ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিরাজগঞ্জে যুবলীগের মিছিলে পুলিশের ৪ সদস্যকে শাস্তি


সিরাজগঞ্জে যুবলীগের মিছিলে পুলিশের ৪ সদস্যকে শাস্তি

সিরাজগঞ্জে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, টহলরত পুলিশ সদস্যরা মিছিল থেকে হুমকি পাওয়ার পর সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হন। এই ঘটনার পর যমুনা সেতু পশ্চিম থানার চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুল ইসলাম সানতু এবং যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ক্লোজড হওয়া পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— যমুনা সেতু পশ্চিম থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আরিফুর রহমান, কনস্টেবল নাসিমুজ্জামান, মোরশেদুল ইসলাম এবং চালক আব্দুল গফুর।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় নিহত রংপুরের ২৪ বছরের যু্বকের মরদেহ দেশে ফিরল, মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য

জানা গেছে, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের একটি এলাকায় জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. একরামুল হকের নেতৃত্বে ওই বিক্ষোভ মিছিলের ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে একরামুল হককে মিছিলে সরাসরি উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। মিছিলের সামনে একটি পুলিশের টহল গাড়ি ছিল, যেখানে পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মিছিল থেকে লোকজনকে ‘একবারে মাইরা ফালামু’ বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে গাড়ির দরজা খোলা হলেও পরে দরজা বন্ধ করে টহল গাড়িটি চলে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটপাতে চাঁদাবাজি বন্ধে ওয়ার্ডভিত্তিক হকার ব্যবস্থাপনা প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ এম


ফুটপাতে চাঁদাবাজি বন্ধে ওয়ার্ডভিত্তিক হকার ব্যবস্থাপনা প্রস্তাব

ঢাকার ফুটপাতকে পথচারীদের চলাচলের জন্য উপযোগী করে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি হকারদের জীবিকা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ওয়ার্ডভিত্তিক হকার ব্যবস্থাপনা মডেল চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁর মতে, ফুটপাত থেকে হকারদের উচ্ছেদ করলেই সমস্যা সমাধান হবে না; বরং চাঁদাবাজির অর্থনীতি বন্ধ করা এবং হকারদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এ প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকার ফুটপাতের চারপাশে একটি বিশাল চাঁদাবাজির অর্থনীতি গড়ে উঠেছে। ২০১৬ সালে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)-এর গবেষণায় ফুটপাতকেন্দ্রিক চাঁদাবাজির বার্ষিক পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা হিসেবে অনুমান করা হয়েছিল। অন্যদিকে, ২০২৪ সালে হকার্স ফেডারেশনের হিসাব অনুযায়ী, এই পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা হবে।

পাটওয়ারী বলেন, ফুটপাতের মালিক রাষ্ট্র, যেখানে ব্যবসা করেন হকাররা, কিন্তু ভাড়া আদায় করে রাজনৈতিক প্রভাবশালী ও চাঁদাবাজ চক্র। ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে ফুটপাতকেন্দ্রিক চাঁদা আদায়ের নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তন ঘটলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের চাঁদাবাজ ও দখলদারদের তালিকা নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্যও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, অপরাধের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে চিহ্নিত ২৭৮ জনের মধ্যে ২৩০ জন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বর্তমান বা সাবেক নেতাকর্মী। তবে এ ধরনের তালিকার তথ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

পাটওয়ারী আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী চক্রকে নিয়ন্ত্রণ না করে শুধু হকার উচ্ছেদ করা হলে কিছুদিন পর আবার ফুটপাত দখল হয়ে যাবে। তখন আগের চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের মাধ্যমে একই ব্যবসা চালু হতে পারে। ফলে উচ্ছেদ, পুনর্দখল ও চাঁদা আদায়ের চক্র অব্যাহত থাকবে।

হকারদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ঢাকায় হকার ও তাঁদের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ১০ লাখ মানুষের জীবিকা এই খাতের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। বিকল্প কর্মসংস্থান কিংবা ব্যবসার উপযুক্ত জায়গা নিশ্চিত না করে তাঁদের উচ্ছেদ করা হলে তাঁরা আবারও ফুটপাতে ফিরে আসতে বাধ্য হবেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ডিজিটাল কার্ড ও নির্ধারিত বিক্রয় এলাকার উদ্যোগ থাকলেও কতজন হকার নিবন্ধিত হয়েছেন, কতজন বাস্তবে ব্যবসার জায়গা পেয়েছেন এবং সরকারি কোষাগারে কত টাকা জমা হচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করা প্রয়োজন।

সমাধান হিসেবে তিনি ওয়ার্ডভিত্তিক হকার ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি ওয়ার্ডে হকারদের নির্বাচিত প্রতিনিধি, স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এসব কমিটি গঠন করা যেতে পারে।

কমিটির মাধ্যমে কোন এলাকায় কতজন হকার ব্যবসা করতে পারবেন, কোন সময়ে বসতে পারবেন এবং কী পরিমাণ ফি দিতে হবে, তা নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে পথচারীদের চলাচল, ক্রেতার উপস্থিতি ও হকারদের আয়ের বাস্তবতা বিবেচনায় রাখার কথা বলেন তিনি।

এ ছাড়া প্রতিটি বরাদ্দ প্রকাশ্য ডিজিটাল তালিকায় রাখার, সরকারি ফি সরাসরি নির্ধারিত অ্যাকাউন্টে জমা নেওয়ার এবং প্রতিটি লেনদেনের বিপরীতে রসিদ দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি। চাঁদাবাজির অভিযোগ জানানোর জন্য স্বাধীন অভিযোগ ব্যবস্থাও চালুর কথা বলেন।

পাটওয়ারীর প্রস্তাব, প্রথমে ঢাকার কয়েকটি ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে এই মডেল চালু করে ফলাফল মূল্যায়ন করতে হবে। এরপর কার্যকারিতা বিবেচনায় পুরো ঢাকায় তা সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি বিকল্প স্থানে হকারদের ব্যবসা চালু হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ফুটপাত দখলমুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি বলেন, যেখানে ক্রেতা নেই, সেখানে দোকান বরাদ্দ দেওয়া পুনর্বাসন নয়। আবার জীবিকার বিকল্প নিশ্চিত না করে উচ্ছেদ করাও স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। পথচারীদের চলাচলের অধিকার, হকারদের জীবিকা এবং সিটি করপোরেশনের বৈধ রাজস্ব—এই তিনটি বিষয়কে একই ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে।

তাঁর মতে, ফুটপাত পরিষ্কার করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; ফুটপাতকেন্দ্রিক চাঁদাবাজির অর্থনীতিও বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় উচ্ছেদ ও পুনর্দখলের ঘটনা চলতেই থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাসহায়তার লাখ লাখ ডলার চুরি করছে ‘ভূত শিক্ষার্থী’রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ এম


যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাসহায়তার লাখ লাখ ডলার চুরি করছে ‘ভূত শিক্ষার্থী’রা

গত পাঁচ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি শিক্ষাঋণ ও অনুদান থেকে লাখ লাখ ডলার চুরি করেছে প্রতারকেরা। তারা কলেজশিক্ষার্থীর পরিচয় চুরি করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে এসব অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এবার এই প্রতারণা বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ কেনিয়ার পাঁচ নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা সরকারি শিক্ষাসহায়তা থেকে ২০ লাখ ডলার অবৈধভাবে নিয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, অভিযুক্তরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের পরিচয় চুরি করে বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হন এবং এর পর সরকারি শিক্ষাঋণ ও অনুদানের জন্য আবেদন করেন।

নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাঋণের একটি অংশ কলেজের টিউশন ফি ও অন্যান্য খরচ মেটাতে দেওয়া হয়। বাকি অর্থ শিক্ষার্থীদের হাতে চলে যায়। অভিযুক্তরা এই অর্থ নিজেদের কাছে রেখে কেনিয়ায় থাকা সহযোগীদের একটি চক্রের মধ্যে ভাগ করে দিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে ‘ভূত শিক্ষার্থী’ নামে পরিচিত প্রতারণা ঠেকাতে নেওয়া বড় অভিযানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের প্রতারকেরা অন্যের পরিচয় ব্যবহার করে অনলাইনে কলেজে ভর্তি হয় এবং সরকারি আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করে। টাকা পাওয়ার পর তারা উধাও হয়ে যায়।

এই প্রতারণার ফলে সরকারের অর্থের ক্ষতি হচ্ছে এবং পরিচয় চুরি হওয়া সাধারণ মানুষও বিপদে পড়ছেন। প্রতারকেরা তাদের নামে ঋণ নিচ্ছে, ফলে এসব ঋণ পরিশোধের দায়ও পরিচয় চুরি হওয়া ব্যক্তিদের ওপর পড়ছে।

বিচার বিভাগের জাতীয় প্রতারণা দমন বিভাগের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কলিন এম. ম্যাকডোনাল্ড বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন কোনো ভুল নয়। এটি বড় পরিসরে পরিচালিত একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা।" তিনি আরো বলেন, প্রতারকেরা ভুয়া শিক্ষার্থীদের যতদিন সম্ভব কলেজে ভর্তি রাখার চেষ্টা করে, যার মূল উদ্দেশ্য সরকারি অর্থ, অর্থাৎ করদাতাদের টাকা চুরি করা। ম্যাকডোনাল্ড জানান, তদন্তকারীদের ধারণা, অন্তত ২০২১ সাল থেকে এই প্রতারণা চলছে এবং এতে চুরি হওয়া অর্থের পরিমাণ কয়েক শ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে।

শিক্ষাসহায়তা নিয়ে প্রতারণা বন্ধ করতে বিচার বিভাগ দেশটির শিক্ষা বিভাগ ও কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সঙ্গে কাজ করছে। এফবিআইয়ের অপরাধ তদন্ত বিভাগের সহকারী পরিচালক হেইথ জানকে জানান, সংস্থাটির ২৬টি আঞ্চলিক কার্যালয়ে ভুয়া শিক্ষার্থী নিয়ে ৪৫টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।

তদন্তে এখন পর্যন্ত প্রতারকদের খোলা ৮ লাখ ৩০ হাজারের বেশি ভুয়া শিক্ষাসহায়তা হিসাবের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব হিসাব খুলতে চুরি করা পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছিল। এসব হিসাবের কারণে অন্তত ৩ কোটি ২০ লাখ ডলারের শিক্ষাসহায়তা ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। তবে জানকে মনে করেন, প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগের আন্ডারসেক্রেটারি নিকোলাস কেন্ট এই প্রতারণা বেড়ে যাওয়ার জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, আগের প্রশাসন পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম শিথিল করায় প্রতারকেরা সহজে সরকারি শিক্ষাসহায়তা নিতে পেরেছে।

করোনাভাইরাস মহামারির সময় বাইডেন প্রশাসন পরিচয় ও তথ্য যাচাইয়ের কিছু শর্ত শিথিল করেছিল। এর ফলে নিম্ন আয়ের পরিবারের অনেক কলেজশিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তার আবেদনে দেওয়া তথ্যের সত্যতা প্রমাণ করতে অতিরিক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হতো না।

তখন বাইডেন প্রশাসন বলেছিল, পরিচয় চুরি ও প্রতারণা শনাক্ত করার বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে। তবে এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন কেন্ট। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন আবারও প্রতারণা শনাক্ত করার উদ্যোগ জোরদার করেছে। পাশাপাশি শিক্ষাসহায়তার আবেদনকারীদের পরিচয় যাচাইয়ে নতুন নিয়ম চালু করেছে।

২০২৫ সালের জুনে শিক্ষা বিভাগ নতুন নিয়ম কার্যকর করবে। এই নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের নিজেদের পরিচয় প্রমাণ করতে সরকার থেকে দেওয়া পরিচয়পত্র কলেজে দেখাতে হবে। তবে নতুন নিয়ম নিয়ে উচ্চশিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় শিক্ষার্থী আর্থিক সহায়তা প্রশাসক সমিতির নীতিবিশ্লেষণ বিভাগের পরিচালক জিল দেজঁ বলেন, কিছু আর্থিক সহায়তা কর্মকর্তা মনে করছেন, এখনো অনেক প্রতারক যাচাইয়ের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, যথেষ্ট কারণ ছাড়াই অনেক মানুষকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।

দেজঁ বলেন, নতুন উদ্যোগগুলো সঠিক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে নেওয়া হচ্ছে কি না এবং এ ধরনের বড় প্রতারণা বন্ধে কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তিনি আরো বলেন, গত কয়েক বছরে শিক্ষাসহায়তা নিয়ে প্রতারণা বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে।

কলেজগুলো অভিযোগ করেছে, শিক্ষার্থীদের পরিচয় ব্যবহার করে আর্থিক সহায়তার অর্থ চুরি করতে আসা প্রতারকদের কারণে তারা সমস্যায় পড়ছে। প্রতারকের সংখ্যা এত বেড়েছে যে তাদের সামাল দিতে কলেজগুলোকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কর্মকর্তারা জানান, প্রতারকদের প্রধান লক্ষ্য কমিউনিটি কলেজগুলো। এসব কলেজে পড়াশোনার খরচ তুলনামূলক কম। ফলে টিউশন ফি ও অন্যান্য খরচ মেটানোর পর শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষাঋণ বা অনুদানের বেশি অর্থ থাকে। প্রতারকেরা মূলত এই অর্থই হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান মার্কিন নৌ অবরোধকে ‘সম্মিলিত শাস্তি’ বলল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ এম


ইরান মার্কিন নৌ অবরোধকে ‘সম্মিলিত শাস্তি’ বলল

ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও তার সমর্থকদের দায়ী করেছে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতা এবং আঞ্চলিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার জন্য।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ইরানের ওপর জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই অবরোধ সাধারণ মানুষের ওপর ‘সম্মিলিত শাস্তি’ চাপিয়ে দেওয়ার সমান।

আইআরআইবি, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম, জানিয়েছে যে, এসব মন্তব্য তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সময় করেছেন।

ইরাভানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের ফলে বেসামরিক মানুষের খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়ার সুযোগ হুমকির মুখে পড়েছে। তিনি এই ধরনের পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন যে, এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক নৌ চলাচল ব্যাহত হওয়ার জন্য ওয়াশিংটন এবং তাদের সমর্থকরা দায়ী। যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এসব পদক্ষেপকে তিনি সম্মিলিত শাস্তি হিসেবে অভিহিত করেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে যে, তাদের নৌ অবরোধ ইরানের ওপর কার্যকর রয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো ইরানি জাহাজই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারেনি।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তামান্নার শরীর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের কড়া জবাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ এম


তামান্নার শরীর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের কড়া জবাব

অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার গায়ের রং এবং শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে প্রবীণ অভিনেতা আন্নু কাপুরের মন্তব্যের কারণে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তাঁর মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই মন্তব্যটিকে আপত্তিকর ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ বলে আখ্যা দেন। এতদিন পর, তামান্না ভাটিয়া সেই বিতর্ক নিয়ে কথা বলেছেন। তবে তিনি বিষয়টি নিয়ে আর পড়ে থাকতে চান না। তাঁর মনোযোগ বর্তমানে নিজের কাজ এবং অভিনয়জীবনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায়।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তামান্না বলেন, একজন সৃষ্টিশীল মানুষের জন্য অন্যের কথা শোনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোন কথাকে গুরুত্ব দিতে হবে এবং কোনটি এড়িয়ে যেতে হবে, সেই বোধও থাকা প্রয়োজন।

তামান্নার ভাষায়, ‘একজন সৃষ্টিশীল মানুষ হিসেবে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো শোনা। কিন্তু কী শুনছি, তার মধ্যে কোনটা গ্রহণ করব আর কোনটায় কান দেব না, সেটা বোঝাও জরুরি।’

এ ধরনের বিতর্কে মনোযোগ দেওয়ার পরিণতি সম্পর্কেও নিজের মত প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এই ধরনের বিষয়কে গুরুত্ব দিতে শুরু করি, তাহলে হয়তো জীবনে এগিয়ে যাওয়াই কঠিন হয়ে পড়বে।’

আন্নু কাপুরের মন্তব্য তাঁকে কতটা প্রভাবিত করেছে, সে বিষয়ে তামান্না স্পষ্ট করে জানান, তিনি এসব নিয়ে ভাবতে চান না। বরং নিজের কাজের দিকেই মনোযোগী থাকতে পছন্দ করেন।

অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি এসব বিষয় দেখিই না। আমি আমার কাজের দিকে মন দিই। কী তৈরি করতে চাই, কীভাবে আমার অভিনয়জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, সেদিকেই নজর রাখি।’

শুধু অভিনয় নয়, নিজের কাজকে মানুষের প্রতি একধরনের সেবা হিসেবেও দেখেন তামান্না। তাঁর বিশ্বাস, কাজের পেছনে সৎ উদ্দেশ্য থাকলে তা মানুষের কাছে পৌঁছায়।

যে মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

গত বছর তামান্নার ‘আজ কি রাত’ গানের দৃশ্য নিয়ে আলোচনার সময় আন্নু কাপুর তাঁর গায়ের রং ও শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। অভিনেত্রীর সৌন্দর্যের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘মাশাআল্লাহ! কী দুধের মতো ফর্সা শরীর!’

তবে শুধু প্রশংসাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি প্রবীণ এই অভিনেতা। তামান্নাকে উদ্দেশ করে তাঁর আরও কিছু মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মন্তব্যগুলোকে আপত্তিকর ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ বলে সমালোচনা করেন।

সেই বিতর্কের রেশ ধরেই এবার নিজের অবস্থান জানালেন তামান্না। তবে অন্যের মন্তব্য নিয়ে পড়ে না থেকে নিজের কাজেই মনোযোগী থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%