মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)
০৪:৩৪ পি.এম
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকারের মানবিক ও ব্যতিক্রমী পদক্ষেপের ফলে ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেল একটি পরিবার। ইউএনও’র মধ্যস্থতায় স্বামী-স্ত্রীর দীর্ঘদিনের ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটার পর দম্পতির মুখে আবার ফুটেছে হাসির ঝিলিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুলিয়ারচর পৌরশহরের নোয়াগাঁও বেপারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা সানাউল্লাহ মিয়ার সাথে তাঁর স্ত্রী জুলেখা আক্তারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে স্ত্রী জুলেখা বিচার ও প্রতিকার চেয়ে ইউএনও’র শরণাপন্ন হন। বিষয়টির সংবেদনশীলতা অনুধাবন করে ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দম্পতিকে তাঁকেইকার্যালয়ে ডেকে পাঠান।
সোমবার (২০) জুলাই দুপুরের দিকে উপজেলা কার্যালয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য ইউএনও অত্যন্ত ধৈর্য ও আন্তরিকতার সাথে শোনেন। পরবর্তীতে সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ তুলে ধরে আলোচনার মাধ্যমে তিনি উভয়ের মাঝে মান-অভিমান ও ভুল বোঝাবুঝি দূর করেন। প্রশাসনের এই আন্তরিক প্রচেষ্টায় সানাউল্লাহ ও জুলেখা অতীত ভুলে পুনরায় এক ছাদের নিচে সংসার শুরু করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সংকটের ইতি টেনে, শুধু জোড়াতালি নয়, এই স্মরণীয় মুহূর্তকে আরও আনন্দময় করতে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করা এই দম্পতির হাতে বিশেষ উপহারও তুলে দেন ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার।
পুনর্মিলনের এই সময়টিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহ আলম, কুলিয়ারচর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আজহার উদ্দিন লিটন, সাংবাদিক মো. নাঈমুজ্জামান নাঈম, আলী হায়দার ও মো. সবুজ মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয় সচেতন মহল এই মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে জানান, আদালতের দীর্ঘসূত্রতা ও সামাজিক টানাপোড়েন এড়িয়ে প্রশাসনিক এমন মানবিক হস্তক্ষেপে একটি পুরো পরিবার ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে গেল। তারা মনে মনে আশা করেন, এ ঘটনা সমাজে পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় রাখতে ইতিবাচক বার্তা দেবে।
প্রশাসনের এই অনন্য ভূমিকা সম্পর্কে ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার জানান, আন্তরিকতা, ধৈর্য ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে যেকোনো পারিবারিক বিরোধ আলোচনা মাধ্যমে মেটানো সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, জনবান্ধব ও মানবিক প্রশাসন গড়ে তুলতে স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এক বছর মেয়াদি মাল্টিপল-এন্ট্রি ওমরাহ ভিসা চালু করেছে। নতুন এই ভিসার মাধ্যমে এক বছরের মধ্যে একাধিকবার সৌদি আরবে প্রবেশ করে ওমরাহ পালন করা যাবে। তবে, মোট অবস্থানের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৯০ দিন হবে।
সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক প্রভাবশালী গণমাধ্যম গালফ নিউজ।
সৌদির নতুন ভিসাটি ইস্যুর তারিখ থেকে ৩৬৫ দিন পর্যন্ত বৈধ থাকবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ভিসাধারীরা একাধিকবার সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, সৌদি ভিশন ২০৩০ এবং ‘পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম’-এর অংশ হিসেবে নতুন এই ওমরাহ ভিসা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াত সহজ করা, সেবার মান উন্নত করা এবং হজযাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করা।
তবে, প্রতিবার ওমরাহ পালনের আগে ভিসাধারীদের নুসুক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুমোদিত সেবা প্রদানকারীর কাছ থেকে একটি সার্ভিস প্যাকেজ কিনতে হবে। এই প্যাকেজের মেয়াদ ভিসার অবশিষ্ট বৈধতার চেয়ে বেশি হতে পারবে না। পাশাপাশি, সৌদি আরবে যাওয়ার আগে নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে ওমরাহর অনুমতিপত্র (পারমিট) সংগ্রহ করতে হবে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ আরও জানায় যে, প্রতিবার সৌদি আরব ত্যাগের পর ভিসাটি সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় হবে। তবে, পরবর্তী সফরের শর্ত পূরণ হলে আবারও এটি সক্রিয় করা হবে।
তবে, হজ মৌসুমে, অর্থাৎ জিলকদ মাসের ১ তারিখ থেকে জিলহজ মাসের ১৩ তারিখ পর্যন্ত এই ভিসা কার্যকর থাকবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেন রাতভর ৪০০টি ড্রোন ব্যবহার করে মস্কো ও আশপাশের এলাকায় হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ফলে ১০ জন আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি ভবনে আগুন লাগেছে। সোমবার (২০ জুলাই) রুশ কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটি রাশিয়ার রাজধানী মস্কোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অন্যতম বৃহৎ ড্রোন হামলা। এই হামলায় ৪০০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ব্যবহারের কথা মস্কো জানিয়েছে।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন বার্তা সংস্থা টেলিগ্রামে উল্লেখ করেন, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে রাতভর অন্তত ৪০০টি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ড্রোনের একটি বড় অংশ রাজধানী মস্কোর সীমান্তের বাইরে ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৫টি ড্রোন মাঝপথে ভূপাতিত করা হয়েছেন রাশিয়ার হাতে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস এই ঘটনাকে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে মস্কোর ওপর ইউক্রেনের অন্যতম বড় হামলা বলে বর্ণনা করেছে।
মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রে ভোরোবিওভ রাশিয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ম্যাক্স-এ জানান, আকাশ প্রতিরক্ষা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার সহযোগিতায় কিছু আক্রমণ ঠেকানো সম্ভব হলেও পোডোলস্ক, ডমোদেডোভো এবং ওডিনত্সোভো জেলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান, ভূপাতিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের ফলে বেশ কিছু ব্যক্তিগত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি স্থানে আগুন লেগেছে এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
এদিকে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এই হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের দাবি, এটি ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। হামলার ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) গভীর রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত এই হামলা চলেছিল।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানান, রাজধানী কিয়েভকে লক্ষ্য করে ইস্কান্দার-এম ও হাইপারসনিক জিরকনসহ প্রায় ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া। গভীর রাত দেড়টার দিকে যখন বাসিন্দারা ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠে। প্রথমে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিরোধের আওয়াজ শোনা যায়। এরপর কয়েক মিনিটের ব্যবধানেই একের পর এক বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রাজধানী। সূত্র: রয়টার্স, এবিসি নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স নিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি কড়া সমালোচনা করেছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফুটবল বিশ্লেষক ফিল ম্যাকনালটির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে সবচেয়ে বড় হতাশার কারণ প্রতিপক্ষ স্পেন নয়, বরং আর্জেন্টিনার নিজেদের কৌশল ও আচরণ। প্রতিবেদনের শিরোনামেই উল্লেখ করা হয়েছে, আর্জেন্টিনা যেন মেসির সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা তাদের স্বাভাবিক ফুটবল থেকে সরে গিয়ে অতিরিক্ত শারীরিক ও আক্রমণাত্মক কৌশলের ওপর নির্ভর করে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দলের আক্রমণ সাজানোর পরিবর্তে তিনি দীর্ঘসময় কার্যত বিচ্ছিন্ন ছিলেন এবং নিজের স্বাভাবিক প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি।
বিবিসির মতে, বয়স বেড়ানোর সাথে সাথে মেসি নিজেকে বারবার নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন। ৩৯ বছর বয়সেও তিনি বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। কিন্তু ফাইনালে সতীর্থদের খেলার ধরন তাকে কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ দেয়নি।
প্রতিবেদনে যেটি বলা হয়েছে, স্পেনের জয় ছিল ফুটবলের জয়। কারণ, পুরো ম্যাচে স্প্যানিশরা বলের নিয়ন্ত্রণ, পাসিং ও আক্রমণাত্মক পরিকল্পনায় এগিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনা বারবার ফাউল, শারীরিক লড়াই এবং উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়েছিল।
বিবিসি আরও উল্লেখ করেছে, ম্যাচের শুরুতে স্পেনের দানি ওলমোর ওপর আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের একটি কঠিন ফাউলের পরও কঠোর শাস্তি না হওয়ায় গ্যালারিতে থাকা স্প্যানিশ সমর্থকেরা ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নাম বলে ব্যঙ্গাত্মক স্লোগান দিয়েছেন। টুর্নামেন্টজুড়ে আর্জেন্টিনা রেফারিংয়ে সুবিধা পেয়েছে—এমন অভিযোগও নতুন করে আলোচনায় আসে।
প্রথম হলুদ কার্ড পেতে আর্জেন্টিনার ৪০ মিনিট সময় লেগে যাওয়ার বিষয়টিও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। বিবিসির ভাষ্য অনুযায়ী, ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের একাধিক কঠিন ফাউল অনেকের কাছে বিস্ময়কর ছিল।
মেসিও এক পর্যায়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। স্পেনের মার্ক কুকুরেয়ার আচরণের বিরুদ্ধে রেফারির কাছে অভিযোগ জানাতে দেখা যায় তাকে। তবে প্রতিবেদনে মূল সমালোচনা ছিল দলের সামগ্রিক মানসিকতা নিয়ে।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সময়ে যাওয়ার ঠিক আগে এনজো ফার্নান্দেজের অপ্রয়োজনীয় ফাউল এবং দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার ঘটনা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। একজন কম নিয়ে খেলতে বাধ্য হওয়ায় আর্জেন্টিনা আরও চাপে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়েই হারের মুখ দেখে।
পরিসংখ্যানও আর্জেন্টিনার হতাশাজনক পারফরম্যান্সের প্রমাণ দিয়েছে। বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো শটই নিতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। অপরদিকে স্পেন গোলমুখে ১২টি শট নেয়। প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষের শেষ তৃতীয়াংশে আর্জেন্টিনার সফল পাস ছিল মাত্র আটটি, অথচ তাদের ফাউল ছিল নয়টি।
ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনাও তৈরি হয়। লিয়ান্দ্রো পারেদেস এরিক গার্সিয়া ও গাভির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন, যা নিয়ে নতুন করে সমালোচনার জন্ম দেয়। বিবিসির মতে, একটি অসাধারণ বিশ্বকাপের সমাপ্তি এমনভাবে হওয়া উচিত ছিল না।
তবে সমালোচনার মাঝেও মেসির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে এটি যদি সত্যিই তার শেষ ম্যাচ হয়ে থাকে, তবে তাকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা হিসেবে মনে রাখা হবে।
সূত্র: বিবিসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীনে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য লোগো, রিলস, মাসকট, স্লোগান এবং থিম সং পাঠানোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
সোমবার, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপপরিচালক প্রফেসর মো. শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ উপলক্ষে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬ উপলক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য লোগো, রিলস, মাসকট, স্লোগান এবং থিম সং আহ্বান করা হচ্ছে। এগুলো আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে তৈরি করে [email protected] মেইলে প্রেরণের জন্য বলা হয়েছে। লোগো পিএনজি, জেপিজি এবং জেপিইজি ফরমেটে পাঠাতে হবে। রিলস তৈরি করে উল্লিখিত ই-মেইলে লিংক প্রেরণ করতে হবে।
এদিকে, এতে আরো বলা হয়, রিলস অবশ্যই শিক্ষার্থীদের (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের) ফুটবল খেলা সম্পর্কিত হতে হবে। থিম সং তৈরি করে ওয়ার্ড এবং পিডিএফ ফরমেটে ই-মেইলে পাঠানো আবশ্যক। মাসকট তৈরি করে ই-মেইলে পাঠানোর জন্যও বলা হয়েছে। স্লোগানও ই-মেইলে পাঠাতে নির্দেশনাও রয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, উপরোল্লিখিত তথ্য প্রেরণের সাথে একটি সচল মোবাইল নম্বর এবং যোগাযোগের ঠিকানা প্রেরণ করতে হবে। লোগো, রিলস, মাসকট, স্লোগান এবং থিম সং তৈরি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদেরকে প্রধানমন্ত্রী পুরস্কৃত করবেন। ইতিমধ্যে যারা লোগো, রিলস এবং থিম সং প্রেরণ করেছেন, তাদের নতুন করে পাঠানো প্রয়োজন নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ