শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৪১ পি.এম
ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার যোশীমঠের নিকটবর্তী এলাকায় একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় পাইলটসহ মোট ছয়জন যাত্রী ছিলেন। হেলিকপ্টারটি বদরীনাথ থেকে দেরাদুনের দিকে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার্লি এক্স-রে কোম্পানির পরিচালিত হেলিকপ্টারটি হাতি পর্বতের কাছে নিখোঁজ হয়ে যায়। কর্তৃপক্ষ পরে হেলিকপ্টারটির সন্ধানে আরো দুটি হেলিকপ্টার মোতায়েন করে।
সংবাদমাধ্যম এএনআইকে যোশীমঠ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মনোহর কানিয়াল জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২১ মিনিটে যোশীমঠের মহকুমা প্রশাসনের কাছ থেকে চায়ি গ্রামের ওপরের এলাকায় হেলিকপ্টারটির জরুরি অবতরণ বা বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। উত্তরাখণ্ড সিভিল এভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (ইউকাডা) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বদরীনাথ থেকে সাহাস্ত্রধারাগামী ট্রান্স ভারত হেলিকপ্টারটির অবস্থান চায়ি গ্রামের ওপরের সেনা ক্যাম্পের কাছে শনাক্ত করা হয়েছে।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, হেলিকপ্টারটি যোশীমঠের নিকটবর্তী চায়ি গ্রামের পাশে বিধ্বস্ত হয়েছে। জেলা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ধামি উল্লেখ করেছেন, তিনি নিজে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিজ ঘর থেকে মো. আয়াস (২২) নামের এক সদস্যকে ধরে নিয়ে গিয়ে মারধর করে হত্যা করেছে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) সদস্যরা। তিনি রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) এর সদস্য ছিলেন। এ ঘটনায় ছৈয়দ মোহাম্মদ (২৪) নামের অপর এক আরএসও সদস্য আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে এই ঘটনা ঘটে।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এপিবিএনের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি জানান, দিবাগত রাত ১২ টার দিকে আরসা সদস্যরা আয়াস ও ছৈয়দ মোহাম্মদকে হেফাজতে নিয়ে মারধর করে। মারধরের ফলে আয়াস ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ছৈয়দ মোহাম্মদ গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। ক্যাম্প সংলগ্ন এমএসএফ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।
রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আরও জানান, প্রাথমিকভাবে আরসা সদস্য মো. সলিম, নজিম উল্লাহ, ফয়সাল, আকরাম, হানিফসহ কয়েকজন এ ঘটনায় জড়িত বলে জানা গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের দলে স্থান পেয়েছেন দুই প্রাক্তন তারকা বীরেন্দ্র শেহবাগ ও রাহুল দ্রাবিড়ের পুত্র আর্যবীর শেহবাগ এবং অনভয় দ্রাবিড়। লক্ষ্ম্য রায়চন্দানি দলের অধিনায়ক হিসেবে এবং যশবর্ধন চৌহান সহঅধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এবারের অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ থেকে ১৪ নভেম্বর, ওমানের মাসকাটে।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সাফল্যের পর ভারত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ করছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিরুদ্ধে চার দিনের সিরিজে ভারত ২-০ এবং এক দিনের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয়লাভ করেছে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের চার দিনের সিরিজে ভারত ১-০ ব্যবধানে জিতলেও এক দিনের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চার দিনের সিরিজে ভারতের অধিনায়ক রায়চন্দানি ছিলেন সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান। তিন ইনিংসে তাঁর রান ছিল ২৫০, যার মধ্যে প্রথম ম্যাচে তিনি ২৪০ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন। এক দিনের সিরিজে সহঅধিনায়ক যশবর্ধন চৌহান সর্বাধিক রান সংগ্রহ করেন, দুই ইনিংসে তাঁর রান ছিল ১৭৬, যার মধ্যে দ্বিতীয় ম্যাচে একটি শতক ছিল।
আর্যবীর শেহবাগও এক দিনের সিরিজে ধারাবাহিকতা প্রদর্শন করেছেন। তাঁর তিন ইনিংসে রান ছিল ২৮, ৪৭ ও ৩৪। উইকেটরক্ষক অনভয় দ্রাবিড় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলা দুই এক দিনের ম্যাচে ৩৮ ও ৯ রান করেন। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজে তিনি ৬৭ বলে ৮৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।
ভারতের দলে থাকা অন্যান্য ক্রিকেটারদের মধ্যে কুশাগ্র ওঝা, মানাল চৌহান এবং ডানহাতি মাঝারি গতির বোলার মোহিত উলভা সাম্প্রতিক সিরিজে নজর কেড়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম চার দিনের ম্যাচে ১০ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে উলভা মাত্র ৮৪ বলে ৯২ রান করেছিলেন।
এশিয়া কাপে ভারত ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে। তাদের সঙ্গে রয়েছে নেপাল, পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কা। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালে উঠবে।
ভারতের ১৫ সদস্যের দলে অন্তর্ভুক্ত আছেন লক্ষ্ম্য রায়চন্দানি (অধিনায়ক), আর্যবীর শেহবাগ, ভিকে বিনীত, যশবর্ধন চৌহান (সহঅধিনায়ক), কুশাগ্র ওঝা, অর্জুন রাজপুত, মানাল চৌহান, অনভয় দ্রাবিড় (উইকেটরক্ষক), রজত বাঘেল (উইকেটরক্ষক), ভি যশবীর, আরিয়ান সাভসানি, মোহিত উলভা, কাব্য প্যাটেল, শাভিন বিনোদ ও ঈশান সুদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ ছয় বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছে, যাদের ভারতে পাচার করার পর পুনের কুখ্যাত যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পাচার করা হয়েছিল।
মহারাষ্ট্রের পুনে শহরের বুধবার পেথ এলাকার একাধিক নিষিদ্ধ পল্লিতে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়।
মানবপাচার ও জোরপূর্বক দেহব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগে চার দালালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ, এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুনে পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (জোন-১) ঋষিকেশ রাওয়ালের নির্দেশে ফারাসখানা, বিশ্রামবাগ এবং খাদক থানার সমন্বয়ে একটি বিশেষ যৌথ দল গঠন করা হয়। এই দলটি বুধবার ভোরে বুধবার পেথ এলাকার নির্দিষ্ট কয়েকটি যৌনপল্লিতে একযোগে অভিযান চালায় এবং বন্দিদশা থেকে এই ছয় নারীকে উদ্ধার করে।
উদ্ধার অভিযানের পর ফারাসখানা থানা-পুলিশ মানবপাচার চক্রের চার সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে চক্রের দুই দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে চিহ্নিত অন্য দুই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার হওয়া নারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তারা প্রায় চার মাস আগে ভালো বেতনে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে ভারতে আনা হয়েছিল। ভুক্তভোগীদের কারও কাছে বৈধ পাসপোর্ট বা পরিচয়পত্র ছিল না। মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন আধুনিক শহরে আকর্ষণীয় চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের পুনেতে এনে নিষিদ্ধ পল্লির সর্দারনিদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ থেকে ভারতে নারী পাচারের এই চক্রটি বুধবার পেথ এলাকাকে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করছে। চলতি বছরের মার্চ মাসেও একই এলাকার একটি যৌনপল্লি থেকে চার বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছিল পুনে সিটি পুলিশ। তাদেরও একই কায়দায় লোভনীয় চাকরির ফাঁদে ফেলে সীমান্ত পার করে এনে জোরপূর্বক দেহব্যবসায় নামানো হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ