সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৪ পি.এম
অস্ট্রেলিয়ার সরকার সতর্ক করেছে যে চলতি শতকের ৬০-এর দশকের মধ্যে দেশে জন্মহারের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে অস্ট্রেলিয়া, জাপান, জার্মানি ও ফ্রান্সের মতো উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মতো জনসংখ্যাগত সংকটের সম্মুখীন হতে পারে।
এই পূর্বাভাসটি অস্ট্রেলিয়ার ট্রেজারি বিভাগের সাম্প্রতিক ‘ইন্টারজেনারেশনাল রিপোর্ট’-এ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ২০৬৫-৬৬ অর্থবছরের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা ৩ কোটি ৯৩ লাখে পৌঁছাবে, যা ২০২৩ সালের পূর্বাভাসের চেয়ে ১৮ লাখ কম।
প্রতিবেদনের প্রধান তথ্যসমূহ:
জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি হ্রাস: আগামী চার দশকের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বার্ষিক গড়ে ০.৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে, যা বিগত ৪০ বছরের গড় ১.৪ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
প্রবীণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি: ২০৬৫-৬৬ সালের মধ্যে ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সী অস্ট্রেলীয়দের সংখ্যা তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে।
জন্মহার হ্রাস ও অভিবাসন নির্ভরতা: দেশের প্রজনন হার (ফার্টিলিটি রেট) কমে ১.৩৪-এ নেমে যাবে। ফলে জনসংখ্যার যেকোনো প্রবৃদ্ধি সম্পূর্ণরূপে আন্তর্জাতিক অভিবাসনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
যদিও জন্মহার কমছে এবং প্রবীণদের সংখ্যা বাড়ছে, সরকারের আশা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কর্মক্ষেত্রে নারী ও প্রবীণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ফলে ২০৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে দেশের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণেরও বেশি হবে।
অস্ট্রেলিয়ার ট্রেজারার জিম চালমারস মন্তব্য করেছেন, "আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের ঝুঁকির মুখে থাকলেও অস্ট্রেলিয়া অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নেই।"
অন্যদিকে, ব্যবসায়িক সংগঠন ‘বিজনেস কাউন্সিল অব অস্ট্রেলিয়া’ এই অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির প্রধান নির্বাহী ব্রান ব্ল্যাক জানিয়েছেন, উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাওয়ার কারণে বর্তমানে প্রতি অস্ট্রেলীয় নাগরিকের বার্ষিক মাথাপিছু আয় ২০২৩ সালের অনুমানের তুলনায় প্রায় ২,০০০ ডলার কমে গেছে। ফলে এআই প্রযুক্তি রাতারাতি অর্থনীতিতে কতটা সুফল আনবে, তা নিয়ে তারা সন্দিহান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বার্সেলোনার তারকা লামিন ইয়ামাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে রিয়াল মাদ্রিদের হারের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি মার্ক পুবিলের জয়ের ছবি পোস্টে পাঁচটি বিস্ফোরণ ইমোজি ব্যবহার করেন।
মাদ্রিদ ডার্বিতে রিয়ালের ২-১ গোলে পরাজয়ের পর ইয়ামালের এই প্রতিক্রিয়া দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়। তবে এটি তাঁর ব্যক্তিগত সামাজিকমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া, যা বার্সেলোনার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবে গণ্য নয়।
এটি ইয়ামালের রিয়াল মাদ্রিদের প্রতি এমন মন্তব্যের প্রথম উদাহরণ নয়। সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছিলেন, রিয়াল মাদ্রিদের খেলা দেখার সময় তিনি সবসময় দলটির পরাজয় কামনা করেন। মাদ্রিদ ডার্বির পর তাঁর নতুন প্রতিক্রিয়ার কারণে সেই মন্তব্য আবার আলোচনায় এসেছে।
রোববার মেট্রোপলিতানোতে আতলেতিকো মাদ্রিদ ১০ জনের রিয়াল মাদ্রিদকে ২-১ গোলে পরাজিত করে। আতলেতিকোর হয়ে গোল করেন জুলিয়ানো সিমিওনে ও জোনাথন ডেভিড, আর রিয়ালের একমাত্র গোলটি করেন আন্তোনিও রুডিগার।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দিন হুইসেন লাল কার্ড দেখানোর পর রিয়াল ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এরপর আলেহান্দ্রো গ্রিমালদোর পেনাল্টি ও ডেভিডের গোলে এগিয়ে যায় আতলেতিকো। শেষ মুহূর্তে রুডিগার গোল করলেও রিয়াল সমতা ফেরাতে পারেনি।
বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে দুই দলের খেলোয়াড়দের মাঠের বাইরের মন্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া প্রায়ই আলোচনায় আসে। ইয়ামাল, যিনি বার্সেলোনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তরুণ খেলোয়াড়, রিয়ালের পরাজয় নিয়ে তাঁর প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রসঙ্গকে সামনে এনেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস গতকাল রোববার নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, অভিনেত্রী একটি চকচকে ধূসর-বাদামি রঙের স্টাইলিশ টু-পিস স্যুট পরিধান করেছেন। তবে পোশাকের চেয়ে তার হাতে থাকা বই এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা বইয়ের সংখ্যা বেশি নজর কাড়ছে।
অপুর হাতে রয়েছে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘গীতাঞ্জলি’। বইটি নিয়ে নানাভাবে পোজ দিয়েছেন তিনি। কখনো বইয়ের পাতায় চোখ বুলিয়ে, কখনো মুখে-মাথায় ঠেকিয়ে ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন। ছবিগুলো একটি লাইব্রেরিতে তোলা হয়েছে, যেখানে তার পেছনে থরে থরে সাজানো রয়েছে অনেক বই।
পোস্টের ক্যাপশনে অপু বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ভবিষ্যত অনুমানের সবচেয়ে সেরা উপায় হলো ভবিষ্যতটা নিজেই তৈরি করে নেওয়া।’
এমন আবহে অভিনেত্রীকে দেখে তার ভক্তরা মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন। একজন লিখেছেন, ‘খুব সুন্দর লাগছে আপু আপনাকে’; আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘একসময় অপুর মুভি ছাড়া চলতোই না, অপু বিশ্বাস মানেই ছোটবেলা’; আরেক অনুসারী পরামর্শ দিয়ে লিখেছেন, ‘লাইব্রেরিতে শাড়ি পরে ফটোশুট করলে একদম পারফেক্ট হতো।’
অপু সম্প্রতি নতুন সিনেমার শুটিং করেছেন। ‘শিকার’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন কামরুজ্জামান রোমান। কিছুদিন আগে নেপালে সিনেমাটির সিংহভাগ শুটিং সম্পন্ন হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙ্গামাটি, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : কাপ্তাই উপজেলায় আজ বন উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ফরেস্ট গার্ডদের জন্য সপ্তাহব্যাপী ‘বেসিক ফরেস্ট্রি’ প্রশিক্ষণ কোর্সের সূচনা হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি হিসেবে রাঙ্গামাটি সার্কেলের বন সংরক্ষক মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল সরকার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই বন উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই পাল্পউড বাগান বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সাজ্জাদুজ্জামান, সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা দীপন চাকমা এবং অন্যান্য অতিথিরা।
এই সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সে মোট ২৫ জন ফরেস্ট গার্ড অংশগ্রহণ করছেন। প্রশিক্ষণে বন ব্যবস্থাপনা, বন সংরক্ষণ, বনজ সম্পদ সুরক্ষা এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন কোভিড-১৯ মোকাবিলায় পরিচালিত প্রকল্পে চিকিৎসা সামগ্রী ও সেবা ক্রয়ে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ছয়টি পৃথক মামলা দায়ের করেছে।
আজ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এই তথ্য প্রকাশ করেন।
দুদকের অনুসন্ধানের ফলাফল অনুযায়ী, কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যান্ডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (ইআরপিপি) প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় মোট ১২ কোটি ৩ লাখ ২৭ হাজার ৯৮৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুদক জানায়, প্রকল্পের আওতায় কেএন৯৫ (কঘ৯৫) ও এন৯৫ (ঘ৯৫) মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হাসপাতাল বেড, চিকিৎসা ও সার্জিক্যাল সামগ্রী, টিভিসি প্রচার, মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবা ক্রয় করা হয়েছিল। এসব ক্রয়ে পরস্পর যোগসাজশ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
প্রথম মামলায় ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা, দ্বিতীয় মামলায় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, তৃতীয় মামলায় ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা, চতুর্থ মামলায় ৬২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টাকা, পঞ্চম মামলায় ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং ষষ্ঠ মামলায় ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলাগুলোর মধ্যে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ছাড়াও কোভিড-১৯ ইআরপিপি প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ইকবাল কবির, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা ঝোরা ও অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানাসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আসামি করা হয়েছে।
এছাড়া, সংশ্লিষ্ট প্যাকেজের পণ্য ও সেবা সরবরাহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তাদেরও মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলোতে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ