ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেট্রোরেল প্রকল্পে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল এলঅ্যান্ডটি


মেট্রোরেল প্রকল্পে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল এলঅ্যান্ডটি

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম প্যাকেজের নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণকাজের চুক্তি ভারতের শীর্ষস্থানীয় অবকাঠামো নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি) অর্জন করেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, তাদের পরিবহন ব্যবসা বিভাগ ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় এই কাজের চুক্তি পেয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি মূল্যের এই চুক্তিকে বড় চুক্তি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এই হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের কাজ পেয়েছে।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

প্রকল্পটির বাস্তবায়নে এলএন্ডটি'র ট্রান্সপোর্টেশন ইনফ্লাস্ট্রাকচার বিভাগ জাপানের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান সুমিটমো কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বে কাজ করবে। চুক্তির আওতায় রেলপথ নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর (পিএসডি) স্থাপনের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এলঅ্যান্ডটি এর আগে বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল করিডর ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলওয়ে সিস্টেম প্যাকেজের কাজও পেয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটি ওই প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এবং বর্তমানে লাইন-৬ বাণিজ্যিকভাবে চালু রয়েছে।

এ বিষয়ে এলঅ্যান্ডটি'র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ট্রান্সপোর্টেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিভাগের প্রধান রামকুমার এস বলেন, "ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর কাছ থেকে বারবার অর্ডার পাওয়াটা বিশ্বব্যাপী বৃহৎ পরিসরের, সমন্বিত নগর গণপরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে এলঅ্যান্ডটি'র সক্ষমতারই প্রমাণ।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা মেট্রোর কাজও প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছে, যা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন।

উল্লেখ্য, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পটি প্রায় ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রদান করবে। এই প্রকল্পের মধ্যে কমলাপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এয়ারপোর্ট রুট এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত পূর্বাচল রুট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে ১৯টি স্টেশন ও পিতালগঞ্জে একটি ডিপো থাকবে।

আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজ্জাকের মেজ ছেলে বাপ্পী অভিনয়ে আসেননি, কানাডায় বসবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


রাজ্জাকের মেজ ছেলে বাপ্পী অভিনয়ে আসেননি, কানাডায় বসবাস

নায়করাজ রাজ্জাকের তিন ছেলে রয়েছেন—বাপ্পারাজ, বাপ্পী ও সম্রাট। বড় ছেলে বাপ্পারাজ এবং ছোট ছেলে সম্রাট অভিনয়ের জগতে সক্রিয় থাকলেও, মেজ ছেলে রওশন হোসেন বাপ্পী বরাবরই আড়ালে অবস্থান করেছেন। পর্দার সামনে তার উপস্থিতি খুব কমই দেখা যায়, বরং পর্দার বাইরেও তিনি খুব একটা প্রকাশ্যে আসেন না। প্রায় এক দশক ধরে কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন তিনি। সম্প্রতি, সেখান থেকে একটি পডকাস্টে যোগ দিয়ে বাবা রাজ্জাককে নিয়ে স্মৃতিচারণা করেছেন বাপ্পী। তিনি জানিয়েছেন, অভিনয়ে না এলেও বাবার সিনেমার প্রযোজনার কাজে ক্যামেরার পেছনে থেকে সক্রিয় ছিলেন।

অনেকের ধারণা, বাপ্পী ছোটবেলা থেকেই দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তবে পডকাস্টে তিনি জানান, তার জীবনের দীর্ঘ সময় মা-বাবার সঙ্গেই কেটেছে। তিনি পড়াশোনা করেছেন ঢাকার তেজগাঁও শাহীন স্কুল, নটর ডেম কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০১৪ সালে কানাডায় পাড়ি জমিয়েছেন। তবে ছেলের বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্তে প্রথমে রাজি ছিলেন না নায়করাজ।

সেই স্মৃতি মনে করে বাপ্পী বলেন, ‘অন্য ভাইবোনদের মতো আমিও তেজগাঁও শাহীন স্কুলে পড়েছি। এরপর নটর ডেম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১৪ সালে কানাডায় চলে আসি। আমি যখন চলে আসি, আব্বা একেবারেই রাজি ছিলেন না। বারবার বলছিলেন—সেখানে গিয়ে তুমি কী করবে? তখন আমার মেয়ে কানাডায় পড়ালেখা করছিল। তাকে বোঝানোর পর তিনি রাজি হন। উনি কিন্তু খুব কঠিন মানুষ ছিলেন। নিজের অনুভূতি সবাইকে বুঝতে দিতেন না। আমি চলে আসার পর আম্মার কাছ থেকে শুনেছি, রুম বন্ধ করে আব্বা অনেক কেঁদেছিলেন।’

বাবার কান্নার সেই স্মৃতি বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বাপ্পী। একসময় যাকে কঠোর মানুষ হিসেবে দেখেছেন, তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা সন্তানের প্রতি গভীর ভালোবাসার কথা মনে করে কেঁদে ফেলেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়, বাবার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশনের সঙ্গে যুক্ত হন বাপ্পী। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি প্রতিষ্ঠানটির কাজ দেখাশোনা করতেন। সেই সময়ের স্মৃতিচারণা করে বাপ্পী বলেন, “আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি, তখন আব্বা বললেন, তুমি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি দেখো। এরপর পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশনে সময় দিতে শুরু করি। ‘সৎ ভাই’ সিনেমা থেকে আমি প্রযোজনার কাজের সঙ্গে যুক্ত। এরপর ‘চাপাডাঙ্গার বউ’ দিয়ে বড় ভাই বাপ্পারাজ সিনেমায় নাম লেখায়। আর সম্রাট তখন অনেক ছোট।”

একসময় অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল বাপ্পীর। মার্শাল আর্টও শিখেছিলেন তিনি। কিন্তু পড়াশোনার চাপ এবং পরে ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার কারণে শেষ পর্যন্ত অভিনয়ে আসা হয়নি তার।

এ প্রসঙ্গে বাপ্পী বলেন, “অভিনয় করার আগ্রহ ছিল। মার্শাল আর্টও শিখেছিলাম। কারণ সে সময় সোহেল রানা আঙ্কেল মার্শাল আর্টের সিনেমা শুরু করেছিলেন, যা আমার খুব ভালো লেগেছিল। আব্বাও মার্শাল আর্ট শিখতে উৎসাহ দিয়েছিলেন। কিন্তু পড়াশোনার চাপ বেড়ে যাওয়ায় আর মনোযোগ দিতে পারিনি। এরপর ব্যবসায় যখন ঢুকে গেলাম, তখন মন ঘুরে যায়। তবে সিনেমার পেছনে অনেক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। বিশেষ করে ‘বাবা কেন চাকর’ সিনেমার চিত্রনাট্য লেখা থেকে শুরু করে রেকর্ডিং পর্যন্ত আব্বার সঙ্গেই ছিলাম।”

পর্দায় অসংখ্য চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেছেন নায়করাজ রাজ্জাক। তবে পরিবারের কাছে তিনি কেমন ছিলেন, সে কথাও জানিয়েছেন বাপ্পী। তার ভাষায়, সন্তানদের মানুষ করার ক্ষেত্রে যেমন কঠোর ছিলেন রাজ্জাক, তেমনি তাদের প্রতি ছিল গভীর ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ।

বাপ্পী বলেন, ‘বাবা হিসেবে উনি ছিলেন অসাধারণ। একজন পারফেক্ট বাবা হিসেবে সন্তানদের যেভাবে মানুষ করতে হয়, ঠিক সেভাবেই আমাদের গড়ে তুলেছেন। উনার শাসন যেমন কড়া ছিল, তেমনি সন্তানদের প্রতি ছিল অগাধ ভালোবাসা। সন্তানদের সময় দেওয়া, খোঁজখবর রাখার বিষয়গুলো তিনি খুব খেয়াল রাখতেন। প্রায়ই আমাদের নিয়ে ঢাকার বাইরে ঘুরতে যেতেন।’

বাবার কঠোর শাসনের পেছনে যে সন্তানদের ভালো রাখার চিন্তা ছিল, তা বড় হওয়ার পর আরও ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন বাপ্পী। সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে না থাকার নিয়ম থেকে শুরু করে সন্তানদের জন্য বাড়িতে নানা ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা—সবকিছুই ছিল রাজ্জাকের পরিকল্পনার অংশ।

এ প্রসঙ্গে বাপ্পী আরও বলেন, ‘উনার কড়া শাসনটা আমাদের খুব কাজে লেগেছে। সে সময় হয়তো মাঝে মাঝে মনে করতাম, উনি এত কড়া কেন? এত রাগারাগি কেন করেন? এখন বুঝি, আমাদের ভালোর জন্যই তিনি এমন করতেন। উনার কড়া নিয়ম ছিল, সন্ধ্যার পর আমরা ঘরের বাইরে থাকতে পারব না। এ কারণে বাসার মধ্যেই অনেক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। খেলার মাঠ থেকে শুরু করে সুইমিংপুল, পশুপাখি, বিড়াল—সবকিছু ছিল আমাদের। ছুটির দিনে আমাদের বন্ধুরাও বাসায় চলে আসত। আমাদের তো খারাপ পথে যাওয়ার কোনো রাস্তাই ছিল না। কারণ আব্বার কারণে সবাই আমাদের চিনত। কিছু হলেই বাসায় খবর চলে আসত। আমরাও খুব সাবধানে থাকতাম। আব্বা সব সময় বলতেন—এমন কিছু কোরো না, যাতে মানুষ তোমাদের খারাপ বলে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেছেন সাহিল চৌহান ও অপর ক্রিকেটাররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেছেন সাহিল চৌহান ও অপর ক্রিকেটাররা

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাট হাতে ঝড় তুলে দ্রুত সেঞ্চুরি করা যেকোনো ব্যাটারের জন্য একটি বিশাল সাফল্য। মাত্র ১২০ বলের ইনিংসে তিন অঙ্কের রান করতে হলে পুরো দলের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবং নিখুঁত টাইমিংয়ের প্রয়োজন হয়। তবে কিছু ব্যাটার এককভাবে অবিশ্বাস্য গতিতে শতকের দেখা পেয়েছেন।

এখন দেখা যাক, এই কীর্তি অর্জনকারী ক্রিকেটারদের নামগুলো কী কী-

১. সাহিল চৌহান (এস্তোনিয়া) — ২৭ বল

পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ডটি এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহানের দখলে। ২০২৪ সালের ১৭ জুন সাইপ্রাসের বিপক্ষে তিনি মাত্র ২৭ বলে সেঞ্চুরি করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন। তার ইনিংসে ছিল ১৮টি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত তিনি ৪১ বলে ১৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

২. মুহাম্মদ ফাহাদ (তুরস্ক) — ২৯ বল

২০২৫ সালের ১২ জুলাই বুলগেরিয়ার বিপক্ষে তুরস্কের মুহাম্মদ ফাহাদ মাত্র ২৯ বলে সেঞ্চুরি করেন। তার এই ইনিংসটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম শতক হিসেবে স্থান করে নেয়।

৩. অভিষেক শর্মা (ভারত) — ৩০ বল

ভারতের বাঁহাতি ওপেনার অভিষেক শর্মা ২০২৬ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেন। পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর ব্যাটারদের মধ্যে এটি দ্রুততম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি শতকের অন্যতম নজির।

৪. ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করেছেন তিনজন — জান নিকোল লফটি-ইটন (নামিবিয়া), সিকান্দার রাজা (জিম্বাবুয়ে), ফিন অ্যালেন (নিউজিল্যান্ড)

২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করেন নামিবিয়ার জান নিকোল লফটি-ইটন। জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর গাম্বিয়ার বিপক্ষে মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করেন। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করেন নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেন। তার অপরাজিত শতকে নিউজিল্যান্ড সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। পূর্ণ সদস্য দুই দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি দ্রুততম সেঞ্চুরি।

৫. কুশল মাল্লা (নেপাল) — ৩৪ বল

২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে নেপালের কুশল মাল্লা মাত্র ৩৪ বলে সেঞ্চুরি করেন। তার এই ইনিংসটি নেপালের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম স্মরণীয় পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত।

৬. ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছেন চারজন — ডেভিড মিলার (দক্ষিণ আফ্রিকা), রোহিত শর্মা (ভারত), সুদেশ বিক্রমাসেকারা (চেক প্রজাতন্ত্র), অভিষেক শর্মা (ভারত)

২০১৭ সালের ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভিড মিলার মাত্র ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেন। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ২০১৯ সালের ৩০ আগস্ট তুরস্কের বিপক্ষে সুদেশ বিক্রমাসেকারা সেঞ্চুরি করেন। ২০২৬ সালের ১৭ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন অভিষেক শর্মা।

৭. ৩৭ বলে সেঞ্চুরি করেছেন দুইজন — অভিষেক শর্মা (ভারত), টিম ডেভিড (অস্ট্রেলিয়া)

২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক এই কীর্তি গড়েন। একই বছর ২৫ জুলাই এই রেকর্ডে ভাগ বসান টিম ডেভিড।

৮. ৩৯ বলে সেঞ্চুরি করেছেন দুইজন — জনসন চার্লস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ফিল সল্ট (ইংল্যান্ড)

২০২৩ সালের ২৬ মার্চ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েন চার্লস। অন্যদিকে ২০২৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রেকর্ডে ভাগ বসান সল্ট।

৯. সাঞ্জু স্যামসন (ভারত) — ৪০ বল

বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর এই রেকর্ড গড়েন স্যামসন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা-লুটপাট, গ্রেপ্তার ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


রংপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা-লুটপাট, গ্রেপ্তার ২

রংপুরের পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তিনটি হিন্দু পরিবারের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ এই মামলাগুলোর মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। একজনকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে করা মামলায় এবং অন্যজনকে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

পুলিশ ও মামলাসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার উপজেলার চক করিম (তেলিপাড়া) এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর ফলে তিনটি হিন্দু পরিবারের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দেয়।

হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে বিশু চন্দ্র মহন্ত বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় শফিকুল ইসলাম আরিফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি গুজিপাড়া এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে।

অন্যদিকে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে আমিনুল দফাদার নামে একজন বাদী হয়ে থানায় পৃথক একটি মামলা করেন। মামলায় সৌরভ চন্দ্র মোহন্তকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর সোমবার রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে ধর্ম অবমাননার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত দীনেশ চন্দ্র মহন্ত জানান, সোমবার সন্ধ্যায় একদল লোক তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়ি থেকে তিনটি ছাগল ও ঘরের আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতারা।

জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্মের নামে কোনো ধরনের সহিংসতা, হামলা, ভাঙচুর কিংবা লুটপাট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ থাকলে তা আইন অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো অভিযোগের বিচার নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। একইভাবে, নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন।’

রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ধর্ম অবমাননার অভিযোগের বিষয়টি যেমন গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে, তেমনি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় ছাত্রলীগের ৪ নিষিদ্ধ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


নওগাঁয় ছাত্রলীগের ৪ নিষিদ্ধ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নওগাঁর মহাদেবপুরে শান্তি বিঘ্নিত ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতের দিকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের চকগোড়া (সরদারপাড়া) এলাকার রোকনুজ্জামান ওরফে সোহাগ (২৫), মো. পিয়ারুল ইসলাম মুসা (১৯), মো. মাহমুদ রায়হান (৩০) এবং একই ইউনিয়নের চকগোড়া (পূর্বপাড়া) গ্রামের মো. সোহেল হোসেন (২১)। উল্লেখ্য, রোকনুজ্জামান সোহাগ স্থানীয় একটি ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং বাকিরা সংগঠনটির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এলাকায় শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে অপরাধীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আগে থেকে থাকা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%