শোরাফ উদ্দিন,লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৬ পি.এম
কমলনগরে ১০ দিন ধরে নিখোঁজ মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. আকরাম নামে ১২ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্র ১০ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। আকরামের খোঁজে থানায় জিডিও করেছেন তার মা মাহফুজা বেগম।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত পর্যন্ত আকরামকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কোথাও তার সন্ধান পেলে কমলনগর থানায় যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছেন পরিবার। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর সকালে কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরবসু গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়ে সে আর ফিরে আসেনি। আকরাম স্থানীয় চর বসু মাদরাসার ছাত্র ও একই এলাকার জলিলের ছেলে।
নিখোঁজ আকরামের মা মাহফুজা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঘটনার দিন ভোরে আকরাম নামাজ পড়তে ওঠে। পরে তাকে ২০ টাকা দিলে সে বিস্কুট কিনে এনে খায়। এরপর সে বাড়ি থেকে মাদরাসায় গিয়ে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় তাকে খোঁজ করেও পাইনি। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতেও সে যায়নি।
নিখোঁজ আকরামের বাবা বলেন, ১০ দিন ধরে আকরামকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না। কোথাও তাকে দেখলে কমলনগর থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি। তার শোকে আমার স্ত্রী অনবরত কান্না করে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আল্লাহর আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালিত না হলে কাফের হয়ে যাবো বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, লক্ষ্মীপুর জেলার সেক্রেটারি মাওলানা জহির উদ্দিন।
মাওলানা জহির উদ্দিন বলেন,' আল্লাহর দেওয়া আইন অনুযায়ী যদি আমার এ রাষ্ট্র পরিচালিত না হয়, তাহলে আমরা জালেম হয়ে যাবো, আমরা কাফের হয়ে যাবো, আমরা ফাসেক হয়ে যাবো। বাংলাদেশের মধ্যে এক জিন্দা শাহজালাল আমাদেরকে ডাক দিয়েছেন। বাংলার এই জিন্দা শাহজালাল পীর সাহেব চরমোনাই। বাংলার এ জমিনে শরীয়াহ ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠার করার জন্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাড়া বিকল্প কোনো সংগঠন নেই। আপনারা অন্যান্য ইসলামী সংগঠন আছে আলহামদুলিল্লাহ। বাংলাদেশে অনেকগুলো ইসলামী সংগঠন আছে। আমি আওয়ামী লীগ, বিএনপির কথা বলবো না। তারা তো কেউ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়ন করবেন, কেউ শেখ মুজিবের আদর্শ বাস্তবায়ন করবেন।'
তিনি বলেন, 'আমাদের মধ্যে অনেকগুলো ইসলামী সংগঠন আছে, তারা শরীয়াহ'র কথা, আল্লাহর দ্বীন বাস্তবায়নের স্পষ্ট কথা বলে না। একমাত্র এ বাংলাদেশের জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার জন্যে জিন্দা শাহজালাল পীর সাহেব চরমোনাই সকল মানুষকে বিশেষ করে ১৮ কোটি মানুষ, যারা শতকরা ৯২জন মুসলমান তাদেরকে আহ্বান করেছে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার জন্য।'
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের আমান উল্যাহপুর আয়েশা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে 'জনপ্রত্যাশা পূরণে শরীয়াহ ভিত্তিক রাষ্ট্রকাঠামো প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইউনিয়ন সম্মেলন ২০২৬' এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়ন সভাপতি আমির হোসেন মুন্সীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, লক্ষ্মীপুর জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ইমরান হোসাইন, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্যপ্রার্থী মাওলানা হেলাল উদ্দিন, জেলা যুব আন্দোলনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শোরাফ উদ্দিন স্বপন, ছাত্র আন্দোলনের জেলা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মুরাদ, সদর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা সালেহ আহমদ, সদর যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা শরাফত করিম জিহাদ।
এ সময় প্রধান অতিথি মাওলানা জহির উদ্দিন বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আমির হোসেন মুন্সী, সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন শিবলু এবং সাধারণ সম্পাদক আরিফ সুলতানের নাম ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধাসহ উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের বঞ্চনা দূরীকরণ এবং নদীবিজ্ঞানসম্মত সর্বাধুনিক ‘জিরো ল্যান্ড একুইজিশন’ মডেলে ২য় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের দাবিতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ইটাকুড়ি ও মুন্সীর হাটে এক বিশাল মানববন্ধন, পথসভা ও গণসংযোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘তিস্তামুখ ঘাট–বাহাদুরাবাদ ঘাট ২য় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র আহ্বানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার হাজারো রাজনৈতিক-সামাজিক নেতা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং চরাঞ্চলের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন।
পথসভায় বক্তারা বলেন, ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাট (ফুলছড়ি)–বাহাদুরাবাদ ঘাট (দেওয়ানগঞ্জ) রুটটি নদীবিজ্ঞানের বিচারে শত বছরের সংকুচিত ও স্থির নদী চ্যানেল। বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন ঘিরে প্রয়োজনীয় সরকারি জমি প্রস্তুত থাকায় নতুন কোনো জমি অধিগ্রহণ (Zero Land Acquisition) ছাড়াই প্রস্তাবিত "সাশ্রয়ী ও কম খরচে এ সেতু ও রেললাইন নির্মাণ সম্ভব। বক্তারা অকার্যকর ও নাব্যতাহীন পয়েন্টের পেছনে সময় নষ্ট না করে দেশের বিপুল অর্থ সাশ্রয়ে অবিলম্বে এ টেকসই রুটে প্রজেক্ট অনুমোদনের জন্য সরকারের নীতিনির্ধারকদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জোর দাবি জানান।
কর্মসূচি সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় আয়োজকবৃন্দ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী এবং উপস্থিত জনতার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাবির ধারাবাহিকতায় আগামীতে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় বিশেষ ক্যাম্পেইন, স্মারকলিপি প্রদান এবং তিস্তামুখ ঘাটে মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মুড়িয়াহাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংকট নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন। তবে তুলনামূলকভাবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি কম বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থী সংকটের কারণে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে হাতেগোনা শিক্ষার্থী দেখা যায়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও পাঠদানের মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থী সংকটের মধ্যেই অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের মুড়িয়াহাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবছরই এভাবে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থী আনার ঘটনা ঘটে। তবে অভিযোগটির সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ভর্তি, নিবন্ধন ও এসএসসি পরীক্ষার নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানদের পড়াশোনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তান এই বিদ্যালয়ে না পড়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে। এ বিষয়েও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বাড়ির কাছে বিদ্যালয় থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষার্থী নাগেশ্বরী উপজেলা সদরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হচ্ছে। ফলে এলাকার একটি প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয় কেন নিজ এলাকার শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে পারছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের প্রকৃত শিক্ষার্থী সংখ্যা, উপস্থিতির হার, পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালন এবং অন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অভিযোগসহ সার্বিক বিষয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।
তাদের দাবি, উপজেলা ও জেলা শিক্ষা প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংকটের প্রকৃত কারণ এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ সকাল আনুমানিক ১০:৪৫ঘটিকায় মির্জাপুর থানাধীন মির্জাপুর নতুন বাইপাস সংলগ্ন মারকাযুল উম্মা হাফিজিয়া মাদ্রাসার (পুরুষ) নাজেরা বিভাগের ছাত্রকে উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ আল-আমীন(২৪), পিতা-আব্দুল মালেক, মাতা-মোছাঃ আছমা বেগম, সাং-শশধর পট্টি, পোঃ কামারপাড়া, থানা-মির্জাপুর, জেলা-টাঙ্গাইল কর্তৃক বলাৎকারের অভিযোগ উঠে।
ভিকটিমের পিতা সৌদি প্রবাসী। গত জানুয়ারি/২০২৬ ভিকটিমের মা ভিকটিমকে মারকাযুল উম্মা হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগে ভর্তি করায়। গত ৩/৪মাস পূর্ব হতে ভিকটিমের পায়খানা রাস্তা দিয়ে রক্তঝরা সমস্যা দেখা দিলে ভিকটিমের মা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করায়। গত ০৮-০৯-২৬ তারিখ শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভিকটিমকে তার মা মাদ্রাসা থেকে বাসায় নিয়ে যায় এবং গতকাল ১০-০৯-২৬ তারিখ মির্জাপুর পপুলার হাসপাতালে ডাক্তার দেখালে বলাৎকারের বিষয়টি জানতে পারে। পরবর্তীতে ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ আল আমিনের কথা তার মাকে বলে দেয়।
আজ ভিকটিমের মা ভিকটিমসহ আরো কয়েকজনকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসায় আসে এবং অভিযুক্ত হাফেজ আল-আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে জানালে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমসহ অভিযুক্ত হাফিজ আল-আমিন ও উক্ত মাদ্রাসার পরিচালককে হেফাজতে নেয়।
হাফেজ মোঃ আল-আমীন(২৪), পিতা-আব্দুল মালেক, মাতা-মোছাঃ আছমা বেগম, সাং-শশধর পট্টি, পোঃ কামারপাড়া, থানা-মির্জাপুর, জেলা-টাঙ্গাইল। শিক্ষক, নাজেরা বিভাগ, মাকাযুল উম্মা মাদ্রাসা ও হাফেজ মোঃ মনিরুজ্জামান (৫১), পিতা-মোঃ আব্দুল হালিম, মাতা-মৃত মনোয়ারা বেগম,
সাং-পারদিঘী, পোঃ থলপাড়া, থানা-মির্জাপুর, জেলা-টাঙ্গাইলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
মির্জাপুর থানা পুলিশ কর্তৃক পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ