০৫:৫৮ পি.এম
চীনের রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউনিট্রি রোবটিকস তাদের জনপ্রিয় রোবট কুকুর তৈরিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অর্থায়নে করা গবেষণার প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে। সাবেক এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা ও প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত তিন গবেষক রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইউনিট্রির জিও২ রোবট কুকুরটি ২০২৩ সালে বাজারে আসে। দাম প্রায় ১ হাজার ৬০০ ডলার। এই রোবটের মাধ্যমে চতুষ্পদী রোবটের বাজারে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ইউনিট্রির আরেকটি রোবটকে চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পিএলএ সেনাদের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় অস্ত্রসহ দেখা গেছে।
গবেষকদের দাবি, ইউনিট্রির রোবটের প্রযুক্তির পেছনে মার্কিন সামরিক অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন আর্মি রিসার্চ ল্যাবরেটরি চতুষ্পদী রোবটের চলাচল নিয়ে গবেষণা করেছিল। পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক গবেষক গ্যাভিন কেনেলি বলেন, ওই গবেষণার প্রযুক্তি পরবর্তী সময়ে ইউনিট্রির প্রথম দিকের রোবট তৈরির ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
এমআইটির সাবেক গবেষক বেন কাটজ বলেন, ইউনিট্রির ‘গো’ সিরিজের রোবটের আকার তাঁর তৈরি ‘মিনি চিতা’ রোবটের সঙ্গে প্রায় একই। দুই রোবটের আকারের পার্থক্য মাত্র কয়েক মিলিমিটার বলে তিনি দাবি করেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঘটনা প্রযুক্তি ও জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের প্রতিযোগিতার বড় চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেছে। সরকারি ভর্তুকি, সহজে পাওয়া যন্ত্রাংশ এবং বড় লোকসান সামাল দেওয়ার সক্ষমতার কারণে চীনা কম্পানিগুলো সোলার প্যানেল, ড্রোন, বৈদ্যুতিক গাড়ি ও কোয়ান্টাম যোগাযোগসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি খাতে দ্রুত এগিয়েছে। কেনেলি পরে তার ঘোস্ট রোবোটিক্স কম্পানির মাধ্যমে মার্কিন প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগান। তবে ইউনিট্রির তুলনায় তাদের উৎপাদন কম এবং খরচও বেশি।
গত জুনে পেন্টাগন ইউনিট্রিকে চীনা সামরিক প্রতিষ্ঠানের তালিকায় যুক্ত করে। তবে এর কারণে সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। ইউনিট্রি বলেছে, তাদের রোবটগুলো বেসামরিক ব্যবহারের জন্য তৈরি। গবেষকদের মতে, মার্কিন সামরিক গবেষণার ফলাফল ব্যবহার করে ইউনিট্রি কোনো অন্যায় করেনি। কারণ, প্রযুক্তির উন্নয়ন দ্রুত করতে ওই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ্যেই দেওয়া হয়েছিল।
মার্কিন আর্মি রিসার্চ ল্যাবরেটরির মুখপাত্র আমান্ডা লিগন বলেন, ওই গবেষণা মার্কিন রোবোটিক্স খাতকে শক্তিশালী করেছে এবং পরবর্তী সরকারি-বেসরকারি গবেষণায়ও এর প্রভাব পড়েছে। তবে ইউনিট্রি কীভাবে এই প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে, সে বিষয়ে পেন্টাগন কোনো মন্তব্য করেনি।
আরও পড়ুন: জামায়াত নেতাদের ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি, রাশেদকে চ্যালেঞ্জ
কম্পানির নথি অনুযায়ী, ইউনিট্রি গত বছর ৫ হাজার ৫০০-এর বেশি হিউমানয়েড এবং ১৮ হাজার চতুষ্পদী রোবট বিক্রি করেছে। বুধবার শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির আগে কম্পানিটির মূল্য প্রায় ৯০০ কোটি ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ইলন মাস্কের টেসলাসহ কোনো মার্কিন কম্পানি এখনো এ ধরনের রোবট বড় পরিসরে উৎপাদন করতে পারেনি। যদিও টেসলা কয়েক বছর ধরে তাদের অপটিমাস হিউমানয়েড রোবটের বিভিন্ন নমুনা দেখিয়ে আসছে। গত জানুয়ারিতে এক আয়-সংক্রান্ত আলোচনায় মাস্ক চীনের উৎপাদন সক্ষমতাকে ‘অবিশ্বাস্যভাবে দক্ষ’ বলে মন্তব্য করেন।
মার্কিন রোবট নির্মাতা বস্টন ডায়নামিক্সের ‘স্পট’ রোবটও বেশ পরিচিত। ২০১৯ সালে তৈরি এই রোবটটি ইউনিট্রির রোবটের চেয়ে ভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের এক শুনানিতে বস্টন ডায়নামিক্স সতর্ক করে বলেছে, চীনা কম্পানিগুলোর কম দামের রোবটের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে না পারলে মার্কিন কম্পানিগুলো বাজার থেকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা মার্কিন রোবটিক্স গবেষকেরা সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণার ফলাফল গোপন রাখার পক্ষে মত দেননি। বরং তাদের মতে, চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের উচিত এসব গবেষণার ফল দ্রুত বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা। তাহলে মার্কিন কম্পানিগুলো নতুন প্রযুক্তি দ্রুত বাজারে আনতে পারবে এবং চীনা কম্পানিগুলোর সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম হবে।
আরও পড়ুন: লাভরভ: ইউরোপের নেতারা রাজনৈতিক আত্মনিপীড়ক
যুক্তরাষ্ট্র রোবট তৈরির প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকলেও চীন এসব প্রযুক্তি দ্রুত বড় পরিসরে উৎপাদন করে বাজার দখল করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের শক্তিশালী শিল্পভিত্তি, কম খরচে যন্ত্রাংশ উৎপাদন এবং বড় বিনিয়োগ এ ক্ষেত্রে বড় সুবিধা দিচ্ছে।
২০১০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মার্কিন সেনাবাহিনীর অর্থায়নে রোবোটিক্স কোলাবোরেটিভ টেকনোলজি অ্যালায়েন্স (আরসিটিএ) নামে একটি গবেষণা প্রকল্প চলেছিল। এতে পেনসিলভালনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, এমআইটি, বস্টন ডায়নামিক্স ও নাসার গবেষকেরা কাজ করেন।
২০১৬ সালে পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা রোবটের ভারী গিয়ারবক্স বাদ দিয়ে পায়ের মধ্যে মোটর বসানোর প্রযুক্তি উন্নত করেন। এতে রোবট বিভিন্ন ধরনের মাটিতে সহজে চলতে ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। এই গবেষণার ভিত্তি ছিল এমআইটির একটি প্রকল্প, যা ডিএআরপিএর অর্থায়নে পরিচালিত হয়েছিল।
২০১৯ সালে এমআইটি ‘মিনি চিতা’ নামে একটি রোবট তৈরি করে। এটি শক্তিশালী ছিল এবং পেছনের দিকে ডিগবাজিও দিতে পারত। রোবটটির অ্যাকচুয়েটরের নকশা নিয়ে গবেষণাপত্র প্রকাশের কয়েক মাসের মধ্যেই চীনা কোম্পানিগুলো একই ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি শুরু করে। এমনকি সেগুলো অনলাইনে বিক্রিও হচ্ছিল।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গার্মেন্টস শ্রমিক কার্তিক নিহত
চীনের ইউনিট্রি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ওয়াং শিংশিং তাঁর মাস্টার্সের গবেষণাপত্রে এমআইটির চিতা রোবট নিয়ে করা গবেষণার উল্লেখ করেন এবং ওই গবেষণার অবদানকে ‘অগ্রগামী’ বলে স্বীকার করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন গবেষণা প্রকাশ্যে আসায় চীনা কম্পানিগুলো সেসব প্রযুক্তি দ্রুত কাজে লাগানোর সুযোগ পেয়েছে। তবে গবেষকেরা বলছেন, শুধু প্রযুক্তি অনুসরণ করলেই সাফল্য আসে না। সেটিকে কম খরচে এবং বড় পরিসরে উৎপাদন করার সক্ষমতাও প্রয়োজন।
বর্তমানে ইউনিট্রি সেই উৎপাদন সক্ষমতার বড় উদাহরণ। বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রে রোবট তৈরির গবেষণা শক্তিশালী হলেও সেগুলো ব্যাপক বাণিজ্যিক উৎপাদনে নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশটি এখনো পিছিয়ে রয়েছে।
ইউনিট্রির প্রতিষ্ঠাতা ওয়াং শিংশিং তাঁর মাস্টার্সের গবেষণাপত্রে রোবটের নকশায় কিছু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, পরিবার ও শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। তাঁর গবেষণাপত্রে মার্কিন সেনাবাহিনীর অর্থায়নে পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের করা গবেষণারও উল্লেখ ছিল।
আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে ইউপি সদস্যকে মারধর করলেন বিএনপি নেতা তোতা
ইউনিট্রি জানিয়েছে, তাদের চতুষ্পদী রোবটের মোটর, গিয়ার, কন্ট্রোলার ও কিছু সেন্সর তারা নিজেরাই তৈরি করে। এদিকে এমআইটির গবেষক বেন কাটজ বলেন, তিনি নিজের তৈরি রোবটের অ্যাকচুয়েটর বাজারে আনার উদ্যোগ নেননি। তখন তিনি মনে করেছিলেন, এর তেমন বাজার নেই। তাঁর মতে, চীনের দ্রুত উৎপাদনে যাওয়ার সক্ষমতা রোবোটিক্স শিল্পে বড় সুবিধা তৈরি করেছে। সহজে অ্যাকচুয়েটর পাওয়া যাওয়ায় চীনে রোবট তৈরির কাজও দ্রুত এগিয়েছে।
এমআইটির আরেক গবেষক জোয়াও রামোস বলেন, ইউনিট্রির রোবটের আকার, কাঠামো ও নকশার সঙ্গে মিনি চিতা রোবটের মিল রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি ইউনিট্রির প্রকৌশল দক্ষতার প্রশংসা করেন। রামোসের মতে, প্রযুক্তিকে বাস্তব পণ্যে রূপ দেওয়া এবং সেটি বড় পরিসরে উৎপাদন করার কৃতিত্ব ইউনিট্রির।
চতুষ্পদী রোবট এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহার শুরু হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন, দুই দেশই সামরিক কাজে এসব রোবট ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে। গত অক্টোবরে চীনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) একটি সামরিক মহড়ার ভিডিওতে ‘রোবট উলফ’ নামের চতুষ্পদী রোবট দেখা যায়। ওই মহড়ায় সৈকতে অবতরণের অনুশীলন করা হচ্ছিল।
ইউনিট্রি অবশ্য বলেছে, তাদের রোবট বেসামরিক ব্যবহারের জন্য তৈরি। ২০২২ সালে কয়েকটি মার্কিন কোম্পানির সঙ্গে একটি খোলা চিঠিতে সই করে তারা রোবটকে অস্ত্রসজ্জিত না করার অঙ্গীকারও করেছিল। এতে অস্ত্রসজ্জিত রোবটের সম্ভাব্য ক্ষতি ও নৈতিক ঝুঁকির কথা বলা হয়।
আরও পড়ুন: গাজায় এতিম ৭১ হাজার শিশু, স্বামীহারা ৬৪ হাজার নারী
তবে চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ভিডিওতে ইউনিট্রির জিও২ রোবট এবং বি১ সিরিজের একটি পরিবর্তিত রোবটকে চীনা সেনাদের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় দেখা গেছে। একটি রোবটের ওপর অ্যাসল্ট রাইফেল বসিয়ে গুলি চালাতেও দেখা যায়।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন সেনাবাহিনী দুটি ইউনিট্রি গো২ রোবট কেনার জন্য বিশেষ অনুমোদন নেয়। সরকারি নথিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে একই মানের পর্যাপ্ত বিকল্প রোবট না থাকায় এগুলো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত রোবট দুটি কেনা হয়েছিল কি না, তা রয়টার্স নিশ্চিত করতে পারেনি। ওই মাসের শেষ দিকে মার্কিন মেরিন সেনারাও একটি ইউনিট্রি গো১ রোবটের সঙ্গে রকেট লঞ্চার যুক্ত করে দূর থেকে গুলি চালানোর মহড়া চালায়।
মার্কিন কোম্পানি ঘোস্ট রোবোটিক্স এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ভিশন ৬০ রোবট সরবরাহ করেছে। এসব রোবটের বেশির ভাগই সামরিক ও সরকারি সংস্থাগুলো নজরদারি এবং কঠিন পরিবেশে অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহার করছে। কম্পানিটির প্রথম গ্রাহক ছিল মার্কিন নেভি সিলের তত্ত্বাবধানকারী নেভি স্পেশাল ওয়ারফেয়ার কমান্ড।
ভিশন ৬০-এর কিছু যন্ত্রাংশ এখনো চীনে তৈরি হয়। তবে সরবরাহব্যবস্থা অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে ঘোস্ট রোবোটিক্স। প্রতিটি ভিশন ৬০ রোবটের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ডলারের বেশি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ইউনিট্রির বি সিরিজের রোবটের দাম ১ লাখ ডলারের কম।
ঘোস্ট রোবটিকেসের প্রতিষ্ঠাতা গ্যাভিন কেনেলি বলেন, প্রায় দুই বছর আগে কম্পানিটি মোটরের সরবরাহ চীন থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় সরিয়ে নিয়েছে। তবে চীনা চুম্বক ও কিছু ধাতব উপাদানের ওপর নির্ভরতা কমানো এখনো কঠিন।
কেনেলির মতে, রোবট তৈরিতে চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে যুক্তরাষ্ট্রকে তার মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করতে হবে। কারণ, এসব পণ্য তৈরির সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে নেই। ২০২৪ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার এলআইজি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ২৪ কোটি ডলারে ঘোস্ট রোবটিকসের ৬০ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয়। কেনেলি জানান, তার কম্পানি তাইওয়ানে উৎপাদনকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনা করছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মিত্রদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে। তাদের ছাড়া সামনে এগিয়ে যাওয়ার কোনো পথ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন