রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১১ পি.এম
ইতালির কিংবদন্তি ফুটবলার পাওলো মালদিনির পুত্র এবং ক্যাগলিয়ারির তারকা স্ট্রাইকার ড্যানিয়েল মালদিনি এক সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। রবিবার স্থানীয় সময় ভোর আনুমানিক ৫:১৫ মিনিটে মিলানের ভিয়া টলেন্টিনো এবং ফ্রান্সেসকো কারাক্সিওলোর সংযোগস্থলে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে, আশার বিষয় হলো, তিনি গুরুতর কোনো আঘাত পাননি এবং প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
জনপ্রিয় ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম লা গাজ্জেত্তা দেল্লো স্পোর্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচ পরবর্তী ছুটি কাটাতে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েন এই তারকা স্ট্রাইকার। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেরগামোতে সিরি-এ তে আটলান্টার বিপক্ষে ক্যাগলিয়ারির জয়ের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোল করার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর তিনি দুর্ঘটনার শিকার হন। সেই সাথে এই ফরোয়ার্ড মাঠে দারুণ পারফর্মও করেছিলেন।
ভোরের এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে দুটি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে, যা মিলানের রাস্তায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে পাশে পার্ক করে রাখা একটি তৃতীয় মার্সিডিজ এসইউভিকেও ধাক্কা লাগে।
খবর পেয়ে জরুরি সেবা বিভাগ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি মেডিকেল গাড়ি দ্রুত সেখানে পৌঁছে আহতদের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করে। সেখানে থাকা ছয়জনের মধ্যে একজনকে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা দেওয়া হয়। মালদিনিসহ বাকি পাঁচজনকে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ২৪ বছর বয়সী এই তারকাকে ফাতেবেনেফ্রাতেলি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে সংক্ষিপ্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চোট গুরুতর না হওয়ায় তিনি ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।
খেলোয়াড়ের আইনজীবী দানিলো বুওনজিওর্নো বলেন, ‘জরুরি বিভাগে জরুরি অবস্থার অধীনে একটি সংক্ষিপ্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মালদিনিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মালদিনি বাড়ি ফিরেছে এবং সম্পূর্ণ সুস্থ আছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে আগামী বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। পরবর্তী দিন বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মচারীরা নিয়মিত কার্যক্রমে ফিরবেন। তবে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। এর ফলে ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নিলে টানা চার দিনের ছুটি পাওয়া যাবে।
তবে ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কোনো সাধারণ ছুটি নেই। ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকাতেও এই উপলক্ষে সাধারণ ছুটি রাখা হয়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম চলবে।
এদিকে ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার মধুপূর্ণিমা পালিত হবে। দিনটি সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে পড়ায় এ উপলক্ষে আলাদা কোনো ছুটি থাকছে না।
ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে কি?
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বায়ত্তশাসিত হওয়ায় ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ছুটি দেওয়া হবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। তাই দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে এ উপলক্ষে ছুটি নাও থাকতে পারে।
কিছু বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে পারে। আবার কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমও চলতে পারে। এ কারণে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির নোটিশ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ভূমি সংস্কার বোর্ডের অধীনে কোর্ট অব ওয়ার্ডস ভাওয়াল রাজ এস্টেটের বহিষ্কৃত হিসাবরক্ষক ইমামুল বাশার, যিনি মিলন নামেও পরিচিত, তাকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।
এই রায় রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন আসামির উপস্থিতিতে ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের স্টেনোগ্রাফার সোহানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সরকারি কর্মচারী হিসেবে অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে ইমামুলকে ৭ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ কোর্ট অব ওয়ার্ডস ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, জাল কাগজপত্র তৈরি করে সেটি আসল হিসেবে ব্যবহারের জন্য তাকে আরও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে, যা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের শাস্তি হিসেবে গণ্য হবে। পৃথক দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে, ফলে তাকে সাত বছর কারাভোগ করতে হবে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করেন। তিনি ভুয়া জমা ভাউচার তৈরি করে তা খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেন। ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই পর্যন্ত ভূমি সংস্কার বোর্ড থেকে ঋণ আদায় বাবদ মোট ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা পাওয়া যায়। তিনি ওই অর্থ ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন।
এই ঘটনায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপসহকারী পরিচালক আবুল কালাম ২০২১ সালের ৯ জুন ইমামুল বাশারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ২০২৩ সালের ২২ মার্চ মামলার তদন্ত শেষে কমিশনের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরবর্তী বছরের ১১ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালতে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের নতুন নাটক ‘পথের সাথীকে চিনে নিও’ দর্শকদের মধ্যে যথেষ্ট সাড়া ফেললেও, গল্পে বিসিএস ক্যাডার এবং সরকারি চাকরি সম্পর্কে একাধিক ভুল তথ্য প্রদর্শনের কারণে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। নাটকটি ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হওয়ার পর ইতোমধ্যে ৫১ লাখের বেশি দর্শক এটি দেখেছেন।
নাটকটিতে মুশফিক আর ফারহান অভিনয় করেছেন মইন খান চরিত্রে। গল্পের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, দরিদ্র পরিবারের এই তরুণ বিসিএস ক্যাডার হওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে চাকরিতে যোগদানের প্রথম দিনেই তাকে ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়, যা সচেতন দর্শকদের মধ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
দর্শকদের অভিযোগ রয়েছে যে, প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দেওয়ার পর সরাসরি ইউএনও হওয়া সম্ভব নয়। এছাড়া নাটকে মইনের পদ হিসেবে ‘অ্যাসোসিয়েট ম্যাজিস্ট্রেট’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা নিয়েও অনেকের আপত্তি রয়েছে। নাটকের একটি নামফলকে ‘উত্তরা’কে উপজেলা হিসেবে দেখানো নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে।
এসব ভুল তথ্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শকদের মধ্যে বিভিন্ন মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। অনেকেই নাটক নির্মাণের পূর্বে সরকারি চাকরির কাঠামো এবং পদগুলোর বিষয়ে আরও ভালোভাবে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে নির্মাতা বা অভিনয়শিল্পীদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জুবায়ের ইবনে বকরের পরিচালনায় নাটকটির গল্প লিখেছেন শাহজাহান সৌরভ। মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে নাটকে অভিনয় করেছেন অর্চিতা স্পর্শিয়া, জয়নাল জ্যাক, মিলি বাসার ও আরকে রেজাসহ আরও অনেকে। নাটকের সংগীত পরিচালনা করেছেন সালাম জিম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নুসরাত ইমরোজ তিশা প্রায় দুই দশক ধরে অভিনয় জগতে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। তার অভিনয়ের পাশাপাশি, সৌন্দর্য এবং পরিপাটি সাজও সবসময়ই ভক্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তবে, ঝলমলে ফ্যাশনের পরিবর্তে সাধারণ এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
সম্প্রতি, সামাজিক মাধ্যমে তিশা কিছু নতুন ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবিগুলোতে তাকে লাল শাড়িতে দেখা যাচ্ছে। তার সঙ্গে রয়েছে কাচের চুড়ি এবং মানানসই অলংকার। ঐতিহ্যবাহী সাজে বিভিন্ন ভঙ্গিতে তিনি ক্যামেরার সামনে ধরা দিয়েছেন।
কখনো তিনি মিষ্টি হাসি দিয়ে ক্যামেরার দিকে তাকিয়েছেন, আবার কখনো লাজুক ভঙ্গিতে মুখ আড়াল করে চোখ বন্ধ করেছেন। তার এই স্বাভাবিক এবং মায়াবী উপস্থিতি ভক্তদের নজর কেড়েছে। ছবিগুলো প্রকাশের পর, মন্তব্যের ঘরে অনেকেই অভিনেত্রীর প্রশংসা করেছেন।
ছবির সঙ্গে তিশা একটি বিশেষ বার্তাও দিয়েছেন। নিজের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘চুপিচুপি বদলে উঠছি’। তার এই বার্তাও অনুসারীদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
দীর্ঘ অভিনয়জীবনে, তিশা অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক এবং চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে পর্দায় তার উপস্থিতি কিছুটা কমেছে, তবে সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিয়মিতভাবে নিজের কাজ, পরিবার এবং জীবনের বিভিন্ন মুহূর্ত তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ