ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাকিস্তান প্রতি ম্যাচে ২০০ রান করতে চায়


পাকিস্তান প্রতি ম্যাচে ২০০ রান করতে চায়

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ জিতে হাসিমুখে মাঠ ত্যাগ করেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহান। রবিবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তান ৮২ রানে বিজয়ী হয়েছে। তিন ম্যাচের সিরিজে তারা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। ফলে সিরিজটি হারানোর সম্ভাবনা নেই।

এটি অধিনায়ক হিসেবে ফারহানের প্রথম সিরিজ জয়। তবে তার ব্যক্তিগত এই সাফল্যের চেয়ে তিনি দলের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং নিয়ে বেশি আনন্দিত। ২০২৬ সালে এই ব্যাটিং স্টাইল পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের জন্য পরিবর্তন আনবে। এখন দলটি প্রতি ম্যাচেই ২০০ রান করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।

রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাওয়ারপ্লেতে পাকিস্তানের শুরুটা ছিল ধীর। তবে ফারহানের বিশ্বাস ছিল যে, দল ২০০ রানের বেশি করবে। তার সেই বিশ্বাস সঠিকভাবে প্রমাণিত হয়। মাজ সাদাকাতের দুর্দান্ত ইনিংস এবং অধিনায়কের নিজের শক্তিশালী ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান ৩ উইকেটে ২১৫ রান সংগ্রহ করে। এটি তাদের নিজেদের মাটিতে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি সংগ্রহ। পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে এটি তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। এর আগে ২০২১ সালে নটিংহামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে ২৩২ রান ছিল তাদের সর্বোচ্চ।

আরও পড়ুন: বার্সার বিপক্ষে জয়ের পর পিএসজির দুশ্চিন্তা বেড়েছে

ম্যাচের পর ফারহান মন্তব্য করেন, ‘পাওয়ারপ্লেতে বেশি রান না এলেও আমি নিশ্চিত ছিলাম, আমরা ২০০–এর বেশি করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০২৬ সালে আমরা একটি আলাদা টি-টোয়েন্টি দল। আমাদের ছক্কা মারার হার বেড়েছে। ব্যাটাররা ১৫০–এর বেশি স্ট্রাইক রেটে রান করছেন। এভাবে চললে আমরা প্রতিবারই ২০০–এর বেশি রান করব। এই দুই ম্যাচে যে তীব্রতায় খেলেছি, পরের ম্যাচেও সেভাবেই খেলব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুপির পতন ঠেকাতে যেভাবে লড়ছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


রুপির পতন ঠেকাতে যেভাবে লড়ছে ভারত

চলতি বছরে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মূল্য রেকর্ড পরিমাণ কমেছে। তেলের উচ্চমূল্য এবং ভারতের শেয়ারবাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লাগাতার অর্থ তুলে নেওয়ার কারণে রুপির ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ডলারের চাহিদা কমানোর পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে ভারত সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রুপির মূল্য ধরে রাখার জন্য নতুন কিছু পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই)। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানিগুলোর ডলার ক্রয়ের পদ্ধতি পরিবর্তন এবং মুদ্রার দরপতনের ঝুঁকি এড়াতে আর্থিক চুক্তির নিয়ম কঠোর করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বর্তমানে ডলারের বিপরীতে রুপির মূল্য রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করছে।

রুপির দরপতন ঠেকাতে ভারতের নেওয়া প্রধান পদক্ষেপগুলো হলো—

তেল কোম্পানির ডলারের চাহিদা মেটাতে বিশেষ ব্যবস্থা

রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি তেল কোম্পানির প্রতিদিনের ডলারের চাহিদা মেটানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করবে আরবিআই। এর ফলে খোলাবাজারে ডলারের চাহিদা কমবে এবং রুপির ওপর চাপও কমতে পারে। চলতি বছরে ডলারের বিপরীতে রুপির দর ৭ শতাংশের বেশি কমেছে। গত মে মাসে প্রতি ডলারের বিপরীতে রুপির দর ৯৬ দশমিক ৯৬-এ পৌঁছায়, যা রুপির ইতিহাসে সর্বনিম্ন। মুদ্রাবাজারে সংকট দেখা দিলে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ থেকে সরাসরি তেল কোম্পানিগুলোকে ডলার সরবরাহ করে। আরবিআই জানিয়েছে, ১২ অক্টোবর থেকে ইন্ডিয়ান অয়েল, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম ও ভারত পেট্রোলিয়াম এই সুবিধা গ্রহণ করবে।

বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনে কঠোর নিয়ম

কম্পানিগুলোর জল্পনামূলক লেনদেন কমাতে নিয়ম আরো কঠোর করেছে আরবিআই। একই সঙ্গে রুপির দরপতনের ঝুঁকি সামলানোর খরচও বৃদ্ধি করা হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর এসব পদক্ষেপ ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনের ঝুঁকি সামলাতে নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক চুক্তির বিপরীতে মুদ্রা ব্যবসায়ীদের ২০ শতাংশ অর্থ আলাদা করে রাখতে হবে। এ অর্থকে ‘বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি সংরক্ষণ তহবিল’ বলা হচ্ছে। বিদেশ থেকে পণ্য বা সেবা কেনার মতো চলতি হিসাবের লেনদেনে বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি সামলাতে করা চুক্তির ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। তবে বিদেশি শেয়ার বা ঋণে বিনিয়োগের ঝুঁকি সামলাতে করা চুক্তির ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া মূল লেনদেনের প্রমাণ ছাড়াই করা যায়, এমন আর্থিক চুক্তির সীমা কমিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগে এ ধরনের চুক্তি সর্বোচ্চ ১০ কোটি ডলার পর্যন্ত করা যেত। এখন সেই সীমা কমিয়ে ৫০ লাখ ডলার করা হয়েছে। বাতিল করা আর্থিক চুক্তি আবার নতুন করে করার সুযোগও বন্ধ করেছে আরবিআই।

সরকারি বন্ডে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে গত জুনে ভারত সরকার দেশটির বন্ডে বিনিয়োগ থেকে পাওয়া মুনাফার ওপর আরোপিত সাড়ে ১২ শতাংশ কর তুলে নিয়েছে। একই সঙ্গে সুদ থেকে পাওয়া আয়ের ওপর ২০ শতাংশ করও বাতিল করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্টসকেও এসব কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করে। আরবিআই জানিয়েছে, আরো বেশি ধরনের সরকারি বন্ডে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো সীমা থাকবে না।

প্রবাসী ভারতীয়দের কাছ থেকে ডলার সংগ্রহ

বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের কাছ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় আমানত সংগ্রহে ব্যাংকগুলোকে উৎসাহিত করতে গত জুনে বিভিন্ন সুবিধা ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এই কর্মসূচি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এর মাধ্যমে ১৩ হাজার ৬০০ কোটি ডলার সংগ্রহ করা হয়েছিল।

বিদেশি মুদ্রায় ঋণ নেওয়ার সুযোগ বাড়ানো

রাষ্ট্রায়ত্ত কম্পানিগুলো যাতে আরো সহজে বিদেশি মুদ্রায় ঋণ নিতে পারে, সে জন্য বিশেষ সুবিধায় মুদ্রা বিনিময়ের হার দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ সুবিধা চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত চালু থাকবে।

শেয়ারবাজারে প্রবাসীদের বিনিয়োগ বাড়ানো

প্রবাসী ভারতীয়দের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় ভারত সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ফেব্রুয়ারিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। জুন থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে।

রপ্তানির আয় দ্রুত দেশে ফেরানোর উদ্যোগ

রপ্তানি থেকে পাওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার সময়সীমা কমিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত জুনে এ সময়সীমা ১৫ মাস থেকে কমিয়ে ৯ মাস করা হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ে উত্তেজনার কারণে গত বছর রপ্তানির আয় দেশে ফেরানোর সময়সীমা বাড়িয়ে ১৫ মাস করা হয়েছিল।

সোনা ও রুপা আমদানিতে শুল্ক বাড়ানো

গত মে মাসে সোনা ও রুপার আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০ শতাংশ মৌলিক শুল্ক এবং ৫ শতাংশ কৃষি অবকাঠামো ও উন্নয়ন শুল্ক। আমদানি শুল্ক বাড়ানোর ফলে সোনা ও রুপা কেনার জন্য বিদেশে ভারতের যে অর্থ ব্যয় হয়, তা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

সোনা ও রুপা আমদানিতে কড়াকড়ি

গত মে মাসে সোনা ও রুপা আমদানির নিয়মও কঠোর করা হয়েছে। গয়না রপ্তানির জন্য শুল্কমুক্ত সোনা আমদানিতে নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি লাইসেন্সের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০০ কেজি সোনা আমদানি করা যাবে। এ ছাড়া ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ বিশুদ্ধ রুপার বার এবং রুপার অন্যান্য আধা-প্রক্রিয়াজাত পণ্যের আমদানি সীমিত শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়।

বিদেশভ্রমণ কমানোর আহ্বান

বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে গত মে মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশভ্রমণ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান। তবে ভারত ভ্রমণের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। জ্বালানি সাশ্রয় এবং ব্যয়বহুল তেল আমদানি কমাতে তিনি মানুষকে বাড়ি থেকে কাজ করারও আহ্বান জানান।

মুদ্রাবাজারে লেনদেন নিয়ন্ত্রণ

গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ব্যাংকগুলো বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে যতটা নিট খোলা অবস্থানে লেনদেন করতে পারবে, সেই সীমা কমিয়েছে আরবিআই। রুপির দর আরো কমিয়ে দিতে পারে, এমন লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করাই ছিল এ পদক্ষেপের লক্ষ্য। এসব লেনদেনের কারণে রুপির ওপর দরপতনের চাপ বাড়ছিল।

সব মিলিয়ে ডলারের চাহিদা কমানো, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের ওপর চাপ কমানোর মাধ্যমে রুপির দর স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে ভারত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিলাল এরদোয়ান: গাজা ও পশ্চিম তীরে প্রতিদিন হামলা ও হত্যাকাণ্ড চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


বিলাল এরদোয়ান: গাজা ও পশ্চিম তীরে প্রতিদিন হামলা ও হত্যাকাণ্ড চলছে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রতিদিন হামলা ও হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। তথাকথিত যুদ্ধবিরতির পরিস্থিতির মধ্যেও গাজায় মানবিক সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একইভাবে, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমের পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে।

রোববার যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বার্ষিক লন্ডন হালাল ফোরামের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তুরস্কের ইবনে হালদুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের ডেপুটি চেয়ারম্যান বিলাল এরদোয়ান এসব কথা বলেন।

বিলাল এরদোয়ান মন্তব্য করেন, ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশকারী এবং মানবতার বিবেক নিয়ে উদ্বিগ্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে এই ফোরামে উপস্থিত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, গত তিন বছরে মানবতার সেই বিবেক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা বিশ্বকে গণহত্যার বিষয়ে জানাব এবং ফিলিস্তিনে আমাদের ভাই-বোনেরা যে দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, বিশেষ করে গত তিন বছরে, তার পাশাপাশি ১৯৪৮ সাল থেকে চলা সংকটের বিষয়ে তাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করব।"

তিনি আরও বলেন, তথাকথিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরেও গাজায় মানবিক সংকট অব্যাহত রয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, প্রতিদিনই গণহত্যা ঘটছে। প্রতিদিন হামলা হচ্ছে এবং মানুষ নিহত হচ্ছে। শুধু গাজায় নয়, পশ্চিম তীরেও একই অবস্থা। অধিকৃত পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমের পরিস্থিতির অবনতি উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, সম্মিলিতভাবে যেসব সম্পদ কাজে লাগানো সম্ভব, সেগুলো কৌশলগতভাবে ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এর মাধ্যমে আরও কার্যকর ফল অর্জন করা সম্ভব হবে।

অবৈধ ইসরাইলি বসতিতে বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কয়েকটি পশ্চিমা দেশের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এটি কেবল শুরু। ভবিষ্যতে এসব পদক্ষেপের আওতা বাড়িয়ে ইসরাইলের সামগ্রিক পণ্যের বাণিজ্যেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ধ্বংসের ঝুঁকিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ধ্বংসের ঝুঁকিতে

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিষেধাজ্ঞা যদি বহাল থাকে, তাহলে ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। এক পর্যায়ে, আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে এবং বিচারিক প্রতিষ্ঠান হিসেবেও এর কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয়ে উঠবে না।

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত দুর্বল। যদিও নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তবুও আদালতকে সুরক্ষিত রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ২০ মাসেরও বেশি সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ে আদালতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সংকট মোকাবিলার শক্তি বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল।

তবে এখনো পদক্ষেপ নেওয়ার সময় শেষ হয়ে যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ছাড়ের সময়টুকু নিষ্ফল আলোচনা চালানোর জন্য নয়, বরং আদালতকে রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের কাজে ব্যবহার করতে হবে।

নিষেধাজ্ঞায় যেভাবে অচল হতে পারে আইসিসি

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় দেশটিতে থাকা বা মার্কিন নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিসির সম্পদ ও অন্যান্য সম্পত্তিগত স্বার্থ জব্দ করা হয়েছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি বা নির্দিষ্ট ছাড়ের আওতায় না পড়লে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইসিসির সঙ্গে ব্যবসা করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

মার্কিন ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান, তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানি এবং অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আইসিসিকে পণ্য বা সেবা দিতে কিংবা আদালতের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করতে পারবে না, যদি এতে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ঝুঁকি থাকে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের অনেক প্রতিষ্ঠানও সম্ভাব্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ভয়ে আইসিসিকে সেবা দেওয়া বন্ধ করে দিতে পারে।

যদি সরবরাহকারী ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তাহলে বিভিন্ন ঘটনায় আইসিসির তদন্ত ও অভিযোগ গঠনের কার্যক্রম অচল হয়ে যেতে পারে।

তবে নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে ১৮০ দিনের একটি ‘ছাড়ের সময়সীমা’ রাখা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আইসিসির কিছু কার্যক্রম চালু রাখা অথবা সেগুলো গুটিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে। এর আওতায় রয়েছে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে আদালতের অর্থপ্রাপ্তি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, স্বাস্থ্যবিমা ও চিকিৎসাসেবা। আদালতের কর্মী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের এসব সুবিধার পাশাপাশি বাড়িভাড়া, ইউটিলিটি বিল এবং নিয়মিত সেবার খরচ পরিশোধের সুযোগও রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া পৃথক অনুমতির মাধ্যমে নির্দিষ্ট টেলিযোগাযোগ, ক্লাউড ও সফটওয়্যার সেবা দেওয়া, আইসিসির পেনশনের অর্থ পরিশোধ এবং নির্দিষ্ট কয়েকজন বন্দীর কল্যাণে প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ওয়াশিংটন এই ছাড়ের সময়সীমাকে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তি নিরসনে ‘কূটনৈতিক ও আইনি সমাধানে অর্থবহ অগ্রগতি’ দেখানোর সুযোগ হিসেবে তুলে ধরেছে। কিন্তু বাস্তবে এটি সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করার একটি প্রকাশ্য রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার।

‘সংলাপের’ নামে আপসের সুযোগ নেই

নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর আইসিসির প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে অনেক সদস্যরাষ্ট্র। তারা যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। কিন্তু এখন শুধু বিবৃতি দিয়ে আদালতকে রক্ষা করা সম্ভব নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের চাপ মোকাবিলা এবং আইসিসির স্বাধীনতা রক্ষায় সুসংগত ও সমন্বিত কৌশল ছাড়া এসব সমর্থন অর্থহীন। বিবৃতি দিয়ে ব্যাংকগুলোকে আইসিসির হিসাব বন্ধ করা থেকে, বিমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুরক্ষা প্রত্যাহার থেকে কিংবা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে সেবা বন্ধ করা থেকে বিরত রাখা যাবে না। মার্কিন প্রতিশোধের ভয়ে অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও আদালতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বারবার বলেছে, আইসিসি আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের অন্যতম ভিত্তি। বাইরের চাপ থেকে আদালতের স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে। গত ১০ অক্টোবর ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস আবারও এ অবস্থান তুলে ধরেন। আদালত, এর কর্মকর্তা এবং আদালতের সঙ্গে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে হামলা বা হুমকিকে তিনি ‘গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে মন্তব্য করেন।

কিন্তু এসব বক্তব্যের বাইরে ইইউ কার্যত নিষ্ক্রিয় রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরো ক্ষুব্ধ করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের ঝুঁকি বাড়ানোর আশঙ্কা থেকে তারা এমন অবস্থানে রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

উদ্বেগের বিষয় হলো, কয়েকটি সদস্যরাষ্ট্র ও ইইউ যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এই অপমানজনক ছাড়ের সময়সীমাকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ‘সংলাপের সুযোগ’ এবং ‘কূটনীতির পরিসর’ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত লক্ষ্যই যদি আদালতকে ধ্বংস করা হয়, তাহলে অর্থবহ সমঝোতার সুযোগ কোথায়?

গত ২০ মাসে যুক্তরাষ্ট্র ধাপে ধাপে আইসিসির বিরুদ্ধে চাপ বাড়িয়েছে। এখন সদস্যরাষ্ট্র ও ইইউ ভিন্ন ফল আশা করলে তা হবে আত্মপ্রবঞ্চনা। এর মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটনের প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য এবং আত্মমর্যাদার অভাব—দুটিই প্রকাশ পাবে। চাপ সৃষ্টিকারীদের তুষ্ট করার চেষ্টা তাদের আরো বেপরোয়া করে তোলে।

এ ধরনের চাপের মধ্যে সংলাপে বসলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে ফিলিস্তিনে আইসিসির তদন্ত থেকে সরে আসার চাপ তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিয়ে, বিশেষ করে ওয়াশিংটনের প্রশাসনকে সন্তুষ্ট করতে ফিলিস্তিনবিষয়ক তদন্ত বিসর্জন দিলে আদালতের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা ধ্বংস হবে।

এতে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার রাজনৈতিক ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে বেছে বেছে প্রয়োগ করা হয়—এমন ধারণা আরও জোরালো হবে। আইসিসির দায়িত্ব এবং ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় থাকা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলে আদালতের গ্রহণযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়—এই নীতির ভিত্তিও দুর্বল হয়ে পড়বে।

আইসিসি রক্ষায় এখনই জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন

কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সময় অনেক আগেই এসেছে। তবুও এখনো দেরি হয়ে যায়নি। সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে নীতিগত অবস্থান নিতে হবে এবং তাতে অটল থাকতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৈরী একটি সদস্যবহির্ভূত দেশের সঙ্গে নিষ্ফল সংলাপ চালানো, তাদের কাছে করুণা ভিক্ষা করা কিংবা নিজেদের ও আদালতের পক্ষে বহন করা অসম্ভব—এমন ছাড় দেওয়ার পরিবর্তে আইসিসিকে রক্ষা এবং এর কার্যক্রম সচল রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে প্রকাশ্যে আদালতের বাজেট বাড়ানোর অঙ্গীকার করতে হবে। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় আইসিসির প্রয়োজনীয় অর্থ, সম্পদ ও অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বহির্দেশীয় প্রভাব থেকে আদালত, এর কর্মকর্তা এবং সহযোগীদের সুরক্ষায় কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য নিষেধাজ্ঞা অমান্য করতে বাধ্য করার মতো পাল্টা আইন এবং আর্থিক ঝুঁকির অজুহাতে ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবা প্রত্যাহার ঠেকানোর সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। আদালতের তদন্তে সহযোগিতা করার কারণে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া ফিলিস্তিনি নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকেও একই সুরক্ষা দিতে হবে।

ইইউর উচিত অবিলম্বে তাদের ‘ব্লকিং স্ট্যাটিউট’ কার্যকর করা। এর মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা নিষিদ্ধ করা সম্ভব হবে। এই পদক্ষেপ একাই সব সমস্যার সমাধান করবে না। তবে আইসিসিকে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে।

ইউরোপীয় কমিশনের কাছে ইইউর একাধিক সদস্যরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যরা এই আইন আইসিসিবিরোধী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রেও কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন। আদালতের ওপর সামগ্রিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও যাতে সুরক্ষাব্যবস্থা কার্যকর থাকে, তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ পদক্ষেপ আর পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।

পাশাপাশি সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে বিকল্প ব্যাংকিং, অর্থ পরিশোধ ও ডিজিটাল অবকাঠামোর ব্যবস্থা দ্রুত চূড়ান্ত করতে হবে। এর মাধ্যমে আদালতের প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। এসব উদ্যোগকে বিচ্ছিন্ন বা সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে নিলে চলবে না। বরং রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি যুক্তরাষ্ট্রকে আইসিসি ধ্বংস করতে দেখে নীরব থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে কোনো আন্তর্জাতিক আদালত, এমনকি কোনো জাতীয় আদালতের পক্ষেও ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করা অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিতর্ক

ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার এবং ভারতীয় জনতা পার্টি প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে যে সুরক্ষা প্রদান করেছে এবং তাকে বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজের কাছে পৌঁছানোর অযোগ্য করে তুলেছে, তা দেশকে এক অসাধারণ সংকটের মধ্যে ফেলেছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য নতুন ধারণা ও সৃজনশীলতার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। যদিও এই অসাংবিধানিক সুরক্ষা জ্ঞানেশ কুমারকে আরও দুর্বল করে, তবে বিরোধী দলগুলোর জন্য এটি অধিক চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি দেশজুড়ে যে প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে, তা এই পটভূমিতে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়্যারের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে প্রশ্ন করা হয়েছে, কেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোদি সরকারের বিরোধীদের সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকার করছেন? এটি প্রথমবারের মতো, নির্বাচন কমিশন বিরোধী নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে প্রটোকল বা শিষ্টাচারের অজুহাত দেখিয়েছে। জ্ঞানেশ কুমার তাদের নির্দিষ্ট প্রতিনিধি পাঠাতে বলেছেন এবং সাক্ষাতের জন্য একাধিক শর্ত আরোপ করেছেন। বিরোধী নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে তার এই অনীহা কমিশনকে মোদি-শাহ নেতৃত্বের অধীনে থাকা কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রমাণ করে।

যখন রাজনৈতিক দলের প্রধান এবং বিরোধী দলনেতাসহ প্রায় ৩০০ সংসদ সদস্য রাস্তায় ছিলেন, তখন কমিশন পুলিশকে সঙ্গে যোগাযোগ করার ব্যাপারে দ্বিধা করেনি, যেন পুলিশ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে প্রধান অংশীদারদের মধ্যস্থতা করতে পারে।

এই মনোভাব নির্দেশ করে যে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি ভোটার বাদ দেওয়া কেবল একটি বিচ্ছিন্ন দুর্নীতি নয়; বরং কমিশন হিন্দুত্ববাদী শক্তির কর্তৃত্ববাদী লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করছে। মুসলিম, নারী এবং বঞ্চিত সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার ইঙ্গিত দেয়, স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর একটি প্রযুক্তি-ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র তৈরির প্রচেষ্টা।

অনেকের ধারণা, মুসলিমদের বাদ দেওয়া কেবল বিজেপির নির্বাচনি হিসাবের অংশ নয়, বরং এটি একটি ফ্যাসিবাদী চক্রান্তের অত্যন্ত সরল বিশ্লেষণ। মূল উদ্দেশ্য হলো এই সম্প্রদায়কে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%