’কে নিশ্চিত করেন কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।
বিজিবি জানায়, গতকাল রোববার রাত ৮টার দিকে জামালপুর বিওপি’র দায়িত্বে নিয়েজিত কাশেম বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ হাজার ৩২০ প্যাকেট ভারতীয় পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়।
এরপর সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিলমারী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ মরার পাড়া কবরস্থান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৯৮০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ২ হাজার ৮০ পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট ও ৬শ’ প্যাকেট ভারতীয় পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে ভোর সোয়া ৪টার দিকে বিলগাথুয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ দক্ষিণ বিলগাথুয়া মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পটরিত্যক্ত অবস্থায় ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা মালামালের মোট আনুমানিক বাজার মূল্য ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১শ’ টাকা।
বিজিবি আরও জানায়, সীমান্ত দিয়ে মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও অবৈধ পারাপারসহ সব ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ