০২:৪০ পি.এম
ছয় মাসের যুদ্ধে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার মেজর জেনারেল আহমাদ ভাহিদি। তিনি দাবি করেছেন, ইরানি বাহিনী বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত সামরিক শক্তিকে নতজানু করতে সক্ষম হয়েছে।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বাসিজ, উপজাতীয় বাহিনী ও গোয়েন্দা সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় ভাহিদি বলেন, কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ইরানি বাহিনী তাদের সামরিক অভিযান সফলভাবে পরিচালনা করেছে। এর মাধ্যমে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ব্যাপক গোলাবর্ষণ ও প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও ইরানি বাহিনী সফলভাবে আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক অভিযান চালিয়েছে। দক্ষিণের দ্বীপ ও উপকূলীয় অঞ্চলের প্রচণ্ড গরম এবং আর্দ্রতা থেকে শুরু করে উত্তরের পার্বত্য সীমান্তের তীব্র শীত—সব ধরনের কঠিন পরিস্থিতিতেই তারা যুদ্ধ করেছে।
আরও পড়ুন: নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশে ককরোচ পার্টির সমর্থন
ভাহিদি বলেন, ‘আপনারা বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত সামরিক শক্তিকে নতজানু করেছেন।’
আইআরজিসি প্রধান আরও বলেন, উদ্ভাবনী কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে ইরানি বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তাদের সামরিক তৎপরতা প্রতিপক্ষের ওপর ইরানের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ভাহিদির ভাষ্য, ছয় মাসের এই যুদ্ধ নিপীড়িত জনগণের মধ্যে আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোকে শেষ পর্যন্ত পরাজিত করার নতুন আশা জাগিয়েছে।
এ সময় তিনি যুদ্ধের পুরো সময় ইরানি জনগণের সমর্থন ও অংশগ্রহণেরও প্রশংসা করেন। জনগণের অব্যাহত সমর্থন এবং সৃষ্টিকর্তার সহায়তায় অঞ্চলটির মানুষের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ও লেবাননের মানুষের দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করেন আইআরজিসি প্রধান। সূত্র: তাসনিম নিউজ।
আরও পড়ুন: দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন