ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধানমন্ডিতে ৮৯ লাখ টাকার সোনা জব্দ


ধানমন্ডিতে ৮৯ লাখ টাকার সোনা জব্দ

রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ধানমন্ডি মডেল থানার পুলিশ প্রায় ৮৯ লাখ টাকা মূল্যের চোরাচালানকৃত সোনা জব্দ করেছে। এই ঘটনার মধ্যে সোনা চোরাচালান চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গোবিন্দ মন্ডল (৫২) এবং রাজন চন্দ্র সরকার (৩৫)।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তারিখে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এসব তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

নিয়াজ মেহেদী জানালেন, বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধানমন্ডি মডেল থানার পুলিশ জানতে পারে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চোরাচালান করা সোনার একটি চালান ধানমন্ডি হয়ে হাজারীবাগ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। এই তথ্যের ভিত্তিতে, ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের মোগল কাবাবের সামনে একটি চেকপোস্ট বসানো হয়।

এ চেকপোস্টে একটি মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহীকে থামিয়ে তাদের তল্লাশি চালানো হয়। তখন তাদের কাছ থেকে চোরাচালানকৃত সোনা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি তাদের গ্রেপ্তার করার কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়। অভিযানে প্রায় ৮৯ লাখ টাকা মূল্যের সোনা এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা সোনার বিষয়ে স্বীকার করেছেন যে, উদ্ধার হওয়া সোনা বিদেশ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশে এনে চোরাচালনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।

এখন এই ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় বিক্রি হচ্ছে ইরানের তেল, মার্কিন অবরোধকে ফাঁকি দিচ্ছে চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৪ এম


মালয়েশিয়ায় বিক্রি হচ্ছে ইরানের তেল, মার্কিন অবরোধকে ফাঁকি দিচ্ছে চীন

 

মালয়েশিয়া উপকূলের বিশাল নোঙর এলাকাটি বর্তমানে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা তেল বিক্রির প্রধান বাজার হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

গত শনিবার (২৫ জুলাই) ইরানের তেলবাহী জাহাজ ‘হিউম্যানিটি’ মালাক্কা প্রণালি ও সিঙ্গাপুরের উপকণ্ঠে যুক্ত হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে মালয়েশিয়া উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার পরে হঠাৎ করেই এর স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়।

স্যাটেলাইট ট্র্যাকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩৩০ মিটার দীর্ঘ অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজটি মালয়েশিয়ার ‘ইস্টার্ন আউটার পোর্ট লিমিটস (ইওপিএল)’ পৌঁছেছে। এটি দক্ষিণ চীন সাগরের ১,২০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এবং উপকূল থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

সামুদ্রিক নিরাপত্তাবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাগরে অপেক্ষমাণ মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে অন্য জাহাজে তেল খালাস করার প্রস্তুতি নিতেই সম্ভবত জাহাজটি ট্র্যাকিংয়ের বাইরে গিয়ে ‘ডার্ক’ হয়ে গেছে। ইউএস-চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশনের তথ্যমতে, এই তেলের চূড়ান্ত গন্তব্য সম্ভবত চীন। ঐতিহাসিকভাবে, ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই চীন গ্রহণ করে।

বিশ্লেষকরা জানান, দীর্ঘকাল ধরে ইওপিএল এলাকার তেল কেনার একটি অনানুষ্ঠানিক বাজার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যেখানে ইরান, রাশিয়া এবং ভেনিজুয়েলার নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেল বিক্রি হচ্ছে। স্যাটেলাইট ডেটা বলছে, ইরানকে লক্ষ করে মার্কিন-ইসরাইলের পাঁচ মাসব্যাপী যুদ্ধ ও ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ সত্ত্বেও এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মেরিটাইম সিকিউরিটি মনিটরিং প্রজেক্ট সিলাইটের পরিচালক রে পাওয়েল আলজাজিরাকে জানান, এ বছরের শুরু থেকে তিনি এমন ৬২টি জাহাজ পর্যবেক্ষণ করেছেন, যেগুলো উপসাগরীয় অঞ্চল, ইওপিএল, হংকং এবং উত্তর চীনের মধ্যে চলাচলের সময় ভুয়া বা বাতিল হয়ে যাওয়া পরিচয় ব্যবহার করেছে। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সেন্টার অন গ্লোবাল এনার্জি পলিসির জ্যেষ্ঠ গবেষক এরিকা ডাউন্স জানান, এসব জাহাজ মূলত মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি নেটওয়ার্কের অংশ, যারা চীনের স্বাধীন ‘টিপট’ বা ছোট তেল শোধনাগারগুলোতে ইরানের তেল বিক্রিতে সহায়তা করে।

এরিকা আরও বলেন, চীনে যাওয়া অপরিশোধিত তেল আন্তর্জাতিক জলসীমায় এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে স্থানান্তর করা হয়। তেলের উৎস গোপন রাখতে এর আগে এই প্রক্রিয়া একাধিকবার হতে পারে।

চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বড় কোম্পানিগুলোর (যেমন- সিএনপিসি, সিনোপেক ও সিএনওওসি) তুলনায় এই ছোট শোধনাগারগুলো মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার আওতার বাইরে থাকে। তাই তারা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ইরানের তেল কম দামে কেনার ক্ষেত্রে আগ্রহী।

শান্ত জলসীমা ও আইনি ফাঁকফোকর

ইয়োকোসুকা কাউন্সিল অন এশিয়া-প্যাসিফিক স্টাডিজের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কর্মসূচির পরিচালক ও মেরিটাইম নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ চার্লি ব্রাউন বলেন, মালয়েশিয়ার ইওপিএল সংলগ্ন নোঙর এলাকাটি পূর্বের মতো ব্যস্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, যুদ্ধের আগে এবং সংঘাতের প্রতিটি পর্যায়েই সেখানে নোঙর করা এবং জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের মতো নানা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া দেখা গেছে।

হংকংয়ের সমতুল্য আয়তনের ইওপিএল এলাকাটির সুবিধা রয়েছে এর শান্ত জলসীমা, যা সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার সরবরাহকারীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট কাছাকাছি। আবার এটি এমন দূরত্বে অবস্থিত যা ঐতিহাসিকভাবে এলাকাটিকে আইনিভাবে একটি ধূসর অথবা অস্পষ্ট অঞ্চলে পরিণত করেছে। এলাকাটি মালয়েশিয়ার আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে হলেও এর এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের আওতাধীন। তবে এই অঞ্চলটি সমুদ্রে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার চেয়ে মাছ ধরার অধিকার ও প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের বিষয়গুলোর প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়। মালয়েশিয়ার মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি এর আগে বলেছে যে, দুর্গম অবস্থান ও অধিক্ষেত্রগত সীমাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকায় টহল করা বেশ কঠিন।

তবে কুয়ালালামপুর তাদের আইনি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে। অবৈধ নোঙর, পুনরায় সরবরাহ এবং সরকারি অনুমোদন ছাড়া ইইজেড-এ জাহাজ থেকে জাহাজে পণ্য স্থানান্তর ঠেকাতে গত জুনে মালয়েশিয়া তাদের ইইজেড আইন সংশোধন করেছে। তবে এ বিষয়ে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করেনি।

চার্লি ব্রাউনের মতে, যেকোনো সাধারণ দিনেই ওই এলাকায় ২০০টির মতো জাহাজ নোঙর করা থাকতে পারে, এর মধ্যে অর্ধেকই সম্ভবত ইরানের সঙ্গে যুক্ত।

আলজাজিরার পর্যালোচনা করা স্যাটেলাইট তথ্যে জানা গেছে, গত এক মাসে হিউম্যানিটিসহ ইরানের পতাকাবাহী ১৮টি তেলের ট্যাংকার ইওপিএল-এ পৌঁছানোর পরে ট্র্যাকিংয়ের বাইরে চলে গেছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ডোর নামের আরেকটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারকে মালাক্কা প্রণালি দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যেতে দেখা গেছে। ওইদিন ইওপিএল-এ অন্তত ৫০টি মার্কিন বা ইইউ নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জাহাজ তাদের এআইএস সিগন্যাল চালু রেখেই অবস্থান করছিল। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সেখানে আরও অনেক ‘ডার্ক’ জাহাজ অবস্থান করছে।

পেমেন্ট মেকানিজম এবং চীনের ভূমিকা

ইউরোপভিত্তিক বৈশ্বিক পূর্বাভাস পরামর্শক সংস্থা ‘জিওপলিটিক্যাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসেস'-এর মতে, ইওপিএল এলাকায় জাহাজগুলোর মধ্যে স্থানান্তরিত হওয়া ইরানের তেল বিক্রির কাজ সম্পন্ন হয় চীনের 'ক্রস-বর্ডার ইন্টারব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেম (সিআইপিএস)'-এর মাধ্যমে। এর ফলস্বরূপ মার্কিন নজরদারিতে থাকা সুইফট নেটওয়ার্কের বাইরে গিয়ে চীনা মুদ্রা রেনমিনবিতে তেলের দাম পরিশোধ করা যায়।

চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের তেল কেনার কথা স্বীকার করে না। ওয়াশিংটন ডিসির চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইওপিএল হয়ে চীনে ইরানের তেল পরিবহনের বিষয়ে তারা অবগত নন।

এছাড়া, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একাধিকবার বলে এসেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিহীন লং-আর্ম জুরিসডিকশনের বিরোধিতা করে।

তবে গবেষক এরিকার মতে, চীনের কাস্টমসের ডেটা ইওপিএল দিয়ে যাবতীয় কার্গোটির উৎস ও গতিবিধি সম্পর্কে কিছু সূত্র দেয়।

তিনি বলেছেন, গত বছর ইরান চীনে প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে, অথচ চীনের কাস্টমসের তথ্যে ইরান থেকে তেল আমদানির কোনো হিসাব নেই। একই সময়ে কাস্টমসের তথ্য দেখায় যে, মালয়েশিয়া থেকে চীনের আমদানি মাঝেমাঝে মালয়েশিয়ার নিজস্ব তেল উৎপাদনের পরিমাণকে ব্যাপকভাবে ছাড়িয়ে যায়। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, এই অপরিশোধিত তেলের একটি অংশ অন্য কোথাও থেকে এসেছে।

অন্যদিকে, বেইজিং মার্কিন আইনি ব্যবস্থা থেকে নিজস্ব শোধনাগারগুলোকে রক্ষা করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। এপ্রিলের শেষ দিকে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ইরানের তেল কেনার জন্য পাঁচটি টিপট শোধনাগারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওই নির্দেশকে ব্লক করে দেয়। তাদের দাবি যে, এই নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ চলতি সপ্তাহে আরও ছয়টি তেলের ট্যাংকার এবং হংকং-চীনভিত্তিক পাঁচটি কোম্পানির উপর নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এগুলো ইরানের শ্যাডো ফ্লিট বা ছায়া নৌবহরের সাথে যুক্ত এবং চীনে তেল পরিবহন করছে। এ বিষয়ে বেইজিং এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের মতে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চীনা শোধনাগারগুলোর ইরানি অপরিশোধিত তেল কেনার পরিমাণ প্রায় ৪০ শতাংশ কমে গেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইওপিএল-এর মতো নেটওয়ার্কগুলো বাকি তেলের বিক্রি সচল রেখেছে।

চার্লি ব্রাউন বলছেন, নিষেধাজ্ঞা কখনোই এসব কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে পারেনি। নিষেধাজ্ঞার কারণেই বাজারব্যবস্থা ও লেনদেন প্রক্রিয়ার বিবর্তন ঘটেছে। শুধুমাত্র অবরোধের কারণে ইরান থেকে চীনে তেল যাওয়া কিছু সীমার মধ্যে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৮ এম


খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত

খুলনা নগরীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে ইসমাইল (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া বড় খালপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ইসমাইল নগরীর বড় খালপাড় এলাকার শাজাহান ওরফে পাগলা শাজাহানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাতে ইসমাইল এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা ইসমাইলের মাথায় গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়েও আঘাত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

নিহত ইসমাইলের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে জানিয়ে ওসি আরও বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২০ এম


টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩

টাঙ্গাইলের মধুপুরে একটি বালুবাহী ট্রাক ও একটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন এবং তাদের উদ্ধার করে মধুপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কুড়িগ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী সেতু আক্তার (২২), পথিকের মেয়ে তাজবীর (৮) এবং একজন অজ্ঞাত পুরুষ। পরে আহতদের মধ্যে আটজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের রক্তিপাড়ায়। মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, রাত ১০টার দিকে রক্তিপাড়া এলাকায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, আহতদের উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের মধুপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিদিন কত কদম হাঁটা জরুরি, জেনে নিন বৈজ্ঞানিক হিসাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ এম


প্রতিদিন কত কদম হাঁটা জরুরি, জেনে নিন বৈজ্ঞানিক হিসাব

ওজন কমাতে হাঁটা হলো শরীরের ফিটনেস বজায় রাখার জন্য একটি কার্যকর এবং সহজ উপায়। এটি যেকোনো বয়সের এবং যেকোনো ফিটনেস লেভেলের মানুষের জন্য নিরাপদ ব্যায়াম। হাঁটার মূল সুবিধা হলো এটি জয়েন্টের ওপর কোনো চাপ ফেলে না, ফলে দীর্ঘসময় স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটা সম্ভব হয়।

নিয়মিত হাঁটলে শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, ফলে চর্বি ঝরে যায় এবং পেশির টোন উন্নত হয়। এই বিষয়গুলো ওজন কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একজনের ওজন এবং হাঁটার গতির ওপর ভিত্তি করে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২০০ থেকে ৪০০ ক্যালরি বার্ন করা সম্ভব।

স্বাস্থ্য সচেতনদের মধ্যে দিনে ১০,০০০ কদম হাঁটার লক্ষ্য খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু, ১ কেজি ওজন কমাতে ঠিক কত কদম হাঁটা প্রয়োজন, সে সম্পর্কে অনেকের ধারণা নেই।

চিকিৎসা ও পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, ১ কেজি মেদ বা ওজন কমাতে প্রায় ৭,৭০০ ক্যালরির ঘাটতি তৈরি করতে হয়। এর ভিত্তিতে, যদি কেউ ১ সপ্তাহে ১ কেজি ওজন কমাতে চান, তবে তাকে প্রতিদিন গড়ে ১,১০০ ক্যালরির ঘাটতি তৈরি করতে হবে।

এছাড়া, একজন সাধারণ মানুষ প্রতি ১,০০০ কদম হাঁটার মাধ্যমে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ক্যালরি বার্ন করেন। এই হিসাবে কেবল হেঁটে ১ সপ্তাহে ১ কেজি ওজন কমাতে হলে প্রতিদিন প্রায় ২২,০০০ থেকে ২৭,৫০০ কদম হাঁটা প্রয়োজন, যা সপ্তাহে মোট ১,৫৪,০০০ থেকে ১,৯২,৫০০ কদম হবে।

এটি একটি বিশাল শারীরিক লক্ষ্য এবং কেবল হাঁটার মাধ্যমে পূরণ করা কঠিন। তাছাড়া যাদের ওজন বেশি, তাদের ক্ষেত্রে প্রতি কদমে ক্যালরি ক্ষয়ের পরিমাণ বাড়বে।

এক দিনে ২২,০০০ থেকে ২৭,০০০ কদম হাঁটার কারণে হাড়ের জোড়ায় চাপ পড়তে পারে এবং পেশিতে ব্যথা হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন:

১. ক্যালরি গ্রহণ কমানো: খাদ্যতালিকা পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিদিনের খাবার থেকে আনুমানিক ৫০০ ক্যালরি কমিয়ে দিন। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন করলে প্রতিদিনের হাঁটার লক্ষ্যমাত্রা ১২,০০০ থেকে ১৫,০০০ কদমে নেমে আসবে।

২. ধীরস্থির লক্ষ্য নির্ধারণ: ১ সপ্তাহে ১ কেজি কমানোর দ্রুত লক্ষ্য না নিয়ে প্রতিদিন ১০,০০০ থেকে ১২,০০০ কদম হেঁটে ১০ থেকে ১৫ দিনে ১ কেজি ওজন কমানোর লক্ষ্য করুন।

দ্রুত ও সঠিক ফলাফলের জন্য কিছু দরকারি টিপস:

- দ্রুত গতিতে হাঁটা: দ্রুত হাঁটলে প্রতি কদমে বেশি ক্যালরি বার্ন হবে।

- উঁচুস্থানে হাঁটা: সমতলের চেয়ে ঢালু পথ বা উঁচুতে হাঁটার ফলে ক্যালরি ক্ষয়ের পরিমাণ বাড়ে।

- ধীরে ধীরে কদম বাড়ানো: প্রথম দিন থেকেই ১০,০০০ কদম হাঁটার চেষ্টা না করে প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ করে লক্ষ্যমাত্রা বাড়ান।

- পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম: সপ্তাহে ১ বা ২ দিন কম হাঁটলে শরীরকে বিশ্রাম দিন এবং পেশি পুনর্গঠনের জন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমান।

- ভাগ করে হাঁটা: টানা ৬০ মিনিট না হেঁটে দিনে ২০ মিনিট করে ৩ বার হাঁটুন।

- হাইড্রেটেড থাকা: হাঁটাহাঁটির আগে, মাঝে ও পরে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

সামগ্রিকভাবে, ওজন কমানো এবং শারীরিক সুস্থতার জন্য হাঁটা একটি খুবই সহজ ও টেকসই ব্যায়াম। এর জন্য বিশেষ কোনো সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই। বাসার উঠান, পার্ক অথবা ট্রেডমিল—যেকোনো স্থানেই এটি শুরু করা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%