রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৮ পি.এম
জনপ্রিয় অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের নতুন নাটক ‘পথের সাথীকে চিনে নিও’ দর্শকদের মধ্যে যথেষ্ট সাড়া ফেললেও, গল্পে বিসিএস ক্যাডার এবং সরকারি চাকরি সম্পর্কে একাধিক ভুল তথ্য প্রদর্শনের কারণে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। নাটকটি ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হওয়ার পর ইতোমধ্যে ৫১ লাখের বেশি দর্শক এটি দেখেছেন।
নাটকটিতে মুশফিক আর ফারহান অভিনয় করেছেন মইন খান চরিত্রে। গল্পের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, দরিদ্র পরিবারের এই তরুণ বিসিএস ক্যাডার হওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে চাকরিতে যোগদানের প্রথম দিনেই তাকে ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়, যা সচেতন দর্শকদের মধ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
দর্শকদের অভিযোগ রয়েছে যে, প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দেওয়ার পর সরাসরি ইউএনও হওয়া সম্ভব নয়। এছাড়া নাটকে মইনের পদ হিসেবে ‘অ্যাসোসিয়েট ম্যাজিস্ট্রেট’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা নিয়েও অনেকের আপত্তি রয়েছে। নাটকের একটি নামফলকে ‘উত্তরা’কে উপজেলা হিসেবে দেখানো নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে।
এসব ভুল তথ্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শকদের মধ্যে বিভিন্ন মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। অনেকেই নাটক নির্মাণের পূর্বে সরকারি চাকরির কাঠামো এবং পদগুলোর বিষয়ে আরও ভালোভাবে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে নির্মাতা বা অভিনয়শিল্পীদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জুবায়ের ইবনে বকরের পরিচালনায় নাটকটির গল্প লিখেছেন শাহজাহান সৌরভ। মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে নাটকে অভিনয় করেছেন অর্চিতা স্পর্শিয়া, জয়নাল জ্যাক, মিলি বাসার ও আরকে রেজাসহ আরও অনেকে। নাটকের সংগীত পরিচালনা করেছেন সালাম জিম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নুসরাত ইমরোজ তিশা প্রায় দুই দশক ধরে অভিনয় জগতে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। তার অভিনয়ের পাশাপাশি, সৌন্দর্য এবং পরিপাটি সাজও সবসময়ই ভক্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তবে, ঝলমলে ফ্যাশনের পরিবর্তে সাধারণ এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
সম্প্রতি, সামাজিক মাধ্যমে তিশা কিছু নতুন ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবিগুলোতে তাকে লাল শাড়িতে দেখা যাচ্ছে। তার সঙ্গে রয়েছে কাচের চুড়ি এবং মানানসই অলংকার। ঐতিহ্যবাহী সাজে বিভিন্ন ভঙ্গিতে তিনি ক্যামেরার সামনে ধরা দিয়েছেন।
কখনো তিনি মিষ্টি হাসি দিয়ে ক্যামেরার দিকে তাকিয়েছেন, আবার কখনো লাজুক ভঙ্গিতে মুখ আড়াল করে চোখ বন্ধ করেছেন। তার এই স্বাভাবিক এবং মায়াবী উপস্থিতি ভক্তদের নজর কেড়েছে। ছবিগুলো প্রকাশের পর, মন্তব্যের ঘরে অনেকেই অভিনেত্রীর প্রশংসা করেছেন।
ছবির সঙ্গে তিশা একটি বিশেষ বার্তাও দিয়েছেন। নিজের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘চুপিচুপি বদলে উঠছি’। তার এই বার্তাও অনুসারীদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
দীর্ঘ অভিনয়জীবনে, তিশা অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক এবং চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে পর্দায় তার উপস্থিতি কিছুটা কমেছে, তবে সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিয়মিতভাবে নিজের কাজ, পরিবার এবং জীবনের বিভিন্ন মুহূর্ত তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ছয়জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১৫৬১ জন ডেঙ্গু রোগী।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩০৭ জন ঢাকার বিভাগের (মহানগর বাদে) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এছাড়া, ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোতে ১৭৬ জন (সিটি করপোরেশন বাদে), ঢাকা বিভাগে ১৪৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০৮ জন, খুলনা বিভাগের ২৭৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৮১ জন, সিলেট বিভাগে ৬ জন, রংপুর বিভাগে ১০৪ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
এদিকে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ নারী। এই সময়ে মোট ৫১ হাজার ৮৩৭ জন ডেঙ্গু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকতে আপনাকে নিজের দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
এআইকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে না দেখে, বরং সহযোগী হিসেবে ব্যবহার করা শিখতে হবে। এআই আপনার চাকরি কেড়ে নেবে না; বরং যে ব্যক্তি এআই ব্যবহার করতে জানেন, তিনি হয়তো এআই না জানা ব্যক্তির জায়গাটি দখলে নিতে সক্ষম হবেন। তাই এআই সম্পর্কে আপনার জ্ঞান থাকা আবশ্যক; অন্যথায় আপনার ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাবে।
আমাদের গভীর আবেগের উৎস হলো আজীবন অর্জিত অভিজ্ঞতা। কিছু ছোট সাফল্য ও ব্যর্থতার সমন্বয়ে গঠিত অভিজ্ঞতা, কিছু অসাধারণ মুহূর্ত কিংবা কিছু তীব্র কষ্টের ভাণ্ডার থেকে। যখন একজন ব্যক্তি সত্যিকার অর্থে কোনো মেলবন্ধন ঘটাতে চান, তখন এআইয়ের সরবরাহ করা সাবলীল টেক্সটের পাশাপাশি আরও কিছু প্রয়োজন হয়। জেনারেটিভ এআই সিস্টেমগুলো এখন গান ও উপন্যাস লিখছে। তবে, এসব কি শোনার বা পড়ার যোগ্য হবে?
সম্ভবত হবে। কারণ, “জেনারেটিভ এআই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমন কোনো কাজ করবে না, যা আমার অন্তরের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে যাবে।” জেনারেটিভ এআইয়ের কোনো জীবন্ত অভিজ্ঞতা বা বাস্তবজীবন নেই। এটি একটি ভুয়া জীবনের অভিনয় করতে পারে, কিন্তু ভুয়া জীবনের কোনো ভুয়া সঙ্গী কেই বা চায়? আমি বিশ্বাস করি, কিছু পেশা বা চাকরি থাকবে যেখানে মানুষের সঙ্গে মানুষের গভীর সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন চাকরির সৃষ্টি হবে এবং সেগুলো হারিয়ে যাবে না। ভবিষ্যতে সেসবের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। মানুষের প্রয়োজন হবে মানুষের। তাই গ্র্যাজুয়েটরা— আমরা মাঝে মাঝে বিভ্রান্ত ও ভীত হব— এটা হয়তো এড়ানো সম্ভব নয়।
এর আগে ২০১৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী কম্পিউটার বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি পাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলির তড়িৎ প্রকৌশল ও কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক মাইকেল আরউইন জর্ডান গত মে মাসে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন বক্তব্য দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও পরিসংখ্যান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক মাইকেল আরউইন জর্ডানের নির্বাচিত অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—
তিনি বলেন, “২০২৬ সালের গ্র্যাজুয়েটরা, তোমাদের শুভেচ্ছা। একই সঙ্গে সমবেদনাও জানাচ্ছি। এমন এক জটিল সময়ে তোমরা বড় হচ্ছ, যে সময় দ্রুতই বদলে যাচ্ছে। এ মুহূর্তে ভবিষ্যদ্বাণী করা যেমন কঠিন, ঠিক তেমনই দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নেওয়াও বেশ কঠিন। কারণ এই জন্য— একজন বিখ্যাত পরিসংখ্যানবিদের একটি গল্প আছে। জীবনের একটা সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে তিনি দ্বিধায় পড়েছিলেন— পূর্ব উপকূলে থাকবেন, নাকি পশ্চিম উপকূলে চলে যাবেন! সেই সময় এক সহকর্মী তাকে বললেন, ‘তুমি তো পরিসংখ্যান বিশেষজ্ঞ! তুমি তো জানোই যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সম্ভাব্য সব পরিণতি বিবেচনা করে সেটাই বেছে নেওয়া, যেটার উপযোগিতা সর্বোচ্চ।’ পরিসংখ্যানবিদ বললেন, ‘তুমি বুঝতে পারছ না। এটা বাস্তবজীবন।’
ইমেরিটাস অধ্যাপক মাইকেল আরউইন জর্ডান বলেন, অনেক দিন আগে কালের অতলে হারিয়ে যাওয়া আমার নিজের সমাবর্তনের কথা বলি। সমাবর্তনের বিশেষ টুপি আর গাউন পরে বসেছিলাম। এমন সময় পাশে একজনকে আবিষ্কার করলাম, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের চার বছরেও যার সঙ্গে কখনো দেখা হয়নি। আমরা কথা শুরু করলাম।
তিনি বলেন, “একটা সময় মনে হলো— আমাদের কত পুরোনো বন্ধুত্ব। যেন অনেক দিনের সম্পর্ক। একদিকে সমাবর্তনের বোরিং বক্তৃতা চলছিল, অন্যদিকে আমরা আমাদের আশা, ভয়, অভিজ্ঞতা আর পরিবার নিয়ে কথা বলছিলাম। তারপর আবার যে যার পথে চলে গেলাম। সাধারণত বিচ্ছেদের সময় যে দুঃখবোধ থাকে, তার কিছুই সেখানে ছিল না। পরিস্থিতি আর পরিবেশটা যদি ঠিক হয়, তাহলে দুজন মানুষের সংযোগ অপ্রত্যাশিতভাবেই কতটা গভীর হতে পারে, সেদিন বুঝেছিলাম।” কেউ কেউ বলেন, এআই এমন এক নতুন যুগ নিয়ে আসবে, যা আমাদের সবচেয়ে কঠিন সমস্যাগুলো সমাধান করে দেবে। আবার কেউ বলেন, এটি মানবজাতিকে ক্রীতদাস বানিয়ে ফেলবে। এসব শুনে বিভ্রান্ত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।
ইমেরিটাস অধ্যাপক বলেন, এআই প্রযুক্তির প্রথমে সায়েন্স ফিকশনের মতো অবাক করা কিছু অগ্রগতির কথা তুলে ধরা। তারপর দুশ্চিন্তার বিষয়গুলোতে আসা। তবে আজ আমি ক্রমটা উল্টে দিতে চাই। কারণ এআই নিয়ে শঙ্কার শেষ নেই। তিনি বলেন, প্রথমত এটা স্পষ্ট যে, আগামী দশকে বহু চাকরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কারণ এমনভাবে বদলে যাবে, যা আগে থেকে অনুমান করা খুব কঠিন। এর মধ্যে কম্পিউটার প্রোগ্রামারের চাকরিও আছে! অথচ এক দশক আগেও আমরা এটাকে সবচেয়ে নিরাপদ চাকরি মনে করতাম।
অধ্যাপক মাইকেল আরউইন জর্ডান বলেন, দ্বিতীয়ত আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে একদম আমূল বদলে ফেলা প্রয়োজন। সদ্য গ্র্যাজুয়েট হিসেবে কথাটা হয়তো তোমাদের জন্য বেশ উদ্বেগের। তবে আশা করি তোমরা এতদিনে বুঝে ফেলেছ, শিক্ষা এমন কোনো বিষয় নয় যা একবার শেষ করলেই চুকে যায়। এ ছাড়া প্রযুক্তির এই পরিবর্তনের সময়ে শুরুর দিকে বৈষম্য বেশ প্রকট হবে। আমরা এখন যে বৈষম্য দেখছি, সম্পদের বৈষম্য তারচেয়েও বাড়বে। সুযোগের বৈষম্য তৈরি হবে। এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া লেখা ও ছবির বিস্তার বর্তমানে আমাদের সমাজকে ব্যাহত করছে। ভবিষ্যতেও এটা চলতে থাকবে।
তিনি বলেন, এ সমস্যাগুলোর কারণে সারাবিশ্বেই গণতন্ত্র— এমনকি এর অস্তিত্বই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। শ্রমবাজারের তোলপাড়, বৈষম্য ও ভুল তথ্যের ওপর ভর করেই গণতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনগুলো ডালপালা মেলবে। বাস্তবতার এই অস্বস্তিকর তালিকা দেখে মনে হতেই পারে— এত প্রযুক্তির দরকারই বা কি? আমি ১৯৬০-এর দশকে বড় হয়েছি। তাই এ ধরনের প্রতিক্রিয়া আমার মধ্যে খুব স্বাভাবিকভাবেই আসে। তবে আমি বলব— প্রযুক্তির অগ্রগতি আদতে আমাদের প্রয়োজন আছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিজ্ঞাপনী বাজার ও ডিজিটাল বিপণনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচিত হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-এআই চালিত প্রোগ্রাম্যাটিক এড-বাইয়িং প্ল্যাটফর্ম অ্যাডজোইক (AdZoic)।
রাজধানীর বনানীতে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে একটি অভিজাত হোটেলে প্ল্যাটফর্মটির আনুষ্ঠানিক যাত্রার ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে সেলস ইন্টেলিজেন্স ও ডিজিটাল মার্কেটিংকে একসূত্রে বাঁধতে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম ‘আম্ব্রেলাএক্স’ (Umbrellax)-এর সমন্বিত ইকোসিস্টেম উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে অ্যাডজোইক-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জয়ন্ত চ্যাটার্জী উল্লেখ করেন, প্রথাগত নিয়মে আন্দাজ নির্ভর বিজ্ঞাপন চালাতে গিয়ে উদ্যোক্তা ও ব্র্যান্ডগুলোর প্রচুর অর্থ ও সময় অপচয় হয়। ডিসেলস (DSales)-এর ডেটা ও সেলস ইন্টেলিজেন্সের শক্ত ভিত্তির ওপর নির্ভর করে নির্মিত অ্যাডজোইক (AdZoic) ব্র্যান্ডগুলোকে সঠিক ডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে কম খরচে কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।
অ্যাডজোইক-এর প্রযুক্তিগত কৌশল ও কার্যক্রম উপস্থাপন করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির চিফ টেকনোলজি অফিসার টিপু আরবিদ জানান, অ্যাডজোইক (AdZoic) কোনো সাধারণ সোশ্যাল মিডিয়া এড ম্যানেজমেন্ট টুল নয়; এটি একটি ডিমান্ড-সাইড প্ল্যাটফর্ম (DSP)। কোনো থার্ড-পার্টি কুকির ওপর নির্ভর না করে এটি মাত্র ১০ মিলিসেকেন্ডের কম সময়ে সিদ্ধান্ত নেয় এবং ১০০ মিলিসেকেন্ডের ডিজিটাল নিলামের মাধ্যমে সর্বনিম্ন খরচে সঠিক বিজ্ঞাপন নিশ্চিত করে।
ইভেন্টের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে প্ল্যাটফর্মটির অফিশিয়াল কাউন্টডাউন উন্মোচন করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জয়ন্ত চ্যাটার্জী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে. এম. আমিনুর রহমান এবং চিফ টেকনোলজি অফিসার টিপু আরবিদ।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে ধন্যবাদ জ্ঞাপন বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে. এম. আমিনুর রহমান বিজ্ঞাপনী সংস্থা, পাবলিশার এবং ব্র্যান্ডগুলোকে এই এআই-নির্ভর নতুন ইকোসিস্টেমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান DSales-এর ছাতার নিচে গড়ে ওঠা AdZoic ও Umbrellax যৌথভাবে ডিজিটাল প্রোগ্রামেটিক বিজ্ঞাপন, ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এবং সেলস অটোমেশনকে একটি স্মার্ট ড্যাশবোর্ডে নিয়ে এসেছে, যা এশিয়াজুড়ে ডিজিটাল ব্যবসার ধারা বদলে দিতে প্রস্তুত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ