ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সোনালী ব্যাংক থেকে ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে পালাল চোরচক্র


সোনালী ব্যাংক থেকে ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে পালাল চোরচক্র

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সোনালী ব্যাংক থেকে সাত লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে চোরচক্র। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে পৌর এলাকার কুমারশীল মোড়ের ব্যাংকের করপোরেট শাখায় এই ঘটনা ঘটে। একাধিক সূত্র থেকে জানা যায় যে, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে আবু ইউসুফ বাবু নামের একজন ব্যক্তি সাত লাখ ৮০ হাজার টাকার পে অর্ডার কাটার জন্য ব্যাংকে যান। তিনি টাকার ব্যাগটি ক্যাশ কাউন্টারের সামনে রেখেছিলেন এবং পাশে একটি টেবিলে বসে জমা ভাউচার লিখছিলেন। এসময় চোরচক্রের একজন সদস্য এসে কৌশলে টাকার ব্যাগটি কাউন্টার থেকে নিয়ে চলে যান।

পুলিশ পরে ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করে।

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার সিলেটের কিছু এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

আবু ইউসুফ বাবুল বলেন, 'জেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের নামে পে অর্ডারে সাত লাখ ৮০ হাজার টাকা জমা দেওয়ার জন্য দুপুরে সোনালী ব্যাংকে গিয়েছিলাম। আমি ক্যাশ কাউন্টারের সামনে টাকার ব্যাগ রেখে ভাউচার লিখছিলাম। এ সময় একটি চক্র টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।'

সোনালী ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া করপোরেট শাখার প্রধান মে. শরীফুল হক জানান, গ্রাহক টাকার ব্যাগটি কাউন্টারের সামনে রেখেছিল এবং জমার ভাউচার লিখছিলেন। টাকার দিকে নজর না রাখার ফলে চোরচক্র কৌশলে টাকা নিয়ে ব্যাংক থেকে চলে যায়। গ্রাহকের অসাবধানতার কারণেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে। সিসিটিভির ফুটেজে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, সোনালী ব্যাংক থেকে একজন গ্রাহকের টাকা চুরির একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই বিষয়ে অভিযোগ অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে খড়বোঝাই গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই ব্যবহারে সরকারের দক্ষতা বাড়বে, সহজ হবে নাগরিক সেবা: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


এআই ব্যবহারে সরকারের দক্ষতা বাড়বে, সহজ হবে নাগরিক সেবা: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে সরকার আরও দক্ষ হবে। এতে নাগরিক সেবা সহজ হবে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ডিজিটাল সরকার ও অর্থনীতি শক্তিশালীকরণের (ইডিজিই) প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে ৫ দিনব্যাপী 'স্ট্যাট্রিজিক ইউজ অব এআই টুলস এন্ড সাইবার সিকিউরিটি ফর পিএমও অফিসিয়ালস' সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের জন্য অপরিহার্য। এর মাধ্যমে সরকার কিভাবে দ্রুত এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে পারে তা প্রমাণ হবে। প্রশাসনিক জটিলতা কমবে এবং নাগরিক সেবা উন্নত হবে।

এছাড়াও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সুযোগ বাড়ানো হবে। বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রদর্শন নয়; বরং প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনকে আরও সহজ করা। আমরা একটি স্মার্ট সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছি, যেখানে নাগরিকরা সহজে ও দ্রুত সেবা পাবেন, সিদ্ধান্ত তথ্যভিত্তিক হবে এবং প্রশাসন আরও কার্যকর, দক্ষ ও জনবান্ধব হবে।

উপদেষ্টা আরও জানান, সভ্যতার অগ্রযাত্রায় কৃষি বিপ্লব, শিল্প বিপ্লব ও ডিজিটাল বিপ্লবের পর এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপ্লব শুরু হয়েছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে রাষ্ট্র পরিচালনা, নাগরিক সেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার প্রশাসনকে আরো দক্ষ, দ্রুত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে সক্ষম।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হচ্ছে তথ্য বিশ্লেষণে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজে, কর্মের গতি বৃদ্ধিতে এবং সেবার মান উন্নয়নের জন্য। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের বিকল্প নয়, বরং মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা বাড়ানোর একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। প্রযুক্তি কখনও মানুষের প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের বিকল্প নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রজ্ঞা দ্বারা পূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করবে।

ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, এই প্রশিক্ষণের প্রকৃত সফলতা নির্ভর হবে কর্মক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার বাস্তবায়নের ওপর। এই জ্ঞান সরকারি কাজ ও সাইবার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে সহজ করবে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি স্মার্ট, দক্ষ ও জনগণমুখী প্রশাসন গড়ে তোলা। স্মার্ট জনপ্রশাসন নিয়মিত ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের চাপ কমিয়ে কর্মকর্তাদের আরো গুরুত্বপূর্ণ ও সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করার সুযোগ করবে। ফলে প্রশাসনিক দক্ষতা বেড়ে যাবে এবং নাগরিকরা দ্রুত, সহজ ও মানসম্মত সেবা পাবেন।

মো. জবিউল্লাহ আরও বলেন, প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে নতুন কিছু চ্যালেঞ্জও আসবে। তাই এই পরিবর্তনের জন্য আমাদের জনগণকে প্রস্তুত করতে হবে। প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে কিছু প্রচলিত বা রুটিন কাজের ধরন পরিবর্তন হতে পারে। পাশাপাশি নতুন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হবে। এজন্য কর্মকর্তাদের নতুন দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করতে হবে, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে মৌলিক জ্ঞান, ডিজিটাল দক্ষতা ও তথ্য বিশ্লেষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের দক্ষতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতাকে একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে হিউম্যান এআই সহযোগিতা বাড়ানোই হবে ভবিষ্যতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, পর্যায়ক্রমে সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা নিয়েও নিয়মিত কাজ করছে। খুব শিগগিরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

তিনি বলেন, এআই টুলসের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজের সময় ও শ্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। এতে কর্মকর্তারা অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে বাকি সময় আরো গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যয় করতে পারবেন। এর লক্ষ্যে ইতোমধ্যে এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট তৈরির কাজও এগিয়ে চলছে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন উপদেষ্টা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুর সদরে নিখোঁজের ১২ দিনেও সন্ধান নেই রনির, মায়ের আহাজারি চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


ফরিদপুর সদরে নিখোঁজের ১২ দিনেও সন্ধান নেই রনির, মায়ের আহাজারি চলছে

ফরিদপুরে মো. রনি মোল্যা (২২) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন তার মা রওশন আরা বেগম। এ ঘটনায় গত ১৯ আগস্ট কোতয়ালী (ফরিদপুর) থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৫৮৬) করা হয়েছে।

নিখোঁজ রনি মোল্যা ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের পশড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রওশন আরা বেগমের ছেলে। রনির নিখোঁজ হওয়ার কারণে মায়ের কান্না থামছেই না।

জিডিতে রওশন আরা বেগম উল্লেখ করেন, গত ১৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রনি কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। রনি কোনো মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ও অন্যান্য স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।

তবে রনির পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার আগে মিলন খান নামে এক ব্যক্তি তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকেই রনির কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না।

পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ একটি দল মিলন খানের বাড়িতে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় মুরাদ মাতব্বর নামের এক ব্যক্তি পুলিশের কাছে ২৪ ঘণ্টা সময় চান বলে পরিবারের অভিযোগ। এরপর পুলিশ মিলন খানকে তার বাড়িতে রেখেই ফিরে যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

রনির মা রওশন আরা বেগমের অভিযোগ জানান, ২৪ ঘণ্টা পরে তিনি মুরাদ মাতুব্বরের কাছে গেলে বিষয়টি নিয়ে তাকে বিভিন্নভাবে আশ্বস্ত করা হয় এবং ‘আজ-কাল’ করে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

রনির পরিবারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত তাকে খুঁজে বের করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে কোতয়ালী (ফরিদপুর) থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মাসুদ আলম বলেন, “রনি নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তার নিখোঁজ হওয়ার প্রকৃত কারণ ও অবস্থান শনাক্ত করতে পুলিশ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করছে। বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং রনিকে উদ্ধারে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ নম্বর রুটে অতিরিক্ত বাস চালুর দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি প্রতিনিধি

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


৪ নম্বর রুটে অতিরিক্ত বাস চালুর দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য 'বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল মোড়-টি.টি. কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়' রুটে বিকেল ৫টা ১০ মিনিট ও সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের ট্রিপে অতিরিক্ত বাস চালুর দাবিতে পরিবহন পুলের পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের পরিচালক মো. মাসুদ রানার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থা। বিশেষত বিকেল ৫টা ১০ মিনিট ও সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের বাসগুলোতে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর চাপ রয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। এর ফলে তাদের যাতায়াতে ভোগান্তির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়টি মাথায় রেখে রুট নম্বর ৪-এ উল্লিখিত সময়ে একটি করে অতিরিক্ত বাস চালানোর দাবি জানান তারা। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিন আহমেদ বলেন, "আমরা সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে আছি। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বেরোবি ছাত্রদল সবসময় কাজ করবে। অনেক শিক্ষার্থীর বিকেলে টিউশনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজ থাকে। বিষয়টি বিবেচনা করে বিকেলের বাসের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আজ আমরা পরিবহন পুলের পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি।"

তিনি আরো জানান, পরিচালক তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, রুট নম্বর ৪-এ একটি বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।

পরিবহন পরিচালক আগামীকাল থেকেই অতিরিক্ত বাস চালু করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তারা।

এ সময় ছাত্রদল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালমান ইমতিয়াজ সাকিব, মাহিন আহমেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিরাজ আলমসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দলের ভেতরে বিভাজনের চেষ্টা করছে বেশকিছু ‘ছাড়পোকা’: গয়েশ্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


দলের ভেতরে বিভাজনের চেষ্টা করছে বেশকিছু ‘ছাড়পোকা’: গয়েশ্বর

বেশকিছু ছাড়পোকা দলের ভেতরে থেকে বিভাজনের চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

বিএনপির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনিস্টিটিউটে আয়োজিত সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘দলের মধ্যে বেশকিছু ছাড়পোকা বাস করছে, যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দলে বিভাজনের চেষ্টা করছে। দৃশ্য মান না হলেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা সরকারে রয়েছেন কাজ করুন, নিজেদের আখের গোছাইয়েন না। তারেক রহমানকে সফল করতে কাজ করতে হবে। রাজপথে আমরা আছি, রাজপথ আমরা সামলে নেবো।’

একই সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘মানুষ অনেক কষ্টে আছে। জনগণ সবকিছুর দ্রুত সমাধান চায়। কিন্তু একটি বিশৃঙ্খল ও অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংসপ্রায় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে তারেক রহমানের সরকার। রাষ্ট্র মেরামত করতে একটু সময় তো লাগবেই, কিন্তু বিরোধী দল সেটা চায় না।’

তিনি বলেন, রাজনীতি শুরু করেছি বিএনপি দিয়ে। কখনো এদিক-ওদিক যাইনি। সবসময় বিএনপির সঙ্গেই ছিলাম, এখনো আছি। ১৭ বছর বিএনপি লড়াই করেছে আপস করেনি। অনেকে অনেকভাবে প্রভাবিত করতে চেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%